ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশই হবে পরবর্তী বিনিয়োগ গন্তব্য, বাজেটে সেই ভিত্তি তৈরি করা হয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা


বাংলাদেশই হবে পরবর্তী বিনিয়োগ গন্তব্য, বাজেটে সেই ভিত্তি তৈরি করা হয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ভিয়েতনাম গতকালকের সফলতার গল্প, ইন্দোনেশিয়া আজকের বাস্তবতা এবং বাংলাদেশ হতে পারে আগামী দিনের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ গন্তব্য। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনে পলিসির ধারাবাহিকতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার রাজধানীর গুলশানে পুলিশ প্লাজায় মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই) আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা জানান, অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনগণের আস্থা। বাংলাদেশের ইতিহাসে একাধিক সংকট থেকে দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা বলছে, দেশোপযোগী নীতি গ্রহণ করা গেলে অর্থনীতি আবারও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: সদরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা সভা

তিনি উল্লেখ করেন, বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এগুলো হচ্ছে—নীতির ধারাবাহিকতা, ব্যবসা পরিচালনায় নিয়ন্ত্রণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা, ক্ষতিগ্রস্ত ও নতুন শিল্পে অর্থায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাসে এবারের বাজেটে প্রথমবারের মতো পাঁচ বছরের করনীতির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণে আস্থা পাবেন। একই সঙ্গে লালফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, শিল্প খাতকে চাঙা করার জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কোভিড-১৯ সময়ের মতো নির্বিচারে প্রণোদনা নয়, এবার কর্মদক্ষতা ও ফলাফলের ভিত্তিতে সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, টেকসই বিনিয়োগের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ অপরিহার্য। এজন্য জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যকরণ, গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো, কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে এলএনজির সরবরাহ নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে।

আরও পড়ুন: ‘যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে’- আনোয়ার

তিনি বলেন, দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কার্যকর রেলসংযোগ ছাড়া কৃষি ও শিল্পপণ্য দ্রুত পরিবহন সম্ভব নয়। তাই পরিবহন ব্যয় কমাতে সমন্বিত বহুমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

মানবসম্পদ উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিতুমীর মনে করেন, শুধু শিক্ষা নয়, দক্ষতা, উদ্ভাবন ও নাগরিক মূল্যবোধ—এই তিনটি বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দক্ষ জনশক্তি ছাড়া বিনিয়োগের পূর্ণ সুফল অর্জন করা সম্ভব নয়।

স্বাস্থ্য খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, একটি জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পাঁচ হাজার চিকিৎসক ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। উপজেলা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে ১০০-এ উন্নীত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। শিশু থেকে প্রবীণ—সব নাগরিককে ধাপে ধাপে এই সুরক্ষা বলয়ের আওতায় আনতে হবে।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, কর ফাঁকি, কর অব্যাহতি ও কর জালিয়াতি কমানোর মাধ্যমে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতা কমাতে পরিকল্পনা করা, বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন এবং তথ্য উন্মুক্তকরণে ব্যাপক সংস্কার আনতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার অযৌক্তিক প্রশংসা নয়, বরং গঠনমূলক সমালোচনা চায়। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই বাজেট বাস্তবায়ন করা হবে। এই কাজে ব্যবসায়ী সমাজ ও বেসরকারি খাতের সক্রিয় সহযোগিতাও প্রয়োজন।

আলোচনায় এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি. রহমান, পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জাহিদী সাত্তার, অর্থনীতিবিদ ড. বজলুল এইচ খন্দকার এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজের ইজাজ বিজয়সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস লিখিত প্রশ্নের মাধ্যমে বলেন, গত আওয়ামী লীগের ১৬ বছর সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ চোরাচালান, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য ছিল।

দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে সীমান্তের সব অপরাধ নির্মূলে সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে?

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে এবং সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ সব ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ বন্ধ করার জন্য বিজিবি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে সীমান্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে প্রতিহত করতে দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাগুলোতে নতুন বিওপি/টিওবি নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নতুন বিওপি/টিওবি নির্মাণের ফলে বিজিবির বিওপিসমূহের মধ্যবর্তী দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং টহলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় ইতোমধ্যে ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন করা হয়েছে।

দুর্গম পার্বত্য সীমান্তে সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিজিবির টহল দল অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে যেকোনো সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সক্ষম হচ্ছে।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসরতদের চোরাচালান ও অপরাধের কুফল সম্পর্কে সচেতন করার জন্য এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তার জন্য নিয়মিত ‘জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এরপর বলেন, মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ দমনের লক্ষ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, অনুরূপভাবে ভারত সীমান্তে স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম বিবেচনাধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


শেরপুরে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জেলা পর্যায়ে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাস্তবায়নে একটি জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসন ও জেলা পাট অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা ও পরিবেশের স্বার্থে পলিথিন থেকে মুখ ফিরিয়ে পাটে ফিরতে হবে। তিনি পলিথিনের পরিবর্তে পাটজাত মোড়ক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একসময় বাজারে পলিথিন ছিল না। সে সময় মানুষ পাটের ব্যাগেই বাজার করেছেন। এটি আমাদের সোনালি ঐতিহ্য ও গৌরবের অংশ। তাই ভবিষ্যতে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

সভায় জেলা পাট কর্মকর্তা মো. নাজমুল হকের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আওয়াল চৌধুরী, জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, ব্যবসায়ী প্রিয়তোষ সাহা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা খাইরুল বাশার, জাকিয়া জান্নাত, জেলা প্রশাসন ও জেলা পাট উন্নয়ন অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাসহ জেলার জুটমিল ব্যবসায়ী, রাইস মিল ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও পাটচাষিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জননিরাপত্তা রক্ষায় সরকার প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


জননিরাপত্তা রক্ষায় সরকার প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায় দেশের জনগণের নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নানামুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে সেগুলো বাস্তবায়ন বিনির্মাণ করছে।

তিনি আজ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারি দলের সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্যসহ সব ধরনের অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের নিয়মিত এবং বিশেষ অভিযান অব্যহত রয়েছে।

তিনি জানান, চুরি, ছিনতাই এবং ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশের দৃশ্যমান টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। আগের মতোই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোনো ধরনের উগ্রবাদ যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

অর্থাৎ, অপরাধী শনাক্তকরণ ও গ্রেফতারে লোকেশন ট্র্যাকিং এবং মোবাইল কললিস্ট বিশ্লেষণসহ আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। সাইবার অপরাধ দমনে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফেসবুক, টুইটারসহ অন্যান্য জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক ছবি, ভিডিও, মন্তব্য কিংবা গুজব ছড়িয়ে কেউ যেন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য নিবিড় নজরদারি ও মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া, অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের গ্রেফতার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে র‌্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বাড়াতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জনসাধারণকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিসের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’-এর আধুনিকায়নের কাজও চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানা উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানা উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ পৌরসভায়, সর্বাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন করেছেন আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান। এই কসাইখানাটি বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় উদ্বোধন করা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (খউউচ)' এর আওতায় এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কসাইখানাটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গবাদিপশু জবাইয়ের লক্ষ্যে নির্মাণ করা হয়েছে।

এই কসাইখানার নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি ৮২ লাখ ৩১ হাজার টাকা। ৪৯ শতক জমির ওপর নির্মিত কসাইখানার মূল উৎপাদন বা পশু জবাইয়ের স্থানটির আয়তন আড়াই হাজার বর্গফুট।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, আধুনিক পদ্ধতিতে পশু জবাই করা হলে মাংসের গুণগত মান বজায় থাকে। তিনি জানান, ঝিনাইদহবাসীর জন্য এই কসাইখানা একটি মাইলফলক। সরকার তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি সরকার জনকল্যাণমুখী বাজেট দিয়েছে। তিনি আগে দেখেছেন যে, বাজেট ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল বের হতো। সেখানে গরিব মারার বাজেট মানি না স্লোগান দেওয়া হতো। কিন্তু এখন বাজেট ঘোষণার পরে মিছিল হচ্ছে, কেন সিগারেটের দাম বাড়ল, কেন মদের দাম বাড়ল।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায় এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%