মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৫৫ পি.এম
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজধানীর কদমতলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিএসটিআই অনুমোদনহীন ভেজাল আইসক্রিম তৈরির তিনটি প্রতিষ্ঠান এবং বোতলজাত পানি প্রস্তুতকারী একটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও সিলগালা করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসআরবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ এই অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার এসআরবি সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু হাসান এবং এসআরবি-১০, সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদারের যৌথ নেতৃত্বে ডিএমপির কদমতলী থানা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে বিএসটিআই অনুমোদনহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং নকল পণ্য প্রস্তুতকারী তিনটি ভেজাল আইসক্রিম কারখানা সিলগালা করা হয়। একইসাথে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকার কারণে বোতলজাত পানি উৎপাদনকারী একটি প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং কারখানাটি সিলগালা করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এসআরবি ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।
জনস্বার্থে ভেজাল ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এসআরবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাটিতে একটি ছোট্ট উজ্জ্বল হলুদ বিন্দু দেখে খনন শুরু করেন এক শৌখিন অনুসন্ধানকারী। কয়েক দিনের অনুসন্ধানের পর, অস্ট্রেলিয়ার ওই নাগরিকের হাতে আসে প্রায় ১২০০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণের খণ্ড, যার বাজার মূল্য অন্তত দেড় লাখ মার্কিন ডলার।
বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, শুধুমাত্র ওজনের ভিত্তিতে এর মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। যদি এটি ব্যক্তিগত সংগ্রাহকের কাছে বিক্রি করা হয়, তাহলে দাম ২ লাখ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় দেড় লাখ ডলার সমান প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আর ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার সমান প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। সেই সঙ্গে ২ লাখ ডলার সমান প্রায় ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের বরাতে এনডিটিভি জানায়, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টিবুবুরার কাছে মাউন্ট স্টুয়ার্ট স্টেশনে স্বর্ণের সন্ধান করছিলেন ওই ব্যক্তি। কয়েক দিন ধরে খনন করার সময় তিনি পুরোনো পেরেক, ঘোড়ার খুরের লোহার অংশ ও ব্যবহৃত সিসার গুলির মতো মূল্যহীন জিনিস পেয়ে ছিলেন।
এর মধ্যেই মাটিতে একটি ক্ষীণ হলুদ আভা দেখতে পান তিনি। আশপাশের মাটি সরানোর পর বেরিয়ে আসে কোয়ার্টজ পাথর মেশানো আলুর আকারের স্বর্ণের খণ্ডটি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি জানান, ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্রে প্রথমে খুব জোরালো সংকেত পাওয়া যায়নি। তবে প্রায় ১০০ মিলিমিটার গভীরে যাওয়ার পর যন্ত্রটি তীব্র সংকেত দিতে শুরু করে। গর্তের প্রথম বা দ্বিতীয়বার মাটি সরানোর সময়েই তিনি হলুদ বিন্দুটি দেখতে পান।
‘টিবুবুরা স্পাড’ নামে পরিচিত স্বর্ণের খণ্ডটির মোট ওজন প্রায় ১ দশমিক ২ কেজি। এতে রয়েছে প্রায় ৯৪০ গ্রাম বিশুদ্ধ স্বর্ণ।
খনন করে স্বর্ণের খণ্ডটি তুলে আনার দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে। মূল্যবান এই আবিষ্কারটি অনুসন্ধানকারীর উচ্ছ্বাসও ভিডিওতে ধরা পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াডসের সদস্যরা সমুদ্রে প্রথমবারের মতো ফ্রি-ফল জাম্প সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। নৌবাহিনীর মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট থেকে প্রায় ৮ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে জাম্প করে নির্ধারিত ড্রোপ জোনে সমুদ্রে সফলভাবে অবতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) নৌবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে বাহিনীর পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষায়িত এই অনুশীলন সোয়াডস সদস্যদের প্যারাশুটিং দক্ষতা বৃদ্ধিতে এবং সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় বিশেষায়িত অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই অনুশীলনটি সোয়াডস কমান্ড ও নেভাল এভিয়েশনের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘সৈকত’, ডাইভিং বোট ‘মাছরাঙা’ এবং দ্রুতগামী বোটসমূহ অংশগ্রহণ করে।
এতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের অনুশীলনের মাধ্যমে নৌবাহিনীর বিশেষায়িত অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রমে দক্ষতা অর্জিত হবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী আধুনিক প্রশিক্ষণ, পেশাগত উৎকর্ষ ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতির সমন্বয়ে দেশের সমুদ্রসীমা ও সামুদ্রিক স্বার্থ সংরক্ষণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার ও স্টেট সেক্রেটারি ড. বারবেল কোফলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড (একেএসএমএল) কারখানা পরিদর্শন করেছে।
সোমবার (২) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত কারখানাটির পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে একেএসএমএল-এর আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান একেএসএমএল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান মোমিন।
জার্মান প্রতিনিধিদলে ড. বারবেল কোফলার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশ, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) জেষ্ঠ্য কর্মকর্তাগণ।
একেএসএমএল আধুনিক ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তি, উন্নত প্রকৌশল এবং উচ্চগতির রিবার রোলিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে স্টীল উৎপাদন করে। উচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের স্টীলশিল্পে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ, সম্প্রতি উৎপাদন সক্ষমতা-সংক্রান্ত একটি রেকর্ডের জন্য একেএসএমএল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও পরিবেশগত দায়িত্বশীলতার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন, ফিউম ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধ এবং ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে বৃষ্টির পানি পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে একেএসএমএল। কারখানাটির এসব পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ পরিদর্শন করে ভূয়সী প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় স্টীলশিল্পে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে একেএসএমএলের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের শিল্প খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাঁদের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি, বাংলাদেশের স্টীলশিল্পের অগ্রগতি ও আধুনিকায়ন সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা লাভ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুরে অনুষ্ঠিত গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার ভুল স্বীকার করেছেন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী। তারা দলটির বাইরে থেকে পুনরায় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃত্বের কাছে অতীতের ভুলত্রুটি বিবেচনায় নিয়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) লালপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা নিজেদের অতীত রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীরা জানান, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের বিপক্ষে গিয়ে ভিন্ন প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছিলেন তারা। তারা স্বীকার করেন যে, এর মাধ্যমে দলের আদর্শ ও সাংগঠনিক অবস্থানের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের ওই অবস্থানের কারণে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি ও দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে থাকলে তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
লিখিত বক্তব্যে তারা আরও বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে তারা দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক ঐক্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিএনপির আদর্শ ও নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পুনরায় দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে চান তারা।
এ জন্য নেতাকর্মীরা দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি অতীতের ভুলত্রুটি বিবেচনায় নিয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানান। তারা বলেন, তাদের উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি করা নয়; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও ঐক্যের ভিত্তিতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের হাতকে শক্তিশালী করা এবং দলকে আরো গতিশীল করতে ভূমিকা রাখা।
নেতাকর্মীরা আরো জানান, দলীয় নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তা মেনে নিয়ে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে আগ্রহী তারা। ভবিষ্যতে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলা, সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করাকে নিজেদের অঙ্গীকার বলেও উল্লেখ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলন থেকে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের অতীতের ভুল-বোঝাবুঝি পেছনে ফেলে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের ভিত্তিতে দলকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিএনপির রাজনীতিতে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ ও সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
লালপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইসহাক আলী সংবাদ সম্মেলনে দলের বাইরে থাকা নেতাকর্মীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য দেন। এ সময় লালপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আব্দুল আজিজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান, সিজদার আলীসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ