বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:০৬ পি.এম
বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমানোর জন্য এবং নগরীজুড়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নগরজুড়ে ড্রেন পরিষ্কার ও কাদামাটি অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেন থেকে ময়লা-আবর্জনা, পলি ও কাদামাটি অপসারণের পাশাপাশি ঝোপঝাড় ও আগাছাও পরিষ্কার করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এই কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উপশহর, গ্রেটার রোড সংলগ্ন এলাকা এবং পদ্মা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ড্রেন থেকে জমে থাকা কাদামাটি অপসারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ার কারণে অনেক স্থানে পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রাসিক সূত্র জানায়, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং নাগরিক দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আবাসিক এলাকা ও তার আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, মশক নিয়ন্ত্রণ, কাদামাটি অপসারণ, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন ও নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তার নির্দেশনায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।
দড়িখরবোনা এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম পলাশ জানিয়েছেন, গ্রেটার রোড এলাকায় ড্রেন দীর্ঘ দিন পরিষ্কার না হওয়ায় বৃষ্টির সময়ে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল এবং সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিত। বিষয়টি রাসিক প্রশাসকের নজরে আনার পর দ্রুত পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী আজ স্বস্তি পেয়েছেন।
ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমের তদারকি করেন রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং-মশক) জুবায়ের হোসেন মুন, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) শাহরিয়ার জিতু, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) আশরাফুজ্জামান সজিবসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বিভিন্ন কারণে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে শ্রেণিকক্ষে ও বাইরে অশিক্ষকসুলভ আচরণ, নৈতিক স্খলন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা পরিপন্থী কার্যক্রম এবং গবেষণা ও নিয়োগে অনিয়ম। বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো চারজন শিক্ষককে সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক সভায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমকে গ্রাহ্য করা হয়েছে তার শ্রেণিকক্ষে ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে অশিক্ষকসুলভ আচরণ এবং নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের কারণে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার জন্য।
এছাড়া, বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও গবেষণা কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. আফরোজা শেলীকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা পরিপন্থী কার্যক্রম, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারবিরোধী অপপ্রচার এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের অভিযোগে ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিতকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
একই অভিযোগে, ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ এবং শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলামকে (রফিক শাহরিয়ার) অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফারসি ভাষা এবং সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিনকে এমফিল ও পিএইচডি থিসিসে সাদৃশ্যমূলক চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অবশ্যই উল্লেখ্য, অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যক্রমের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) এ কে এম মাহবুব মুস্তাফাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, ঠাকুরগাঁও এর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৬ টায় বালিয়াডাঙ্গী অডিটোরিয়াম হলরুমে একটি কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী শাহ। সঞ্চালনা করেন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদুজ্জামান চৌধুরী (রাশেদ)।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মোঃ আব্দুস সালাম। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ পয়গাম আলী।
এছাড়া সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আহ্বায়ক মোঃ মাসুদুল ইসলাম মুন্না, সদস্য সচিব মোঃ কামারুজ্জামান কামু, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মোঃ ইউসুফ আলী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মোঃ জিল্লুর রহমান।
বক্তারা উল্লেখ করেন যে, দলকে আরও সুসংগঠিত করা, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা, ঐক্য বজায় রাখা এবং আগামীর রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করার জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কর্মী সভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ইরানের হামলার পর বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং শিগগিরই ঢাকা সফরের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ঢাকাস্থ ইউএই দূতাবাস আজ জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সাথে তারেক রহমানের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে ইউএই প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশকে কঠিন সময়ে সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
হামলায় ইউএইতে বসবাসরত দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহতের ঘটনায় শেখ মোহাম্মদ শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারদের পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ইউএই প্রেসিডেন্ট পুনর্ব্যক্ত করলেন, অর্থনৈতিক, উন্নয়ন ও মানবিক খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে।
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণকে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে স্বাগত জানান এবং সুবিধাজনক প্রথম সুযোগে সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসার আগ্রহও প্রকাশ করেন।
শেখ মোহাম্মদ আশা প্রকাশ করেছেন, এই সফর দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের বিদ্যমান সুদৃঢ় সম্পর্ককে আরও গভীর করে তুলবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে তাদের কাছে একটি ল্যাপটপ, সাতটি মোবাইল ফোন, ১৩টি সিম কার্ড ও নয়টি বাংলাদেশি ভুয়া পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারদের নাম হলো মারিফুল ইসলাম (২১) এবং বাচ্চা বাউ, যিনি হাসিনুর নামে পরিচিত (২৮)।
ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত মঙ্গলবার তাদের গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনার পর পল্লবী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের হওয়া একটি মামলার তদন্ত চলছে।
ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. ওয়ালিউল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে আকর্ষণীয় চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।
এরপর তারা বিদেশে চাকরি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে মেডিক্যাল ফি, ভিসা প্রসেসিং, ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, টিকিটসহ নানা খাতের জন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ধাপে ধাপে অর্থ গ্রহণ করতেন।
তিনি আরও জানান, বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য তারা ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা অ্যাপ্রুভাল লেটার এবং অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি ভুয়া এলএমআইএ (লেবার মার্কেট ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট) ও ভিসা ভেরিফিকেশন ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেন। ওই ওয়েবসাইটে পাসপোর্ট নম্বর দিলেই ভিসা অনুমোদনের ভুয়া বার্তা দেখানো হতো, যা অনেক ভুক্তভোগীকে প্রতারণার শিকার করতে সাহায্য করেছে।
মামলার বাদী অস্ট্রেলিয়ায় চাকরির আশায় অভিযুক্তদের বিশ্বাস করে বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মেডিকেল, ভিসা প্রসেসিং ও ডকুমেন্ট চার্জ বাবদ প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু পরে যখন আরো অর্থ দাবি করা হয় এবং বিদেশে পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা না করা হয়, তখন তিনি প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিক তদন্তে ডিবি জানতে পেরেছে, চক্রটি অন্তত ৭২ জনের বেশি ভুক্তভোগীর সঙ্গে একই ধরনের প্রতারণা করেছে। জব্দ করা ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা করে ভুক্তভোগীদের তথ্য, মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনের আলামত এবং ভুয়া ভিসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি পাওয়া গেছে।
ডিবি জানিয়েছে, চক্রটির সঙ্গে আরো কয়েকজন সদস্য জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিদেশে চাকরি申请 করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি অনুমোদন ও বৈধতা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে ডিবি। তারা বলেছেন, শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিজ্ঞাপন বা অপরিচিত ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস করে অর্থ লেনদেন করবেন না। ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট বা অন্যান্য কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট বা দূতাবাসের মাধ্যমে যাচাই করুন। যদি কেউ প্রতারণার শিকার হন বা এ ধরনের তথ্য জানেন তবে দ্রুত নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ