বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৭ পি.এম
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মামুন মজুমদার নামের এক নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানান। মামুন মজুমদার উপজেলা কমিটিতে ১নম্বর যুগ্ম সমন্বয়কারী পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহবায়ক ব্যারিষ্টার মাজারুল ইসলাম সোহেল ও সদস্য সচিব সৈয়দ আহসান টিটুর অনুমোদনের পর এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর পরপরই মামুন মজুমদার ফেসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। আহবায়ক কমিটিতে তাকে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাখা হয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে মামুন মজুমদার উল্লেখ করেন, তিনি সব সময় রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকলেও প্রকাশ্যে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠন পর্যন্ত দেশের ক্রান্তিকালে দায়বদ্ধতা থেকে তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সচেতনভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগত কারণে অনেক আগেই রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু জেলা এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন হওয়ার পর সেখানে নিজের নাম দেখতে পান, যা তার নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে হয়নি। এ কারণে তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে উপজেলা কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
একই সঙ্গে নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান এবং উপজেলা এনসিপিতে কাজ করা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের শুভকামনা জানান।
পদত্যাগের বিষয়ে মামুন মজুমদার বলেন, কমিটি ঘোষণার আগেই তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি কমিটিতে থাকবেন না। তবে ভুলবশত তাকে উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিতে রাখা হয়েছে। এ কারণে তিনি ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন। তবে তিনি জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন বলেও জানান।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সৈয়দ আহসান টিটু জানান, মামুন মজুমদার লিখিত কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। তবে তারা ফেসবুকে তার পদত্যাগের পোস্ট দেখেছেন। ইতোমধ্যে উপজেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সৈয়দ আহসান টিটু আরও বলেন, তাদের ধারণা, কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ার কারণে মামুন মজুমদার ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন যে, দেশ (উগ্র) ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, হরেক রঙের নরম-গরম ডান মিলে এটি নিশ্চিতভাবে ছাড়বে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।
‘জুলাই পরবর্তী রাজনীতির আজব দশা’ শিরোনামের স্ট্যাটাসে মাহফুজ আলম লেখেন, অন্তরিন সরকারের সময় থেকেই সেক্যুলার সিভিল সোসাইটি, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্সের কাছে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম দেখে আসছেন। ক্ষমতার জন্য এবং সংস্কারের নামে বিএনপি বিরোধিতার জন্য, যাঁরা আসলে আজীবন কালচারালি লীগ ছিলেন, তাঁদের জাশির কোলে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে। কোলে ওঠার পর অনেকে নামতে পারবে না দেখে, এখনও জাশির কোলবন্দি হয়ে আছেন।
তিনি আরও লেখেন, ডিজিটাল মবের চাপে অনেককে ডানপন্থী থেকে উগ্র-ডান হতে দেখা গেছে। এখনও এই পরিবর্তন চলমান রয়েছে। এসব ডিজিটাল মব আদতে সিস্টেম্যাটিক প্রোপাগান্ডা ও ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন মেকানিজম। এ মেকানিজমকে এড়িয়ে যাওয়ার উপায় সহজ নয়। দেশ (উগ্র) ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। হরেক রঙের নরম-গরম ডান মিলে এটি নিশ্চিতভাবে ছাড়বে।
মাহফুজ আলম লেখেন, সংস্কারের নামে (ক্ষমতার জন্য?) বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কাছে যাওয়ার খেসারত সেক্যুলার সমাজকে দিতে হবে। ট্রাডিশনাল আলেম সমাজকেও জাশিকে সার্ভিস দেওয়ার খেসারত দিতে হবে। এখানে কেবলই জাশির লাভ। লাভের গুড় খাওয়ার পরে দুই গোষ্ঠীকেই ছুড়ে ফেলা হবে। গুড টাইম ইজ কামিং ফর জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্স। এ আশু ভবিষ্যৎ পাল্টানোর ক্ষমতা আপাতত কারো নেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আর, জাশি যত গুড টাইমে যাবে, ততই লীগ ফেরা অনিবার্য হয়ে উঠবে। উই আর গোয়িং ব্যাক টু সেভেন্টি-ওয়ান। যেখানে বিএনপির একাংশ জাশির দুনিয়ায়, অন্য অংশ লীগের দুনিয়ায় বাস করবে। বাকিরা আপাতত জাশি প্রযোজিত কালচারাল ওয়ারে নিজেদের ব্যস্ত রাখুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সঙ্গে আসন্ন কোপ৩১-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে বৈঠক করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জলবায়ু সম্মেলন কোপ৩১-এ বাংলাদেশের প্রস্তুতি ও অগ্রাধিকার নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের উপস্থিতিতে বৈঠকটি আয়োজন করা হয়।
বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সভায় প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, বাংলাদেশের বিশিষ্ট জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কোপ৩১-এর কর্মপরিকল্পনা, বাংলাদেশের অগ্রাধিকার এবং সম্মেলনকে সামনে রেখে গৃহীতব্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শামা ওবায়েদ ইসলাম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "কনফারেন্স অব পার্টিস (কোপ) জলবায়ু কূটনীতির একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমন, অভিযোজন ও সহনশীলতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়।"
তিনি ক্লাইমেট জাস্টিস এন্ড একাউন্টেবিলিটি, লস এন্ড ডেমেজ ফান্ড, জাস্ট ট্রানজিশন এবং গ্রিন গোথ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বৈশ্বিক আর্থিক তহবিলসমূহ থেকে অনুমেয়, পর্যাপ্ত ও স্বচ্ছ অর্থছাড় নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, তিনি সার্কুলার ইকোনোমি ও পরিবেশবান্ধব শিল্পের সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বিশেষভাবে, বাংলাদেশের টেকসই ও প্রাকৃতিক পচনশীল তন্তু পাটের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন, যা কোপ৩১-এ তুলে ধরা হবে।
সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানান।
আলোচনায় বক্তাগণ সময়োপযোগী এ সভা আয়োজনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশংসা করেন। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা কোপ৩১-এর বিভিন্ন আলোচ্যসূচিতে তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করতে মতামত দেন।
সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া উপস্থিত তরুণ প্রতিনিধিরাও সভায় তাদের মতামত, প্রত্যাশা ও প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং সম্মেলনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রস্তুতি আরও জোরদার করার বিষয়ে মতামত দেন।
আলোচকরা বাস্তবায়নযোগ্য সমন্বিত কৌশল ও নীতিমালা প্রণয়ন উপর জোর দেন, যা কোপ৩১-পরবর্তী সময়েও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সম্মেলনে সরকারের পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত উদ্যোগসমূহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
আগামী ৯-২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় কোপ৩১ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আসন্ন এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল হাই লেভেল সেগমেন্ট এবং বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করবে। এ ছাড়া, সম্মেলনে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে প্রাকৃতিক, পচনশীল ও টেকসই প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ পাটকে তুলে ধরতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পাটজাত পণ্য, সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি এবং এর বিপুল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে এ সম্মেলনে একটি বিশেষ প্যাভিলিয়ন স্থাপন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের চিংড়ির আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম বাজারে শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, শ্রমিকের অধিকার এবং উৎপাদন থেকে রপ্তানি পর্যন্ত ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, চিংড়ি চাষের জমির পরিমাণে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও প্রতিবেশী ভারতকে রপ্তানিতে পেছনে ফেলে রেখেছে। এই ব্যবধান কমাতে উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে চিংড়ি খাতবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মন্টেরে বে অ্যাকোয়ারিয়াম (এমবিএ) এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সদস্য প্রতিষ্ঠান টোটালফুড প্রসেসিং (প্রা.) লিমিটেড যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে।
চিংড়ি খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছর বাংলাদেশের হিমায়িত মাছ ও চিংড়ির রপ্তানি ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। তবে তিনি জানান, এ খাতে প্রবৃদ্ধির সুযোগ আরও অনেক বেশি রয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে ভারত ৫০০ কোটি ডলারের বেশি চিংড়ি রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশের চিংড়ি চাষের জমি প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি থাকা সত্ত্বেও রপ্তানিতে পিছিয়ে থাকার বিষয়টিকে উৎপাদনশীলতা ও মানোন্নয়নের বড় সুযোগ হিসেবে দেখতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির জন্য উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ক্রেতারা এখন শুধুমাত্র পণ্যের মান যাচাই করেন না; তারা জানতে চান পণ্যটি কারা উৎপাদন করেছেন, শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ কেমন এবং উৎপাদন পরিবেশসম্মত হয়েছে কিনা—এসব বিষয়ও তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন। তাই কাগুজে নথিনির্ভর পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে সমন্বিত ও স্বচ্ছ ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ‘রেসপনসিবল বিজনেস কনডাক্ট সেল’ গঠন করেছে। শ্রম অধিকারসহ দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের জাতীয় নীতিমালা এবং ট্রেসেবিলিটি কৌশল প্রণয়নেও কাজ চলছে।
মন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বাংলাদেশের চিংড়ির সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিসহ (এফটিএ) দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর করতে সরকার বিভিন্ন সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উপকূলীয় মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতিতে চিংড়ি শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এ খাতের সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কৃষক, ডিপো কর্মী, প্রক্রিয়াজাত কারখানার শ্রমিক ও রপ্তানিকারক—সবার ন্যায্য অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেয়জা। সমাপনী বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনন।
আলোচকরা বলেন, সরকার, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ বাংলাদেশের চিংড়িকে আন্তর্জাতিক বাজারে দায়িত্বশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অবৈধভাবে সার মজুদ করার দায়ে পারভেজ প্রিন্স (২১) নামে এক ব্যবসায়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কয়লার দিয়াড় বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারভেজ প্রিন্স ওই গ্রামের মেহেরুল ইসলামের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের কাছে সারের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মেসার্স পারভেজ প্রিন্সের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ৮ বস্তা টিএসপি ও ২০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। পরে সার মজুদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই ব্যবসায়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযান পরিচালনা করেন শিবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. উম্মে সালমা রুমা। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. উম্মে সালমা রুমা বলেন, সাধারণ কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, সারের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। অবৈধভাবে সার মজুদ ও সারের সুষ্ঠু সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টির বিরুদ্ধে তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ