০৩:৫৯ পি.এম
ব্যাটের স্পর্শ ছাড়া চার-ছক্কা দেখার অভ্যাসে অভ্যস্ত দর্শকরা। তবে, ব্যাটের স্পর্শ ছাড়া চার দেখা সম্ভব হলেও, ‘বাই ছক্কা’ শোনার বা দেখার অভিজ্ঞতা অনেকেরই নেই।
এমন একটি বিরল দৃশ্য দেখা গেছে গতকাল কানাডার সুপার সিক্সটির ম্যাচে। সামাজিক মাধ্যমে ‘বাই ছক্কার’ দৃশ্যটি এখন ভাইরাল হয়ে উঠেছে। তবে, উল্লেখযোগ্য যে বাউন্ডারি লাইনটি ছিল খুবই ছোট।
যদিও দেখতে ছক্কা মনে হলেও, ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী সেটি আসলে ‘বাই ফোর’। নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাটের স্পর্শ ছাড়া যদি বল সীমানার বাইরে চলে যায়, তাহলে সেটি ছক্কা নয়, বরং চার হিসেবে গণ্য হবে। আম্পায়ারও গতকাল তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর সঙ্গে বল অতিরিক্ত বাউন্স হওয়ায় ওয়াইডের সংকেতও দিয়েছেন আম্পায়ার।
আরও পড়ুন: বির্তকে মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ঘটনাটি ঘটেছিল মিসিসাগা মাস্টার্স এবং টরন্টো সিক্সার্সের ম্যাচে। টরন্টোর ব্যাটিং ইনিংসের ৯ম ওভারের ঘটনা এটি। যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলি খান ওই ওভারটি করেন। ওভারের প্রথম তিন বলে দুটি ছক্কা হজম করার পর, আলি চতুর্থ বলটি বাউন্স করান। কিন্তু বলটি এতটাই বাউন্স হয় যে ব্যাটার কাইরন পোলার্ড এবং উইকেটরক্ষক কেউই নাগাল পাননি। কারণ, শূন্যে থাকা বলটি বাউন্ডারি লাইনের সীমানা অতিক্রম করে যায়। এমন বিরল দৃশ্য দেখে মাঠের সকলেই অবাক হয়ে যান। গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা তখন উল্লাসে ফেটে পড়েন।
অদ্ভুত ‘ছক্কার’ দিনটি রোমাঞ্চকর ম্যাচের সাক্ষী হয়েছে দর্শকরা। ১৩১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় মিসিসাগার শেষ ওভারে ১৮ রান প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তারা সবমিলিয়ে ৮ রান নিতে পেরেছে ১২১ রানে। ৯ রানের জয়ে ফাইনালে ওঠা টরন্টো পরে চ্যাম্পিয়নও হয়েছে।
ফাইনালে ১৬৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ভ্যাঙ্কুভার অ্যাঙ্করস। তাড়া করতে নেমে টরন্টোর প্রয়োজন ছিল ৬ বলে ১৪ রান। শেষ বলে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫ রানের। কিন্তু ক্রিস জর্ডান ওয়াইড দিলে লক্ষ্য কমে আসে। সেই বলে এক রান বাই আসলে শেষ বলে লক্ষ্য হয় ৩ রানের। ১০তম ওভারের শেষ বলটি ছক্কা হাঁকিয়ে অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন ড্যানিয়েল স্যামস।
আরও পড়ুন: ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন