ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হিলিতে ১৪ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না সাজাপ্রাপ্ত আসামির


হিলিতে ১৪ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না সাজাপ্রাপ্ত আসামির

দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দীর্ঘ ১৪ বছর পলাতক থাকার পর, পুলিশের হাত থেকে রক্ষা হলো না যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি মো. জামাল হোসেনের (৬০)। তাকে পরে সুকৌশলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হাকিমপুর পৌর শহরের মধ্য বাসুদেবপুর এলাকার মৃত রফিক হোসেনের ছেলে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা উপলক্ষে নীলফামারীর ৮১২ মণ্ডপে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা

পুলিশ জানায়, ২০১১ সালের ২০ নভেম্বর জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে হাকিমপুর থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে বিচারকার্য শেষে, আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এরপর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।

হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল হোসেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল এলাকায় তার বোনের বাড়িতে আত্মগোপনে আছেন। পরবর্তীতে পুলিশি সুকৌশলে তাকে হাকিমপুর পৌর শহরের মধ্যে বাসুদেবপুর (চুড়িপট্টি) এলাকায় এনে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় থানার আলিহাট ইউনিয়নের আলিহাট গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে নাঈম হাসান (২৫) এবং পৌর শহরের ধরন্দা (ফকিরপাড়া) মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে আল আমিন ওরফে কালুকে (২৪) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ তিনজনকে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: বকশীগঞ্জে সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে সভা ও বিক্ষোভ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়তে পারেন কোয়েল মল্লিক, সংসদে তৃণমূলের ভাঙনের মাঝে ঘুরছে সেই জল্পনাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৪ এম


রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়তে পারেন  কোয়েল মল্লিক, সংসদে তৃণমূলের ভাঙনের মাঝে ঘুরছে সেই জল্পনাও

গত ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভা নির্বাচনে দলের তরফে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। সেই তালিকায় ছিল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের নাম। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলে লাগাতার ধস অব্যাহত। অভিনেত্রীও কি সেই একই পথের পথিক?

রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়তে পারেন কোয়েল মল্লিক। শোনা যাচ্ছে, সেই কারণেই অভিনেত্রী দিল্লি রওনা দিয়েছেন।

রাজনীতিতে যাওয়ার ইচ্ছা,她 আগে বিশেষভাবে শোনা যায়নি। ফলে গত এপ্রিল মাসে কোয়েল তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার জন্য রাজি হয়েছেন শুনে খুব বিস্মিত হয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠেরা। কেউ কেউ এমনও বলেছেন যে, তাঁর হয়ে অন্য কেউই এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। কোয়েলের রাজ্যসভার পদ ছাড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই সে সব কথা ফিরতে শুরু করছে নানা মহলে।

শপথগ্রহণের দিনে কোয়েল, সঙ্গে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। ছবি: সংগৃহীত।

গত ফেব্রুয়ারিতে, রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে তৃণমূল। সেই তালিকাতে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী ছাড়াও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের নাম ছিল। কয়েকদিন আগে তদানীন্তন রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের খতিয়ান নিয়ে মল্লিকবাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরে, এপ্রিল মাসে দিল্লিতে রাজ্যসভার সাংসদ পদে শপথ নিতে যান কোয়েল, সঙ্গে ছিল তাঁর গোটা পরিবার। শপথের পরে অভিনেত্রী বলেছিলেন, “অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা— এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।”

তৃণমূলের একটি সূত্র জানিয়েছিল, কোয়েলের যেহেতু পঞ্জাবি পরিবারে বিয়ে, তাই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে নাকি ভবানীপুরের পঞ্জাবি ভোটারদের কাছে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ভোটের ফলে এই অঙ্ক ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছে। ভবানীপুরে পঞ্জাবিদের ভোট এমন কিছু বেশি নয়। ফলে, কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠানোটা ‘তেলা মাথায় অতিরিক্ত তেল’ দেওয়ার মতো ঘটনা বলেই অনেকে মনে করছেন।

পরিবারের সঙ্গে কোয়েল। ছবি: সংগৃহীত।

দলের অন্দরে কান পাতলে আর একটি কথাও শোনা যায়। কোয়েলের স্বামী বর্তমানে প্রযোজনা ছাড়াও কিছু রিয়্যাল এস্টেটের কাজের সঙ্গে যুক্ত। রিয়্যাল এস্টেট ব্যবসার স্বার্থেই নাকি তিনি কোয়েলকে মমতার অনুরোধ ফেলতে বারণ করেন। কোয়েল-ঘনিষ্ঠ এক অভিনেতা অবশ্য এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন। অভিনেত্রীর বন্ধুস্থানীয়েরা মনে করেন, কোয়েল কখনও অনৈতিক কাজ করেননি। রাজ্যসভার একটি সামান্য পদের জন্য তো কখনওই করবেন না। এমনকি, তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার পরেও কোয়েলের অভিনেতা পিতা রঞ্জিত মল্লিক বলেছিলেন, “কোয়েল বড় হয়েছে। বুঝদার মেয়ে। ওকে আলাদা করে বলার কিছু নেই। খুবই বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে। এ ক্ষেত্রেও তেমনই করবে। বাবা হিসাবে যা যা বলার সেটুকু বলেছি। সৎ পথে থেকে ভাল কাজ করুক, এটাই চাওয়া।”

তবে এখন পালাবদলের সময় এসেছে। যাদের হয়ে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন কোয়েল, সেই তৃণমূলে ভাঙন ধরেছে। কিন্তু তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সদস্যদের দলে কোয়েল যোগদান করবেন না। সম্মান রেখে রাজনীতি থেকে দূরেই থাকবেন। অভিনেত্রীকে যারা কাছ থেকে চেনেন, তারা অন্তত এমনটাই মনে করছেন। প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল থেকে কোয়েলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, তিনি নিশ্চুপ। মেলেনি এ সংক্রান্ত কোনও উত্তর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিরিরবন্দরে সরকারি ধান সংগ্রহ কর্মসূচিতে নির্বাচিত ৪৫৬ কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৩ এম


চিরিরবন্দরে সরকারি ধান সংগ্রহ কর্মসূচিতে নির্বাচিত ৪৫৬ কৃষক

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় সরকারের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের উদ্দেশ্যে উন্মুক্ত অনলাইন লটারির মাধ্যমে সুবিধাভোগী কৃষক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ৪৫৬ জন কৃষককে ধান বিক্রির জন্য নির্বাচিত করা হয়।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা করছে, ১,৩৬৮ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারিত হলেও অনলাইনে মোট ১,৪০৯ জন কৃষক আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকেই উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের চূড়ান্ত করা হয়।

লটারির কার্যক্রম পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেহা তুজ জোহরা। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আতোয়ার রহমান, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিত্যানন্দ রায়, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র রায়।

আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিটি কর্মকর্তা মাহাফুজার রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা হামিদুর রহমান, বিআরডিবি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার এবং ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও কৃষক প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই ছিল শহীদ জিয়ার লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৭ এম


অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই ছিল শহীদ জিয়ার লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে একটি অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তিনি আরও বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্য, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের যে আদর্শ জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা আজও বাংলাদেশের মানুষের কাছে অনুসরণীয়।’

তিনি এসব কথা রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মহাপ্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুর দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করা হয় এবং তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই সময় স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তিনি জিয়াউর রহমানের দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে অবদান স্মরণ করেন।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান মিলে সবাই একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি। ৭১ আমাদের অস্তিত্ব, ৭১ আমরা অস্বীকার করতে পারি না।

মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন সততার নজিরবিহীন ব্যক্তি। তিনি সব ধর্মের মানুষদের নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘তাঁর দেখানো পথ ধরে আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চাই।’

এসময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিদিন আম খেলে শরীরের যেসব উপকার মিলতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৩ এম


প্রতিদিন আম খেলে শরীরের যেসব উপকার মিলতে পারে

 

গ্রীষ্মকাল অপেক্ষা করছে, এবং চারদিকে পাকা আমের মিষ্টি সুবাস ছড়িয়ে পড়েছে। এই সুস্বাদু ফলটি শুধু রসনাতৃপ্তি ছাড়াই শরীরের জন্য নানা রকম পুষ্টিগুণ নিয়ে আসে। নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে আম খেলে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং কার্যক্রম উপকৃত হতে পারে।

আমে উপস্থিত ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম, ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, চোখের সুস্থতা বজায় রাখা, হৃদযন্ত্রের যত্ন নেওয়া এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে।

আমের ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সহায়তা করতে পারে। এতে থাকা পেকটিন নামক দ্রবণীয় ফাইবার অন্ত্রের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে। এর ফলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো হয়ে যায় এবং হজম প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হয়।

চোখ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য আমে থাকা বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়, যা চোখের দৃষ্টিশক্তি, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সমর্থন করে।

ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা হাড়, ত্বক, লিগামেন্ট এবং কার্টিলেজের গঠন বজায় রাখতে অপরিহার্য। তাই আম শরীরের গঠনগত স্বাস্থ্য রক্ষায় বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

আমে থাকা পটাশিয়াম শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। পর্যাপ্ত পটাশিয়াম গ্রহণ হৃদযন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

আমের ভিটামিন সি উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে আয়রন শরীরে শোষণে সহায়তা করে বলে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্য এটি উপকারী খাদ্য তালিকার একটি অংশ হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আম খাওয়া ব্যক্তিরা সাধারণত বেশি ফাইবার, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং পটাশিয়াম গ্রহণ করেন। এছাড়া, আম প্রাকৃতিক মিষ্টির একটি ভালো উৎস হওয়ায় এটি অনেক সময় স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

এক কাপ কাটা আমে যা থাকে:

ক্যালরি: প্রায় ৯৯

কার্বোহাইড্রেট: ২৫ গ্রাম

ফাইবার: ৩ গ্রাম

প্রাকৃতিক চিনি: ২২.৫ গ্রাম

প্রোটিন: ১ গ্রাম

ভিটামিন সি: ৬০ মিলিগ্রাম

পটাশিয়াম: ২৭৭ মিলিগ্রাম

এছাড়া ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬ সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানও রয়েছে।

বেশিরভাগ মানুষের জন্য আম নিরাপদ এবং উপকারী ফল। তবে কিছু মানুষের আমের খোসায় অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যাদের কাশু বাদাম বা অনুরূপ উদ্ভিদে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া ভালো এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও পরিমিত পরিমাণে আম খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিমাণ বজায় রেখে এবং প্রোটিন বা স্বাস্থ্যকর চর্বির খাবারের সঙ্গে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

সার্বিকভাবে, আম শুধু একটি সুস্বাদু মৌসুমি ফল নয়, এটি একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। তবে যেকোনো খাবারের মতো এটি গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: ইটিং ওয়েল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%