ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবার শীত কেমন হবে? জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর


এবার শীত কেমন হবে? জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

দেশের আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে, যখন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। গ্রামাঞ্চলের কিছু স্থানে ভোরে হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, এবং রাতের শেষ ভাগ ও সকালে বাতাসে শীতলতার অনুভূতি হচ্ছে। উত্তরের অঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। তবে আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবারের শীতের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে এবং শীতের স্থায়িত্বও স্বাভাবিকের তুলনায় কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের মতে, নভেম্বরের প্রথম দিকে উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। নভেম্বরের শেষ দিকে উত্তরাঞ্চলের কিছু স্থানে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, ঢাকায় শীতের অনুভূতি ডিসেম্বর থেকে বাড়তে পারে। এ সময়ে রাজধানীর তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন তথ্যও তিনি জানিয়েছেন।

কেন বাড়ছে শীতের অনুভূতি?

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশালে বৃষ্টির আভাস

আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার পর বাতাসের গতিপ্রকৃতিতে পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে উত্তর দিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতের অনুভূতি তুলনামূলকভাবে বেশি হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানাচ্ছেন, আগামী কয়েক মাসে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। উত্তরের বাতাসের প্রবাহ বাড়লে শীতের অনুভূতি বৃদ্ধি পেতে পারে। ইতিমধ্যে পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় এর প্রভাব অনুভূত হচ্ছে।

সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে দিনের তাপমাত্রার অনুভূতিতে পরিবর্তন আসে। বর্ষাকালে সূর্যকিরণ তুলনামূলকভাবে খাড়াভাবে পড়ে, কিন্তু এই সময়ে তা আরও তির্যকভাবে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে দিনের তাপের অনুভূতি কমে যেতে পারে এবং রাতের শীতলতা বেশি অনুভূত হতে পারে।

ভোরে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, তবে এর মানে এই নয় যে শীত জেঁকে বসেছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাব কমার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামাঞ্চলের মাঠঘাট, ফসলের জমি ও জলাশয়ের আশপাশে ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। রাতে ভূমির কাছাকাছি বাতাস ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এবং বাতাসে পর্যাপ্ত জলীয় বাষ্প থাকলে কুয়াশা তৈরি হয়। একই সঙ্গে ঘাস ও গাছের পাতায় শিশির জমতে পারে।

আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, বিপাকে পড়তে পারে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের মানুষ

কিন্তু কুয়াশা দেখা দিলেই তীব্র শীত শুরু হয়েছে, এমনটি নয়। এ সময় সকালে শীতলতা অনুভূত হলেও দুপুরে রোদের কারণে গরম লাগতে পারে। রাতের তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকলে এবং ঠাণ্ডা বাতাসের প্রবাহ বাড়লে শীতের অনুভূতি আরও স্পষ্ট হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বিদায় নিলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় না। বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হলে কিংবা বায়ুমণ্ডলের পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এলে দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

রাজধানী ঢাকায় শীতের অনুভূতি উত্তরাঞ্চলের তুলনায় দেরিতে বাড়তে পারে। আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবিরের মতে, ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় শীতের প্রভাব স্পষ্ট হতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এটি সম্ভাব্য পূর্বাভাস, নিশ্চিত তাপমাত্রা নয়। প্রকৃত তাপমাত্রা নির্ভর করবে বাতাসের দিক ও গতি, আকাশের অবস্থা এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত পরিস্থিতির ওপর।

ঢাকার ঘনবসতি ও নগরায়ণের কারণে শহরের তাপমাত্রা আশপাশের খোলা এলাকার তুলনায় ভিন্ন হতে পারে। ফলে উত্তরাঞ্চলে শীতের অনুভূতি বাড়লেও রাজধানীতে একই সময়ে সমান মাত্রায় ঠাণ্ডা নাও পড়তে পারে।

আরও পড়ুন: পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমেছে ১৭ ডিগ্রিতে, বাড়ছে শীতের অনুভূতি

শীতে বৃষ্টি বাড়বে কি?

উষ্ণ শীত হলেই বৃষ্টি বাড়বে বা কমবে—এমন সরাসরি সম্পর্ক নেই। শীতকালে বৃষ্টির সম্ভাবনা নির্ভর করে বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের পরিস্থিতি, বাতাসের প্রবাহ এবং আর্দ্রতার ওপর।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবিরের ব্যাখ্যায়, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসা আবহাওয়াব্যবস্থা ও বাতাসের প্রভাবে দেশে শীতকালে বৃষ্টি হতে পারে। এ ধরনের ব্যবস্থা মেঘ নিয়ে এলে বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়। অন্যদিকে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মৌসুমি পূর্বাভাসে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশে বৃষ্টিপাতের ধরনে ভিন্নতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে এ আঞ্চলিক পূর্বাভাস থেকে বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট জেলায় কবে বৃষ্টি হবে, তা বলা যায় না।

আরও পড়ুন: আজ যেমন থাকবে ঢাকার আকাশ, মেঘলা থাকতে পারে আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেতেছেন সিঁদুর খেলায়, কণ্ঠে কোয়েল মল্লিকের মন খারাপের সুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


মেতেছেন সিঁদুর খেলায়, কণ্ঠে কোয়েল মল্লিকের মন খারাপের সুর

দশমী আসলে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর সময়। চার দিনের উৎসব শেষে আনন্দের সঙ্গে বিষাদের সুরও মিশে থাকে। সিঁদুর দিয়ে দেবীকে বরণ করে মিষ্টিমুখ করিয়ে বিদায় জানানো—এই প্রথায় প্রতিবছরই অংশগ্রহণ করেন কলকাতার অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। এবারের আয়োজনেও তিনি ব্যতিক্রম ছিলেন না। ভবানীপুরের ঐতিহ্যবাহী মল্লিকবাড়ির দুর্গাপূজায় পরিবারের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেছেন তিনি।

মল্লিকবাড়ির দুর্গাপূজা মানেই পারিবারিক ঐতিহ্য ও সাবেকিয়ানা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই আয়োজনের নিয়ম মেনে দেবীকে বরণ করে বিদায় জানান পরিবারের সদস্যরা। দশমীতে দেবীবরণের পর বাড়ির নারীরা একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন। প্রতিবছরের মতো এবারও সেই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন কোয়েল।

এ বছর দশমীর সাজে লাল পাড়ের সাদা শাড়ি ও লাল ব্লাউজ বেছে নিয়েছেন অভিনেত্রী। মাথায় খোঁপা, সঙ্গে ছিমছাম সোনার গয়না—সব মিলিয়ে তিনি সাবেকি সাজে ধরা দিয়েছেন। সিঁদুর খেলায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাকে।

তবে উৎসবের শেষ দিনে মন খারাপও কোয়েলকে ছুঁয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, “আজ যদিও মন খারাপের পালা। কিন্তু নিজেদের সান্ত্বনা দিয়ে বলব, আসছে বছর আবার হবে! শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা। সবাই ভালো ও আনন্দে থাকবেন। অন্যদেরও আনন্দে রাখবেন।”

পূজার প্রথম দিন থেকেই মল্লিকবাড়িতে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন কোয়েল। প্রতিদিনই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে নিয়ম মেনে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অষ্টমীর সকালে অঞ্জলি দিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। পূজার বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণের পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন তিনি। স্বামী নিসপাল সিং রানে এবং দুই সন্তান কবীর ও কাব্যও তার সঙ্গে ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও তার স্ত্রীও।

দশমীতেও দেখা গেছে সেই পরিচিত পারিবারিক আবহ। ঢাকের বাদ্যের মধ্যে দেবীকে সিঁদুর, পান-সুপারি ও মিষ্টি দিয়ে বরণ করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর নারীরা একে অপরের কপাল ও সিঁথিতে সিঁদুর ছুঁইয়ে দেন। আনন্দের পাশাপাশি দেবীকে বিদায় জানানোর আবেগও তাদের চোখেমুখে ধরা পড়ে।

কোয়েলের কাছে দুর্গাপূজা কেবল একটি উৎসব নয়, বরং শিকড়ের টানও। অভিনয়ের ব্যস্ততা যতই থাকুক, পূজার দিনগুলো পরিবারের সঙ্গে কাটানো তার কাছে সবসময় বিশেষ। অঞ্জলি থেকে দেবীবরণ—মল্লিকবাড়ির নানা আচার-অনুষ্ঠানে পরিবারের ছোট-বড় সবার উপস্থিতি এই আয়োজনকে আরো আপন করে তোলে।

এদিকে, নবমীর সন্ধ্যায় মল্লিকবাড়ির পূজায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দুর্গাপ্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি কোয়েলসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও তিনি দেখা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরগঞ্জের উল্লাস ডিসি পার্ক শিশুদের বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে আধুনিকায়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


কিশোরগঞ্জের উল্লাস ডিসি পার্ক শিশুদের বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে আধুনিকায়ন

কিশোরগঞ্জের উল্লাস ডিসি পার্কের সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে, যা শিশুদের নির্মল আনন্দ, সুস্থ বিনোদন এবং সৃজনশীল বিকাশের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত পার্কটির আধুনিকায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে পার্কটিকে শিশুদের জন্য আরও নিরাপদ, আকর্ষণীয় এবং মনোরম বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন মন্তব্য করেন, "শিশুদের মানসিক বিকাশ, সৃজনশীলতা ও সুস্থ বিনোদনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের ফলে পার্কটি শিশুদের আনন্দময় সময় কাটানোর পাশাপাশি তাদের সৃজনশীল বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবেও গড়ে উঠবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ, সদর উপজেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জবাসী আশা করছেন, সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে উল্লাস ডিসি পার্ক শিশুদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জন্যও একটি আকর্ষণীয় অবসর বিনোদনকেন্দ্র হয়ে উঠবে। শিশুদের হাসি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চায় পার্কটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে তাসকিন ১২তম, শরিফুল ১১তম স্থানে উন্নতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে তাসকিন ১২তম, শরিফুল ১১তম স্থানে উন্নতি

বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেসারদের উন্নতির চিত্র আবারও আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।

বুধবার প্রকাশিত ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বোলারদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটিয়েছে বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। তাসকিন ১২তম স্থানে উঠে এসেছে, যা নয় ধাপ অগ্রগতি। অন্যদিকে, শরিফুল ইসলাম দুই ধাপ এগিয়ে ১১তম স্থানে অবস্থান করছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে দারুণ বোলিংয়ের কারণে তাসকিনের এই অগ্রগতি হয়েছে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি তিনটি উইকেট দখল করেন। তবে ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৯৯ রানে পরাজিত হয়।

এদিকে, ওয়ানডে বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করেছেন আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খান। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৭ রানে চার উইকেট নেওয়ার পর তার রেটিং বেড়ে ৭৪২-এ পৌঁছেছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানের আবরার আহমেদ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার কেশব মহারাজের তুলনায় রশিদ ৮০ রেটিং পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন।

জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১১০ বলে ১০২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে আফগানিস্তানের সেদিকউল্লাহ আতাল ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১২ ধাপ অগ্রসর হয়ে ২০তম স্থানে পৌঁছেছেন।

রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের পর ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানের সালমান আগা ও ইংল্যান্ডের বেন ডাকেটেরও উন্নতি ঘটেছে। সালমান ১২তম স্থানে উঠে এসেছে, আর ডাকেটের অবস্থান বর্তমানে ১৩তম।

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন এসেছে। ব্যাটারদের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে পৌঁছেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শাই হোপ।

অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার শেরফানে রাদারফোর্ড ছয় ধাপ এগিয়ে ১৮তম স্থানে উঠে এসেছেন। বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাঁহাতি স্পিনার গুদাকেশ মোতি ১০ ধাপ অগ্রসর হয়ে ২৬তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে নিখোঁজের চার দিন পর পুকুরে মিলল গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


নাসিরনগরে নিখোঁজের চার দিন পর পুকুরে মিলল গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিখোঁজের চার দিন পর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে রত্না দাস (৩০) নামে এক গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রত্না দাস ওই গ্রামের কুড়েরহাটির সুশীল দাসের স্ত্রী। তিনি সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের মহল্লাল দাসের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন রত্না দাস। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে পরদিন রোববার (১৮ অক্টোবর) নাসিরনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর স্বামী সুশীল দাস।

বুধবার বিকেলে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের পুকুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে এসে স্বজনেরা মরদেহটি রত্না দাসের বলে শনাক্ত করেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করার পর দুর্বৃত্তরা রশি দিয়ে রত্নার হাত-পা বেঁধে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছে। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহতের দেবর বলরাম দাস বলেন, “আমার বৌদি ঘরে একা ঘুমাতেন। দুর্বৃত্তরা সবকিছু লুট করে নিয়ে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।”

নিহতের মামা বিনোদ দাস বলেন, “আমার ভাগ্নিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”

এদিকে, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সুশীল দাসের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার। তবে এ তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

ভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুবেল মিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%