মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
১১:২৪ পি.এম
নেপালীয়ান খ্যাত বেংটানা পরিহিত সাইক্লিষ্ট ঠাকুরগাঁওয়ের সজিব ঠাকুরগাঁও জেলার ৭ টি উপজেলা সাইকেল চালিয়ে ভ্রমণ সম্পন্ন করলেন।
সজিব ঠাকুরগাঁওয়ের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ ঠাকুরগাঁও (জেলা স্কুল) সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।
পড়াশোনার পাশাপাশি সে ভ্রমণ পিয়াসী সাইক্লিস্ট।
সে আজ সকাল ১০ টায় ঠাকুরগাঁও শহর হতে সাইকেল নিয়ে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা হতে ভ্রমণ শুরু করে নবগঠিত উপজেলা ভূল্লী হয়ে ক্রমান্বয়ে রুহিয়া,বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর, রাণীশৈংকেল ও সর্বশেষ পীরগঞ্জ উপজেলা ভ্রমণ সম্পন্ন করে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌছান রাত ৯ টা ৩৮ মিনিটে।
সে প্রায় ১৪৩ কিলোমিটার রাস্তা ৭ঘন্টায় সাইকেল চালিয়ে ভ্রমণ সম্পন্ন করেছে।
উল্লেখ থাকে যে,ইতিপূর্বে মাত্র ১৫ বছর বয়সে ৪২ দিনে ৬৪ জেলা সাইকেল চালিয়ে ভ্রমণ করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে এ শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শপথ পাঠ করান মেহেরপুর জেলা তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক রুহুল কুদ্দুস টিটু। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, গাংনী প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদুল হক রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন, মুজিবনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ওমর ফারুক প্রিন্সসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও সুধীজন।
শপথ গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সমাজের নানা অসঙ্গতি, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। তারা বলেন, মেহেরপুরের উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনাকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে মেহেরপুর প্রেসক্লাব দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ঐক্য এবং নৈতিক সাংবাদিকতা চর্চার মাধ্যমে প্রেসক্লাবকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হবে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে প্রেসক্লাব গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার রক্ষা, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং জেলার সার্বিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি ফারুক হোসেন। তিনি সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক, গতিশীল এবং পেশাদার সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে মেহেরপুর প্রেসক্লাবকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন এবং জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরতে প্রেসক্লাবের সদস্যরা একযোগে কাজ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌসুমী বায়ুর প্রবল সক্রিয়তার কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলের তিনটি বিভাগে এবং উত্তর পূর্ব ভারতে আগামী ৩ দিনে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম লিমিটেড এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ২০-২৩ তারিখের মধ্যে গড়ে প্রায় ১৫০-২০০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।
এরমধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, শেরপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলায় উক্ত সময়ের মধ্যে প্রায় ২০০-৩০০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের অধীনে জন বিভাগের রাজস্ব খাতভুক্ত ১৬ ও ২০ গ্রেডের পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ১৯টি।
আবেদনের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬।
নিয়োগ প্রাপ্ত প্রার্থীরা মাসিক বেতনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
১. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৫
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ; কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত; কম্পিউটার মুদ্রাক্ষর গতি পরীক্ষায় প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ২০ শব্দ এবং বাংলায় ২০ শব্দের সর্বনিম্ন গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।
২. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ১৪
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বেতন স্কেল: (গ্রেড-২০) ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
বয়সসীমা: ১ জুন ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮-৩২ বছর হতে হবে।
আবেদনের নিয়ম:
পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।
আবেদন ফি:
১ নম্বর পদ: ১১২ টাকা (সার্ভিস চার্জসহ)
২ নম্বর পদ: ৫৬ টাকা (সার্ভিস চার্জসহ)।
আবেদনের সময়সীমা:
আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদানের শুরুর তারিখ ও সময়: ২১ জুন ২০২৬, সকাল ১০টা।
আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ও সময়: ৩০ জুলাই ২০২৬, বিকেল ৪টা।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য এই ঠিকানায় দেখুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইল জেলার সরকারি ও বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোতে এখন থরে থরে সাজানো রয়েছে হাজার হাজার বই। সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান, রাজনীতি, শিশুতোষ কিংবা জীবনী জ্ঞানের এমন কোনো শাখা নেই, যার সন্ধান মিলছে না এখানকার লাইব্রেরিগুলোতে। বছরের পর বছর ধরে যত্ন করে রাখা হয়েছে অনেক দামি ও পুরাতন মূল্যবান বই। কিন্তু যাদের জন্য এই বিশাল আয়োজন, সেই পাঠকদেরই দেখা মিলছে না। এক সময়ের জ্ঞানপিপাসুদের কোলাহলে মুখরিত লাইব্রেরিগুলো এখন যেন এক একটি নিঃসঙ্গ নীরবতার প্রতীক।
নড়াইল জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে একই সাথে বসে দুই শতাধিক পাঠকের জন্য বই পড়ার জন্য মনোরম পরিবেশ ও সুব্যবস্থা রয়েছে। পাঠকদের সুবিধার্থে এখানে আছে আলাদা পুরুষ কর্নার, নারী কর্নার, জব কর্নার এবং পত্রিকা কর্নার। আলমারিগুলোতে থরে থরে সাজানো আছে প্রায় ৪০ হাজার বই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল অবধি লাইব্রেরি খোলা থাকলেও, গড়ে মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ জনের বেশি পাঠক এখানে আসেন না।
গ্রন্থাগারের শিশু কর্নারটিতে এখনো স্কুলের ফাঁকে সামান্য কয়েকজন ক্ষুদে শিক্ষার্থী আসে। সেখানে হাতেগোনা তিন-চারজন শিশুকে খেলাধুলা ও গল্পের বই পড়ে সময় কাটাতে দেখা যায়। তবে মূল হলরুমের পাঠকক্ষটি প্রায় সময়ই ফাঁকা পড়ে থাকে। জেলার প্রায় ২০ থেকে ২২টি সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগারের প্রতিটিতেই এখন একই করুণ চিত্র।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিকতার যুগে মোবাইল, ট্যাব, কম্পিউটার এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত দৌরাত্ম্যের কারণে বই পড়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে নতুন প্রজন্ম। এক সময় লাইব্রেরিগুলোতে বসার জায়গার বা চেয়ার-টেবিলের অভাবে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করত। আর এখন পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও পাঠকের দেখা মিলছে না। মানুষ এখন বইয়ের পৃষ্ঠার চেয়ে ডিজিটাল স্ক্রিনেই বেশি আটকে থাকে। ফলে বইয়ের পাতা খুলে জ্ঞানের আলো খোঁজার ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সেমিনার, পাঠচক্র ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা, স্কুল-কলেজ পর্যায়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, বিভিন্ন উৎসব ও আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রন্থাগারগুলোকে আরও আকর্ষণীয় ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
আব্দুল হাই ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মল্লিক বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার আমাদের নতুন প্রজন্মকে বইয়ের পাতা থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। এক সময় শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্ঞানচর্চা করত, যা তাদের চিন্তাভুবনকে সমৃদ্ধ করত। এখন স্ক্রিন-নির্ভরতর কারণে তরুণদের গভীর মনোযোগ ও সৃজনশীলতা লোপ পাচ্ছে। গ্রন্থাগারগুলোকে শুধু বইয়ের ঘর বানিয়ে রাখলে চলবে না, এগুলোকে সচল করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরিবারকে যৌথ ভূমিকা নিতে হবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে অন্তত একটি লাইব্রেরি ক্লাস বাধ্যতামূলক করা এবং তরুণদের রুচি অনুযায়ী নতুন বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।
জেলা প্রশাসক ড. আব্দুল ছালাম বলেন, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক ফেরাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পর্যায়ের ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও উৎসবের মাধ্যমে আবার বইমুখী করার পরিকল্পনা আমাদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ