০১:৪৫ এম
আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস গড়েও শেষ রক্ষা হলো না বাংলাদেশের মেয়েদের।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে আজ একটি শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের আভাস থাকলেও, শেষ পর্যন্ত ভারতের কাছে ৫ উইকেটে হার মানতে হলো নিগার সুলতানার নেতৃত্বাধীন দলকে।
এই পরাজয়ের ফলে সেমিফাইনালে খেলার পথ অনেকটাই সংকুচিত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের জন্য।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা খুব একটা আশানুরূপ ছিল না।
দলীয় ৮ রানেই সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার দিলারা আক্তার।
কিন্তু এরপরই জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারি দলকে হাল ধরেন।
তাদের ৪১ বলে ৫১ রানের কার্যকর জুটিতে বাংলাদেশ একটা লড়াইয়ের মতো পুঁজি পায়।
আরও পড়ুন: ২৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট সাময়িক স্থগিত
জুয়াইরিয়া ৩১ বলে ৩৩ এবং সোবহানা ২৬ বলে ২২ রান করে ফিরে গেলেও দলের রানের চাকা সচল রাখতে সক্ষম হন অধিনায়ক নিগার সুলতানা।
তিনি ২৭ বলে ৩২ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ১৩৬ রান সংগ্রহ করে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
তবে ইনিংসের মাঝমাঝি শারমিন আক্তারের রিটায়ার্ড আউট হওয়ার ঘটনাটি দলের রানের গতি কিছুটা কমিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে
শেষ দিকে স্বর্ণা আক্তারের ১৩ এবং রিতু মনির ৮ রানের উপর ভর করে বাংলাদেশ ১৩৬ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে।
ব্যাট করতে নামার পর, শুরুতেই শেফালি বর্মাকে ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ।
মারুফা আক্তারের বলে প্রথম ওভারে শেফালির সহজ ক্যাচটি উইকেটের পেছনে হাতছাড়া করেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা।
সেই জীবন পেয়েই শেফালি ভারতের জয়ের পথকে সহজ করে দেন।
আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা
তিনি ৩৪ বলে ৫৩ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, ফলে বাংলাদেশের বোলাররা কোণঠাসা হয়ে পড়েন।
যষ্টিকা ভাটিয়ার ২৩ ও জেমিমা রদ্রিগেজের ২৬ রানের ক্যামিওতে ১৮ বল বাকি থাকতেই ভারত ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে।
বাংলাদেশের পক্ষে রিতা মনি ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিলেও, এটি পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
চলতি বিশ্বকাপে চার ম্যাচের মধ্যে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় হার।
আরও পড়ুন: দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী
সেমিফাইনালের সমীকরণ এখন বেশ জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে আগামী ২৮ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই নিগারদের সামনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন