ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে’


‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে’

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বক্তব্য প্রদান করেন।

দেশের চলমান গ্যাস সংকটটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যার ফল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্রেটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সংকট পুরোপুরি কাটাতে এবং জ্বালানি খাতে স্বস্তি ফেরাতে অন্তত আরও দুই বছরের সময় প্রয়োজন। এই সময়ের মধ্যে জনগণের দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে মুসলমানদের উপস্থিতি সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: খাদ্যমন্ত্রী

ডা. জাহেদ বলেছেন, বর্তমান গ্যাস সংকটের কারণে জনগণ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে— এটি সরকার মেনে নেয়। প্রধানমন্ত্রীও এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও ঘাটতির কারণে তৈরি হওয়া সংকটের দায় বর্তমান সরকারের ওপর চাপানো সঠিক নয়।

বিরোধী দলের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্যাস সংকট নিয়ে বিরোধী দল সরকারের ওপর দায় চাপাতে পারে, এটি একটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। তবে তিনি অপ্রয়োজনীয় আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানোর ব্যাপারে সতর্ক করেন। তিনি তাদের রাজপথের পরিবর্তে সংসদে গিয়ে যুক্তি তুলে ধরার আহ্বান জানান। জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে আন্দোলন করলেই মানুষ তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গ্যাসের ঘাটতির চিত্র তুলে ধরার সময় তিনি জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান চাহিদার তুলনায় প্রতিদিনই বড় ধরনের ঘাটতি বিদ্যমান। এমনকি কিছু কারখানা চালু থাকলেও চাহিদার সাথে সরবরাহের ব্যবধান পুরোপুরি দূর হবে না। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে ডা. জাহেদ বলেছেন, ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির বিষয়েও কাজ চলছে। স্থলভাগে নতুন করে গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হচ্ছে। এ কাজে নতুন দুটি রিগ কেনার পাশাপাশি বিদ্যমান রিগগুলো সচল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

স্থলভাগে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে দেশের স্থলভাগে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস মজুত থাকার ধারণা রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে এসব সম্ভাবনা কাজে লাগানোর মতো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সরকার এখন অনুসন্ধান ও উত্তোলনের দিকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেছেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কয়লা ব্যবহারের বিষয়েও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সরকারি স্থাপনাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সংকট পুরোপুরি কাটাতে সময় লাগলেও এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা চলছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে ডা. জাহেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি খাতে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের প্রভাব বর্তমান পরিস্থিতিতে পড়েছে। এর সাথে আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাও যুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে এলএনজির আন্তর্জাতিক বাজার আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

সভায় দেশের প্রাথমিক, কারিগরি ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভাগীয় পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

ডা. জাহেদ বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখতে হবে। হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক চর্চায় নতুন গতি আনতে জেলা প্রশাসকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

এছাড়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব দীপংকর বিশ্বাস, রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে, অংশ নেবেন সরকারি কর্মসূচিতে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে লিপি-মনির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


বাকৃবিতে ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে লিপি-মনির
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কর্মকর্তাদের নতুন সংগঠন বিএইউ ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর প্রথম আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে পরীক্ষা শাখার অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কৃষিবিদ ওয়াহিদা ইয়াসমিন লিপিকে আহ্বায়ক এবং কৃষি মিউজিয়ামের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কৃষিবিদ মনির উদ্দীন আহাম্মেদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. নাজমুল হক, শিক্ষা শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. ফারুক আহম্মদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ শফিউল্যাহ (রুবেল), পানি সরবরাহ, গ্যাস ও স্যানিটেশন বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, হিসাব শাখার অতিরিক্ত ট্রেজারার মো. সাজ্জাদ হোসেন মণ্ডল, পূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী মুহ এনামুল হক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার এডিশনাল ডাইরেক্টর প্রকৌশলী মুহাম্মদ আতিকুজ্জামান আকন্দ, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাব্বির কবীর, হিসাব শাখার ডেপুটি ট্রেজারার মোহাম্মদ আশরাফুল হক, হেলথ কেয়ার সেন্টারের ডেপুটি চিফ মেডিক্যাল অফিসার কাম প্যাথলজিস্ট ডা. আবুল কালাম মোহাম্মদ আজাদ, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. ফারজানা দিবা, উদ্যানতত্ত্ব খামারের উপ-প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক কৃষিবিদ ড. মো. ওবাইদুর রহমান এবং সংস্থাপন শাখা-৫ (পেনশন)-এর এডিশনাল রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মো. সাহেবুল ইসলাম খান (রনি)।

এ ছাড়া আহ্বায়ক কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা ও বিভাগের ২২ কর্মকর্তা। তাঁদের মধ্যে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. আসাদুল হক সজল, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফৌজিয়া আক্তার, বিদ্যুৎ বিভাগের এডিশনাল চিফ ইঞ্জিনিয়ার প্রকৌশলী মোহা. তৌহিদুল ইসলাম, পরীক্ষা শাখার উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কৃষিবিদ ড. মো. আশরাফুল ইসলাম খান (কাবুল), ভিসি সচিবালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম, জিটিআইয়ের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এ কে এম তোফায়েল আহমেদ (রিপন), সংস্থাপন শাখার এডিশনাল রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. মঞ্জুর হোসেন (লিটন) ও শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ শামীমা আক্তার ঝর্ণা  
হিসাব শাখার ডেপুটি ট্রেজারার হারুনুর রশীদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার এডিশনাল চীফ ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) ডালিয়া খাতুন, পরীক্ষা শাখার উপ-পরিচালক (অডিট) মুহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসান, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শাহীন হালিম (ডন), পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার সহকারী পরিচালক মো. সোহাগ ভূঁঞা, আইআইএফএসের সহকারী রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. সামিয়া আফরোজ, হেলথ কেয়ার সেন্টারের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সৈয়দ জারজিস আহমেদ ও ডা. নাজমুল হাসান তামীম, বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির সিনিয়র ক্যাটালগার মো. মাহফুজ রহমান, পরীক্ষা শাখার সহকারী প্রোগ্রামার মো. রফিকুল ইসলাম এবং একই শাখার সেকশন অফিসার মো. নাজমুল হুদা।

সংগঠনটির লক্ষ্য সম্পর্কে সদস্যসচিব কৃষিবিদ মনির উদ্দীন আহাম্মেদ বলেন, ‘কোনো বিভাজনের লক্ষ্যে নয়, বরং ঐক্য, সহযোগিতা, অধিকার ও কল্যাণের নতুন সম্ভাবনার উদ্দেশ্যে বিএইউ ডাইরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিতামূলক সাংগঠনিক পরিবেশ গড়ে তোলা, দায়িত্ব সচেতনতার মাধ্যমে কর্মকর্তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখাসহ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আরও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘মতভিন্নতা থাকবে, কিন্তু বিভেদ নয়। প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু ব্যক্তিগত বিরোধ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। আমাদের এ অবস্থান কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা পূর্ববর্তী সংগঠনের বিরুদ্ধে নয়।’
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ পানি প্রকল্পে ১০ শতাংশ নেওয়ার অভিযোগ সচিবের নাম ভাঙিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ প্রকল্প পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো:রাজিব তালুকদার নিজস্ব প্রতিবেদক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


নিরাপদ পানি প্রকল্পে ১০ শতাংশ নেওয়ার অভিযোগ সচিবের নাম ভাঙিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ প্রকল্প পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে

নিরাপদ পানি প্রকল্পে ১০ শতাংশ নেওয়ার অভিযোগ

## সচিবের নাম ভাঙিয়ে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ প্রকল্প পরিচালক হানিফের বিরুদ্ধে

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) অধীনে বাস্তবায়িত *‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প’* ঘিরে অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রভাব বিস্তার ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের অনুমোদন ও প্রাক্কলন (ইস্টিমেট) প্রক্রিয়ায় প্রায় *১০ শতাংশ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ* করেছেন কয়েকজন ঠিকাদার ও প্রকৌশলী। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গ্রামীণ ও জনবহুল এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করাই ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। জানুয়ারি ২০২০ থেকে জুন ২০২৬ মেয়াদের এ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন এলাকায় নলকূপ ও গভীর নলকূপ স্থাপন, পানি শোধনাগার ও আয়রন রিমুভাল প্ল্যান্ট স্থাপন, পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ এবং দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এমন গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কাজ ও অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

### *সচিবের নাম ভাঙিয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ*

অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পটির প্রকল্প পরিচালক *মো. হানিফ* বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে প্রকল্পের কাজ ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সইএন) এবং প্রভাবশালী ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রকল্পের ইস্টিমেট নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে হাতে হাতে দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন ও কাজের ক্ষেত্রে প্রায় *১০ শতাংশ অর্থ নেওয়া হচ্ছে* বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার অভিযোগ করেন, প্রকল্প পরিচালক মো. হানিফ সরাসরি অর্থ না নিয়ে বিভিন্ন সময়ে *স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর নাম ব্যবহার করেন*।

ওই ঠিকাদারের অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সাবেক মন্ত্রী-এমপি এবং ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের নাম ব্যবহার করেও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়।

### *ইস্টিমেট নিয়ে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ*

প্রকল্পটির ইস্টিমেটার *আনোয়ারুলের* বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি বিভিন্ন জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী এবং আর্থিকভাবে সক্ষম ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ইস্টিমেট প্রস্তুত ও অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ইস্টিমেট হাতে হাতে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এর ফলে প্রকল্পের কাজের স্বচ্ছতা এবং ঠিকাদার নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

### *‘অর্থ নেওয়ার পরও প্রতিশ্রুত কাজ হয়নি’*

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নির্বাহী প্রকৌশলী অভিযোগ করে বলেন, তাঁর কাছ থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থ নেওয়ার পরও প্রতিশ্রুত কাজ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ওই কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি প্রকাশ্যে বললে হয়রানির আশঙ্কায় তিনি এতদিন নীরব ছিলেন। তাঁর কাজ সম্পন্ন না হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলেও জানান তিনি।

### *ফোন করেও পাওয়া যায়নি প্রকল্প পরিচালকের বক্তব্য*

অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক *মো. হানিফের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়।* ফোনে বিষয়টি জানার জন্য কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইস্টিমেটার *আনোয়ারুলের* বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্পের নথিপত্র, ইস্টিমেট, অনুমোদনসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং আর্থিক লেনদেন যাচাই করা প্রয়োজন।

### *নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি*

অভিযোগকারীদের দাবি, নিরাপদ পানি সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে বিপুল সরকারি অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয় করা হয়েছে। তাই প্রকল্পের ইস্টিমেট প্রস্তুত, অনুমোদন, ঠিকাদার নির্বাচন, কাজের বাস্তবায়ন এবং অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তাঁরা প্রকল্প পরিচালক মো. হানিফ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে *‘সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এর* অর্থ ব্যয়, ইস্টিমেট ও অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের সীমান্ত এলাকায় আটক ৮ রোহিঙ্গাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


সিলেটের সীমান্ত এলাকায় আটক ৮ রোহিঙ্গাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় আটক ৮ রোহিঙ্গা এবং ৪ মানবপাচারকারীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আদালতে তোলা হলে আদালত এই নির্দেশ দেন।

এর আগে ১৭ আগস্ট কানাইঘাটের দিঘীরপাড় ইউনিয়নের কুওরেরমাটি মাদরাসার সামনে থেকে তাদের আটক করেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেই সময় পাচার কাজে ব্যবহৃত দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের কুওরেরমাটি মাদরাসার সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘুরতে দেখে স্থানীয়রা তাদের আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরবর্তীতে কানাইঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ৮ রোহিঙ্গাসহ ১২ জনকে থানায় নিয়ে আসে।

বাকি চারজন মানবপাচারকারী। সিলেট নগরের কদমতলী এলাকা থেকে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ওই ৮ রোহিঙ্গাকে কানাইঘাটে নিয়ে আসা হয়েছিল। পুলিশ জানায়, দনা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে তাদের ভারতে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল।

আটক হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে রয়েছেন, এনায়েত হোসেন (১৮), আব্দুল মুবিন (২৪), জুবের আহমদ (১৮), আজিদা বেগম (১৮), জামিলা বেগম (২০), ফাতেমা বিবি (১৮), নুর ফাতেমা (১৮) এবং আজিদা (১৮)।

পুলিশ জানায়, তারা সকলেই মিয়ানমারের নাগরিক এবং কক্সবাজারের উখিয়া থানার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করতেন।

মানবপাচারকারীদের মধ্যে রয়েছে কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল বাঙ্গীছড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আছাদ আহমদ, বড়খেরড় গ্রামের বাতা মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন এবং দুই সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাইকাপন গ্রামের মৃত হেদায়েতুল ইসলামের ছেলে রফিক আহমদ ও নেত্রকোনা সদর উপজেলার মইন নুরুলীয়া গ্রামের মৃত আবুল কাশের ছেলে এলাছ উদ্দিন।

সিলেটের কানাইঘাট থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আটকদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সং-কটে থাকা ব্যবসায় ঋণ দিতে ২৮ হাজার কোটি টাকা চায় ৩৮টি ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


সং-কটে থাকা ব্যবসায় ঋণ দিতে ২৮ হাজার কোটি টাকা চায় ৩৮টি ব্যাংক

বন্ধ ও সংকটে পড়া কারখানা পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে ঘোষিত মেগা প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ২৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ৩৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

গত মে মাসে ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের অংশ হিসেবে, ৪১ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের সুদের হার নিয়ে বাণিজ্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে, সুদের হারের এই বিরোধ নিষ্পত্তির পর আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণ বিতরণ শুরুর পথ সুগম হয়েছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক তার নীতি সুদহারের (পলিসি রেট) সঙ্গে ৫০ বেসিস পয়েন্ট যোগ করে তহবিল জোগানদাতা ব্যাংকগুলোকে অর্থ প্রদান করবে। গত ৩০ জুলাই নীতি সুদহার কমানোর পর এখন তা ৯ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফলে, এই প্রণোদনা তহবিলের বর্তমান সুদের হার ১০ শতাংশ।

এই ঋণ একবারে না দিয়ে তিন বছর ধরে পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে। কোনো ব্যাংক তাদের গ্রাহকের জন্য অর্থ চাইলে, উদ্বৃত্ত তারল্য থাকা অন্য ব্যাংকের সঙ্গে মিল ঘটিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই তারল্য সরবরাহ করা হবে। এর ফলে, ব্যাংকগুলোর টাকা দীর্ঘ সময় আটকে থাকবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এর আগে, সুদ হারের এই বিরোধ নিষ্পত্তিতে ডেপুটি গভর্নর ড. কবির আহমেদের সভাপতিত্বে ব্যাংকগুলোর ট্রেজারি প্রধানদের সঙ্গে দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। ওই বৈঠকদ্বয়ে ব্যাংকগুলোর ঋণ আমানত অনুপাতসীমা (এডিআর) ৬০-৭০% অথবা ৭০-৮০% রাখা নিয়ে মতবিভাজন থাকলেও সেটির চূড়ান্ত সমাধান হয়েছে।

তবে, এই কর্মসূচির আওতায় দেওয়া ঋণের বিপরীতে কোনো তারল্য সহায়তা বা লিকুইডিটি ব্যাকস্টপ না পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ট্রেজারি কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, নগদ অর্থের সংকট দেখা দিলে এই তহবিলের অংশ রেপো অর্থায়নের জামানত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি, এই তহবিল ব্যাংকগুলোর হিসাবের খাতায় কীভাবে নথিভুক্ত হবে, তা নিয়েও কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ৪১ হাজার crore টাকা উদ্বৃত্ত তারল্য থাকা ব্যাংকগুলোর পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে যোগান দেওয়া হবে। এর মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকিং সংকট, জ্বালানি ঘাটতি ও মূলধন সংকটে পড়া শিল্প সচল করতে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া, ৫ হাজার কোটি টাকা এসএমই খাতের জন্য, ১০ হাজার কোটি টাকা কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য, ৩ হাজার কোটি টাকা কৃষি-হাব গঠনের জন্য এবং ৩ হাজার কোটি টাকা রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

অবশিষ্ট ১৯ হাজার কোটি টাকা সরকারি গ্যারান্টির বিপরীতে সরাসরি সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই অংশটি প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট, পিকেএসএফ, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বেকারদের ঋণ তৈরিতে ব্যবহৃত হবে।

গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে এই ঋণ বিতরণ করতে পারবে এবং স্টার্টআপের ক্ষেত্রে সুদের হার সর্বনিম্ন ৪ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। সুদের এই ফারাক সরকার বাজেটে ভর্তুকির মাধ্যমে পূরণ করবে। স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতি চাঙ্গা করা এবং বেসরকারি খাতে প্রায় ২৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই এই প্রণোদনা প্যাকেজের মূল উদ্দেশ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%