মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি
০৫:২০ পি.এম
জামালপুরে মানববন্ধন করেছেন কর্মরত সাংবাদিকরা, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে অবিলম্বে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে।
শনিবার দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামালপুর প্রেসক্লাব। এতে নিহত সাংবাদিক নাদিমের পরিবারের সদস্যসহ জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম, বাবা আব্দুল করিম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানসহ সাংবাদিক ও পরিবারের সদস্যরা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, তৎকালীন সাধুরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর নির্দেশে তার ছেলে ও তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম ফয়সাল রিফাতের নেতৃত্বে সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে মামলার তদন্ত শেষে দেওয়া চার্জশিটে রিফাতসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন আসামিকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
তারা বলেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলায় কোনো আসামিকে তদন্তের বাইরে রাখা যাবে না। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে মামলায় জড়িত সব আসামিকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ জুন রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পরদিন মারা যান।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে তৎকালীন সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বাবু এবং তার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহিম ফয়সাল রিফাতসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলায় জড়িত সব আসামিকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত, দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, এক সময় ভেটেরিনারিয়ানদের মানুষ খুব একটা গুরুত্ব দিত না। কিন্তু বর্তমানে এই পেশার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই সেক্টরে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে এই সেক্টরের আধুনিকায়নে আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিব। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিটি বিভাগে একটি করে বিশেষায়িত ভেটেরিনারি হাসপাতাল করার।
শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী এও বলেন, প্রাণিসম্পদে যত বেশি গবেষণা হবে, এই সেক্টর ততো বেশি উন্নত হবে। খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইলে আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে পশুটি সঠিক, রোগ মুক্ত এবং খাওয়ার উপযোগী কিনা। বর্তমানে মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। যদি মানুষ সচেতন হয়, তাহলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
ভেটেরিনারিয়ানদের কর্মসংস্থান নিয়ে তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যেই প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অর্থমন্ত্রী ও অর্থসচিবের সাথে কথা বলেছি এবং প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছি যে আপনাদের চাকরির সুব্যবস্থা করার জন্য আমি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি। এছাড়া ফিশারিজ সেক্টরেও প্রায় ৫০০টি পদের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বিএসভিইআর-এর সভাপতি ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহার সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এই সম্মেলনে ফিজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. ময়নুদ্দিনকে বার্ষিক লেকচার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান করা হয়।
জানা গেছে, ‘ট্রান্সলেটিং ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইনটু সাসটেইনেবল লাইভস্টক ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোবাল হেলথ’ প্রতিপাদ্যে তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনের মূল দুইদিন (৮ ও ৯ আগস্ট) মোট ৩১৮টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন হবে, যার মধ্যে ১১৬টি মৌখিক এবং ২০২টি পোস্টার উপস্থাপন। এবারের সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় সাড়ে ৬০০ গবেষক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ভেটেরিনারিয়ান অংশগ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রবিন এল্ডার্স মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এবারের সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষণার ফলাফলকে টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে কার্যকরভাবে সংযুক্ত করা। সম্মেলনে ভেটেরিনারি শিক্ষা, প্রাণিস্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ উৎপাদন, রোগ নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষক, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাটে আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতাকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর তাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে মামলাটি হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) নিহতের বোন লাভলী বেগম কবিরহাট থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার নম্বর-৪। এতে এজাহারনামীয় দুই আসামির পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগগ্রামের কাছে একটি ডোবা থেকে আজাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন ছিল।
আজাদ ওই গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির দক্ষিণের ডোবায় তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক সেবনে বাধা দেওয়া বা আড্ডাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, তার চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) তাকে হত্যা করেছিল। তারপর মরদেহ ডোবায় ফেলে লাশ গুমের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলে দাবি করেন স্বজনরা।
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল জানান, আজাদ স্থানীয় ক্লাবঘর এলাকায় ব্যবসা করত। তিনি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে অতীতে একাধিকবার হামলার শিকার হন তিনি। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
তবে অভিযুক্ত ওই বাড়ির বাসিন্দারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কবিরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে। তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত নাগরিক স্মরণসভায় শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ দাবি জানানো হয়।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন দেশের একজন খ্যাতনামা প্রকৌশলী। তিনি বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনে যেমন, জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে গ্যাস রপ্তানি প্রতিরোধের আন্দোলন গড়ে উঠেছিল।
বক্তারা আরও বলেন, শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ ও সংস্কারে যেমন, বুএন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক সেন্টার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা স্টেডিয়াম সংস্কার, শিল্প ভবন, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং বাংলাদেশ বিমান ভবন সংস্কার।
সভায় স্থপতি সফিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সাবেক ছাত্রনেতা ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন রুস্তম আলী খোকন, অধ্যাপক এম এম আকাশ, শরীফুজ্জামান শরীফ, আলমগীর কবির, অসিত বরণ সাহা, অ্যাডভোকেট প্রহলাদ দেবনাথ এবং হুমায়ুন কবির সুমন।
স্মরণসভা শুরুর আগে শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। তার লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন অনুপ পোদ্দার ও অ্যাডভোকেট ফারহানা আক্তার। পরে তার জীবনী পাঠ করেন ফাহমিদা নাজনীন।
সভা থেকে প্রতিবছর শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর স্মরণে স্মরণসভা আয়োজন করার এবং তার লেখা ডায়েরি প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-কে স্বাগত জানিয়েছে।
শনিবার তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে।
সংস্থাটির মহাসচিব হুসেইন ব্রাহিম তাহা এই চুক্তির প্রতি তার সমর্থন ও প্রশংসা জানিয়ে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মহাসচিব তার বিবৃতিতে বলেন, এই চুক্তি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে দেশগুলো ভূমিকা রাখবে এবং মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
তিন দেশের নেতৃত্ব ও প্রচেষ্টায় এই ‘ঐতিহাসিক চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই চুক্তি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে অবদান রাখবে। বর্তমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে এই চুক্তি ওআইসি সদস্য দেশগুলোর দৃঢ় সংকল্পের অংশ।
এর আগে শুক্রবার মক্কায় অনুষ্ঠিত এক ত্রিপাক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেখানেই এই যৌথ সামরিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির মাধ্যমে তারা যৌথ নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
তুর্কি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই চুক্তিটি একটি প্রতিরক্ষাকেন্দ্রিক সহযোগিতা ব্যবস্থা, যা কোনও নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এর উদ্দেশ্য হলো- দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং একটি অভিন্ন নিরাপত্তা পদ্ধতির মাধ্যমে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির প্রতি অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করা।
এই চুক্তির আরও লক্ষ্য হলো- যেকোনও আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা। চুক্তিতে বলা হয়েছে, এই তিনটি দেশের যেকোনও একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সকলের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ