ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ-চিলি সম্পর্ক জোরদারে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ


বাংলাদেশ-চিলি সম্পর্ক জোরদারে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও চিলির মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ায় আলোচনা হয়েছে। এর লক্ষ্যে চলতি বছরের অক্টোবর বা নভেম্বরে ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় বার্ষিক পরামর্শ সভা আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্ভাব্য ঢাকা সফরের সময় মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা সহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে চুক্তি সইয়ের আশা করা হচ্ছে।

১২ আগস্ট স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় চিলিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত (ব্রাজিলে আবাসিক) ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম চিলির প্রেসিডেন্ট জোসে আন্তোনিও কাস্তের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন। পরে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-চিলি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ মাকেন্না উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে, অংশ নেবেন সরকারি কর্মসূচিতে

বৈঠকে চিলির প্রেসিডেন্ট গত জুলাইয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের বিষয়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্য চিলির পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা স্মরণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জবাবে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ মাকেন্না বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ওই সফরের সময় মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও কিছু বিষয়ে চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে চূড়ান্ত করতে আগামী অক্টোবর বা নভেম্বরে ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় বার্ষিক পরামর্শ সভার আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত আছে। এই সভা দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চুক্তি চূড়ান্তের ক্ষেত্রে কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন: ইশরাক ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতা কম: নিলোফার মনি

বাংলাদেশের এই প্রস্তুতির কথা শুনে চিলির প্রেসিডেন্ট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি একই সঙ্গে তার মেয়াদে বাংলাদেশ ও চিলির সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এর আগে ১২ আগস্ট সকাল ১০টায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত চিলির সিনেটর রোহো এডওয়ার্ডস সিলভার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে সিনেটর এডওয়ার্ডস ২০২৬-২০৩১ মেয়াদে তার প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতার কথা রাষ্ট্রদূতকে জানান এবং বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন।

এদিকে, ১১ আগস্ট বিকেল ৫টায় চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ মাকেন্নার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। বৈঠকের শুরুতে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে ১৯৭২ সালের ১ জুন চিলির স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: গ্রীষ্মের আগেই ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করছে: চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করছে: চেয়ারম্যান

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বাধীনভাবে কাজ করছে, এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান।

এনিয়ে তিনি বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নতুন কমিশনের প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করতে গিয়ে বলেন।

এ সময় দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, "আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আমরা যেন মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করতে পারি; দুদকের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে পারি এবং দেশ দুর্নীতিমুক্ত করতে যথেষ্ট চেষ্টা চালাতে পারি। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে ভালো ফল আনব।"

স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে দুদক কোনো চাপে থাকবে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "ইনশাআল্লাহ, আমরা কোনো চাপের মধ্যে নেই। আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করছি। আমাদের সামনে কোনো সমস্যা এলে তা সমাধান করার চেষ্টা করব। মানুষের প্রত্যাশাকে সামনে রেখেই আমরা এখানে এসেছি।"

নতুন চেয়ারম্যান বলেন, "প্রথম দিনেই যদি আপনারা সব শুনে নেন, তাহলে বাকি দিন কী করবেন? দীর্ঘদিন আপনাদের সঙ্গে কাজ করব।"

আজ দুদক চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া প্রথম দিনের মতো অফিস করেন। সকাল ৯টার দিকে তারা দুদকে প্রবেশ করেন। সকাল ১০টায় পূর্বনির্ধারিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারা। এই সভায় দুদক সচিব সাইদুর রহমান ও মহাপরিচালকসহ উপ-পরিচালক পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

গত সোমবার, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

এ কে এম আসাদুজ্জামান বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আপিল বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি বহুদিন ধরে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ থেকে অবসরে যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিতাসে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


তিতাসে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ জন গ্রেপ্তার

কুমিল্লার তিতাসে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নয়জনকে। পুলিশ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তিন মামলা অনুযায়ী পাঁচজন এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আরো চারজনকে গ্রেপ্তার করে আছে।

বুধবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিতাস থানা সূত্রে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলায় বাতাকান্দি এলাকার হাজী আ. বাতেনের ছেলে মো. আবু সাঈদ (৪৫), উত্তর আকালিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. আ. মালেক ভূঁইয়ার ছেলে মো. কবির হোসেন (২৮), কড়িকান্দি এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. মনু মিয়া (৬০), দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর এলাকার হিরন মিয়ার ছেলে মো. ইমন (২২) এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কলাগাছিয়া মোল্লার চর এলাকার কবির ভূঁইয়ার ছেলে মো. সুমন (১৯)। মনে রাখা দরকার, সুমনের বর্তমান ঠিকানা তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি এলাকায়।

আরেকদিকে, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তার লুবনার পরিচালনায় একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

মোবাইল কোর্টে উপজেলার আলীরগাঁও এলাকার মো. হোসেনের ছেলে মো. হাবিব (২৫) ও আ. আউয়ালের ছেলে মো. রুবেল (২৫), মৌটুপীর মো. ফিরোজের ছেলে মো. জয়নাল (২৭) এবং মধ্য আকালিয়ার মৃত রিয়াজুল হকের ছেলে মো. ডালিম (৩৫) কে আটক করা হয়।

এছাড়া, দাউদকান্দি থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে তিতাস উপজেলার মৌটুপি এলাকার ছাদেক সরকারের ছেলে নাঈম সরকারকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার হয় পাঁচজন, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে গ্রেপ্তার হয় চারজন এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের অভিযান মাদকের বিরুদ্ধে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫ আগস্ট নাশকতার পরিকল্পনা, ১৫ জন রিমান্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


১৫ আগস্ট নাশকতার পরিকল্পনা, ১৫ জন রিমান্ডে

১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার ভাটারা এলাকায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে মোট ১৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলায় ঢাকার একটি আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

বুধবার ডাক্তার কামাল উদ্দীন নামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ডকৃত আসামিদের মধ্যে যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু বা আমির হোসেন, আব্দুর রহমান বা আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান এবং শাহিন হোসেন ইমন থাকছেন।

এর আগে, গত ১৩ আগস্ট রাতের দিকে পুলিশ ভাটারা থানায় একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ৫২ জনকে গ্রেফতার করে। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম আদেশ দেন যে, তাদের কারাগারে পাঠানো হবে। এর মধ্যে মামলার তদন্তের প্রয়োজনে ১৫ জনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়। শুনানির জন্য বুধবার আদালত একটি নির্ধারিত দিন ধার্য করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা এলাকায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়। আটকদের অধিকাংশই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছে থেকে দু’টি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়। মামলার নথিতে উল্লেখ আছে যে, জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের যোগদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের যোগদান

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া আজ অফিসে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

গত ১৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১) অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে এবং সাবেক সচিব ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি দীর্ঘকাল ধরে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণকারী বিচারপতি আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০১ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

দুদক কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান একজন অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব এবং বিসিএস (প্রশাসন) ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৬৩ সালের ৬ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণকারী ড. জাহাঙ্গীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ১৯৮৮ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দুদকে যোগদানের পূর্বে তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে আইনের অধ্যাপক ও আইন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পে লিগ্যাল এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করেছেন।

অপর কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৬৩ সালের ১৫ অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণকারী ড. সাজ্জাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বি.কম ও এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ও এবি ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেছেন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগ ও আইবিএতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ফিন্যান্স, বাণিজ্য, ক্যাশ ফ্লো, মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন, সম্পদ ও দায় মূল্যায়ন, ট্রান্সফার প্রাইসিং, মানিলন্ডারিং, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং এসব বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%