আরমান খান ছামির, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
১১:২৫ পি.এম
মেধা, সৃজনশীলতা ও দীর্ঘ পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের অন্যতম বৃহৎ তরুণ নেতৃত্ব ও টেকসই উন্নয়নভিত্তিক প্রতিযোগিতা ‘জিরো অলিম্পিয়াড সিজন-২’-এ সাফল্যের নতুন ইতিহাস গড়েছেন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী টি. এম. তাওহীদ ইসলাম। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) ভিত্তিক এই জাতীয় প্রতিযোগিতায় তিনি এসডিজি-১৪ (Life Below Water) ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন।
প্রতিযোগিতার শুরুতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৯ হাজার ৩৩২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া শেষে দ্বিতীয় রাউন্ডে উত্তীর্ণ হন ৩ হাজার ৪০৭ জন। পরবর্তীতে ভিডিও প্রেজেন্টেশন, সৃজনশীলতা, যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থাপনা, টেকনিক্যাল কোয়ালিটি, সমস্যা বিশ্লেষণ ও সমাধান প্রস্তাবসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ডে মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশের সেরা ৫১ জন ফাইনালিস্ট নির্বাচিত হন।
এই ৫১ জনের মধ্যে পলিটেকনিক অঙ্গন থেকে জায়গা করে নেন মাত্র দুইজন শিক্ষার্থী। তারা হলেন রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অভিজিৎ সাহা এবং ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল টেকনোলজির ৫ম পর্বের শিক্ষার্থী টি. এম. তাওহীদ ইসলাম।
গ্র্যান্ড ফিনালে জাতিসংঘের ১৭টি এসডিজি লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে তিনজন করে মোট ৫১ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। সেখানে জলজ প্রাণী ও সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণবিষয়ক এসডিজি-১৪ (Life Below Water) ক্যাটাগরিতে অসাধারণ উপস্থাপনা ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তাওহীদ।
প্রতিযোগিতার আয়োজকরা জানান, তরুণদের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং বাস্তবসম্মত সমাধান উদ্ভাবনের লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে পলিটেকনিকের একজন শিক্ষার্থীর এমন অর্জন কারিগরি শিক্ষার সক্ষমতাকেই নতুনভাবে তুলে ধরেছে।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন মেক্সিকো থেকে আগত Clarios-এর পরিচালক Ana Margarita Garza Villarreal। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা মুশফিকুর রহিম, জনপ্রিয় উপস্থাপক আর জে কিবরিয়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
তাওহীদের এই অর্জনে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ কারিগরি শিক্ষাঙ্গনে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। সহপাঠীরা মনে করছেন, তার এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও অনেক কারিগরি শিক্ষার্থীকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করবে।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তাওহীদের এই সাফল্য কারিগরি শিক্ষার সম্ভাবনা ও সক্ষমতাকে দেশের সামনে আরও শক্তভাবে তুলে ধরবে এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ অধিবেশন শেষ করার পরপরই রাজধানী ঢাকা শহরের শাহবাগ এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এই অভিযানে দোকানের সামনের জায়গায় আবর্জনা ফেলায় ১০ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষ হওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী আকস্মিকভাবে শাহবাগ এলাকায় পৌঁছান। এসময় তিনি বিশেষভাবে লক্ষ্য করেন যে, বিভিন্ন দোকানের সামনে দীর্ঘসময় ধরে ময়লা-আবর্জনা পড়ে রয়েছে। এই দৃশ্য দেখে প্রতিমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এবিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনার উপর ভিত্তি করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা ১০ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন, যার পরিমাণ বিভিন্ন অংকের। এই জরিমানা করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে দোকানের সামনে বর্জ্য না ফেলতে ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
এসময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে কেবলমাত্র সিটি করপোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, নগরবাসীকেও এ বিষয়ে যথাযথ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যেখানেই অপরিচ্ছন্নতা ও অনিয়ম থাকবে, সেখানে এ ধরনের অভিযান চলতেই থাকবে।
এই অভিযানের সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মাহবুর রহমান তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী আজিজ আহমেদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা, সচিব জয়নাল আবেদীন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহানে বিনতে ফেরদৌসসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে দুইটি ফিড কারখানাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) বিকেলে উপজেলার সেতুভাঙ্গা এলাকায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাদাত হোসেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সরকারি বিধি অনুযায়ী ২৭৩টি পণ্যের ক্ষেত্রে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে মাছ ও মুরগির খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত। তবে অভিযানে সেতুভাঙ্গা এলাকার দুটি ফিড কারখানায় বিএসটিআই সনদ না থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় ক্লাসিক ফিস অ্যান্ড ফিড মিলস-কে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩০ ধারা অনুযায়ী ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে সেতু ফিড মিলস-কে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ঘটনাস্থলেই দুই প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে।
অভিযানে বিএসটিআই নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বেনজীরকে যদি দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় নেয়া সম্ভব হয় এবং তার উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হয়, তবে সেটি হবে আমাদের জন্য প্রকৃত অর্জন।
রবিবার রাত ৮টায় সিলেট সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার আগে যখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন, তখন তিনি এসব মন্তব্য করেন। সেই মতবিনিময় সভায় ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত আমির এ সময় বলেন, বেনজীর আহমেদ ছিলেন একজন মাস্টারমাইন্ড। তিনি তার দায়িত্বের সময়টিতে এবং ৫ আগস্টের পরও দেশে অস্থিরতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এখন সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মুগদা থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ডিএমপির যাত্রাবাড়ী ও মুগদা থানা পুলিশ দ্বারা।
রবিবার (১৪ জুন), ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিএমপি সূত্রে জানা যায় যে, শনিবার (১৩ জুন) চালানো অভিযানে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। একই দিনে, মুগদা থানা পুলিশ একটি পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি, আদালতের পরোয়ানা প্রাপ্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা শামিল আছেন।
যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. কবির, জিহাদ আহম্মেদ শাওন, মো. আমির হোসেন, সফি কামাল শোভন, মো. জলিল মিয়া, মো. ইসমাইল, মৌসুমি, সিয়াম, মনোয়ার মিয়া, মো. জিসান, মো. ইউনুছ মোল্লা এবং আরও একজন সিয়াম অন্তর্ভুক্ত আছেন।
অন্যদিকে, মুগদা থানা এলাকায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন মো. সাঈদ, মো. রাব্বি, মিজান উদ্দিন আহমেদ স্বাধীন, মো. রফিকুল ইসলাম সজীব, আবু বক্কর সিদ্দিক হৃদয়, মো. রমজান আলী বিদ্যুৎ, মো. মিরাজ, মো. জসিম, মো. আলমগীর, মো. আকাশ, হিমু, আল আমিন, মো. রফি, মো. নিজাম, আব্দুর করিম, মো. নজরুল ইসলাম এবং খাইরুল।
পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ