বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১৫ পি.এম
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ইরানের হামলার পর বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং শিগগিরই ঢাকা সফরের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ঢাকাস্থ ইউএই দূতাবাস আজ জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সাথে তারেক রহমানের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে ইউএই প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশকে কঠিন সময়ে সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
হামলায় ইউএইতে বসবাসরত দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহতের ঘটনায় শেখ মোহাম্মদ শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারদের পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ইউএই প্রেসিডেন্ট পুনর্ব্যক্ত করলেন, অর্থনৈতিক, উন্নয়ন ও মানবিক খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে।
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণকে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে স্বাগত জানান এবং সুবিধাজনক প্রথম সুযোগে সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসার আগ্রহও প্রকাশ করেন।
শেখ মোহাম্মদ আশা প্রকাশ করেছেন, এই সফর দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের বিদ্যমান সুদৃঢ় সম্পর্ককে আরও গভীর করে তুলবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে তাদের কাছে একটি ল্যাপটপ, সাতটি মোবাইল ফোন, ১৩টি সিম কার্ড ও নয়টি বাংলাদেশি ভুয়া পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারদের নাম হলো মারিফুল ইসলাম (২১) এবং বাচ্চা বাউ, যিনি হাসিনুর নামে পরিচিত (২৮)।
ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত মঙ্গলবার তাদের গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনার পর পল্লবী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের হওয়া একটি মামলার তদন্ত চলছে।
ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. ওয়ালিউল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে আকর্ষণীয় চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।
এরপর তারা বিদেশে চাকরি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে মেডিক্যাল ফি, ভিসা প্রসেসিং, ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, টিকিটসহ নানা খাতের জন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ধাপে ধাপে অর্থ গ্রহণ করতেন।
তিনি আরও জানান, বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য তারা ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা অ্যাপ্রুভাল লেটার এবং অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি ভুয়া এলএমআইএ (লেবার মার্কেট ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট) ও ভিসা ভেরিফিকেশন ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেন। ওই ওয়েবসাইটে পাসপোর্ট নম্বর দিলেই ভিসা অনুমোদনের ভুয়া বার্তা দেখানো হতো, যা অনেক ভুক্তভোগীকে প্রতারণার শিকার করতে সাহায্য করেছে।
মামলার বাদী অস্ট্রেলিয়ায় চাকরির আশায় অভিযুক্তদের বিশ্বাস করে বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মেডিকেল, ভিসা প্রসেসিং ও ডকুমেন্ট চার্জ বাবদ প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু পরে যখন আরো অর্থ দাবি করা হয় এবং বিদেশে পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা না করা হয়, তখন তিনি প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিক তদন্তে ডিবি জানতে পেরেছে, চক্রটি অন্তত ৭২ জনের বেশি ভুক্তভোগীর সঙ্গে একই ধরনের প্রতারণা করেছে। জব্দ করা ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা করে ভুক্তভোগীদের তথ্য, মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনের আলামত এবং ভুয়া ভিসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি পাওয়া গেছে।
ডিবি জানিয়েছে, চক্রটির সঙ্গে আরো কয়েকজন সদস্য জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিদেশে চাকরি申请 করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি অনুমোদন ও বৈধতা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে ডিবি। তারা বলেছেন, শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিজ্ঞাপন বা অপরিচিত ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস করে অর্থ লেনদেন করবেন না। ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট বা অন্যান্য কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট বা দূতাবাসের মাধ্যমে যাচাই করুন। যদি কেউ প্রতারণার শিকার হন বা এ ধরনের তথ্য জানেন তবে দ্রুত নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) প্রশাসনের সাথে নরওয়ে দূতাবাসের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভাটি আজ চুয়েটের সিন্ডিকেট কক্ষে আয়োজন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। উল্লেখযোগ্য যে, চুয়েট এবং নরওয়ের এগডার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত চলমান কেয়ার প্রকল্পের আওতায় আগামী ৬ আগস্ট চুয়েটের চার শিক্ষার্থী নরওয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের সার্বিক সাফল্য কামনা করে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম বলেছেন, "নরওয়েতে শিক্ষা ও গবেষণার এ সুযোগ শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান দেশের কল্যাণে এবং চুয়েটের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে কাজে লাগাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।" এর আগে গতকাল, চুয়েট এবং ঢাকাস্থ নরওয়ের দূতাবাস পরিচালিত বাংলাদেশ নরওয়ে রিনিউবেল এনার্জি হাবের চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন চুয়েটের ভিসি ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। সভায় চুয়েটের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজির (আইইটি) পরিচালক অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহাম্মদ, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির। নরওয়ে দূতাবাসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হেনরিক এংমো, লিনেয়া ডাল এবং ঢাকা রয়্যাল নরওয়ে দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিষয়ক ও বাণিজ্য উপদেষ্টা জনাব সৈয়দ মুনতাসির বায়জিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুয়েতের আল আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনার ওপর নতুন করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
এই ড্রোন হামলায় দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার, একটি জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং বেশ কিছু সামরিক হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই), ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএর বরাতে প্রকাশিত খবরে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
আইআরজিসি জানাচ্ছে, তাদের পরিচালিত ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ৫৬তম ধাপ হিসেবে এই আক্রমণটি সংগঠিত করা হয়েছে। হামলায় মার্কিন ঘাঁটিটির দুটো ড্রোন রাখার স্থান, একটি বিশালাকার জ্বালানি ট্যাংক এবং বেশ কয়েকটি সামরিক হেলিকপ্টার পুরোপুরি আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়।
একই বিজ্ঞপ্তিতে আইআরজিসি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা না হলে এবং মুসলিম বিশ্বের সম্পদ লুটপাট বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। কুয়েতের সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তাতেও এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
তবে, আইআরজিসির এই বৃহদাকার হামলার দাবির বিষয়ে কুয়েত বা মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রশাসন অধিক জনবান্ধব হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী জানানোর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দক্ষ, উদ্ভাবনী, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনকল্যাণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে হবে।
একইসঙ্গে, তিনি উল্লেখ করেন যে, সমৃদ্ধ, মর্যাদাশীল ও উজ্জ্বল বাংলাদেশ গঠনে মেধা, শ্রম ও সততার সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ১৪৪ ও ১৪৫তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠান হিসেবে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রশাসন আর কেবল নথিপত্র পরিচালনার সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ওপর নির্ভরশীল।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতোমধ্যে নীতি বিশ্লেষণ, সেবা প্রদান, অভিযোগ নিষ্পত্তি, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ভবিষ্যতের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই প্রযুক্তিটি দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে। তিনি গুরুত্বারোপ করেন যে, সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে এআই নির্ভর করে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলার প্রয়োজন।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে তৈরি পোশাক শিল্পের পাশাপাশি চামড়া শিল্প, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন এবং জ্ঞানভিত্তিক সেবা খাতের বিকাশ জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার স্টার্টআপ খাতে চলতি অর্থবছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে।
চীনের ‘একটি গ্রাম, একটি পণ্য’ উদ্যোগের উদাহরণ তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার নিজস্ব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে। সকলকে মিলে এ বিষয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি পরীক্ষামূলকভাবে একটি জেলায় এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান কর্মকর্তাদের। তিনি আরও বলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পরিচয় তার পদবিতে নয়, বরং কর্ম, সততা ও উদ্ভাবনী চিন্তায়।
মানুষের জীবন সহজ করা, সময় সাশ্রয় এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মকর্তাকে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও কর্মসংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।
এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনসহ সব পর্যায়ের কর্মকর্তার আন্তরিকতা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠা অপরিহার্য।
নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর্মজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ আসবে, তবে প্রতিটি সংকটকে সুযোগে রূপ দিতে হবে। জ্ঞানচর্চা অব্যাহত রাখতে হবে এবং নতুন প্রযুক্তি ও নতুন ধারণা গ্রহণে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, আজ যে সনদ তারা গ্রহণ করছেন, সেটি শিক্ষার সমাপ্তি নয়, বরং আজীবন শিক্ষার নতুন অভিযাত্রার সূচনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম বলেন, ‘জনগণের জন্য প্রশাসন, প্রশাসনের জন্য জনগণ নয়’- এই দর্শনকে সামনে রেখেই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়েছে।
তিনি জানান, পাঁচ মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই ব্যাচের ৭৪ জন কর্মকর্তাকে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার, এনএপিডির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক এবং বিসিএস প্রশাসন একাডেমির অনুষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ