ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

বঙ্গোপসাগরকে সহযোগিতার অঞ্চল করতে চায় বাংলাদেশ: হুমায়ুন কবির


বঙ্গোপসাগরকে সহযোগিতার অঞ্চল করতে চায় বাংলাদেশ: হুমায়ুন কবির

বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরকে সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে নয়, বরং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার অঞ্চল হিসেবে রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল হিসেবে বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।

ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সোমবার (৫ অক্টোবর) সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) কর্তৃক আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর তৃতীয় দিনের অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বর্তমান বিশ্বে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে কৌশলগত প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের গুরুত্বও ক্রমাগত বাড়ছে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কৌশলগত সুযোগে পরিণত করতে হবে।

আরও পড়ুন: হিন্দু সম্প্রদায় কোনো দলের দাসত্ব করে না: মীর শাহে আলম

তিনি আরও বলেন, বঙ্গোপসাগর দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করেছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার, সমুদ্রপথ ও দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতির মধ্যে সংযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ চায়, বঙ্গোপসাগর যেন শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে থাকে এবং এটি সংঘাতের মঞ্চে পরিণত না হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে জাতীয় স্বার্থ। সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য অনুকূল আন্তর্জাতিক পরিবেশ তৈরি করাও এর লক্ষ্য। বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের মধ্যে কোন একটি পক্ষ বেছে নেওয়ার বিষয় হিসেবে দেখে না। যেখানে স্বার্থের মিল রয়েছে, সেখানে সহযোগিতা করা হবে। মতপার্থক্য থাকলে তা সংলাপের মাধ্যমে মোকাবেলা করা হবে।

অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক নীতিকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। বাজার, সরবরাহ ব্যবস্থা, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের বিষয়গুলো কূটনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোকে বাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশের পণ্যের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে আরও সক্রিয় হতে হবে।

আরও পড়ুন: জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা গোমেজের পাশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। সাইবার নিরাপত্তা, খাদ্য, জ্বালানি, পানি, জলবায়ু ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো অপ্রচলিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তদেশীয় সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকটকেও বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বৈশ্বিক নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান কম হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের বড় প্রভাব দেশটিকে বহন করতে হচ্ছে। এ কারণে জলবায়ু ন্যায়বিচার, অভিযোজন অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ১০ লাখের বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। তবে শুধুমাত্র মানবিক সহায়তা দিয়ে এ সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সমাধান প্রয়োজন। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য।

হুমায়ুন কবির বলেন, পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ শুধু পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াবে না, বরং তা গঠনে ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশকে শান্তির অংশীদার, আঞ্চলিক সংযোগের কেন্দ্র, বিনিয়োগের গন্তব্য এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দায়িত্বশীল কণ্ঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘সারের ডিলারশিপ না, বিষের ডিলারশিপ দিন’ ছাত্রদল নেতার মন্তব্য ভাইরাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবিপ্রবিতে ইউজিসির নির্দেশনা প্রত্যাখ্যানের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


পাবিপ্রবিতে ইউজিসির নির্দেশনা প্রত্যাখ্যানের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রণীত ‘গবেষণা অর্থায়ন পরিচালনা নির্দেশনা-২০২৬’ প্রত্যাখ্যান ও পুনর্বিবেচনার দাবিতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শিক্ষকরা।

মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয় সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে। মানববন্ধনের পর শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীমের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

বক্তারা মানববন্ধনে বলেন, গবেষণা অনুদান এবং গবেষণার মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ইউজিসির উদ্যোগকে তাঁরা স্বাগত জানান। তবে তাঁরা উল্লেখ করেন যে, গবেষণা প্রকল্পে প্রধান গবেষক (প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর-পিআই) হিসেবে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের আবেদনের সুযোগ না রাখা এবং পিএইচডিবিহীন অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকদের সুযোগ সীমিত বা বাতিল করার বিধান পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

পাবিপ্রবির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক আশিকুর রহমান অভি বলেন, ‘শুধু পদমর্যাদা বা নির্দিষ্ট ডিগ্রির ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি না করে গবেষণার সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও গবেষণা প্রস্তাবনার মানের ভিত্তিতে যোগ্য গবেষকদের পিআই হিসেবে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকের পদমর্যাদা তাঁর একাডেমিক অবস্থান নির্দেশ করলেও গবেষণা প্রকল্পে নেতৃত্ব দেওয়ার সামগ্রিক সক্ষমতা নির্ধারণ করে না। গবেষণার প্রকাশনা, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা, গবেষণাপদ্ধতির জ্ঞান, পূর্ববর্তী প্রকল্পে অংশগ্রহণ, দল পরিচালনা ও বাজেট ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

শিক্ষকরা জানান, পাবিপ্রবির প্রায় ২১৩ জন শিক্ষকের মধ্যে প্রায় ৭৫ দশমিক ৫৯ শতাংশের পিএইচডি ডিগ্রি নেই। পিআই হিসেবে আবেদনের জন্য পিএইচডি বাধ্যতামূলক করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক যোগ্য শিক্ষক স্বাধীনভাবে গবেষণা প্রকল্পে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। এতে পাবিপ্রবিসহ বিকাশমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ গবেষণা নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে।

তাদের মতে, পিআই হিসেবে আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষক হওয়া, প্রাসঙ্গিক একাডেমিক যোগ্যতা, গবেষণা অভিজ্ঞতা, মানসম্পন্ন প্রকাশনা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে পিএইচডি, উচ্চমানের আন্তর্জাতিক প্রকাশনা, সাইটেশন, পূর্ববর্তী অনুদান ও প্রকল্প পরিচালনার অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, পেটেন্ট, উদ্ভাবন এবং গবেষণার সামাজিক বা নীতিগত প্রভাব বিবেচনা করা যেতে পারে।

মানববন্ধনে শিক্ষকরা পিআই হিসেবে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকসহ সব শিক্ষকের জন্য সমান আবেদনের সুযোগ, পিএইচডিবিহীন অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্য না করা এবং পদমর্যাদার পরিবর্তে গবেষণার যোগ্যতা ও প্রস্তাবনার মানকে প্রাধান্য দিয়ে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন কাঠামো তৈরির দাবি জানান।

এ ছাড়া নবীন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালা পুনর্মূল্যায়ন, নীতিমালা প্রণয়ন বা সংশোধনের আগে শিক্ষক-গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ইউজিসির সঙ্গে শিক্ষক-গবেষকদের মতবিনিময়সভা আয়োজনের দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, প্রথমবার পিআই হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া যোগ্য তরুণ গবেষকের প্রকল্পে অভিজ্ঞ অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপককে কো-পিআই হিসেবে যুক্ত করা যেতে পারে। এতে তরুণ গবেষকদের নেতৃত্বের সুযোগের পাশাপাশি গবেষণার মান ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলাম, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আশিকুর রহমান অভি, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস. এম. শাহেদুল আলম, সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. ফাতেমা বেগম এবং অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন।

এ ছাড়া ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মো. কামরুজ্জামান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মো. খাইরুল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবিরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকরা দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


মাভাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান উন্নত করার লক্ষ্যে কৌশলগত পরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) কনফারেন্স রুমে আইকিউএসি’র উদ্যোগে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান উন্নত করা শুধুমাত্র একটি সূচকে ভালো করার বিষয় নয়, বরং এটি শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রভাব ও আন্তর্জাতিকীকরণ, শিল্প ও সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য-উপাত্তের যথাযথ ব্যবস্থাপনার সমন্বিত ফল।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক মানোন্নয়নের সঙ্গে র‌্যাঙ্কিং কার্যক্রমকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অগ্রগতি ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে, তা ধরে রেখে আরও এগিয়ে যেতে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত।

র‌্যাঙ্কিংয়ের বিভিন্ন সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান শক্তিশালী করতে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও উপস্থাপনায় নির্ভুলতা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তরের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়ার Taylor’s University -এর অধ্যাপক ড. গাজী মাহবুবুল আলম।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. গাজী মাহবুবুল আলম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ের বিভিন্ন সূচক, র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নের কৌশল, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা, তথ্যের মান ও নির্ভরযোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির বলেন, মাভাবিপ্রবির র‌্যাঙ্কিংয়ে সাম্প্রতিক অগ্রগতিকে আরও সুদৃঢ় করতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন।

এ ধরনের সেমিনার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়ের বিভিন্ন সূচক সম্পর্কে ধারণা তৈরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গবাদি পশু ঘিরে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনবল সংকটের অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


গবাদি পশু ঘিরে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনবল সংকটের অনিশ্চয়তা

ভোলার নদী ও সাগরবেষ্টিত জেলায় গবাদি পশুর মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানির জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ বিভাগ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের সফলতার জন্য পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া প্রকল্পের সফলতার দাবি করা হয়েছে। তবে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মধ্যে তীব্র জনবল সংকট বিদ্যমান, যা এই খাতের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।

জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাত উপজেলার মধ্যে পাঁচটি উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদের অভাবে অত্যাধুনিক পরীক্ষাগার অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে কৃষকের গরু-মহিষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই খামারিরা জনবল বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন, যাতে মাঠপর্যায়ের সেবা নিশ্চিত করা যায়।

দীর্ঘদিন ধরে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের জেলা ও উপজেলা কার্যালয়গুলোতে জনবল সংকট চলমান রয়েছে। এই সংকটের মধ্য দিয়েই জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কার্যক্রম তিন ভাগের একভাগ জনবল নিয়ে চলছে।

এদিকে, সাত উপজেলার মধ্যে পাঁচটিতে উপজেলা কর্মকর্তা নেই। কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র সম্পূর্ণ কর্মীশূন্য হয়ে পড়ায় গবাদি পশুর উন্নত প্রজনন সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারেও জনবল নেই। উপজেলা পর্যায়ে সাতটি কার্যালয়ের অর্ধেকের বেশি পদ খালি রয়েছে।

জেলায় গবাদি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাব থাকলেও সেখানে কোন পদ সৃষ্টি হয়নি। জনবল সংকটের কারণে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে সঠিক সময়ে পশুর চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ না পেয়ে ভোলার হাজার হাজার স্থানীয় খামারি ও প্রান্তিক গবাদি পশু পালনকারী দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১১টি পদের বিপরীতে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন মাত্র চারজন। জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের ৯টি পদের সবই শূন্য। জেলা ভেটেনারি হাসপাতালের ছয়টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন চারজন। আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের পাঁচটি পদে কোন জনবল নেই। তবে নেত্রকোনা থেকে প্রেষণে একজন কর্মকর্তা ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে পাঁচজন শ্রমিক হ্যাচারিটিতে কাজ করছেন।

সূত্র জানায়, জেলার সাত উপজেলার প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ৭৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৩৭ জন। এর মধ্যে সদর ও লালমোহন উপজেলা বাদে বাকি পাঁচটিতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নেই। ভেটেনারি সার্জন নেই দুইটি উপজেলায়। উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাতটি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র একজন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ড্রেসার ও অফিস সহায়কের সাতটি পদের সব কয়টি খালি রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে চরম জনবল সংকট বিদ্যমান বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রোগাক্রান্ত পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংবলিত একটি ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা থাকলেও সেখানে এখনো কোনো পদ সৃষ্টি হয়নি।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বাণিজ্যিক ও পারিবারিক ৭০৫টি খামারে পাঁচ লাখ ৯৫ হাজার গরু, ১৮৮টি মহিষের বাথানে এক লাখ ২৪ হাজার মহিষ, ২৮২টি খামারে দুই লাখ ৬৯ হাজার ছাগল, ১৫১টি খামারে ২১ হাজার ৩০৬টি ভেড়া পালন করা হয়। গরু ও মহিষ থেকে বছরে ১ দশমিক ৭৩ লাখ মেট্রিক টন দুধ উৎপাদন ও এক দশমিক ২২৭ মেট্রিক টন মাংস উৎপাদিত হয়।

সূত্র জানায়, পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় গত পাঁচ বছরে ৪২ লাখ ৬৩ হাজার প্রাণিকে ক্ষুরা রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে পিপিআর রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে প্রায় দুই লাখ প্রাণিকে। প্রকল্পের ৯ মাস বাকি থাকতে অর্জিত হয়েছে ৯০ ভাগ সফলতা। এতে প্রাণি মৃত্যুর হার কমে উৎপাদন বেড়েছে।

ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের গরুর খামারি মো. মাইনুদ্দিন জানান, তিনি গত ১৫ বছর ধরে গরুর খামারে গরু পালন করে আসছেন। কিন্তু প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে সরকারি কোনো সেবা ও ওষুধ পাননি। গরুর রোগ-বালাই হলে টাকা দিয়ে চিকিৎসক এনে চিকিৎসা করাতে হয়। গত বছর কয়েকটি ক্ষুরা রোগের ভ্যাকসিন পাওয়া গেছে।

সদর উপজেলার ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইংরোজ আলম টিমন বলেন, সরকার বিদেশে রোগমুক্ত মাংস রপ্তানির জন্য পিপিআর ও ক্ষুরারোগ মুক্ত করতে চার জেলাকে বাছাই করেছে। এর মধ্যে ভোলা অন্যতম। তবে, প্রাণিসম্পদ দপ্তরের জনবল সংকটের কারণে এ উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ভোলা জেলায় ছয় লাখেরও বেশি গরু-মহিষ রয়েছে। সে তুলনায় অভিজ্ঞ চিকিৎসক নেই।

ইংরোজ আলম বলেন, বর্তমানে প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন করে পশু বিশেষজ্ঞ সার্জন প্রয়োজন। অথচ উপজেলায় একজন সার্জনও নেই। ফলে গবাদিপশু পালনকারীরা বেশিরভাগ সময় পশুর যথাযথ চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

ভোলায় প্রাণিসম্পদ খাতে সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে এবং খামারিদের বাঁচাতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছেন এ খামারি।

জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দীনেশ চন্দ্র মজুমদার জানান, এ হাসপাতালে সাতটি পদের মধ্যে তিনটি পদ খালি রয়েছে। এছাড়া প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি ল্যাব দেওয়া হলেও সেখানে কোনো জনবল পদায়ন করা হয়নি।

জনবল সংকটের কারণে রোগ নির্ণয়, টিকাদান, জাত উন্নয়ন, কৃত্রিম প্রজননসহ নিয়মিত চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবুও তারা সেবা দিতে সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পরিপূর্ণ জনবল দেওয়া হলে পূর্ণাঙ্গ সেবা প্রদান সম্ভব হবে।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন কালের কণ্ঠকে বলেন, গবাদি পশু পালনে ভোলা একটি সম্ভাবনাময় জেলা। তাই সরকার ভোলাসহ চারটি জেলায় রোগমুক্ত মাংস উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ কর্মকর্তা বলেন, ভোলাকে পশুর রোগমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করা গেলে এখানকার পশুর মাংস বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। এতে কৃষক উপকৃত হবে। তবে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ জনবল প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রত্যেক উপজেলা কার্যালয়ে ১১টি করে পদ রয়েছে। এই পদ আরো বাড়ানোর প্রয়োজন। কিন্তু পদ যেখানে বাড়ানো দরকার, সেখানে জেলার সাত উপজেলায় বর্তমান পদের অর্ধেকের বেশি শূন্য রয়েছে।

জনবল সংকটে রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম ও চিকিৎসা কার্যক্রমের পাশাপাশি রোগ নিরাময়, সম্প্রসারণ এবং কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জনবলের বিকল্প নেই বলে মনে করেন এ কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বজ্রপাতের শব্দে ১৮ ছাত্রী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


বজ্রপাতের শব্দে ১৮ ছাত্রী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সিংগুয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে বজ্রপাতে অন্তত ১৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হয়। পরপর কয়েকটি বজ্রপাতের শব্দে ভবনের নিচতলার অন্তত ১৮ মেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, পরে শিক্ষক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর বজ্রপাত শুরু হয়। এরপর বিদ্যালয়ের নিচতলা থেকে শিক্ষার্থীদের কান্নার শব্দ শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে দেখি ১৮ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী মাটিতে পড়ে আছে। পরে তাদের অটোরিকশায় করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স আ. মতিন জানান, ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%