শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৭ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছয়টি দূরপাল্লার বাসে ওয়াই-ফাই সংযোগ চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতকে আরো আরামদায়ক করা হবে এবং দীর্ঘ যাত্রাপথে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করা হবে। এই উদ্যোগটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) পরিবহন সম্পাদক মাহিদের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওয়াই-ফাই সুবিধার আওতায় আসা বাসগুলোর মধ্যে রয়েছে—নোঙর, তুরাগ, কালিগঙ্গা, পদ্মা, আড়িয়াল এবং ঐতিহ্য। প্রতিটি বাসে ২.৪ গিগাহার্টজ (2.4G) এবং ৫ গিগাহার্টজ (5G) ব্যান্ডের ওয়াই-ফাই সংযোগ থাকবে।
প্রতিটি ব্যান্ডে সর্বাধিক ১৬ জন ব্যবহারকারী একসঙ্গে ওয়াই-ফাই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন, ফলে মোট ৩২ জন ব্যবহারকারী একসাথে এই সুবিধা উপভোগ করতে সক্ষম হবে।
পরিবহন শাখার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ যাত্রাপথে শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস, একাডেমিক কার্যক্রম, প্রয়োজনীয় তথ্য অনুসন্ধান এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সুবিধা অত্যন্ত সহায়ক হবে। বিশেষ করে, যারা নিয়মিত দূরপাল্লার বাসে যাতায়াত করেন, তারা এই সুবিধার মাধ্যমে যাত্রাপথে প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
ছয়টি বাসে ওয়াই-ফাই সংযোগ চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সুবিধা যুক্ত হবে, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে চৌকিদার প্যারেড পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, পিপিএম।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নাগেশ্বরী থানায় এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পুলিশ সুপার স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চৌকিদারদের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেন।
প্যারেড পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও চৌকিদারদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। এলাকায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা বা অপরাধসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত থানায় জানাতে হবে।
তিনি চৌকিদারদের নিজ নিজ এলাকায় নিয়মিত নজরদারি রাখার পাশাপাশি চুরি, ডাকাতি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত পুলিশকে জানানোর জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা এবং পলাতক আসামি ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করার নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে চৌকিদারদের কাছ থেকে দ্রুত তথ্য পাওয়ার মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব।
প্যারেড পরিদর্শনের সময় নাগেশ্বরী থানার সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও চৌকিদাররা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেটার পৃথ্বী শ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পরিচিত মুখ (ইনফ্লুয়েন্সার) আকৃতি আগারওয়াল বাগদানের মাত্র ছয় মাস পর তাদের সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আকৃতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পারস্পরিক সম্মতিতেই তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আকৃতি ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করে বিচ্ছেদের খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি ভক্ত ও সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করেছেন, তাদের সম্পর্ক নিয়ে কোনো ধরনের অনাহূত জল্পনা বা অনুমান না করার জন্য।
এই ইনফ্লুয়েন্সার তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ভবিষ্যতের লক্ষ্য এবং জীবনের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে পার্থক্য তৈরি হওয়ায় তিনি এবং তার বাগদত্তা আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও একে অপরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অনুভূতি রয়েছে, তথাপি বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
আকৃতি আরও জানান, বর্তমান দায়িত্ব ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দুজনের জন্য সম্পর্ক ছিন্ন করাই সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছে। তিনি সামনে এগিয়ে যাওয়ার এই সময়ে নিজেদের জন্য সর্বাঙ্গীন মঙ্গল, শান্তি ও সুখ কামনা করেছেন।
বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কোনো ধরনের অনুমান না করার অনুরোধ জানিয়ে আকৃতি বলেন, এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখানো উচিত। ভক্ত ও সংবাদমাধ্যমের কাছেও তিনি বিষয়টি নিয়ে জল্পনা না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে চলতি বছরের মার্চে পৃথ্বী এবং আকৃতি বাগদানের খবর প্রকাশ্যে আনেন। পৃথ্বী নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাগদান অনুষ্ঠানের ছবি প্রকাশ করে তাদের সম্পর্কের কথা জানান।
কিন্তু বাগদানের কয়েক মাস পর থেকেই তাদের সম্পর্কে টানাপড়েনের গুঞ্জন শুরু হয়। গত জুলাইয়ে আকৃতির একটি রহস্যময় ও পরোক্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পোস্ট ঘিরে নানা আলোচনা তৈরি হয়। বিশ্বস্ততায় আঘাত বা প্রতারণা নিয়ে করা সেই পোস্টটি পৃথ্বীকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল বলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন।
যদিও পরে আকৃতি নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করে জানান, ওই লেখাটি পৃথ্বীকে উদ্দেশ করে নয়, বরং তার বন্ধুদের জন্য দেওয়া হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত নতুন এই বার্তার মাধ্যমে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজেদের সম্পর্কের ইতি টানার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেন পৃথ্বী এবং আকৃতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোলেরহাট ফাজিল বিএ মাদ্রাসায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম ও শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে দায়িত্ব না দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত গোলেরহাট ফাজিল বিএ মাদ্রাসাটি উপজেলার পূর্ব দুধকুমর নদীর পাড়ে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৪০ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও ৮০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬২ বিঘা জমি, দুটি পুকুর, চারতলা ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানে আরবি বিষয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব না দিয়ে মো. মোকছেদ আলীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ২০২৩ সালের সংশোধিত প্রবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়ার পর বিধি মোতাবেক অধ্যক্ষ নিয়োগের কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা করা হয়নি।
এদিকে, ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জারি হওয়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার আলোকে জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। তবে নতুন নীতিমালা জারির পরও আগের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দায়িত্বে বহাল থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি মাদ্রাসার গাছ কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এতে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
অন্যদিকে, চলতি বছরের ফলাফল নিয়েও হতাশা দেখা দিয়েছে। মাদ্রাসাটির ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৩ জন পাস এবং ৩০ জন অকৃতকার্য হয়েছে বলে জানা গেছে। এমন ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্যক্রম ও শিক্ষার মান নিয়ে অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনিক জটিলতা, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা ও নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি মাদ্রাসায় নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার আগে প্রচলিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক কার্যক্রম, শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি, পাঠদান ব্যবস্থা, সাম্প্রতিক ফলাফল ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মোকছেদ আলীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দীপাঞ্জন ঘোষ প্রিয়ম (২১) গত বুধবার সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে মারা যান। সহপাঠীরা দাবি করেছেন যে দীপাঞ্জন সাঁতার জানতেন। সাঁতার জানার পরও সুইমিংপুলের পানিতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে, ৫ জন একসঙ্গে পুলে নামলেও দীপাঞ্জনের ডুবে যাওয়ার বিষয়টি কেউ দেখতে না পাওয়ায় অনেকে এটিকে রহস্যজনক মনে করছেন।
জানা গেছে, সুইমিংপুলে সাধারণত স্বয়ংক্রিয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বা স্মার্ট পুল কন্ট্রোলার থাকে। জরুরি পরিস্থিতিতে এর মাধ্যমে দ্রুত পানির স্তর কমানোর সুযোগ রয়েছে। তবে, এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়া, সুইমিংপুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন। শিক্ষার্থী মৃত্যুর সময় দায়িত্বরতরা কোথায় ছিলেন? একজন সাঁতারু অসুস্থ হলে তাকে উদ্ধার কার্যক্রমের ব্যবস্থা নিয়ে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
বৃটানিকা সুইমিংপুলের ইনস্ট্রাক্টর আমিরুল ইসলাম আবু জানিয়েছেন, "আমাদের নিয়ম অনুযায়ী সাঁতার না জানলে ৬ ফুটের বেশি গভীর পানিতে নামতে নিষেধ করা হয়। কিন্তু তিনি ৯ ফুট গভীর এলাকায় চলে গিয়েছিলেন।"
সহপাঠী ফায়াজ নবী বলেন, "আমরা তিন বন্ধু নিয়মিতই সেখানে সাঁতার কাটতে যেতাম। আজ প্রিয়মও আমাদের সঙ্গে যাওয়ার কথা বলে এবং জানায় সে সাঁতার জানত।"
তিনি আরও বলেন, "সাঁতার শুরু হলে প্রিয়ম দু-একবার ৯ ফুট গভীর অংশে গিয়ে আবার ফিরে আসে। পরে সে আবার গভীরে চলে যায়, আমরা কেউ টের পায়নি।"
এদিকে, শিক্ষার্থী মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান।
সিলেটের বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক আব্দুস সালাম বলেন, "এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
প্রসঙ্গত, দীপাঞ্জন ঘোষ ও তাঁর সহপাঠীরা একসঙ্গে ব্রিটানিয়া সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় সুইমিংপুলের ৯ ফুট গভীর জায়গা থেকে ডুবন্ত অবস্থায় সুইমিংপুলের কর্মীরা দীপাঞ্জনকে উদ্ধার করেন। সিলেটের দরগা গেট–সংলগ্ন নুরজাহান হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
দীপাঞ্জন ঘোষ প্রিয়ম শাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রতনকান্দি গ্রামের কৃষ্ণ দুলাল ঘোষ ও চম্পা ঘোষের ছেলে। তবে তাদের পরিবার ঢাকার মোহাম্মদপুরে বসবাস করে। প্রিয়ম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সুরমা আবাসিক এলাকার একটি মেসে থাকতেন। তিনি একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন এবং সহপাঠী ও শিক্ষকরা জানিয়েছেন যে তিনি অনেক বিনয়ী ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ