মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৭ পি.এম
ময়মনসিংহের ভালুকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী মোছা.মনোয়ারা বেগম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ভালুকা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাঠালী ভালুকাপাড়া এলাকার শুক্কুর আলী, রফিক ও ফুজলু মিয়ার সঙ্গে মনোয়ারা বেগমের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তার স্বামীর পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা নিয়ে সমস্যা তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি,চলাচলের জন্য রাস্তা দেওয়ার কথা থাকলেও অভিযুক্তরা সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে এবং বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগিয়ে পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে পরিবারের সদস্যদের বাড়ি থেকে বের হওয়া ও চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা নিশ্চিত করতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগম।
তবে অভিযুক্ত অভিযোগের বিষয়ে মোঃ শুক্কুর আলী বলেন,আমি আলাউদ্দিন ভাইদের কাছ থেকে জমি কিনেছি। আমার জানামতে,আলাউদ্দিনের সঙ্গে জমি নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। জমি নিয়ে বিরোধ আছে,তবে সেটা ভাইয়ে ভাইয়ে।আমি এতটুকুই জানি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে যৌতুক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, নারী-শিশু নির্যাতন এবং অনলাইনে হয়রানিসহ সমসাময়িক নানা সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার উদ্যোগে কাউখালী সদর ইউনিয়নের কাঠালিয়া পিজিএস বহুমুখী কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে সামাজিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি ও সচেতনতা তৈরিতে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার সভাপতি সুনন্দা সমাদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কাঠালিয়া পিজিএস বহুমুখী কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সহকারী প্রধান শিক্ষক নীতি বিকাশ মিস্ত্রি, সহকারী অধ্যাপক সন্তোষ কুমার এদবর। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহমান, নারী নেত্রী মৌমিতা সাহা এবং শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মাহিম ও নুসরাত জাহান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কাউখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার সভাপতি সুনন্দা সমাদ্দার বলেন,
আমাদের আজকের তরুণ সমাজই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়বে। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অনলাইনে হয়রানি ও নানা ধরনের সাইবার অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এর পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিংয়ের মতো ব্যাধিগুলো এখনো সমাজ থেকে পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে চাই, যাতে তারা শুধু নিজেরাই সুরক্ষিত না থাকে, বরং এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করতে পারে। তরুণ সমাজ সচেতন ও সংগঠিত হলে সব ধরনের সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বক্তারা তাঁদের আলোচনায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান এবং যেকোনো অপরাধমূলক ঘটনার সম্মুখীন হলে প্রতিবাদ করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কলমাকান্দা সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৮ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কলমাকান্দা উপজেলার ৮ নম্বর রংছাতি ইউনিয়নের সন্ন্যাসীপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)-এর পাঁচগাঁও বিওপির একটি টহল দল।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচগাঁও বিওপির চার সদস্যের টহল দল সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানের স্থানটি সীমান্ত পিলার ১১৮১/৫-এস থেকে আনুমানিক ৩৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
অভিযানের একপর্যায়ে সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৮ বোতল ভারতীয় মদ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে ঘটনাস্থলে কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্টরা মাদকগুলো ফেলে পালিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উদ্ধার করা মদগুলো পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিজিবি।
নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)-এর পরিচালক ও অধিনায়ক লে. কর্নেল তৌহিদুল বারী, পিএসসি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মীম আক্তারের বয়স এক বছর ১১ মাস। জন্মের পর থেকে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা-কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিল। জন্মের ১১ মাস পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তার হার্টে একটি ছিদ্র রয়েছে। মেয়ের অসুস্থতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তার দরিদ্র মা-বাবা। অসহায় মা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গিয়ে সন্তানকে বাঁচানোর আকুতি জানালেও, কেউ তার পাশে দাঁড়াননি।
মীম আক্তার টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ফলঘাটা গ্রামের মিজানুর রহমান ও গৃহিণী সাদিয়া আক্তারের প্রথম সন্তান। তাদের আরও একটি ৬ মাস বয়সী ছেলে সন্তান রয়েছে।
মির্জাপুর প্রেস ক্লাবে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে মা সাদিয়া আক্তার বলেন, এক বছর আগে চিকিৎসার জন্য মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে মীমকে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার হার্টে দুটি ছিদ্র ধরা পড়ে। এরপর ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দ্রুত ওপেন হার্ট সার্জারি করার পরামর্শ দেন। এই চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা। কিন্তু পরিবারের পক্ষে এই খরচ বহন করা সম্ভব নয়। শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন। কিন্তু টাকার অভাবে মেয়ের অপারেশন করাতে পারছেন না।
সাদিয়ার চাচা শরিফুল ইসলাম জানান, ‘শিশুর চিকিৎসার কথা ভেবে পরিবারটি দিশাহারা হয়ে পড়েছে। অসহায় পরিবারকে সবার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত।’
শিশুর মা সাদিয়া আক্তার বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। চিকিৎসায় সহযোগিতার জন্য ০১৬৯০২৮১৪৬৮ (বিকাশ) নম্বরে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান সাদিয়া আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের গুরুদাসপুরে ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনের বিরুদ্ধে এক নারীর ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে গুরুদাসপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তিনি গুরুদাসপুরের শ্রীপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের একজন কৃষকের মেয়ে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, পারুল তার স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর থেকে তার বাবা-মায়ের বাড়িতে বসবাস করছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিধবা ভাতা ও উপবৃত্তির টাকা একই মোবাইলের সিমে নিবন্ধন করা এবং আলাদা সিমে টাকা পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনের বাড়িতে যান। এ সময় বিভিন্ন কথাবার্তার মধ্যে চেয়ারম্যান তাকে জড়িয়ে ধরে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী ডাক-চিৎকার করলে চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে তিনি গুরুদাসপুর থানায় বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত মেডিক্যাল অফিসার ডা. মৃদুলা জানান, ‘ওই নারীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আইন মোতাবেক রিপোর্ট পেশ করা হবে।’
মনিরুল ইসলাম দোলনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ