শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫১ পি.এম
প্রায় এক দশক আগে কাতালোনিয়ার ব্যর্থ স্বাধীনতার দাবির চেয়ে বর্তমানে অভিবাসনবিরোধী এবং ইসলামবিদ্বেষী মনোভাবই এই ধনী অঞ্চলের ভোটারদের প্রধান রাজনৈতিক এজেন্ডা হয়ে উঠেছে। কাতালোনিয়ায় স্পেনের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনগণ বসবাস করে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে 'আলিয়ানসা কাতালানা' (Alianca Catalana) নামে একটি নতুন উগ্র ডানপন্থী দল।
দলটি অভিবাসন সীমিত করার জন্য কঠোর দাবি জানাচ্ছে এবং ইসলাম ধর্মকে সমাজের জন্য একটি বড় ‘হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রচার চালাচ্ছে। আসন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনে সোশ্যালিস্ট পার্টির পর এই দলটি দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে বলে বিভিন্ন জনমত জরিপে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জার্মানি, ইতালি এবং ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের বিজয়ের পথ অনুসরণ করে ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া অভিবাসনবিরোধী হাওয়াকে কাজে লাগাচ্ছে এই দল।
তবে উগ্র ডানপন্থী এই দলের উত্থানে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন কাতালোনিয়ায় বসবাসরত অভিবাসী ও মুসলিম সম্প্রদায়। রিপোল শহরের 'ইয়ং মরোক্কানস'-এর সভাপতি সৌকাইন এল আবদি এই রাজনৈতিক উত্থানকে ভিত্তিহীন ঘৃণা এবং অপপ্রচারের ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ মূলত কাজ ও সুন্দর জীবনের আশায় এখানে আসেন, কিন্তু একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মুসলিম সম্প্রদায় সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আবাসন সংকট, বেকারত্ব এবং সার্বিক নিরাপত্তাহীনতার মতো সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে উগ্র ডানপন্থীরা ইসলামোফোবিয়ার জুজু দেখাচ্ছে। অথচ স্পেনের মূল ধারার অর্থনীতি ও সমাজের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে অভিবাসীরা। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উগ্র রাজনৈতিক প্রবণতা শুধু একটি অঞ্চল নয়, বরং পুরো ইউরোপের গণতান্ত্রিক ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজব্যবস্থার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গাড়িবহরের দিকে কাঁচের বোতল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে জেরুজালেমের মাহানে ইহুদা বাজারে যাওয়ার পথে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে এই ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। গাড়িবহরটি থামেনি এবং গন্তব্যের দিকে চলে যায়। পরে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্যরা বোতল নিক্ষেপকারীকে শনাক্ত করার জন্য আশপাশে তল্লাশি চালান। খবরটি টাইমস অব ইসরাইল ও অন্যান্য ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
নেতানিয়াহুর জন্মদিন উপলক্ষে মাহানে ইহুদা বাজারে পৌঁছানোর পর তাঁর ও স্ত্রী সারার প্রতি সমর্থকেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সেখানে লিকুদ পার্টির সমর্থকেরা তাঁকে স্বাগত জানান। কিন্তু সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই গাড়িবহরের দিকে বোতল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার তেল আবিবের হাতিকভা বাজার পরিদর্শনকালে নেতানিয়াহু তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদের সম্মুখীন হন। সেখানে এক ব্যক্তি তাঁকে হামাসকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রশ্ন করেন। ওই ব্যক্তি ঘটনাটি মুঠোফোনে ধারণ করতে গেলে লিকুদ পার্টির কয়েকজন সমর্থক তাঁর ফোন কেড়ে নেন এবং তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন, এমনটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সেখানে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় স্বজন হারানো এবং জিম্মি সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জিম্মি অবস্থায় নিহত গায় ইলুজের বাবা মিশেল ইলুজ, নিহত জিম্মি কারমেল গাতের কাজিন গিল দিকমান এবং সাবেক জিম্মি মাতান জাঙ্গাউকারের মা আইনাব জাঙ্গাউকার। তাঁরা ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তাব্যর্থতার দায় নিয়ে নেতানিয়াহুসহ তৎকালীন দায়িত্বশীলদের পদত্যাগের দাবি জানান।
প্রতিবাদের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আইনাব জাঙ্গাউকারের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়, থুথু নিক্ষেপ করা হয় এবং সবজি ছোড়া হয়। পরে পুলিশ তাঁদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়। অন্যদিকে, মিশেল ইলুজের ওপর এক ব্যক্তির শারীরিক হামলার ঘটনাও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। নেতানিয়াহুর সফরকে কেন্দ্র করে বাজারটিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও এসব ঘটনার সময় প্রধানমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মিশেল ইলুজ এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, তাঁর ছেলে গায়কে জিম্মি অবস্থায় হারানোর বিচার ও জবাবদিহির দাবি জানাতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। একজন শোকাহত বাবার ওপর হামলার ঘটনাকে তিনি লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেন। আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় নাগরিকদের তাঁর ছেলের কথা স্মরণ রাখার আহ্বানও জানান তিনি।
এদিকে, জিম্মি পরিবারের সদস্যদের প্রতিবাদ এবং নেতানিয়াহুর সফর ঘিরে সংঘাত ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনকে আবারও সামনে এনেছে। ৭ অক্টোবরের হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতা, জিম্মিদের মুক্তি এবং হামাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা করে আসছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর একাংশ।
জেরুজালেমে গাড়িবহর লক্ষ্য করে বোতল নিক্ষেপের ঘটনা এবং তেল আবিবের বাজারে প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে সংঘাত—দুই ঘটনাই নেতানিয়াহুর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত সফরকে আলোচনায় এনেছে। তবে বোতল নিক্ষেপের পেছনে কারা জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কিশোর গ্যাংয়ের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হন স্থানীয় সাংবাদিক ও বাউল শিল্পী রুহেল সরকার (৩৫)। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) গুরুতর মাথা আঘাত নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নবীনগর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার, আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢামেকে ভর্তি করা হলে তার মাথায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
রুহেল সরকার নবীনগর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়া ইমামবাড়ি রোড এলাকার মো. হেকিম মিয়ার ছেলে। তিনি ‘দৈনিক সংবাদ কণ্ঠ’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এবং নবীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সদস্য। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বাউল গান পরিবেশন করেন এবং সংসার চালাতে পেইন্টিং আর্টিস্টের কাজ করেন।
রুহেলের ভাই রুবেল খান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে পৌরসভার উত্তরপাড়ার টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসের সামনে একটি অটোরিকশা গ্যারেজের সামনে কিছু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য মাতলামি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল। রুহেল সরকার এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে উত্তরপাড়ার ইমরান নামের এক তরুণের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ সদস্য অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রুহেলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা রড ও ভারী বস্তু দিয়ে পিটিয়ে তার মাথার হাড় ভেঙে ফেলে এবং ডান চোখ মারাত্মকভাবে জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় অস্ত্রোপচার হলেও গতকাল পর্যন্ত রুহেলের জ্ঞান ফেরেনি এবং তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, তারা ঘটনার বিষয়ে অবগত আছেন। লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সাংবাদিক রুহেল সরকারের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নবীনগরে কর্মরত সাংবাদিকরা। গতকাল নবীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন সাংবাদিক নেতারা।
উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হেফজুল বাহারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সামাজিক সুরক্ষায় সোচ্চার সাংবাদিকের ওপর এমন হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও আমজনতার নিরাপত্তার জন্য এক চরম হুমকি।
বক্তারা অবিলম্বে মূল অভিযুক্ত ইমরানসহ কিশোর গ্যাংয়ের সব সদস্য ও তাদের পেছনে থাকা মদদদাতাদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং পৌর এলাকাজুড়ে সমন্বিত অভিযান চালানোর জোর দাবি জানান। মানববন্ধনে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মাহাবুব আলম লিটন, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রেস ক্লাবসমূহের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের গত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্তসহ ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ চারজনকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলায় অপরাধ দমনে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সব থানা ও ইউনিটের ইনচার্জসহ পুলিশ সদস্যরা নিয়মিতভাবে মাঠপর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা, মাদক ও অন্যান্য উদ্ধারজনিত ঘটনায় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ অপরাধ দমনে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে। পাশাপাশি অপরাধ ও অপরাধীদের সম্পর্কে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে মাদক থেকে দূরে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র প্রার্থী হাসিবুল হাসান হাসিব।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নওয়াপাড়া ও বাঁকাইল যুবসমাজের যৌথ উদ্যোগে নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চারদলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
হাসিবুল হাসান হাসিব বলেন, খেলাধুলা মানুষের মন ভালো রাখে। এটি আনন্দের মাধ্যম। তরুণরা খেলার মাঠে থাকলে বিপথে যাবে না।
টুর্নামেন্টে নওয়াপাড়ার একটি অংশ বাদ পড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ নিয়ে কয়েকজন তাঁর কাছে আপত্তি জানিয়েছেন। মাঠে যারা নিয়মিত খেলেন, তাদের নিয়ে দল করার যুক্তি থাকলেও কেউ বাদ পড়লে তা দুঃখজনক।
তিনি বলেন, আমি তোমাদের ভাই বা চাচার মতো। অনুরোধ করব, ভবিষ্যতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে খেলার আয়োজন করবে। মতের অমিল থাকতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক। আমাকেও সবাই পছন্দ করবে, এমন নয়।
তিনি আয়োজকদের সবাইকে নিয়ে সুন্দর পরিবেশে খেলাধুলা আয়োজনের আহ্বান জানান।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধক ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদার, সমাজসেবক সেলিম রেজা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি বেলায়েত হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আমির হোসেন, গোলাম রব্বানীসহ আয়োজক কমিটির সদস্য ও যুবসমাজের নেতৃবৃন্দ।
চারদলীয় টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে রেড ওয়ারিয়র্স, ব্ল্যাক প্যান্থার, ব্লু স্ট্রাইকার ও গ্রিন টাইটানস। উদ্বোধনী দিনে মুখোমুখি হয় রেড ওয়ারিয়র্স বনাম ব্ল্যাক প্যান্থার এবং ব্লু স্ট্রাইকার বনাম গ্রিন টাইটানস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ