মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
০৩:৫৮ পি.এম
মেধার জয়গান আর মাতৃত্বের ত্যাগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনে মুখরিত হয়ে উঠেছিল কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আমোদপুর। শিক্ষার দীপশিখা ছড়িয়ে দিতে এবং উদীয়মান তরুণ মেধাবীদের নতুন উদ্যমে অনুপ্রাণিত করতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক অনন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ‘বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর’-এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী ও তাদের সাফল্যের নেপথ্যের কারিগর ‘সফল মায়েদের’ সম্মাননায় সিক্ত করা হয়।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আমোদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার শুভ সূচনাতেই সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। পঞ্চম শ্রেণির ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য জিপিএ-৫ অর্জনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ভালোবাসার শুভ্র ফুল ও স্মারক ক্রেস্ট। তবে আয়োজনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি আসে যখন সুশিক্ষার আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে সন্তানদের এতদূর এগিয়ে নেওয়া সেই রত্নগর্ভা মায়েদের মঞ্চে ডেকে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী "বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর" এর সভাপতি গাজী মোস্তাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভৈরবে প্রতিষ্ঠিত আরাফাত কেমিক্যাল ওয়ার্কস (বস্ মশার কয়েল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সাপ্তাহিক সোনালী ধারা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও দৈনিক এশিয়া বাণী পত্রিকার কুলিয়ারচর উপজেলা প্রতিনিধি শিক্ষানুরাগী মো. ইয়াছিন আরাফাত।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আয়োজনের রূপ বাড়িয়ে দেন ফরিদপুর ইউনিয়ন আব্দুল হামিদ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
এছাড়াও আব্দুল হামিদ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল কাদির, আমোদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম কাজল, সমাজসেবক মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সহ এলাকার সুধীজন, সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং সংগঠনের প্রাণোচ্ছল সদস্যরা পুরো আয়োজন জুড়ে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি মো. ইয়াছিন আরাফাত বলেন, "মেধাবীদের পথচলাকে সুগম করতে এমন স্বীকৃতি সময়ের দাবি। তবে সন্তানদের এই অর্জনের পেছনে মায়েদের যে নীরব ত্যাগ রয়েছে, সেটিকে প্রকাশ্যে সম্মানিত করার এই ধারা সমাজে এক অনন্য মানবিক মূল্যবোধের সূচনা করল।"
সংগঠনের নেতারা জানান, এটি কেবল একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানই নয়; বরং শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক ব্রত। 'বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় ছাত্র সংসদ, আমোদপুর' দীর্ঘদিন ধরেই অসহায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী প্রদান, মানবিক সহায়তা, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও নারী উন্নয়নের মতো নানাবিধ সামাজিক ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে।
অনুষ্ঠানে আসা অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আবেগপ্লুত হয়ে জানান, মেধার এই সঠিক মূল্যায়ন এবং মায়েদের প্রতি এমন বিরল সম্মাননা এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে ও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে। পুরো আমোদপুর গ্রাম যেন এই একটি আয়োজনে নতুন সম্ভাবনার আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় বিএনপির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুয়ালালামপুরের বুকিত বিন্তাংয়ের পিঠাঘর রেস্তোরাঁর হলরুমে সম্পন্ন হয়।
মালয়েশিয়া বিএনপির সহসভাপতি তালহা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা সালাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।
এতে বক্তব্য রাখেন দলটির সহ-সভাপতি ড. এস এম রহমান তনু, জামালপুর সদর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন, দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, অধ্যাপক সাফিউর রহমান, যুবদল মালয়েশিয়ার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সহসভাপতি মো. নাজমুল হাসান, শেখ মো. সেলিম, জাসাসের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম, যুবদলের প্রচার সম্পাদক বাদল কারার এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গোলাম কবিরসহ আরো অনেকে।
বক্তারা এই উপলক্ষে বলেন, বিচক্ষণ নেতৃত্ব, সততা, দেশপ্রেম ও সাহসিকতার গুণে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তারা উল্লেখ করেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন।
বক্তারা বলেন, নানা বাধা-বিপত্তি, জেল ও নির্যাতন উপেক্ষা করে দেশের মানুষের পাশে থেকেছেন তিনি। তারা আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক আদর্শ বাংলাদেশের মানুষের জন্য চিরদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
তাদের মতে, তার আদর্শ ধারণ করে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ভিশনের ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশকে সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল লিটন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন, বিএনপি বুকিত বিন্তাংয়ের সভাপতি আনোয়ার হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব হেলাল শিকদার, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান বাবু, ছাত্রনেতা আদিব আঞ্জাম, যুবনেতা আলী শরিফ ও জাসাসের ফয়সালসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বুকিত বিন্তাং বাংলা মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আবু তাহের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধ চলাকালীন নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার দাবি করেছে ইরান।
দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এক কর্মকর্তা বলেছেন, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান একটি ‘নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামো’ গড়ে তুলেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত একটি তথ্যচিত্রে ওই কর্মকর্তা এসব কথা বলেন।
তার দাবি, নতুন কাঠামোর মাধ্যমে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্ক, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
তবে ওই কর্মকর্তার পরিচয় বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
আইআরজিসির ওই কর্মকর্তা বলেন, যুদ্ধের আগের অভিজ্ঞতা ও সংঘাত থেকে পাওয়া শিক্ষার ভিত্তিতেই ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামোয় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি দেশটির প্রচলিত বা তুলনামূলকভাবে ‘ক্লাসিক’ আকাশ প্রতিরক্ষা মডেল থেকে সরে এসে আরও নমনীয় ও অভিযোজনক্ষম একটি কাঠামোর দিকে যাওয়ার উদ্যোগ।
নতুন ব্যবস্থায় শুধু অস্ত্র ও সরঞ্জামেই পরিবর্তন আনা হয়নি; বরং আকাশ প্রতিরক্ষার পুরো কার্যক্রম পরিচালনার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধকৌশল, সরঞ্জাম ব্যবহারের পদ্ধতি, কারিগরি প্রক্রিয়া এবং আকাশসীমা থেকে তথ্য সংগ্রহ ও তা বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ইউনিটের মধ্যে আদান-প্রদানের ব্যবস্থায় পরিবর্তন।
আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষায় শুধু ক্ষেপণাস্ত্র বা রাডারের সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ নয়; দ্রুত তথ্য সংগ্রহ, তা বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটে পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানি কর্মকর্তার বক্তব্যে নতুন কাঠামোয় এই বিষয়টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
তার দাবি, আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের বিভিন্ন অংশের মধ্যে তথ্য কীভাবে সংগ্রহ, যাচাই ও ভাগাভাগি করা হবে, সেই ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এর ফলে শত্রুপক্ষের বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইআরজিসির ওই কর্মকর্তা আরও দাবি করেছেন, নতুন কাঠামো যুদ্ধের সময় ইরানকে নিজেদের আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখতে সহায়তা করেছে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষা কাজে লাগিয়ে ইরান শুধু প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ওপর নির্ভর না করে কমান্ড কাঠামো, প্রশিক্ষণ, কৌশল এবং কারিগরি প্রক্রিয়াতেও পরিবর্তন এনেছে।
এর ফলে সংঘাতের সময় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হলেও এর একটি বড় অংশ কার্যকর রাখা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে ইরানি কর্মকর্তার এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সাম্প্রতিক সংঘাতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক কৌশলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে। উন্নত যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশপথের অস্ত্র মোকাবিলায় শুধু স্থির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়- এমন বাস্তবতা বিভিন্ন সংঘাতে সামনে এসেছে।
ইরানের ক্ষেত্রেও যুদ্ধের সময় নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায়, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। ফার্সের প্রকাশিত তথ্যচিত্রে দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, সেই অভিজ্ঞতা থেকেই দেশটির সামরিক নেতৃত্ব তাদের প্রচলিত কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত নেয়।
নতুন কাঠামোয় যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত কৌশল পরিবর্তন, বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় এবং তথ্যের দ্রুত আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে আসছে। দেশটির সামরিক বাহিনী বিভিন্ন ধরনের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি তৈরি ও মোতায়েন করেছে।
তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধ দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা ও দুর্বলতা- দুই দিকই সামনে এনেছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভবিষ্যৎ সংঘাতের কথা মাথায় রেখে ইরান তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও বিকেন্দ্রীভূত, নমনীয় ও দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল করার চেষ্টা করছে।
আইআরজিসি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিবর্তন শুধু নতুন অস্ত্র বা সরঞ্জাম যুক্ত করার বিষয় নয়; বরং যুদ্ধ পরিচালনা, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ, প্রশিক্ষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহারের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
ফলে ইরানের দাবি সত্য হলে, সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা কৌশলে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করেছে। তবে নতুন কাঠামো বাস্তবে কতটা কার্যকর এবং ভবিষ্যৎ কোনও সংঘাতে তা কতটা সফল হবে, তা নির্ধারণ করবে এর বাস্তব প্রয়োগ ও সামরিক সক্ষমতা। সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘রুপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটে মৎস্যপক্ষের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে আজ সকালবেলা উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসন চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এমপি। এছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য প্রদান করেন পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাসুদ রানা।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, জয়পুরহাটের মৎস্য উৎপাদনের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক। বক্তাটিরা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষণ এবং সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে এই খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মৎস্যপক্ষ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং সফল মৎস্যচাষীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দম্পতির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহত উম্মে সালমা ওরফে নিশির বাবা ও গণমাধ্যমকর্মী এম এ আউয়াল বক্তব্য রাখেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, চিকিৎসকদের অবহেলা ও অপচিকিৎসার কারণেই তার সুস্থ অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে ও গর্ভের নবজাতক সন্তান মারা যায়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল বিএমডিসি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে তিন বছরের জন্য চিকিৎসক মোহাম্মদ আক্তার হোসেন ওরফে অভি ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া ফরিদের সনদ ও নিবন্ধন সাময়িকভাবে স্থগিত করে। শুধু তাই নয় জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিএমডিসির পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রচার করা হয়।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএম ডিসির সনদ স্থগিত থাকার পরও তারা নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা ও প্রাইভেট প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বাবা। একইসঙ্গে ফৌজিয়া ফরিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকা অবস্থায় চিকিৎসক আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
এ সময় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত, তাদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায় পরিবারটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ