বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১১ পি.এম
নাগরপুরে পাটক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়েছিল শওকত মোল্লার গলাকাটা মরদেহ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ আঃ মান্নানকে (৬২) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটে টাঙ্গাইল সদর থানাধীন বাহির শিমুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বিন্নাওঝা এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে শওকত মোল্লা (৫৫) নামে এক ব্যক্তির কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শওকত মোল্লা উপজেলার নলসন্ধ্যা গ্রামের মৃত জায়েদ আলীর ছেলে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জের ধরে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা গত ২৯ জুন ২০২৬ সালের সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১ জুলাই সকাল ১১টার মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে মরদেহ পাটক্ষেতে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ সোহেল রানা বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর-০২। এতে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
গোয়েন্দা নজরদারিতে গ্রেপ্তার
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ আঃ মান্নানকে গ্রেপ্তারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা অধিযাচন পাঠান। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আভিযানিক দলটি। পরে গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাগরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, মাদক ও জঙ্গিবাদ দমনের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লুলেস অপরাধের রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং দেওয়া হয়েছে। উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৫৮ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এ উপলক্ষে ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের উদ্যোগে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনসার সদস্যদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার। এ সময় উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রিনা খাতুন এবং ইন্সপেক্টর খাদিজা আফরোজ ঝুমা উপস্থিত সদস্যদের পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কাউখালী উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপে মোট ১৫৮ জন আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত চারটি পূজামণ্ডপে আটজন করে এবং বাকি ২১টি মণ্ডপে ছয়জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। নিরাপত্তা কার্যক্রমে পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি নারী আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
ইউএনও রেহানা আক্তার বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা যেন উপজেলায় শান্তিপূর্ণ, আনন্দমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপিত হয়, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পূজামণ্ডপে বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ, দর্শনার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তাঁদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উৎসবমুখর পূজা উদযাপন সম্ভব হবে বলে আশা করছি।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রিনা খাতুন বলেন, “উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৫৮ জন প্রশিক্ষিত আনসার সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মণ্ডপের গুরুত্ব ও ঝুঁকি বিবেচনায় সদস্য মোতায়েন করা হবে। নারী আনসার সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে সক্রিয় থাকবেন। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সদস্যরা সতর্ক থাকবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৫ই আগস্ট রোজ বৃহস্পতিবার, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে, সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে,
বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানের , প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল জনাব মোঃ রায়হান কবির, জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ,
জরুরী কাজ থাকার কারণে, এডিসি মহোদয় অতিথি হিসেবে পরিচালনা করেন,
সভাপতিত্ব করেন, সমাজসেবা কার্যালয়ের, উপপরিচালক, মাসুদুল হাসান তাপস,
সঞ্চালনায়, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অফিসার শহর সমাজ সেবা কার্যালয় নারায়ণগঞ্জ,
আয়োজনে, জেলা প্রশাসক জেলার সমাজ সেবা কার্যালয় প্রতিবন্ধী সেবা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন,
এবারকা আলোচ্য বিষয়,
দৃষ্টি যেখানে সীমিত, সম্ভাবনা সেখানে সীমাহীন,,
এ বিষয়ে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন,
রেজিনা মাহবুবা, নির্বাহী পরিচালক সি,ডি,পি,
বক্তব্যে রেজিনা মাহবুবা জানান দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কার্যালয়ে প্রয়োজন, যাতে তারা অন্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে কাজের মাধ্যমে তাদের কর্মদক্ষতা আয়ের উৎসব হয় সে ব্যবস্থা দানের জন্য এডিসি মহোদয়কে অনুরোধ জানান, পাশাপাশি নিজেও একটি প্রশিক্ষণ কার্যালয়ের সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিবেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য,
আরব বক্তব্য রাখেন আলমগীর হোসেন মাসুদ,
মোহাম্মদ ইউসুফ আলী হাওলাদার, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী প্রগতির সংঘ ইসরাইল নারায়ণগঞ্জ,
ডাক্তার শিল্পী আক্তার,
সহ আরো অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,
আরো উপস্থিত ছিলেন খানপুর মানব কল্যাণ সংস্থার সভাপতি, পারভিন আক্তার,
বক্তব্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পক্ষ থেকে জানান যে গত তিন মাস যাবত তাদের সরকারি ভাতা পাচ্ছেন না এটা যত দ্রুত দেওয়া যায় সে ব্যবস্থানের করার জন্য অনুরোধ জানান।
আলোচনার শেষে আটজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর মাঝে সাদা ছড়ি বিতরণ করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করেন , সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মহোদয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলম (৩৫) নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি জানিয়েছেন, কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্ব পাশে শফিউল্লাহর চা-পান-সিগারেটের দোকানের সামনে সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলম কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মো. আলী হোসেনের ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি ও এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সন্দেহভাজন মোহাম্মদ আলমকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। আসামির ভাষ্য অনুযায়ী, শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হাতিয়ায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি রওনা হয়েছিলেন। তবে ইয়াবাগুলো কার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হাতিয়ায় কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট সারণির ১০(খ) ও ২৬ (১) ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুধারামে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রবিউল হোসেন ওরফে কালু (১৯) কে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩)।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু। বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে জেলার কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরমণ্ডলিয়া এলাকার রূপসী বাপের বাড়ির ছোটন নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার কালু নোয়াখালীর সুধারাম থানার ১১ নম্বর নেয়াজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধন্যপুর এলাকার জসিমের উদ্দিনের ছেলে।
এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্রী। গত ৫ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে সুধারাম থানার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ধন্যপুর এলাকায় বাদীর রান্নাঘরের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে রবিউল তাকে ধর্ষণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ