০৫:৫১ পি.এম
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষণমূলক বা স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত যৌথ মতবিনিময়সভার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এখানে কে কার সঙ্গে পরিচিত, তা বিবেচ্য নয়। সে যিনি মন্ত্রী হোক বা যত প্রভাবশালী লোকই হোক না কেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষণ পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
আরও পড়ুন: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সোলায়মানের জন্য ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা
মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে ও পরবর্তীতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। ব্যবসার সু-বান্ধব পরিবেশ তৈরি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বৃদ্ধি এবং ইজ অব ডুইং বিজনেস বা সহজ ব্যবসা পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাজেটে ডিরেগুলেশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রমে জটিলতা ও সময়ক্ষেপণ কমানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এনবিআর ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় দীর্ঘদিনের রেগুলেশন জটিলতা এবং বন্দরে বাড়তি খরচের সমস্যা সমূহ চিহ্নিত করা হয়েছে।
আমির খসরু বলেন, কাস্টমসের জটিলতা ও বন্দরের অতিরিক্ত খরচের প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য সময়সীমা বেঁধে সিদ্ধান্তগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাহসের সঙ্গে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে পণ্য খালাস ও রপ্তানির সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে।
আরও পড়ুন: নিউমার্কেটে দোকান দখলচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রদলের ৩ নেতার পদ স্থগিত
এদিন কাস্টমস চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অবৈধ ও আটকে থাকা কনটেইনার দ্রুত নিলাম বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে বন্দর এলাকা জটমুক্ত করার বিষয়েও সভায় বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
একই দিন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভূমিকা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামকে ঘিরে সংস্থাটির বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজেরা ফিলিপাইন থেকে চট্টগ্রামে এসে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, এডিবি চট্টগ্রামকে কেবল একটি লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, বরং আগামী দিনে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
মন্ত্রীর মতে, বন্দরকে কেন্দ্র করে এই আঞ্চলিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চট্টগ্রামের জন্য এক বিশাল সুখবর।
আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে বন্দুকযুদ্ধে দুই ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ছয় ইসরায়েলি সেনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন