মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৬ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার ও চার দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টানা তৃতীয় দিনের মতো কর্মসূচি পালন করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মৌন মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণের মাধ্যমে তারা এই কর্মসূচি সম্পন্ন করেন।
সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ফ্যাকাল্টির সামনে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে মৌন মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহিদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বর হয়ে আইন অনুষদ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহিদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের অনেকেই কালো ব্যাজ ধারণ করেন।
শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন ও ফাঁসির রায় কার্যকর করা, কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) দায়িত্ব স্বীকার করে প্রত্যাহার করা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা, এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় তাৎক্ষণিক রেসপন্স ইউনিট গঠন করা।
বাংলা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারহা খানম বলেন, "এতদিন আমরা বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছি। আজকের কর্মসূচি মূলত শোক প্রকাশ ও প্রতিবাদের মৌন ভাষা হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমাদের চার দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আমরা আবারও দাঁড়িয়েছি।" তিনি আরও বলেন, "ঘটনার প্রথম দিন থেকেই দাবিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চাওয়া হলেও এখন পর্যন্ত এর দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তাই চার দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আমরা কর্মসূচি পালন করছি। একই সঙ্গে ভাইকে হারানোর শোক ও প্রতিবাদে মৌন মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়েছে।"
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রাব্বানী বলেন, "আমরা প্রথম দিন থেকেই পুলিশের উদাসীনতা দেখতে পাচ্ছি। অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে হত্যা করা হলো, আসামিদের ধরা হলো; কিন্তু এখনো বিচার নিশ্চিত হয়নি। আসামিদের বয়স নিয়ে একটি চক্রান্ত করা হচ্ছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।" তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সঠিক বয়স নির্ধারণ করে তাদের উপযুক্ত শাস্তি ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফ ভূইয়া বলেন, "অপ্রতিমের অপহরণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা রাজপথে আছি। মরদেহ উদ্ধারের পর বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। চার দফা দাবি জানালেও প্রশাসনের উচ্চ মহল থেকে কোনো সাড়া পাইনি। আজকের মৌন মিছিলের মাধ্যমে জানাতে চাই, আমরা আন্দোলন থেকে সরে যাইনি। চার দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করতে হবে।"
এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) একই দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। তার আগের দিন রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) চার দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধান খেতের পাশে রাস্তা থেকে মো.নাঈম (১৪) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে তারা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বাগ্যা গ্রামের এবায়েদ উল্যার বাড়ি সংলগ্ন ধান খেতের পাশে রাস্তা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাঈম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ইব্রাহীম খলিলের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সুবর্ণচরে নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত।
স্থানীয়রা জানায়, নাঈম বুলু নেতা সমাজের এবায়েদ উল্যার মেয়ের ঘরের নাতি। তার মা-বাবার প্রায় তিন বছর আগে বিচ্ছেদ হয় যায়। এরপর থেকে নাঈম নানার বাড়িতে থেকে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে পড়া লেখা করত।
নিহেতর নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, শনিবার নাঈম মাদ্রাসা থেকে চলে আসে। পরে তার বাবা আমাদের ফোন দিয়ে তার ছেলের অবস্থান জানায়। পরে তার নানী আমেনা খাতুন ওই জায়গায় গিয়ে নাতীকে বাড়িতে নিয়ে আসে। সোমবার রাতের খাবার খেয়ে নাঈম ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে ফজরের নামাজের সময় নামাজ পড়তে উঠলে দেখি ঘরের দরজা খোলা, সে শয়ন কক্ষে নেই। সকাল ৭টার দিকে আমি সার আনার জন্য যাওয়ার পথে আমার বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে ধান খেতের পাশে রাস্তার ওপর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি।
এবায়েদ উল্যাহ অভিযোগ করে বলেন, ২০-২৫ দিন আগে আমার মেয়ের নতুন করে বিয়ে হয়। এরপর নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল তার মা সুমি আক্তার নানা ভাবে হুমকি ধমকি দেয়। কিভাবে ছেলের আয় রোজগার খায় দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। নিহতের মা তার বাবাকে সন্দেহ করছে। সকালে ছেলের মৃত্যুর খবর দেওয়ার জন্য তাকে অনেকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে নিজে ফোন করলে তাকে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। এরপর দুপুর ১টা পর্যন্ত ছেলের মরদেহ দেখতে আসেনি বাবা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার নিহতের বাবা ইব্রাহীম খলিলের মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পওয়া যায়নি।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার বলেন, খবর পেয়ে আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহতের থুতনির নিচে চিলা দাগ রয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানা যাবে। নিহেতর বাবার সাথে কথা হয়েছে তিনি চট্রগ্রাম অথবা ফেনীতে আছেন। তিনি আসছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে নাগেশ্বরী শহরে দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক গোলাম রসুল রাজা বলেন, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি রাজপথে থেকে যেকোনো চক্রান্ত মোকাবিলা করবে।
তিনি নেতাকর্মীদের যেকোনো পরিস্থিতিতে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
কর্মসূচিতে নাগেশ্বরী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, তাঁতী দল, কৃষক দল ও শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের রাজৈর ও সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ও রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা এসব অভিযান পরিচালনা করেন।
পুলিশ জানায়, বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে রাজৈর উপজেলার ঘোষালকান্দি এলাকায় উজ্জল হাওলাদারের টিনের তৈরি কাচারিঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আসাদ মাতুব্বর (২৩), নবীন শেখ (২০) ও আলমগীর শেখ (২৮) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পরে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মাদারীপুর সদর উপজেলার গৈদী এলাকায় সার্বিক ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালিয়ে আফজাল জামান (২৭), মেহরাব হোসেন চয়ন (২২), শামীম মোল্লা (২৮) ও ফারদিন আহমেদ শুভ (২৮) নামে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫০ পিস ইয়াবা।
মাদারীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান সাঁড়াশি অভিযানের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, মাদক, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জয়নাল আবদীন নামে এক ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং মামলার সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এসব অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু তদন্ত, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জয়নাল আবদীন।
সংবাদ সম্মেলনে জয়নাল আবদীন অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ তার আপন ছোট ভাই আলাউদ্দিন।
তার দাবি, আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনি মামলা দায়ের করার পর ওই মামলা থেকে রক্ষা পেতে তার বিরুদ্ধে পাল্টা একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জয়নাল আবদীন জানান, ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব মিরসরাই থানার এসআই ইব্রাহিমের কাছে আসে।
তদন্তের বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টার দিকে তিনি দুই সাক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে মিরসরাই থানায় যান।
পরে থানা থেকে বের হওয়ার সময় আলাউদ্দিনসহ কয়েকজন তার সঙ্গে থাকা সাক্ষীদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
একপর্যায়ে তার সাক্ষীদের অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন জয়নাল আবদীন।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় তিনি ও তার সাক্ষীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে মীরসরাই থানার এসআই ইব্রাহিম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদেরকে জানান আলাউদ্দিন গালাগাল করার সময় তিনি নামাজে ছিলেন। অপহরণ বা ধস্তাধস্তির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
এছাড়া আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন বলে জানান।
এদিকে জয়নাল আবদীন দাবি করেন,তার ৭ লক্ষ টাকার পাহাড়ি গাছ কেটে নেওয়ায় আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে মামলা করেন, যার মামলা নং সিআর ৪৫৭/২৫ দায়ের করেছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি পিবিআই তদন্ত করে আদালতে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছে।
পরবর্তীতে আদালত আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এখনো পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন জয়নাল।
সংবাদ সম্মেলনে জয়নাল আবদীন বলেন, “আমি কোনো প্রতিশোধ চাই না, আমি আইনের সঠিক প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার চাই।
আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আদালতের আদেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হোক।
তিনি আরও বলেন, তার মামলার সাক্ষীদের যারা ভয়ভীতি দেখিয়েছে বা অপহরণের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়েও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জয়নাল আবদীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ