ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০


নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম এলাকার ডহরি খালের প্রবেশ মুখে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণের সময় নৌ-পুলিশ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে।

এই সময় তাদের কাছে একটি উচ্চগতির ইঞ্জিনচালিত নৌকা, দুটি ধারালো দা, ছয়টি মোবাইল ফোন, দুটি টর্চলাইট ও সাতটি কাঠের ডাসা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতের ঘটনা এবং মিরকাদিমের ও ধলেশ্বরী নদীর মোহনা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে মুক্তারপুর নৌপুলিশ ফাড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মাবুদ শনিবার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য দেন।

আরও পড়ুন: শীর্ষ মাদক ডিলার গ্রেফতার: ২ বোতল ভারতীয় সিরাপ দিয়ে আদালতে সোপর্দ করলো দামকুড়া থানা পুলিশ

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে মুক্তারপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আব্দুল মাবুদের নেতৃত্বে ধলেশ্বরী নদীতে নিয়মিত নৌ টহল চলছিল। এ সময় মিরকাদিম এলাকার ডহরি খালের প্রবেশমুখ ও ধলেশ্বরী নদীর মোহনা এলাকায় একটি নৌকার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এই অভিযানে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সাদ্দাম হোসেন,(৩৮) বোরহান উদ্দিন(২৮) মোঃ রোমান(২৩), তারামিয়া(৩৮), ইউনুস আলী(৩৮) ইসমাইল হোসেন,(২৭) আব্দুর রহমান(২৭) সুলাইমান(৩৪) শরীফ হোসেন(৩২) মোঃ আরমান (২৩) রয়েছেন। পরে তাদের দেহ ও নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত বলে ধারণা করা বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আব্দুল মাবুদ জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে গজারিয়ার লস্করদি থেকে দুজন নৌ ডাকাত গ্রেপ্তার হয়। সেই নৌ ডাকাতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই ১০ ডাকাতকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ডাকাত সদস্যদের বাড়ি সিরাজদিখান উপজেলা।

আরও পড়ুন: রায়পুরায় বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসা গুলিসহ নারী আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রোববার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রোববার

 

দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হচ্ছে।

জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি (ইআরপিপি) প্রকল্পের আওতায় এসব আইসিইউ স্থাপন করা হবে। রোববার এসব হাসপাতালের আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

যেসব হাসপাতালে নতুন আইসিইউ চালু হচ্ছে সেগুলো হলো- মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল এবং বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি আইসিইউতে প্রয়োজনীয় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় জনবলও। এর মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জন্য উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

রোববার ১০টায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে প্রধান উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে বাকি ৯টি হাসপাতাল ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউগুলো পুরোদমে চালু হলে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের উন্নত ক্রিটিক্যাল কেয়ার সেবার জন্য আর রাজধানী বা বড় শহরের দিকে ছুটতে হবে না। স্থানীয় পর্যায়েই এখন থেকে জরুরি ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।-বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক থেকে সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাতিল করতে হবে: জমিয়ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


প্রাথমিক থেকে সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাতিল করতে হবে: জমিয়ত

প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। এই সংগঠনের নেতারা দাবি করেছেন, এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বাতিল করা প্রয়োজন। তাদের পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকারের পূর্বঘোষিত আশ্বাস ও নির্বাচনি অঙ্গীকার দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বানও জানানো হয়েছে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে জমিয়তের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এসব কথা বলেন।

এই বৈঠকটি মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুফতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি বশীরুল হাসান খাদিমানীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর সহ-সভাপতি মাওলানা শিব্বির আহমদ, মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম, মাওলানা আবুল বাশার, মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতি নুরুল আলম ইসহাকী, মাওলানা বিন ইয়ামিন, মাওলানা সলীমুল্লাহ খান হানাফী, মুফতি মাহমুদুল হাসান, মাওলানা বোরহান উদ্দিন, মাওলানা আনোয়ার হামিদী, মুফতি নাসির বিন নুর ও মাওলানা জুবায়ের আহমদ প্রমুখ।

বৈঠকে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বক্তব্য প্রদান করে বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। তিনি দাবি করেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত, যা শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, চারিত্রিক উৎকর্ষ, দেশপ্রেম, মানবিকতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রাথমিক স্তরের কোমলমতি শিশুদের জন্য সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলক করা দেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

নেতারা উল্লেখ করেন, শিক্ষা কারিকুলামে এমন কোনো বিষয় বাধ্যতামূলক করা উচিত নয়, যা দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বিবেচিত হতে পারে। এর পরিবর্তে, তারা প্রাথমিক শিক্ষায় কোরআন শিক্ষা, নৈতিক শিক্ষা, চরিত্র গঠন, বিজ্ঞানমনস্কতা, তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান, ভাষা দক্ষতা এবং দেশীয় ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ের শিক্ষার্থীদের আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষা নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনগণের ধর্মীয় অনুভূতি, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা প্রয়োজন।

তারা প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলক অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ অবিলম্বে স্থগিত করার পরামর্শ দেন। তা বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষাবিদ, আলেম-উলামা, অভিভাবক প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ব্যাপক পরামর্শের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বানও করা হয়েছে।

এছাড়াও, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকারের দেওয়া আশ্বাস ও নির্বাচনী অঙ্গীকার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করছেন জমিয়তের নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার সমর্থনে ওসমানী মেডিকেল শিক্ষার্থীদের শোভাযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৬ পি.এম


আর্জেন্টিনার সমর্থনে ওসমানী মেডিকেল শিক্ষার্থীদের শোভাযাত্রা

ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে উন্মাদনায় মেতে উঠেছেন সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা। এর ধারাবাহিকতায়, আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের একদল শিক্ষার্থী বর্ণাঢ্য মিছিল ও আনন্দ শোভাযাত্রা বর্ণনা করেছেন।

শনিবার বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে আর্জেন্টিনার পতাকা হাতে নিয়ে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি মেডিকেল সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রদক্ষিণ করে, পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। এই সময় শিক্ষার্থীরা, বাশি বাজিয়ে উল্লাস করে, আর্জেন্টিনার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং নিজেদের প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকেই আর্জেন্টিনা দলের জার্সি পরে উপস্থিত ছিলেন। কেউ কেউ দলের অধিনায়ক লিউনেল মেসি-এর জার্সি গায়ে জড়িয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। আকাশি-সাদা রঙের পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা আর্জেন্টিনার পতাকার রঙ ছড়িয়ে আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন। তারা নিজেদের মধ্যে ছবি তোলেন, গান গেয়ে এবং উল্লাস করে নিজেদের সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেছেন, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি আবেগ ও ভালোবাসার নাম। আর্জেন্টিনা দলের নান্দনিক খেলা এবং দীর্ঘদিনের সাফল্য তাদের এই দলের প্রতি আকৃষ্ট করেছে।

শিক্ষার্থীরা আরও জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ তারা একসঙ্গে উপভোগ করার পরিকল্পনা করেছেন। প্রিয় দলের জয় কামনা করে তারা বলেন, এবারের আসরেও আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেবে বলে তাদের বিশ্বাস রয়েছে।

মিছিল ও আনন্দ-আয়োজনে কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের এমন প্রাণবন্ত আয়োজন ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করে এবং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার থেকে ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলার সময় উল্লেখ করেছেন, বিগত ১৭ বছরে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উন্নয়ন করা হয়নি। বিএনপি সরকার যেভাবে রেখে গিয়েছিল, সেইভাবে সড়কের উন্নয়ন এখনো রয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের প্রাণ হলো কৃষকরা। বিগত বিএনপি সরকার গঠনের পর সেই কৃষকদের কথা বিবেচনা করা হয়নি। তিনি লবণ চাষীদের জন্য একটি মূল্য নির্ধারণ করার কথা বলেন, যাতে চাষীরা লাভবান হতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী 'করবো কাজ, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ'— এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের জন্য। সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে মাটি কেটে পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে তিনি রাত ৭টা ৫০ মিনিটে চকরিয়ায় জনসভায় ভাষণ দেন।

সকালের পথসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল জনতার উদ্দেশে যে, সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দেশের জন্য কাজে লেগে যাব—এমন প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম। আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি, এই কথাটি তিনি উল্লেখ করেন। তিনি মৌলিকভাবে বলেন, পাতলী খাল পুনঃখনন একটি প্রকল্প নয়, কৃষি, সেচ ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

তার ভাষায়, খালটি পুনঃখনন হলে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন এবং বছরে প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সদ্যঘোষিত জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় ৮ থেকে ১০ হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের নগদ আড়াই হাজার টাকা প্রণোদনা পাবেন।

তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতি। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাই কৃষকদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং তাদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নারী শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। আমরা সেই ধারাবাহিকতায় স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত নারীদের শিক্ষার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি বলেন, নারী শিক্ষার প্রসারে উপবৃত্তি কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েরাও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।

এছাড়া, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ যেন সহজে স্বাস্থ্যসেবা পায়, সেই জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্বল্পমূল্যে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, হার্টের রিং এবং কিডনি ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ ও ওষুধের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। যাতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমে আসে।

বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট দেয়ার পর পর্যন্ত কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। বরং ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কর বাড়ানো হয়েছে শুধু মদ ও সিগারেটের ওপর। কারণ, এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বিরোধী দল সেটি নিয়েও সমালোচনা করছে। তাদের উদ্দেশ্য জনগণ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের মালিক কোনো রাজনৈতিক দল নয়, দেশের মালিক ২০ কোটি জনগণ। তাদের কল্যাণের জন্য সরকারের সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%