ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রাচ্যের দূতাবাসগুলোতে কূটনীতিকদের ফেরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


মধ্যপ্রাচ্যের দূতাবাসগুলোতে কূটনীতিকদের ফেরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দূতাবাসে কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পূর্বে এবং চলাকালীন নিরাপত্তার কারণে এসব কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। দ্য টাইমসের হাতে আসা একটি অভ্যন্তরীণ নথি অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের মধ্যে কর্মীদের ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দেয় যে, ইরানের সঙ্গে নতুন করে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র জড়াবে না।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে হামলার আগে এবং পরে বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ড্রোন ও রকেট হামলার কারণে কর্মীদের সরানো হয়েছিল।

নথি অনুযায়ী, ইসরায়েল, লেবানন, সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান, ওমান, ইরাক ও কুয়েত—এই আটটি দেশে কর্মীসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমে লেবাননের বৈরুত দূতাবাসে কর্মীরা ফিরবেন। এরপর ধাপে ধাপে ইসরায়েল, জর্ডান ও ওমানে পুরো কর্মীসংখ্যা ফিরিয়ে আনা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার ও লেবাননে সর্বাধিক ৮৫ শতাংশ এবং ইরাক, কুয়েত ও বাহরাইনে ৭৫ শতাংশ কর্মী রাখা হবে। তবে উপসাগরীয় ছয়টি দেশ ও লেবাননে পরিবারের সদস্যদের নেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকবে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জন্মদিনে জেরুজালেমে বিক্ষোভ, গাড়িবহরে বোতল নিক্ষেপ

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "আমরা বিশ্বজুড়ে আমাদের কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যালোচনা করি। সর্বশেষ মূল্যায়নের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিশনে আমাদের কর্মী মোতায়েনের অবস্থান সমন্বয় করছি, যাতে কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নেওয়া অব্যাহত রাখতে পারি।"

সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ড্যান শাপিরো মন্তব্য করেছেন যে, যেসব মিশন থেকে আংশিকভাবে কর্মী সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, সেখানে তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের বিশ্বাসকে নির্দেশ করে যে যুদ্ধের অবসান ঘটছে।

অন্যদিকে, সাবেক কর্মকর্তা জন আর. বাস বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোতে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নির্দেশ করে যে, সেখানে এখনও ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। তিনি বলেন, "এতে বোঝা যায়, ৩০, ৬০ বা ৯০ দিন আগের তুলনায় হুমকি কমেছে, তবে যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় ঝুঁকি এখনও বেশি।"

যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর আলোচনা স্থবির থাকলেও কর্মী ফেরানোর কাজ চলতে থাকবে। তবে সাবেক কর্মকর্তা রবার্ট ড্যানিন সতর্ক করেছেন, দূতাবাসের কর্মীদের ফিরিয়ে নেওয়ার অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া থেকে তারা একেবারে বিরত থাকবে। তিনি বলেন, "তারা একবার যা করেছে, আবারও তা করতে পারে।"

আরও পড়ুন: কাতালোনিয়ায় ইসলামফোবিয়ার উত্থানে রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার জবানবন্দি দিলেন সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর বন্ধু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


এবার জবানবন্দি দিলেন সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর বন্ধু

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু এবং প্রতিবেশী সীমান্ত দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার পর বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু এবং প্রতিবেশী সীমান্ত দাস। দুই আসামি তাদের জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন যে ঘটনার আগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন। সীমান্ত দাসের দেওয়া জবানবন্দির সঙ্গে তাদের বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সীমান্ত দাসকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার সুযোগ প্রদান করেন এবং তার বক্তব্য রেকর্ড করেন।

এর আগে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওইদিন রাতেই গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। প্রথমে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জিকে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে সোমবার কোতোয়ালি থানা থেকে মামলাটির তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া সফরে ট্রাম্পের সিআইএ প্রধান, গুঞ্জন ও কৌতূহল বিশ্ব রাজনীতিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ এম


রাশিয়া সফরে ট্রাম্পের সিআইএ প্রধান, গুঞ্জন ও কৌতূহল বিশ্ব রাজনীতিতে

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ সম্প্রতি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে অঘোষিত সফর করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তার মস্কোতে পৌঁছানোর খবরটি বিবিসির মার্কিন সংবাদ সহযোগী সিবিএসের একটি প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের সূচনা থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের মারাত্মক অবনতি ঘটে, যার ফলে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি বৈঠকগুলি অত্যন্ত বিরল হয়ে পড়েছে।

সিআইএ প্রধানের সফরের সময় তিনি কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বা সফরের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন বা মস্কোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। তবে ইউক্রেনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, সফরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভকে এই উদ্যোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে।

মার্কিন প্রতিনিধিদল মস্কো থেকে নিরাপদে ফিরে না আসা পর্যন্ত ইউক্রেনকে সকল ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত রাখার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছিল।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি শক্তিশালী ‘সি-১৭’ পরিবহন বিমান লাটভিয়ার রিগা বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে এবং মস্কোর ভনুকোভো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় যে, একটি সুরক্ষিত কূটনৈতিক গাড়িবহর মস্কো শহরের কেন্দ্রস্থলের দিকে যাচ্ছে। দিনভর অবস্থান শেষে একই দিনে বিমানটি পুনরায় রিগায় ফিরে যায়।

মস্কোতে দায়িত্ব পালনকারী সাবেক ব্রিটিশ সামরিক অ্যাটাশে জন ফোরম্যান মনে করেন, হঠাৎ করে আয়োজিত এই সফরের পেছনে দুই দেশের মধ্যে সামরিক ‘উত্তেজনা কমানোর’ প্রচেষ্টা থাকতে পারে। সম্প্রতি জার্মানিতে ড্রোন অনুপ্রবেশসহ একাধিক ঘটনার কারণে রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এছাড়া, এই সফরের আরেকটি সম্ভাব্য বড় কারণ হতে পারে রাশিয়ায় আটক মার্কিন বন্দিদের মুক্তি। সিআইএ প্রধান র‍্যাটক্লিফ এর আগে বন্দি বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ইউক্রেন সমর্থনের অভিযোগে কারারুদ্ধ রুশ-মার্কিন নাগরিক ক্সেনিয়া কারেলিনার মুক্তির বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত বছর আলাস্কায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি আলোচনা বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সিআইএ প্রধানের এই আকস্মিক সফর ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌঘাঁটির কাছে রুশ নাগরিকের বাড়ি দখল করতে চায় সুইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ এম


নৌঘাঁটির কাছে রুশ নাগরিকের বাড়ি দখল করতে চায় সুইডেন

নৌঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে, সুইডেনের সশস্ত্র বাহিনী সরকারের কাছে একটি রুশ নাগরিকের মালিকানাধীন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুপারিশ করেছে। রাজধানী স্টকহোমের দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত ‘মুসকো’ নৌঘাঁটির নিকটবর্তী একটি সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন প্লট অধিগ্রহণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

 

রাশিয়ান ড্রোন হামলা এবং সন্দেহজনক মালিকানার কারণে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সুইডিশ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিবিসি জানাচ্ছে, রাশিয়ার সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা এক ধনকুবের ব্যবসায়ী মুসকো দ্বীপে বিলাসবহুল একটি বাড়ি নির্মাণ করছেন। যদিও আইনি নথিপত্রে বাড়িটির নিবন্ধিত মালিক তার স্ত্রী, যিনি রাশিয়া ও সুইডেন উভয় দেশের নাগরিক।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সাম্প্রতিক আক্রমণের পর, দীর্ঘ দুই শতাব্দীর সামরিক নিরপেক্ষতা ভেঙে সুইডেন ন্যাটোতে যোগদান করেছে।

 

সেনাবাহিনীর মতে, রাশিয়ার আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির উত্থান সুইডেনের জন্য নতুন নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করেছে।

সুইডিশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ড্রোন হামলা প্রতিহত করা এবং মুসকো নৌঘাঁটির নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এই নির্দিষ্ট জমিটির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের পাবলিক ব্রডকাস্টার ‘এসভিটি’ জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরে এই বাড়িটি সুইডিশ সামরিক বাহিনীর জন্য একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে সুইডেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পল জনসন নিশ্চিত করেছেন যে, দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কোনো গোপন তথ্য যাতে বাইরে না যায় এবং প্রতিপক্ষ যাতে কোনো কৌশলগত সুবিধা না পায়, তা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

 

সুইডিশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ কার্ল-জোহান এডস্ট্রম সতর্ক করে বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সুইডেন বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ ও সংকটময় নিরাপত্তা পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে।

তবে, ওই রুশ ব্যবসায়ী বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৭ সাল থেকে বাড়িটির মালিকানা তার স্ত্রীর নামে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধ থেকে অর্থ উপার্জন করছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


ইরান যুদ্ধ থেকে অর্থ উপার্জন করছেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতি ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন। এই অভিযোগটি করেছেন মার্কিন সেনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন।

ভ্যান হোলেন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেশনাল জয়েন্ট ইকোনমিক কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্য, একটি প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে এই দাবি করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলতি বছরে তেল ও গ্যাস খাতে থাকা সম্পদ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লাভ প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ (১৫.৫ মিলিয়ন) ডলার হতে পারে।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর ভ্যান হোলেন এমএসএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে ট্রাম্প যে অবৈধ যুদ্ধ শুরু করেছেন, তা থেকে তিনি নিজে মুনাফা লুটছেন।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসকে ব্যক্তিগত মুনাফা লাভের আখড়ায় রূপান্তরিত করেছেন এবং পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে “এক বিলিয়ন ডলারের বেশি পকেটে পুরেছেন।”

ভ্যান হোলেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটি অর্থহীন যুদ্ধ কাজে লাগিয়ে তিনি চরমভাবে মুনাফা কামাচ্ছেন।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%