বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ পি.এম
টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আবারও দফায় দফায় বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। এপারের সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর থেকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ও হ্নীলা সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন এলাকায় বলিবাজার ও কুমিরখালীতে সংঘর্ষ চলছে। এর আগে, বুধবার (১ জুলাই) দিন ও রাতে মংডু শহরে বিমান থেকে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, দুপুরের দিকে রাখাইনের বলিবাজার ও কুমিরখালী এলাকা থেকে বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। এ ঘটনায় হোয়াইক্যং সীমান্তের বাড়িঘর কেঁপে ওঠে। এ পর্যন্ত অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
হোয়াইক্যং ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সিরাজুল মোস্তফা লালু জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর আগে হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল, তখন সীমান্ত এলাকার মানুষ আতঙ্কে দিন কাটিয়েছেন। এখন আবারও নতুন করে হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে রাখাইনে হামলা ও সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হ্নীলা মৌলভীবাজারের বাসিন্দা জেলে রহমত উল্লাহ জানান, সকালে নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলাম। দুপুরের দিকে মৌলভীবাজারের ওপারে রাখাইন সীমান্ত থেকে একের পর এক বিস্ফোরণের কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। আতঙ্কে মাছ ধরা বন্ধ করে দ্রুত ফিরে এসেছি। এর আগে বুধবার রাত ৯টার পর থেকে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে এসেছিল। সেই সঙ্গে শোনা যাচ্ছে যুদ্ধ বিমানের শব্দও। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কেঁপে উঠছে সীমান্তবর্তী এলাকার ঘরবাড়ি, ফলে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
টেকনাফের সীমান্ত ঘেঁষা সাবরাং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, রাত ৯টার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে শাহপরীরদ্বীপসহ আশপাশের এলাকায় শব্দের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এতে সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। টেকনাফের জালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা দিল মোহাম্মদ দিলু বলেন, কয়েকটি বিকট শব্দ টেকনাফ পর্যন্ত স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। নাফ নদীর দিক থেকে মাঝে মাঝে আগুনের ঝলকানিও দেখা যাচ্ছে, যা কিছুক্ষণ পর আবার নিভে যাচ্ছে। এতে স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে আতঙ্ক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ যুদ্ধের কারণে উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত এলাকার খাইংখালী, পালংখালী, রহমতের বিল, আঞ্জুমান পাড়া ও টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা, পৌরসভা, সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় আজ রাত ৯ টা থেকে বোমা ও মর্টার হামলার শব্দে কেঁপে ওঠে উখিয়া-টেকনাফের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের বাড়িঘর।
হ্নীলা মাষ্টার কামাল জানিয়েছেন, আগামী কাল এইচএসসি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতেছে সাড়ে ৯ টায় পর পর ৪টি বিকট শব্দ কেঁপে উঠল বাড়িঘর, পরীক্ষার্থীরা ভয়ে চিৎকার করে কান্না করতেছে। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাট্যংপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, মিয়ানমারে থেকে অনেক দিন পরে বোমার এমন শব্দ কোনো দিন শুনিনি। মনে হয় বাংলাদেশ সীমান্তে এসে সব মর্টারশেল পড়ছে। সীমান্তের একদম পাশে আমার বাড়ি। এত বিকট শব্দে আমার বাড়ি যেভাবে কেঁপে ওঠে তা ভাষায় ব্যক্ত করতে পারছি না।
পালংখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মামুন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন মিয়ানমারে যুদ্ধ বন্ধ থাকলেও রাত সাড়ে ৯ টা থেকে আবারও বোমা ও মর্টারশেলের শব্দে আতঙ্কে রয়েছি। শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তে বসবাসকারী সিনিয়র শিক্ষক জাকারিয়া আলফাজ জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের মতো বিকট শব্দ কাঁপছে ঘরবাড়ি মনে হচ্ছে বাংলাদেশ ভূমিকম্প হয়েছে।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পরে আবার পর পর বজ্রপাতের মত বিকট শব্দ কাঁপছে হ্নীলার ঘরবাড়ি, তার বাড়িও কাঁপছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বিস্ফোরণের বিকট শব্দ পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে মিয়ানমারের মংডু এলাকার সীমান্তের ওপারে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। গোলাগুলির বিকট শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শোনা যাচ্ছে এবং অনেক স্থানে ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে। আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি। তবে প্রাথমিকভাবে জেনেছি শাহপরীরদ্বীপ থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি চলছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলির বিকট শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শোনা গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। বিজিবিও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে ভাঙন ও বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে ধসের ঘটনায় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকার ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এর সাথে অন্তত ১০টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। একটা কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে ২০১৮ সাল থেকে একাধিকবার ধসের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে তাদের।
কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা মো. খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদীভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনও পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান করতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ব।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, 'প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।'
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন যে ২-১ দিনের মধ্যে বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাস্তায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছিল। বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের উপর লুটিয়ে পড়লেন একজন চালক। মৃত্যুর বিপদ যখন খুবই কাছাকাছি, তখনই চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে নেমে এলেন দুই নার্স, যেন অভয়দাতা। তারা কঠোর প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি নিভতে বসা প্রাণকে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন।
এটি বুধবার সকালে ভারতের কেরালার এর্নাকুলাম জেলায় ঘটে। যিনি ৪৩ বছর বয়সী, তার নাম সিনোজ। তিনি একজন লটারির দোকান পরিচালনা করেন। তার বুকে ব্যথা অনুভব করার ফলে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, যানজটে আটকা পড়ার কারণে তিনি গাড়ির ভেতরেই জ্ঞান হারান।
পাশ দিয়ে যাওয়া একটি বাসে ছিলেন স্টাফ নার্স অঞ্জলি বৈজু এবং নার্সিংয়ের ছাত্রী আর্দ্রা রাজ। রাস্তায় জটলা দেখে তারা দ্রুত বাস থেকে নেমে এলেন। গাড়ির কাছে পৌঁছে তারা রোগীর বুকে চাপ দিতে শুরু করলেন এবং (সিপিআর) শ্বাসবহ্মণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন।
এই সময় সাধারণ মানুষও তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। একজন পথচারী দ্রুত গাড়ির স্টিয়ারিং ধরেন। অন্যরা গাড়িটি যানজট থেকে বের করে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন। হাসপাতালে পৌঁছানো পর্যন্ত ওই দুই নার্স গাড়ির ভেতরেই সিপিআর চালিয়ে যান।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা জানান, নার্সদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে রোগীর জীবন রক্ষা পেয়েছে। পরীক্ষায় তার হার্টের রক্তনালিতে ব্লক ধরা পড়ে, যার কারণে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বড় হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) উপজেলা সম্মেলন কক্ষে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কক্সবাজার-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কক্সবাজারের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক। সভাপতিত্ব করেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংছিনু মারমা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু শুক্কুর এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং উপকারভোগী কৃষকরা।
কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও বনজ-ফলজ চারা, রোপা আমন ধানের চারা, হাইব্রিড মরিচের বীজ, লেবুর চারা, গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ, সারসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। বক্তারা এ সময় বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বক্তারা কৃষকদের বিতরণকৃত উপকরণ সঠিকভাবে ব্যবহার করে অধিক উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, কৃষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে আধুনিক ও উন্নত কৃষি উপকরণ পৌঁছে দিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষিকে আরও টেকসই ও লাভজনক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাউজানে গতকাল সোমবার সকালে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে রাউজানের গহিরাস্থ কোতোয়ালীঘোনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করতে জনসচেতনতা তৈরি করা।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য ও গহিরা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মিয়াজী।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মফিজুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সমাজসেবক ফজলুল আজিজ, সমাজসেবক মোহাম্মদ সোহাইব শিকদার, সিনিয়র শিক্ষক খোরশেদুল আলম, সিনিয়র শিক্ষক বিশ্বজিৎ বড়ুয়া, সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল মোনায়েম, সিনিয়র শিক্ষিকা শিরিন আক্তার, সহকারী শিক্ষিকা রেশমা আক্তার, সহকারী শিক্ষক ওহিদুল আলম, সহকারী শিক্ষক মো. শওকত-উল-আলম, সহকারী শিক্ষক মিথুন কুমার নাথ এবং সহকারী শিক্ষক রফিকুল করিমসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ