বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২২ পি.এম
জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বিশ্বের স্বাভাবিক তাপমাত্রা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা পৃথিবীর বনভূমি, জলাভূমি এবং মেরু অঞ্চলের হিমায়িত মাটিকে এমনভাবে পরিবর্তন করছে যে, এখন এগুলো নিজেই ক্ষতিকর গ্যাস নির্গমন শুরু করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি চাঞ্চল্যকর গবেষণায় দেখা গেছে, প্রকৃতির এই স্বয়ংক্রিয় উসকে দেওয়ার প্রক্রিয়া (ফিডব্যাক লুপ) শতাব্দীর শেষ নাগাদ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মাত্রা অতিরিক্ত ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্র এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ লেটার্স-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, মানবসৃষ্ট দূষণের ফলে সৃষ্ট তাপমাত্রা বৃদ্ধি এখন প্রাকৃতিক উৎসগুলো থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পথ খুলে দিচ্ছে। উচ্চ অক্ষাংশের স্থায়ীভাবে জমে থাকা বরফ বা পারমাফ্রস্ট গলে যাওয়ার কারণে, শুষ্ক বনাঞ্চলে ঘন ঘন ভয়াবহ দাবানল এবং জলাভূমি ও লেকগুলোর পানি গরম হয়ে ওঠার ফলে সেখানে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ মিথেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে জলবায়ু সংকট আরও তীব্র রূপ নিচ্ছে।
বিজ্ঞানী ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের জলবায়ু প্রতিক্রিয়া বলয় সম্পর্কে অবগত থাকলেও বৈশ্বিক নীতি ও জলবায়ু প্রক্ষেপণগুলোতে প্রাকৃতিক উৎসের এই নির্গমনকে অনেকাংশেই হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছে। নতুন গবেষণার হিসাব অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক নির্গমনের ফলে বর্তমান শতাব্দীর শেষ নাগাদ বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রায় অতিরিক্ত ০.২ ডিগ্রি থেকে ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত যোগ হতে পারে। প্রথম দর্শনে এটি সামান্য মনে হলেও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রার সামান্য তারতম্যও বিশ্বজুড়ে মারাত্মক তাপদাহ, বন্যা ও খরার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
গত সপ্তাহেই জাতিসংঘ স্বীকার করেছে যে প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখার যে আন্তর্জাতিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল, তা আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই অতিক্রম হয়ে যাবে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের আঘাত আরও দ্রুত ও তীব্র হবে। তবে নতুন এই গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাস্তব পরিস্থিতি বর্তমান অনুমানের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে, কারণ বর্তমান নীতি নির্ধারণী মডেলগুলোতে পারমাফ্রস্ট, জলাভূমি, মিষ্টি পানি ও দাবানল থেকে নির্গত মিথেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের প্রভাবকে সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
গবেষণার প্রধান দলনেতা ও স্পার্ক ক্লাইমেট সলিউশনস রিসার্চের বিজ্ঞানী স্যাম এবারনেথি জানান, নীতি নির্ধারণী কাঠামোর মূল মডেলগুলোতে এই গোপন অনুঘটকের প্রভাব অনুপস্থিত। এর অর্থ হলো, ভবিষ্যতে আমরা যে পরিমাণ উষ্ণায়নের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি, তাকে খাটো করে দেখা হচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী ক্ষতিকর কার্বন নির্গমনের অবশিষ্ট সীমা ভুলভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ও এই গবেষণার সহ-লেখক রব জ্যাকসন জানিয়েছেন, কার্বন চক্রের এই বিপর্যয় আমরা এখন সরাসরি নিজেদের চোখে দেখতে পাচ্ছি। একে নীতি নির্ধারকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের জলবায়ু সংক্রান্ত নীতিমালায় এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। নতুবা পৃথিবীর জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সব পথ একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের ভয়, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে যদি গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলে যায়, পারমাফ্রস্টের বিলুপ্তি ঘটে কিংবা আমাজন রেইনফরেস্ট মরুভূমিতে পরিণত হয়, তবে পৃথিবী এমন এক বিপর্যয়কর সীমা অতিক্রম করবে, যেখান থেকে মানবজাতির আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। অরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির পরিবেশবিদ বিল রিপল এই নতুন গবেষণা সম্পর্কে মন্তব্য করে বলেন, প্রাকৃতিক এই স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়াগুলো মানুষের তৈরি উষ্ণায়নকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি ১১তম বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের খাদ্যশিল্পের বিকাশে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দেশের বিপুল সম্ভাবনাময় খাদ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষক ও কৃষির উন্নয়ন এবং জনগণের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
খাদ্য মন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি দেশের খাদ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যশিল্পের উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান। খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, অপচয় হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এ ক্ষেত্রে বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর মতো আয়োজন উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি করে সরকারের এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) এবং রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (রিমস) যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আলজেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইতালি, জাপান, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুইজারল্যান্ড, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তুরস্ক, স্পেন, সুইডেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ।
বাপার সভাপতি মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান। এছাড়া এক্সপো আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরীসহ বাপা, এক্সপো আয়োজক কমিটি এবং রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের (রিমস) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বহনকারী বিমানটি মলদোভা থেকে উড্ডয়নের সময় ড্রোনের কারণে প্রায় বিপদের সম্মুখীন হয়েছিল। তবে ইউক্রেনের একটি সূত্র এই হুমকিকে অতিরঞ্জিত বলে অভিহিত করেছে।
স্টোর গত বুধবার নরওয়ের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে-কে বলেন, মলদোভা থেকে উড্ডয়নের সময় জেলেনস্কির বিমানটি প্রায় একটি ড্রোনের আঘাতের শিকার হতে পারত। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি।
মলদোভার সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ড্রোনের সতর্কতার কারণে দেশটির আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরে একটি রুশ ড্রোন মলদোভা ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হওয়ার পর জেলেনস্কির বিমানটি উড্ডয়ন করতে সক্ষম হয়। তবে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এবং মলদোভার মুখপাত্র যে ড্রোনের কথা উল্লেখ করেছেন, সেটি একই ড্রোন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জেলেনস্কি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অসলোতে পৌঁছান।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার জানিয়েছে, মঙ্গলবার একটি রুশ শাহেদ ড্রোন প্রায় এক ঘণ্টা মলদোভা ও রোমানিয়ার আকাশসীমায় উড়েছিল। পরে সেটি মলদোভায় বিধ্বস্ত হয়।
সূত্র: ডয়চে ভেলে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের নবম স্তরের ফুটবল ক্লাব এসই ডনসের গোলকিপার ও অধিনায়ক জর্জ ডেসমন্ড কামুরাসি এবার রাজপরিবারের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। ৩৬ বছর বয়সী এই ফুটবলারকে উগান্ডার তোড়ো জনগোষ্ঠীর পরবর্তী রাজা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
কামুরাসির চাচাতো ভাই কিং ওয়ো নিয়িম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯৫ সালে মাত্র তিন বছর বয়সে তোড়ো রাজ্যের সিংহাসনে বসা কিং ওয়োর মৃত্যুর পর নতুন রাজা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
উগান্ডার সাংবাদিক অ্যান্ড্রু মওয়েন্দার তথ্য অনুযায়ী, ২১ সদস্যের একটি কমিটি কামুরাসিকে পরবর্তী রাজা হিসেবে বেছে নিয়েছে। তবে তোড়ো রাজপরিবারের ঐতিহ্য অনুসারে প্রয়াত রাজাকে সমাহিত করার পরই কামুরাসির নিয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
রাজা ওয়োর মৃত্যুর পর তোড়ো রাজ্যে নয় দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার স্মরণে এক মিলিয়ন গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন উগান্ডার কর্মকর্তারা।
এদিকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে কামুরাসি এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তাকে লন্ডনের জীবন ছেড়ে উগান্ডায় ফিরে রাজপরিবারের দায়িত্ব নিতে কিছুটা অনিচ্ছুক বলে দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
কামুরাসির জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে ফুটবল নিয়ে। এসই ডনস বর্তমানে সাউদার্ন কাউন্টিজ ইস্ট লিগ প্রিমিয়ার ডিভিশনে খেলছে। শনিবার এফএ কাপের দ্বিতীয় বাছাই পর্বে চিচেস্টার সিটির বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে দলটির। একই দিন প্রয়াত রাজা ওয়োরের শেষকৃত্যও অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে এরিথ টাউনের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জিতে এফএ কাপের দ্বিতীয় বাছাই পর্বে জায়গা করে নিয়েছে কামুরাসির দল। ফলে দীর্ঘদিনের ফুটবল ক্যারিয়ার এবং তোড়ো রাজপরিবারের ঐতিহ্যবাহী দায়িত্বের মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছেন ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার এই গোলকিপার।
ফুটবলের বাইরেও কামুরাসির পরিচিতি রয়েছে। একসময় ‘সকার এএম’-এর কার পার্ক চ্যালেঞ্জে গোলরক্ষক হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তারকা ও দর্শকদের নেওয়া শট ঠেকানোর চ্যালেঞ্জে তাকে দেখা গিয়েছিল।
তোড়ো রাজ্যের রাজাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা না থাকলেও জনগণের ওপর তাদের গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রভাব রয়েছে। ফলে কামুরাসির রাজা হওয়া তার ফুটবল ক্যারিয়ারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনা ডাচ ক্লাব ফেইনুর্ডকে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে। তবে, দলের এই বিশাল জয়ের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বার্সেলোনার হোম ভেন্যু ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার ও তার বেহাল অবস্থা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ন্যু ক্যাম্পে খেলা চলাকালীন, স্টেডিয়ামের প্রেস বক্সের একটি অংশে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হতে থাকে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে, কিছু সাংবাদিককে কাজ ফেলে সরে যেতে বাধ্য হতে হয়।
ব্রাজিলের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাম্প ন্যুর একটি অংশের ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি ঝরনার মতো পড়ছিল।
সাংবাদিকদের টেবিল, আসন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম পানিতে ভিজে যায়। অনেকেই দ্রুত নিজেদের মোবাইল, ব্যাগ ও নোট সরিয়ে নেন।
তবে, এটিকে ক্যাম্প ন্যুর ‘নতুন ছাদ ফুটো’ বলা সঠিক হবে না। কারণ, স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি।
দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্টেডিয়ামের তৃতীয় স্তরের কাজ এখনও শেষ হয়নি এবং রিট্র্যাকটেবল রুফ (যে ছাদ সহজে খোলা ও বন্ধ করা যায়) বসানোর কাজও এখনো বাকি রয়েছে। এই কাজ শুরু হওয়ার কথা ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে।
জার্মান সংবাদমাধ্যম লাওলা১ জানিয়েছে, ক্যাম্প ন্যুতে এখনও ছাদ নেই। সংস্কার প্রকল্পে ইতোমধ্যে ব্যয় এক বিলিয়ন ইউরোর বেশি হয়েছে। তবে, প্রবল বৃষ্টির কারণে বার্সেলোনার পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে দেয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ