সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৯ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের পিতা ডি এম আব্দুল মতিন মারা গেছেন। এনসিপি তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে।
আজ সোমবার এনসিপি একটি শোক বার্তায় জানিয়েছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের সম্মানিত পিতার মৃত্যুতে এনসিপি গভীরভাবে শোকাহত।
মরহুমের মৃত্যুতে আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। প্রিয়জনকে হারানোর এই কঠিন সময়ে মহান আল্লাহ তায়ালা যেন মনিরা শারমিন এবং তার পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করেন।
এনসিপি একই সঙ্গে নেতাকর্মী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে মরহুমের জন্য দোয়া চেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অধিকৃত পশ্চিম তীরে রোববার, ইয়োম কিপুর ধর্মীয় উৎসবের শুরুর আগের দিন, এক ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী গুলিতে নিহত হয়েছেন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এই ঘটনার পর সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করার তথ্য জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে গাড়ি দিয়ে হামলা চালানোর একটি প্রচেষ্টার কথাও জানায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তারা দাবি করেছে, ওই ঘটনায় হামলাকারী নিহত হয়েছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই গুলির ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, “ইহুদিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ইয়োম কিপুর শুরুর ঠিক আগে এ হামলা চালানো হয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেন, ইয়োম কিপুর রোববার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়ার কথা।
মধ্য ইসরাইলের পেতাহ টিকভা শহরের বেইলিনসন হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রথম হামলায় আহত ইসরাইলি নাগরিক মারা গেছেন। রামাল্লার উত্তরে ইসরাইলি বসতি নেভে তজুফের কাছে এই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রধান প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ইয়েশা কাউন্সিলের প্রধান ইসরাইল গান্টজ জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তি ওই বসতির একজন বাসিন্দা ছিলেন।
এক বিবৃতিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, “আইডিএফের সেনারা গুলির হামলা চালানো সন্ত্রাসীকে আটক করেছে।” সেনারা তাকে একটি হাসপাতালে খুঁজে পায়। ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালটি রামাল্লা শহরে অবস্থিত।
সেনাবাহিনী আরও জানায়, রামাল্লার কাছে মধ্য পশ্চিম তীরে হামলার ঘটনাস্থলেই সন্দেহভাজন হামলাকারীকে এক সেনা গুলি করে আহত করেছিল।
ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির হামলাকারীকে সম্প্রতি অনুমোদিত মৃত্যুদণ্ড আইনের আওতায় প্রথম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি করার দাবি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। পোস্টে হাসপাতালের একটি কক্ষে ইসরাইলি সেনাদের ঘেরাও করা এক ব্যক্তির ছবিও ছিল।
নতুন আইন অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় ‘সন্ত্রাসবাদ’ আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে সাধারণভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিক, যাদের ‘ইসরাইলি আরব’ও বলা হয়, তাদের ক্ষেত্রেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
রোববার হামলার ঘটনাস্থলে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির বলেন, সামরিক বাহিনী “সর্বোচ্চ সতর্কতায়” রয়েছে এবং সব এলাকায় অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এএফপির সাংবাদিকেরা জানিয়েছেন, পশ্চিম তীরের ওই এলাকায় অনেকগুলো চেকপয়েন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিছু চেকপয়েন্টে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল।
জামির বলেন, “আমরা গ্রামটিতে অবরোধ আরোপ করব এবং তদন্ত চালাব। এর মাধ্যমে হামলাকারীকে যারা সহায়তা করেছে, তাদের প্রত্যেকের কাছে আমরা পৌঁছাব।”
নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে রামাল্লা এলাকার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কথা বিবেচনা করে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শিক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার রাতে ঘোষণা দিয়েছে যে, সোমবার ওই এলাকার শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবি করে মানববন্ধন ও শোক র্যালি আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক সমিতির ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তাদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অপ্রতিমের অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি নিহতের আত্মার শান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে তারা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
মানববন্ধনে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন্নাহার শিলা বলেন, "আমি গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত নাহিদা ম্যামের বাসায় ছিলাম। ম্যাম চান প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে অপরাধীদের শাস্তি হোক।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "অপরাধী তুহিন বেশি কিছুদিন বিনা পারিশ্রমিকে ম্যামের স্বামীর ব্যবসায় কাজ করেছিলেন। ম্যাম যখন প্রক্টর ছিলেন তখন কিছু মাদক চক্রকে ধরিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে এই অপরাধীদের দুজন ছিলেন।"
আরো পড়ুন
জামায়াত আওয়ামী লীগের পথ ধরে হাঁটছে : রাশেদ খান
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে বেশ কিছু কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষক কর্মকর্তার ছেলে-মেয়েই ক্লাস ৬-৭-এ পড়ে, যদি ছেলে মেয়েই না থাকে তাহলে টাকা দিয়ে কী করব। আমরা চাই অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।"
শিক্ষক সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিন বলেন, "অপ্রতিমের এই হত্যা পুরো বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যদি অপরাধীদের শাস্তি না হয়, তাহলে হয়তো আরো অনেক অপ্রতিম এমন নৃশংস হত্যার স্বীকার হতে পারে। তাই অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী বিশেষ ‘ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইন’ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনে সাধারণ নাগরিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিনি এক বার্তায় এই আহ্বান জানান।
আরো পড়ুন
অপ্রতীম হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ বা কীটনাশক ছিটিয়ে ডেঙ্গু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা।
ড. মুহিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যাপক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সময়োপযোগী তথ্যের প্রচারই পারে ডেঙ্গুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে।
আরো পড়ুন
প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে আল-কায়েদা ও আইএসের প্রচারণামূলক বই।
তিনি তরুণ সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সারদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতামূলক কনটেন্ট, রিলস, স্টোরি আপলোড এবং শেয়ারের মাধ্যমে ব্যাপক ক্যাম্পেইনের ডাক দেন।
ড. মুহিত বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়, জমা পানি পরিষ্কার রাখা এবং লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার মতো জরুরি বার্তাগুলো কনটেন্ট ক্রিয়েটররা নিজেদের সৃজনশীল ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক ও পোস্টের মাধ্যমে সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। সচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে সবাই এই জাতীয় উদ্যোগে ভূমিকা রাখতে পারেন।
আরো পড়ুন
জামায়াত আওয়ামী লীগের পথ ধরে হাঁটছে : রাশেদ খান।
আগামী তিন মাস এই ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ডেঙ্গুর লক্ষণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে। নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও কর্মক্ষেত্র পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি সচেতনতামূলক বার্তা ভার্চুয়াল পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরটি কোনো ধরনের আড়ম্বর অনুষ্ঠান বা ক্ষমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নয়, বরং এটি মানুষের কল্যাণে কাজ করার এবং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ৩৫ জন ব্যক্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী অন্তর্ভুক্ত আছেন। নিরাপত্তা, মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিরাও সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, মাহদী আমিন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এসব তথ্য তুলে ধরেন। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেন।
মাহদী আমিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য এক দিন এবং ফিরতে এক দিন লাগবে। এর মধ্যে মাত্র চার দিন রয়েছে। এই চার দিনকে কোনো মুহূর্তও নষ্ট না করে, একের পর এক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক, জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের স্বার্থে কূটনৈতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে, এটি একটি ছয় দিনের সফর।
ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন আরো উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর, তাদের সন্তান এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষের কথা বলবেন। তিনি দেশের স্বার্থ, সরকারের নীতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়েও কথা বলবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, ঠিক সেই সময়ে জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতির আসনে তার সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।
ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দুই দশকের অনিঃশেষ ত্যাগ-সংগ্রাম ও আন্দোলন-গণঅভ্যুত্থান পেরিয়ে, গণতান্ত্রিক সরকার আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। বিশাল ম্যান্ডেট নিয়ে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের কণ্ঠ নিয়ে বিশ্ব দরবারে যাচ্ছেন।
মাহদী আমিন বলেন, এটি কেবল জাতিসংঘে দেশের প্রতিনিধিত্ব নয়। এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব। এটি আবেগ, অনভূতি ও আদর্শের ঐতিহ্য। এটি বাংলাদেশের স্বার্থ, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ