ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদা না দিলে হাজী আব্দুর রহিম মার্কেট পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, অতঃপর গ্রেফতার জুয়েল আহমেদ


চাঁদা না দিলে হাজী আব্দুর রহিম মার্কেট পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, অতঃপর গ্রেফতার জুয়েল আহমেদ

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার হাজী আব্দুর রহিম পাইকারি কাপড়ের মার্কেটে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় মো. জুয়েল আহমেদ (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ করার সময় তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পিবিআই গাজীপুর জেলা মো. রকিবুল আক্তার পিপিএম সেবা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি স্ত্রী সোনিয়া খাতুনকে হত্যা: স্বামী রঞ্জিত গ্রেপ্তার

গত ৬ অক্টোবর বিকাল ৫টা ১৯ মিনিটের দিকে বাসন থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তার হাজী আব্দুর রহিম পাইকারি মার্কেটে অবস্থানকালে মার্কেট পরিচালনা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিলটন হোসেনের মোবাইল ফোনে কল করেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। ফোনে তিনি এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মার্কেটে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার এবং সুযোগ পেলে তাকে খুন-জখম করার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় মিলটন হোসেন বাদী হয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানায় ৬ অক্টোবর মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

ঘটনাটি নিয়ে পিবিআই গাজীপুর জেলা ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১২ অক্টোবর রাত ১২টা ৫০ মিনিটে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন দিঘীরচালা এলাকা থেকে জুয়েল আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানায় পিবিআই।

জুয়েল আহমেদের বাড়ি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কাঠারবিল এলাকায়। তার বাবার নাম সাদা মিয়া এবং মায়ের নাম জমিলা বেগম। তিনি প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে গার্মেন্টস কারখানায় চাকরি করছিলেন। এই সময় তিনি অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ায় আসক্ত হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিচিতজনের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ করেন।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অব্যাহতি

ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি হাজী আব্দুর রহিম পাইকারি মার্কেটের সামনের সাইনবোর্ড থেকে ফোন নম্বর সংগ্রহ করে মার্কেট কর্তৃপক্ষের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে তদন্তে উঠে আসে। টাকা না দিলে মার্কেটে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।

পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভয়ে বাদী প্রথমে বিকাশের মাধ্যমে তিন হাজার টাকা দেন। পরে আরও দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়। এরপর সোমবার ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই পিবিআইয়ের অভিযানে গ্রেফতার হন জুয়েল।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৫ ডিসেম্বর ওই মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মার্কেটের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায় এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়। অতীতের ওই অগ্নিকাণ্ডের কথা স্মরণ করিয়েই চাঁদা দাবির সময় মার্কেটে আরও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে পিবিআই জানিয়েছে।

পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলায় মার্কেট ও জনসমাগমস্থলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। চাঁদাবাজি প্রতিরোধে মার্কেটের সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপত্তাপ্রহরী নিয়োগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

আরও পড়ুন: কর্ণফুলী টানেলের আর্থিক লোকসান তদন্তে সংসদীয় কমিটি

তিনি বলেন, অনলাইন গ্যাম্বলিং, ক্যাসিনো ও প্রচলিত জুয়া থেকে মানুষকে দূরে রাখতে রাষ্ট্রীয়, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিপর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআই গাজীপুর জেলার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল রানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবেশীদের বিরোধে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ, মরদেহ দাফনে বাধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


প্রতিবেশীদের বিরোধে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ, মরদেহ দাফনে বাধা

টাঙ্গাইলের কালিহাতী অঞ্চলে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের কারণে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে আব্দুল সালাম (৬০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ দাফন করতে তার স্বজনরা বাধার সম্মুখীন হন। পরে স্থানীয় জনগণ রাস্তার ওপর অবস্থিত একটি ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করে মরদেহ দাফন সম্পন্ন করেন।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বিলপালিমা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আব্দুল সালাম ওই গ্রামের একাব্বর আলীর পুত্র।

স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় আব্দুল সালাম মারা যান। তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার পর রাতে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকায় তা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরে সোমবার সকালে মরদেহ দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বিলপালিমা গ্রামের মাতবর মোজাফফর হোসেন জানান, কবরস্থানে মরদেহ নেওয়ার জন্য রাস্তা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনো সাড়া দেননি।

মৃত আব্দুল সালামের ভাই, পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ বলেন, সোমবার সকাল ১০টার দিকে মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় রাস্তা বন্ধ থাকায় স্থানীয় লোকজন একত্রিত হন। এরপর তারা রাস্তার ওপর অবস্থিত ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তার ভাইয়ের মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী একাব্বর আলীর সঙ্গে বিরোধের কারণে প্রায় দুই বছর ধরে মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন।

বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শাহজালাল বলেন, প্রতিপক্ষ রাস্তার ওপর ঘর নির্মাণ করেছিল। ফলে মরদেহ নিয়ে কবরস্থানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ঘরটি ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেন। এরপর মরদেহ কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়।

কালিহাতী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা নিয়ে বিরোধের কথা তিনি শুনেছেন। এ বিরোধের কারণে ক্ষুব্ধ লোকজন ঘর ভেঙে মরদেহ দাফন করেছেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউল আহসানকে কারাগার থেকেই ভার্চুয়াল শুনানিতে আনা হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


জিয়াউল আহসানকে কারাগার থেকেই ভার্চুয়াল শুনানিতে আনা হয়নি

নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে কারাগার থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি কারাগার থেকেই ভার্চুয়ালি মামলার শুনানিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার বিরুদ্ধে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই শুনানিতে জিয়াউল আহসান ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে কারাগার থেকে অংশ নেবেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়ার সময় নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলে তার ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ কারণে আজ তাকে কারাগারে রেখেই ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছিল, জিয়াউল আহসানকে একক প্রিজন ভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়া নিরাপদ না হলে তাকে কারাগারে রেখেই ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।

সেদিন শুনানিতে জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ও বোন নাজনীন নাহার মন্তব্য করেন, অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে আনা-নেওয়া করা হলেও গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে জিয়াউল আহসানকে একা একটি প্রিজন ভ্যানে করে আনা হচ্ছে। এতে তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নাজনীন নাহার আরও বলেন, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে একা আনা-নেওয়ার সময় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। তাই তাকে অন্য আসামিদের সঙ্গে আনা-নেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অন্য আসামিদের একা আনা না হলেও জিয়াউল আহসানকে কেন একা আনা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জবাবে বলেন, যদি জিয়াউল আহসানের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা থাকে, তবে তাকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে না এনে ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, কারাগার থেকেই ভিডিওর মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে রাষ্ট্রপক্ষের এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন নাজনীন নাহার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অন্য আসামিদের সঙ্গে জিয়াউল আহসানকে আনা হলে নিরাপত্তার সমস্যা কোথায়।

শুনানির একপর্যায়ে কাঠগড়ায় থাকা জিয়াউল আহসান নিজেও কথা বলার অনুমতি চান। ট্রাইব্যুনালের অনুমতি পেয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তাকে একা গাড়িতে আনার উদ্দেশ্য হলো নিজেদের দ্বারা কোনো ঘটনা ঘটিয়ে পরে তার ওপর দায় চাপানো।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ পর্যায়ে

শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন তার জেরা শুরু হওয়ার কথা।

এই মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, মাহ্‌দী আমিনের গুরুত্বারোপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, মাহ্‌দী আমিনের গুরুত্বারোপ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন এবং ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হুমুদি।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং মুসলিম ভ্রাতৃত্বের গভীর বন্ধন নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক সুসংহত হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

এ ছাড়া সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকের প্রসঙ্গ উঠে আসে। ওই আলোচনার ধারাবাহিকতায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় করেন তাঁরা।

বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দেশটিতে বাংলাদেশিদের জন্য ট্যাক্সি ও ট্রাক চালক হিসেবে কাজের সুযোগ সৃষ্টি এবং আরও বেশি দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদার এবং অবকাঠামো ও শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট এসব ক্ষেত্রে বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শিরোপার পথ অনেক দীর্ঘ’, চ্যাম্পিয়নস লিগের ফেভারিট প্রশ্নে ফ্লিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


‘শিরোপার পথ অনেক দীর্ঘ’, চ্যাম্পিয়নস লিগের ফেভারিট প্রশ্নে ফ্লিক

নামের পাশে ৪টি চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফি রয়েছে। তবে শেষ ট্রফির বয়স ১১ বছর হয়ে গেছে। অনেকেই মনে করছেন, এবার দীর্ঘ সময়ের খরা কাটবে। এই মৌসুমে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বার্সেলোনাকে দেখা হচ্ছে।

মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে বার্সেলোনা। এখন পর্যন্ত তারা ৯টি ম্যাচ খেলেছে এবং প্রতিটি ম্যাচেই জয়লাভ করেছে কাতালানরা। আজ রাতে গ্যালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। নামার আগে কোচ হান্সি ফ্লিকের কাছে ফেভারিট নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল।

পা মাটিতে রেখে ফ্লিক যা বলেছেন, তা হলো শিরোপার পথ অনেক দীর্ঘ। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এই অবস্থানে থাকতে পারাটা আমাদের জন্য বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়। আমরা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করি, তবে মৌসুমের শেষ পর্যন্ত যাওয়ার পথটা অনেক দীর্ঘ। আমরা অবশ্য তা জানি।’

ফ্লিক জয়ী মানসিকতা নিয়েই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। বার্সেলোনার কোচ বলেছেন, ‘আমরা জানি আমাদের মনোযোগ ধরে রাখতে হবে এবং আগের ম্যাচগুলোয় যে মানসিকতা দেখিয়েছি, প্রতিটি ম্যাচে সেই একই মানসিকতা নিয়ে নামতে হবে। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দলটি যেন প্রতি ম্যাচে আমাদের প্রয়োজনীয় উদ্দীপনা, মানসিকতা ও তীব্রতা বজায় রাখে।’

দলের ক্ষুধা আগের মতোই রয়েছে জানিয়ে ফ্লিক বলেছেন, ‘অবশ্যই, আমাদের মধ্যে সেই ক্ষুধা আছে। দলের অনেকেই বিশ্বকাপ জিতেছে। তাদের মধ্যে এখনো সেই ক্ষুধা আছে কি না—হ্যাঁ, আছে। আমাদের ভক্তদের জন্য, পরিবারের জন্য কাজ করতে হবে। তবে এটি কঠিন এবং পথটা দীর্ঘ।’

আজ গ্যালাতাসারাইয়ের মাঠে আতিথেয়তা নেবে বার্সেলোনা। ম্যাচ শুরু হবে রাত ১টায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%