ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি ও জবাবদিহিতা জোরদারে গুরুত্ব পরিকল্পনা কমিটির


প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি ও জবাবদিহিতা জোরদারে গুরুত্ব পরিকল্পনা কমিটির

সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং সরকারের সার্বিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি স্থায়ী কমিটির তদারকি কার্যক্রমকে আরও জোরদার ও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত নীতিগত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি।

বৈঠকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের কার্যাবলির ওপর বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি বর্তমানে চলমান জাতীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও সময়সীমা নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন: ১৬ বছর আগের ঘটনায় জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় ফাঁসলেন রাখি সাওয়ান্ত

এ সময় পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেন, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের যথাসময়ে বাস্তবায়ন ও অপচয় রোধে সংসদীয় কমিটির নিয়মিত তদারকির গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদীয় কমিটির সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সক্রিয় ও অংশগ্রহণমূলক ভূমিকার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করার আহ্বান জানান।

কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার এবং প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সংসদীয় কমিটি তার অর্পিত দায়িত্ব ও তদারকি কার্যক্রম আরও কঠোরভাবে পালন করবে।

বৈঠকের শুরুতে স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সদস্যবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, কাজী রফিকুল ইসলাম, মঈনুল ইসলাম খান, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মো. শওকতুল ইসলাম, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, মো. সাইফুল আলম এবং মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: হুইপ দুলুর আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের শোকজের নির্দেশ

এ ছাড়া পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, পরিকল্পনা বিভাগ এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিবদ্বয়, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন পরিদপ্তর ও অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমআরটি লাইন-১-এর রোলিং স্টক ও ডিপো সরঞ্জাম ক্রয়ের দরপত্র ১২ অক্টোবর খোলা হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


এমআরটি লাইন-১-এর রোলিং স্টক ও ডিপো সরঞ্জাম ক্রয়ের দরপত্র ১২ অক্টোবর খোলা হবে

ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : এমআরটি লাইন-১-এর রোলিং স্টক ও ডিপো সরঞ্জাম সংগ্রহের টেন্ডার ডকুমেন্ট আগামী ১২ অক্টোবর খোলার প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ‘কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ (সিপি)-১২-এর আওতায় রোলিং স্টক ও ডিপো সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হবে। অন্যদিকে সিপি-১১-এর আওতায় বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।

বাসসকে তিনি বলেন, দেশের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণকাজ ১২টি কন্ট্রাক্ট প্যাকেজের মাধ্যমে এগিয়ে চলছে। এদিকে, পিতলগঞ্জ ডিপোর ভূমি উন্নয়নকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রস্তাবিত সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুযায়ী, আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০৩৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

৩১.২৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১-এর মধ্যে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ১৯.৮৭২ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড রুট রয়েছে, যেখানে ১২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। এছাড়া নতুন বাজার থেকে পিতলগঞ্জ ডিপো পর্যন্ত ১১.৩৬৯ কিলোমিটার রুটে সাতটি উড়াল ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে।

প্রাথমিকভাবে ২৫টি ট্রেন সেট দিয়ে মেট্রোরেল পরিচালনা শুরু হবে। প্রতিটি ট্রেনে থাকবে আটটি কোচ। তবে ভবিষ্যতে ট্রেন সেটের সংখ্যা ৩৬টিতে উন্নীত করার ব্যবস্থা রাখা হবে।

প্রতিটি ট্রেনের ছয়টি মধ্যবর্তী কোচে সর্বোচ্চ ৩৯০ জন করে যাত্রী বহন করা যাবে। আর দুইটি ট্রেইলার কোচে সর্বোচ্চ ৩৭৪ জন করে যাত্রী ধারণ করা যাবে। ফলে প্রতিটি মেট্রো ট্রেনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮৮ জন যাত্রী বহন করা সম্ভব হবে।

মেট্রো ট্রেনগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বিরতি বা হেডওয়ে হবে ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।

এমআরটি লাইন-১ কমিউনিকেশন-বেইজড ট্রেন কন্ট্রোল (সিবিটিসি) ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। ভূগর্ভস্থ অংশে সর্বোচ্চ পরিচালন গতি হবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার এবং উড়াল অংশে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার।

প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। উভয় রুটের বিস্তারিত সমীক্ষা, জরিপ, বেসিক ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন এবং পিতলগঞ্জ ডিপোর জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রস্তাবিত মেট্রো স্টেশন এলাকায় ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ এবং প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে চলছে।

সিপি-১-এর আওতায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জ মৌজায় ৩৫.৯০ হেক্টর বা ৮৮.৭১ একর জমিতে এমআরটি লাইন-১ ডিপোর ভূমি উন্নয়নকাজ চুক্তির নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট সম্পন্ন হয়।

এদিকে, অন্যান্য কয়েকটি প্যাকেজের ক্রয় কার্যক্রমও এগিয়েছে।

সিপি-০২ ও সিপি-০৬-এর ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) আর্থিক প্রস্তাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সম্মতি দেওয়ার পর সিপি-০৪-এর আওতায় সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দরদাতার সঙ্গে কন্ট্রাক্ট-পূর্ব আলোচনা বর্তমানে চলছে।

সিপি-০৫-এর ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দরদাতা দরপত্রের বৈধতার মেয়াদ বাড়াতে সম্মত না হওয়ায় ডিএমটিসিএল সিপি-০৪ ও সিপি-০৬-এর মধ্যে কাজগুলো ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সিপি-০৭-এর আর্থিক প্রস্তাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনেও জাইকা সম্মতি দিয়েছে। এ প্যাকেজের সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দরদাতার সঙ্গে চুক্তির আগে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সিপি-০৮-এর কারিগরি প্রস্তাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন সম্মতির জন্য জাইকার কাছে পাঠানো হয়েছে।

ডিএমটিসিএল বোর্ড সিপি-০৯ ও সিপি-১০-এর ক্রয় প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠাতে প্রস্তাবগুলো সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানো হবে।

সিপি-০৯ ও সিপি-১০-এর আওতায় নতুন বাজার থেকে পিতলগঞ্জ পর্যন্ত পূর্বাচল রুটের অবশিষ্ট উড়াল ভায়াডাক্ট ও স্টেশন এবং বিভিন্ন সংযোগস্থলের সিভিল কাঠামো নির্মাণ করা হবে।

অবশিষ্ট প্যাকেজগুলোর টেন্ডার কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। সিপি-১১-এর জন্য ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে টেন্ডার আহ্বান করা হয় এবং তা ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর খোলার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, সিপি-১২-এর টেন্ডার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে খোলা হয়েছে এবং বর্তমানে তা মূল্যায়নাধীন রয়েছে।

প্রকল্পটি শেষ হলে ঢাকায় দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক গণপরিবহন সেবা চালুর মাধ্যমে জনপরিবহন ব্যবস্থার সংযোগ উন্নত করা এবং যানজট কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএমইউতে লিভার ও থাইরয়েড ক্যান্সার নির্ণয়ক মেশিন উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


বিএমইউতে লিভার ও থাইরয়েড ক্যান্সার নির্ণয়ক মেশিন উদ্বোধন

ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) নিনমাসে উদ্বোধন করা হয়েছে দেশের প্রথম লিভারের চর্বির পরিমাপক, লিভারের ক্যান্সার ও থাইরয়েড ক্যান্সার নির্ণয়ক রেজোনা এ২০ আল্ট্রা হাই রেজুলিউশন মেশিন। 

আজ মঙ্গলবার নিনমাসের রিসার্চ সেল এবং আল্ট্রাসাউন্ড ও কালার ডপলার ডিভিশন আয়োজনে কামাল উদ্দিন আহমেদ অডিটরিয়ামে বিয়ন্ড কনভেনশনাল আল্ট্রাসাউন্ড: ইলাসটোস্ক্যান এন্ড ফ্যাট কোয়ানটিফিকেশনাল উয়িথ হাই রেজুলেশন আলাট্রাসাউন্ড বিষয়ে এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। 

সেমিনারে সভাপতি ছিলেন নিনমাসের পরিচালক এবং বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ ফ্যাটি লিভার বা লিভারের চর্বিজনিত সমস্যা রোগে ভুগছেন। তাছাড়া প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষ ক্রনিক লিভার ডিজিজ এবং লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে এবং ২ শতাংশ মানুষ থাউরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেজোনা এ২০ এর মতো আল্ট্রা হাই রেজোলিউশন মেশিন সরবরাহ করেছে মিনডারি কোম্পানি। 

তিনি বলেন, এই নতুন মেশিনের মাধ্যমে নিনমাসে প্রথমবারের মতো লিভারে চর্বি নির্ণয়ের আধুনিক প্রযুক্তি  ইলাসটোস্ক্যান সংযোজিত হলো। 

দেশের রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈজ্ঞানিক সেমিনারে লিভার ইলাস্টোগ্রাফি’র ওপর বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অনুপ কুমার কুন্ডু। এছাড়া আল্ট্রা হাই রেজোলিউশন থাইরয়েড ইলাস্টোগ্রাফি এবং ফ্যাট কোয়ান্টিফিকেশন উপর বক্তব্য রাখেন জোহান্না অং।  

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিন্টিগ্রাফি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই ব্যবহারে সক্ষম করতে শিশুদের বুনিয়াদি শিখন দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান : শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


এআই ব্যবহারে সক্ষম করতে শিশুদের বুনিয়াদি শিখন দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান : শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শিশুদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে হলে তাদের মৌলিক বা বুনিয়াদি শিখন দক্ষতা যেমন পড়া, যুক্তি তৈরি ও তথ্য যাচাইয়ের উন্নয়ন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে শিশুদের বুনিয়াদি শিখনে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের জন্য তাদের শিখন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। একই সঙ্গে, যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এআই চালু বা ক্রয়ের আগে পরীক্ষামূলক প্রকল্প ও মূল্যায়নে শিক্ষকদের সরাসরি যুক্ত করা উচিত।’

মঙ্গলবার, স্থানীয় সময় ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬’-এর ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষা’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

এই আন্তর্জাতিক ফোরামে বিশ্বের ২৫টি দেশের মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করছেন। এবারের ডিজিটাল লার্নিং উইকের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে শিক্ষা: সত্য, দ্বন্দ্ব, সীমানা’ এবং এটি ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

শিক্ষা ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের সুযোগ ও সীমারেখা তুলে ধরে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের অনেক সময় বাঁচালেও সব ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহারের সুযোগ নেই। তবে যুগের চাহিদায় পিছিয়ে থাকার উপায় নেই। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি, পারফরম্যান্স মূল্যায়ন কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কেবল স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা সমীচীন হবে না।

বিশ্বব্যাপী এআই’র জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কতজন ব্যবহার করছে বা কতগুলো পাইলট প্রকল্প চলছে—তা দেখে এআই’র সফলতা বিচার করা যাবে না। বাংলাদেশে শিক্ষার সুনির্দিষ্ট ফলাফল, শিক্ষকের কাজের চাপ হ্রাস, শিক্ষা সমতা, তথ্য সুরক্ষা ও ব্যয়-সাশ্রয়ের মূলদণ্ডে এআই ব্যবস্থার বাস্তব মূল্যায়ন করা উচিত।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন আগামীকাল বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলনের ‘টিচার্স এট দ্য সেন্টার: এজেন্সি, কম্পিটেন্সিস অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ প্লেনারি সেশনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাল্টা জবাব, মার্কিন পণ্যে কানাডার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


পাল্টা জবাব, মার্কিন পণ্যে কানাডার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে কানাডার মধ্যে। মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে মার্কিন পণ্যের ওপর কানাডার আরোপিত পাল্টা শুল্ক। তবে দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনও বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে এখনও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।

কানাডার নতুন পাল্টা শুল্কের আওতায় আসছে প্রায় ২৮ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার (প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের মার্কিন পণ্য। ইস্পাত, আসবাবপত্র ও তুলার টি-শার্টসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর এসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কের হার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে।

তবে, তালিকায় থাকা তাজা মাছ ও লবস্টারের ওপর শুল্ক আরোপ থেকে কানাডা পরে সরে এসেছে। দেশটির সামুদ্রিক খাদ্যশিল্পের তীব্র আপত্তির পর এসব পণ্য বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি স্পষ্ট করে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব এড়াতে কানাডাকে সতর্কভাবে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে।

আলোচনা ফের শুরুর উদ্যোগ নেই

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কর্মকর্তারা উভয়েই বাণিজ্যচুক্তিতে পৌঁছানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে আগস্টের শেষ দিকে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর তা আবার শুরু করার বিষয়ে এখনও কোনও অগ্রগতি হয়নি।

গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘টেকসই’ চুক্তি চায় তার দেশ, যা উভয় দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে।

কার্নি বলেন, “আমেরিকানরা প্রস্তুত হলেই আমরা আলোচনার টেবিলে বসে চুক্তি করতে প্রস্তুত।”

তবে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার দাবি করেছেন, পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব এখন কানাডার।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে ‘সেরা চুক্তির প্রস্তাব’ দিয়েছিল, কিন্তু কানাডা তা প্রত্যাখ্যান করেছে। আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগও খুব সীমিত রয়েছে বলে তিনি জানান।

কানাডার সম্প্রচারমাধ্যম সিবিসিকে দেওয়া পৃথক এক সাক্ষাৎকারে গ্রিয়ার পাল্টা শুল্ক আরোপের ব্যাপারে সতর্ক করে বলেন, এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার কিছু পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করার মতো পদক্ষেপ নিতে পারে।

বোম্বার্ডিয়ার নিয়েও ট্রাম্পের হুমকি

বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে কানাডার বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোম্বার্ডিয়ার নিয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কানাডাভিত্তিক বোম্বার্ডিয়ার যুক্তরাষ্ট্রে তাদের উৎপাদন সরিয়ে না নিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠানটির সব ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে পারেন তিনি।

বোম্বার্ডিয়ার কানাডার অন্যতম বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান। হিসাবরক্ষণ প্রতিষ্ঠান পিডব্লিউসির এক প্রতিবেদনের মতে, ২০২৪ সালে কানাডার বার্ষিক মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রতিষ্ঠানটি ৭ বিলিয়ন কানাডীয় ডলারের বেশি অবদান রেখেছে।

এর আগে সপ্তাহান্তে ট্রাম্প একাধিক ট্রুথ সোশ্যালে পোস্টে কানাডার সমালোচনা করেন। একটি পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার বিনিময় হারকে তিনি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন। আরেকটি পোস্টে উত্তর আমেরিকার মানচিত্রে কানাডা, মেক্সিকো ও গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা বসানো একটি ছবি প্রকাশ করেন।

প্রায় ৯০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কগুলোর একটি বিদ্যমান। ২০২৫ সালে দুই দেশের মধ্যে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নতুন মার্কিন শুল্ক এবং কানাডার পাল্টা শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর দুই দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সম্ভাব্য নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমানে কানাডার গাড়ি ও ট্রাকের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। একই সঙ্গে কানাডার ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও কাঠের ওপরও শুল্ক রয়েছে। আগস্টের শেষ দিকে ট্রাম্প আরও কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। এর মধ্যে রয়েছে দুগ্ধজাত পণ্য, অ্যালকোহল, হকি স্টিক ও সুগন্ধির মতো পণ্য।

এর জবাবে কানাডা মঙ্গলবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা শত শত পণ্যের ওপর ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে। প্রধানমন্ত্রী কার্নি এসব শুল্ককে ‘ডলার-ফর-ডলার’ ভিত্তিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

কোন পণ্যে কত শুল্ক?

নতুন শুল্ক কাঠামো অনুযায়ী—

মার্কিন দুধ, গলফ ক্লাব, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং জ্যাকেট ও টি-শার্টের মতো কিছু পোশাকে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে;

চিজ, টয়লেট পেপার ও এয়ার কন্ডিশনারের মতো কিছু গৃহস্থালি পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক;

ফর্কলিফট ট্রাক ও শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ছাঁচে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করা মার্কিন গাড়ি ও ট্রাকের ওপর কানাডার যে পাল্টা শুল্ক রয়েছে, সেটিও বহাল থাকছে।

ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপের আশঙ্কা

সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দেখা গেছে, অধিকাংশ কানাডীয় নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক আরোপের পক্ষে রয়েছেন। তবে অর্থনীতিবিদেরা সতর্ক করেছেন, নতুন শুল্কের কারণে পোশাক, খাদ্য ও আসবাবপত্রের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সও সরকারকে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে ‘সুনির্দিষ্ট ও সীমিত’ পন্থা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনটির প্রধান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যান্ডেস লেইং বলেন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারছে। তবে তারা ‘অন্তহীন উত্তেজনা বৃদ্ধির’ পরিস্থিতি চায় না। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা এই বাণিজ্য বিরোধ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে ধরে নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

লবস্টার শিল্পে পারস্পরিক নির্ভরতা

কানাডার মৎস্যশিল্পের চাপের মুখে সরকার পাল্টা শুল্কের তালিকা থেকে কয়েক ডজন সামুদ্রিক খাদ্যপণ্য বাদ দিয়েছে। এর অন্যতম কারণ কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের লবস্টার শিল্পের মধ্যে গভীর পারস্পরিক নির্ভরতা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ধরা অনেক লবস্টার প্রথমে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য কানাডায় পাঠানো হয়। পরে সেগুলো আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নিয়ে বাজারজাত করা হয়। ফলে একতরফা শুল্ক আরোপ করলে দুই দেশের শিল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অর্থনীতিতে মিশ্র সংকেত

সাম্প্রতিক বাণিজ্য উত্তেজনার আগে কানাডার অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিস্থাপকতার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির জিডিপি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৮১ হাজার নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হয়েছিল।

তবে আগস্টে প্রায় ৪১ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে। বাণিজ্য আলোচনার ভেঙে পড়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের সময়ের সঙ্গেই এই কর্মসংস্থান কমার ঘটনা মিলে গেছে।

এর মধ্যেও উৎপাদন খাতে সামান্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। কানাডার সরকার বলছে, দেশীয় পণ্য কেনার প্রবণতা বাড়ায় ভোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা বৃদ্ধিই এর অন্যতম কারণ।

যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতা কমাতে চান কার্নি

দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা করছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। কানাডার রফতানি বাজারকে আরও বৈচিত্র্যময় করার ওপর তিনি জোর দিচ্ছেন।

জুলাইয়ের পরিসংখ্যানেও এর কিছুটা প্রতিফলন দেখা গেছে। কানাডার মোট রফতানির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রগামী পণ্যের অংশ কমে ৬৬ শতাংশে নেমে এসেছে। বাণিজ্যযুদ্ধ শুরুর আগে এই হার গড়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ ছিল।

তবে দুই দেশের অর্থনীতি ও সরবরাহব্যবস্থার গভীর আন্তঃনির্ভরতার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সরে গিয়ে বিকল্প বাজার তৈরি করা কানাডার জন্য সহজ হবে না। ফলে পাল্টা শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—ওয়াশিংটন ও অটোয়া শেষ পর্যন্ত সমঝোতার পথে ফিরবে, নাকি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল বাণিজ্যযুদ্ধে পরিণত হবে। সূত্র:

বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%