বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১২ পি.এম
দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ‘ফ্লাইদুবাই’-এর একটি যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশে দুই পাইলটের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির এক পর্যায়ে জরুরি সংকেত পাঠানোর ফলে পুরো অঞ্চলে বিমান ছিনতাইয়ের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিমানটি সউদী আরবের একটি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে দুবাই থেকে তেল আবিবগামী 'ফ্লাইদুবাই'-এর 'FZ1073' ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে। বিমানটিতে ১০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, উড্ডয়নের সময় প্রথমে বিমানটি '৭৭০-শূন্য' (Squawk 7700) নামক একটি সাধারণ জরুরি সংকেত (Emergency Code) পাঠায়। তবে কিছু সময় পরে সেটি পরিবর্তন করে '৭৫০-শূন্য' (Squawk 7500) সংকেত পাঠায়, যা সাধারণত বিমান বেআইনি দখল বা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলে ব্যবহৃত হয়।
ছিনতাইয়ের সংকেত বার্তা পাওয়ার সাথে সাথেই পুরো ইসরায়েলে তীব্র আতঙ্ক ও সতর্কতা ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি বিমানবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু সময়ের জন্য ইসরায়েলের আকাশসীমাও বন্ধ করে দেয়া হয়।
তবে প্রাথমিক আতঙ্কের পর অনুসন্ধান চালিয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্র জানতে পারে যে, এটি কোনো সন্ত্রাসী হামলা বা বিমান ছিনতাই ছিল না। মূলত ককপিটে পাইলটদের মধ্যে হঠাৎ একটি বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির কারণে অসাবধানতাবশত বা জরুরি প্রয়োজনে ওই বিশেষ সংকেতটি সক্রিয় হয়ে গিয়েছিল।
পরবর্তীতে ফ্লাইটটিকে নিরাপদ অবতরণের জন্য সউদী আরবের প্রিন্স সুলতান বিন আব্দুলআজিজ বিমানবন্দরে (তবুক বিমানবন্দর) ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে এটি সফলভাবে অবতরণ করে।
ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, "পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ইসরায়েলি যাত্রীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে 'ফ্লাইদুবাই' নিশ্চিত করেছে যে, তবুক বিমানবন্দরে নামা তাদের সকল যাত্রী ও ক্রু সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। আটকা পড়া যাত্রীদের তেল আবিবে নিয়ে যাওয়ার জন্য দুবাই থেকে বিকল্প একটি বিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার মূল কারণ উদঘাটনে ক্রুদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হচ্ছে। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানের দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের সাথে যথাযথ যোগাযোগ করেননি। এ কারণে সেখানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টির তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, "একটি-দুটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে সামনে রেখে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না।"
চাঁদাবাজদের তালিকা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "চাঁদাবাজদের তালিকা করা পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। এ ধরনের তালিকা পুলিশের কাছে সবসময়ই থাকে।" একইভাবে সন্ত্রাসী, অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্রধারীদের তালিকাও পুলিশের কাছে রয়েছে এবং সেগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। নতুন করে কোনো তালিকা করা হয়েছে এমন বিষয় নেই বলেও জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রয়েছে এবং তা আরও জোরদার করা হবে।" রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সরকার অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করছে। অভিযোগ পাওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ট্রিপল নাইন নম্বরে ফোন করার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে, গ্রেফতার করছে এবং মামলা গ্রহণ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, "কোনো ঘটনায় ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তখন দায়ভার থাকে এবং সেটিকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।" তবে সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোতে পুলিশের কোনো ব্যর্থতা নেই, সরকারেরও কোনো ব্যর্থতা নেই। তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় কোনো সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, "সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
ক্যান্টনমেন্ট থানার মাটিকাটার ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তাকে সমালোচনা করে মামলা হয়েছে বলে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা তার জানা নেই। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, "কেউ এজাহার নিয়ে গেলে সেটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার আগে পুলিশকে কিছু প্রাথমিক তদন্ত করতে হয়।" এরপর কেস এন্ট্রি করা হয়।
তিনি আরও বলেন, "যিনি মামলা করেছেন বলে দাবি করেছেন, তার নামে আজ পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।" রিয়েল এস্টেট কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে ওই কোম্পানির পরিচালক মামলা করেছেন।
চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "ঢালাওভাবে সরকারকে দোষারোপ করা কিংবা বিএনপিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাঁদাবাজ বলার কোনো বক্তব্য থাকলে তার বিচার জনগণই করবে।"
তিনি বলেন, "সেখানে কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা ছিল না এবং সালমান মুক্তাদির নিজেও এমন কথা বলেছেন।" তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়নি বলেও তিনি নিজেই জানিয়েছেন। এরপরও বিএনপিকে চাঁদাবাজ বলা হয়েছে এ ধরনের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "ঘটনাটি নির্মোহভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। নিউগিনি প্রোপার্টিজ কিংবা পাশের জমির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেই জড়িত থাকুক, সবাইকে তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে।" দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারে কলেজছাত্র রেজাউল করিম নাঈমের হত্যা মামলায় চারজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। বুধবার মৌলভীবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রবিউল আউয়াল এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মতিন চৌধুরী এই তথ্যটি জানিয়েছেন।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিশেষজ্ঞরা খাদ্য বৈচিত্র্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সুষম পুষ্টির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন সুস্থ জীবনধারা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে।
মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য খাদ্য বৈচিত্র্য ও প্রয়োগিক পুষ্টি (ডায়েটারি ডাইভারর্সিটি এন্ড এপ্লাাইড নিউট্রিশন ফর গুড হেলথ)’ শীর্ষক একটি সেমিনারে তারা এই গুরুত্ব তুলে ধরেন।
গতরাতে এখানে পাঠানো এক তথ্য বিবরণীতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ অ্যাপ্লায়েড নিউট্রিশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং' (বারটান) সেমিনারটি আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন সংস্থার ৫০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক এবং সভাপতিত্ব করেন বারটান-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পীরগঞ্জে অবস্থিত বারি-টার্ক’র আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সাদেকুল ইসলাম।
জেলা প্রশাসক খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টিমান সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ থেকে শুরু করে প্রস্তুত ও গ্রহণ-খাদ্য চক্রের প্রতিটি ধাপের সাথেই স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।"
বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রাজ্জাক মন্তব্য করেন, "খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতোই পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য।"
ড. সাদেকুল ইসলাম সুষম খাদ্য গ্রহণ, অধিক পরিমাণে শাকসবজি খাওয়া, তেলের ব্যবহার সীমিত রাখা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের মাধ্যমে শরীরের আদর্শ ওজন বজায় রাখার পরামর্শ দেন।
সেমিনারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাজেদুল ইসলাম এবং সভিল সার্জন ডা. মো. আনিসুর রহমানও বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বীররামপুর এলাকায় মোঃ শামসুজ্জামান(৪৪) এর ক্রয়কৃত সাব কাওলা জমিতে ঘর করতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি ও বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।
ত্রিশাল থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ শামসুজ্জামান তার ১৯,৫ শতাংশ সাব কাওলা জমিতে ঘর নির্মাণের জন্য বালু দিয়ে ভরাট করতে গেলে একদল স্থানীয় প্রভাবশালী প্রাণনাশের হুমকিতে উত্তেজিত হয়ে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, বিবাদী মৃত মহি উদ্দিনের দুই ছেলে মোঃ আরিফ মিয়া (৩৩), আঃ মোতালেব (৩৮)সহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনের একটি টিম ক্রয়কৃত জমির মালিক মোঃ শামসুজ্জামানের কাছে নগদ ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তিনি চাঁদা না দেওয়ার কারণে তার বৈধ ক্রয়কৃত জমিতে বালু দিয়ে ভরাট করতে বাঁধা প্রদান করেন।
এ সময় স্থানীয় জমিদাতা মোঃ আবু সাঈদ বলেন, আমি আমার পৈত্রিক জমি শামসুজ্জামান ভাইয়ের কাছে বিক্রি করেছি। এখন শামসুজ্জামান ভাই যখন জমিতে ঘর নির্মাণের জন্য বালি দিয়ে ভরাট করতে যাচ্ছেন। তখন একদল চাঁদাবাজ তার কাছে ১০ টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমি সরকারের কাছে এটার সঠিক বিচার চাই।
মোঃ শামসুজ্জামান বলেন, আমি ১৯,৫ শতাংশ জমি যার দলিল নং-৫০৪২/২২ মুলে ক্রয় করি। এখন আমি আমার ক্রয়কৃত জমিতে ঘর নির্মাণের জন্য বালি দিয়ে ভরাট করতে গেলে ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করেন। আমি তাদের ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দিলেই না-কি সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। আমি সরকারের কাছে এটার সঠিক বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, মোঃ আবু মোতালেব বলেন, এখানে আমাদেরও জমি আছে তাই আমার সাথে মিট না করে এ জমিতে তাকে কিছু করতে দেওয়া হবে না।
ত্রিশাল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মুনসুর আহমেদ বলেন,এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ