ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মণ্ডপে শুধু নারীদের উদ্যোগেই হচ্ছে দুর্গাপূজা


মণ্ডপে শুধু নারীদের উদ্যোগেই হচ্ছে দুর্গাপূজা

সমাজ ও পরিবারে বিদ্যমান নানা কুসংস্কার, বিধি-নিষেধ ও লিঙ্গবৈষম্য দূর করার উদ্দেশ্যে নারীদের সক্ষমতা প্রমাণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সম্পূর্ণ নারীদের উদ্যোগে ও পরিচালনায় শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘উজ্জয়িনী’ নামক নারী সংগঠনের সদস্যরা চাঁদা সংগ্রহ, মণ্ডপ সজ্জা, বাজারঘাট থেকে শুরু করে ঢাক বাজানো পর্যন্ত সব কাজই নিজ হাতে করছেন।

কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের মগড়া গ্রামের কর্মকার পাড়ায় অবস্থিত এই ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপটি এ বছর সাফল্যের সঙ্গে ১১তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।

সমাজে নারীদের প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ২০০২ সালে চার নারী সদস্যের হাত ধরে ‘উজ্জয়িনী’ সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।

আরও পড়ুন: গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সীমা কর্মকার (৪২) তাদের শুরুর সংগ্রামের কথা স্মরণ করে জানান, গ্রামের হিন্দু নারীদের পরিবার ও সমাজে নানামুখী বিধিনিষেধের মুখে পড়তে হতো। ঘোমটা ছাড়া বের হওয়া বারণ থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষায় বাধা—সবক্ষেত্রেই চলত বৈষম্য।

তিনি বলেন, ‘২০০২ সালে সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির সময় আমাকে নানা বাধা মোকাবেলা করতে হয়। তখন গ্রামে নতুন আসা বধূ সীমা কর্মকার (৪৮), শিপ্রা পাল ও বুলবুলি কর্মকারকে নিয়ে আমরা চারজন মিলে ‘উজ্জয়িনী’ গড়ে তুলি। পরে সাধারণ নারী ও শিক্ষার্থীরা যুক্ত হন। ২০১৬ সালে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিই, পূজার যাবতীয় কাজ আমরা নারীরাই করব। ২০১৬ সালের প্রথম পূজার সাফল্যের পর আমাদের আত্মবিশ্বাস বহু গুণ বেড়ে যায়। এবার আমাদের আয়োজনের ১১তম বছর।’

গতকাল সোমবার দুপুরে মগড়া গ্রামের কর্মকার পাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, উৎসবমুখর পরিবেশে নারীরা অষ্টমী পূজার পুষ্পাঞ্জলি শেষে মণ্ডপে অবস্থান করছেন। দর্শনার্থীরা আসছেন দেবী দুর্গাকে দর্শন করতে, আর অন্যদিকে সানন্দে ঢাক বাজাচ্ছেন সংগঠনের নারী সদস্য নিজেই।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা উজ্জয়িনীর সব সদস্যকে শুভেচ্ছা শাড়ি উপহার দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাজারের দানবাক্স ভেঙে টাকা ও মালামাল চুরি, ক্ষতি ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা

বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ কালিহাতী উপজেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কাশীনাথ মজুমদার জানান, টাঙ্গাইল জেলায় এ বছর ১ হাজার ৩৫৭টি দুর্গাপূজার মণ্ডপ হলেও কালিহাতীর মগড়া গ্রামের এই আয়োজনটি পুরো জেলার মধ্যে একমাত্র নারীদের পরিচালিত ব্যতিক্রমী মণ্ডপ। নারীদের এই স্বাবলম্বিতা ও সাহসী উদ্যোগের জন্য ইতিপূর্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা কমিটিকে পুরস্কৃতও করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল থেকে পূজা দেখতে আসা সুব্রত কুমার তালুকদার বলেন, ‘অনেক পূজামণ্ডপ দেখেছি। শুধু নারীদের উদ্যোগে দুর্গাপূজা এই প্রথম দেখলাম। ভালো লাগল, নারীদের পূজার আয়োজন দেখে।’

মগড়া গ্রামের তুষার কর্মকার বলেন, এই গ্রামের নারীদের দুর্গাপূজার আয়োজন ভালো উদ্যোগ। এর মধ্য দিয়ে শুধু পূজা হচ্ছে না, নারীদের ক্ষমতায়ন ও সক্ষমতার বিষয়টিও জানান দিচ্ছে।

এ বিষয়ে পূজা কমিটির সভাপতি সীমা কর্মকার (৪৮) বলেন, ‘পূজার সব কাজ আমরা নারীরাই করি, শুধু পুরুষ পুরোহিত পূজা করেন। আমাদের সদস্যরা সবাই পূজার জন্য চাঁদা দিই। শুরুতে অনেকেই আমাদের এই আয়োজনকে ভালো চোখে দেখত না। এখন সবাই সহযোগিতা করেন।

আরও পড়ুন: সন্দ্বীপে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে ট্রেনে কাটা প‌ড়ে দুইজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


রাজবাড়ীতে ট্রেনে কাটা প‌ড়ে দুইজনের মৃত্যু

রাজবাড়ী‌তে পৃথক স্থা‌নে ট্রেনে কাটা অজ্ঞাত এক নারী ও এক যুব‌কের মৃত‌্যু হ‌য়ে‌ছে।

মঙ্গলবার (২০ অ‌ক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার এসআই আওলাদ বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রেন।

তিনি জানান, গত সোমবার দিবাগত রা‌তে খবর পে‌য়ে রাজবাড়ী সদর উপজেলার কু‌টি পাঁচু‌রিয়া এলাকা থে‌কে ৫০ বছর বয়সী এক নারী এবং মঙ্গলবার সকা‌লে সদর উপজেলার বড়লক্ষীপুর রেললাইনের পাশ থে‌কে ৩২ বছর বয়সী এক যুব‌কের মর‌দেহ উদ্ধার করা হ‌য়ে‌ছে। কোন ট্রেনে দূর্ঘটনা ঘ‌টে‌ছে তা জানা যায় নাই। নিহত‌দের নাম প‌রিচয় সনা‌ক্তের চেষ্টা করা হ‌চ্ছে।

রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্ব মোছাঃ মাহবুব শা‌হিনুর বলেন, ঘটনা দ্ইুটির বিষয় তি‌নি শু‌নে‌ছেন, ত‌বে অ‌ফি‌সিয়া‌লি এ বিষ‌য়ে কেউ কিছু জানাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেহেরপুরে ঐতিহ্যবাহী জারিগান অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


মেহেরপুরে ঐতিহ্যবাহী জারিগান অনুষ্ঠিত

গ্রামীণ সমাজে বিনোদন, আধ্যাত্মিক চেতনা এবং ইতিহাস সচেতনতা তৈরিতে লোকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম জারিগান। এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলার আশরাফপুর গ্রামে মরহুম আবুল কাশেম বয়াতির স্মরণে একটি বিশেষ জারিগানের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বয়াতিরা তাদের সুরেলা কণ্ঠে কারবালার শোকগাথা ও ঐতিহ্যবাহী ধুয়া জারি পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে কারবালার ক্ষত ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে জারি গান পরিবেশন করেন বয়াতি সেলিম রেজা। তিনি বলেন, "কারবালার মর্মান্তিক যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের শাহাদাত বরণের বিয়োগান্তক কাহিনীকে কেন্দ্র করে এই গানের উৎপত্তি। তবে বর্তমানে কারবালার কাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা, ধর্মীয় কাহিনী ও সামাজিক সচেতনতামূলক গল্পও জারি গানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। আমার গুরু আবুল কাশেমের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে এই গান শিখেছি।"

অন্যদিকে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে আগত বয়াতি আনারুল হাজিরার বনবাস নিয়ে গান উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, "সাধারণত দেহতত্ত্ব, আধ্যাত্মিকতা, প্রেম-বিচ্ছেদ, সামাজিক চিত্র এবং প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে এই গান পরিবেশন করা হয়। আমি প্রায় ২০ বছর ধরে এই ধুয়া জারি গান পরিবেশন করছি। বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন অঞ্চলেও এটি বেশ জনপ্রিয়।"

অনুষ্ঠানের আয়োজক সাগর বয়াতি জানান, গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখার লক্ষ্যে তার বাবা আবুল কাশেম বয়াতির মৃত্যুর পর থেকে তিনি নিয়মিত এলাকা ও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বয়াতিদের এনে এ ধরনের অনুষ্ঠান করে আসছেন। তিনি আরও জানান, জারিগান সাধারণত দলগতভাবে গাওয়া হয়। এতে একজন প্রধান বয়াতি থাকেন এবং তার সাথে একদল 'জারিয়াল' বা খেলোয়াড় থাকেন, যারা গানের তালে তালে নেচে নেচে দোহার ধরেন। অনেক সময় দুই দলের মধ্যে 'পাল্লা' বা প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।

এদিনের আসরে আশরাফপুর গ্রামের সেলিম বয়াতির সাথে দোহার ও বাদ্যযন্ত্রে অংশ নেন আনিস বয়াতি, ইজারুল বয়াতি, বুদু, জামাল ফকির, চান্দু, কাবুর এবং সামাদ ঢোলী। অপরদিকে কুষ্টিয়া দৌলতপুরের আনারুল বয়াতির সাথে ছিলেন হাসেম উদ্দিন, লাড়ু, রফিকুল ঢুলী ও জিলাহক।

বয়াতিরা দাবি করেছেন, এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী জারি গান ধরে রাখতে তারা সরকারের সহযোগিতা কামনা করছেন। প্রতিটি জেলায় যদি যারা জারি গান পরিবেশন করে তাদের নিয়ে জেলা শহরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগদান করানো হয়, তাহলে জারি গান সম্পর্কে নতুন প্রজন্ম কিছু জানতে পারবে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ফারসি শব্দ 'জারি' অর্থ শোক, আর্তনাদ বা বিলাপ। বাংলায় শিয়া সংস্কৃতির প্রভাবে মূলত ১৭শ শতক থেকে জারি গানের সূত্রপাত ঘটে। ১৬৪৫ সালে মুহম্মদ খানের লেখা 'মাকতুল হুসেন' (হুসেনের শাহাদাত) মহাকাব্যের পথ ধরে বাংলায় মার্সিয়া সাহিত্য ও জারি গানের বিকাশ ঘটে। বিশেষ করে মহররম মাসে কারবালার ঐতিহাসিক ও বিয়োগান্তক কাহিনীকে কেন্দ্র করে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে এই গানের উৎপত্তি ও বিস্তার লাভ করে। পরবর্তীতে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯৬৮ সালে তাঁর বিখ্যাত 'জারীগান' গ্রন্থে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই লোকসংগীতের সংকলন প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেয়ালজুড়ে আলপনার মেলবন্ধন, দুর্গাপূজার উৎসবে মেতেছে কোল জনগোষ্ঠী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


দেয়ালজুড়ে আলপনার মেলবন্ধন, দুর্গাপূজার উৎসবে মেতেছে কোল জনগোষ্ঠী

মাটির ঘরের দেয়ালজুড়ে রয়েছে বাহারি আলপনা। কোথাও ফুল ও লতার সূক্ষ্ম নকশা দেখা যাচ্ছে, আবার কোথাও রঙের আঁকিবুঁকি। লেপে-পুছে পরিপাটি করা উঠান ও ঘর যেন এক নতুন রূপ লাভ করেছে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ঘরে ঘরে খইমুড়ি ভাজা এবং লাড়ু মুরগি তৈরির তোরজোরের সাথে বরেন্দ্রভূমির কোল সম্প্রদায়ের মধ্যে এক ভিন্ন ধরনের আনন্দধারা বইছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের ফিলটিপাড়ায় বর্তমানে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কোল ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কিশোরী ও তরুণীদের নিপুণ হাতে মাটির দেয়ালে প্রাণ পাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এসব চিত্র।

এক কোল ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর গৃহবধূ মন্তব্য করেন, ‘আমাদেরকে ভালো লাগে। আমরা নিজেই ফুল লাগিয়েছি।’

এক শিশু জানায়, ‘এটা আমাদের মা-বাবার কাছ থেকে শিখেছি। এগুলো করতে আমাদের খুব ভালো লাগে।’

এক কিশোরী বলেন, ‘প্রতিবছর এই সাদা দুর্গা পূজার জন্য অপেক্ষা করে থাকি। এই শুভ দিনের ঘর-বাড়ি লেখা-মোছা করে থাকে এবং মনের মাধুরী মিশে দেওয়ালে আল্পনা অঙ্কন করি।’

এক তরুণী জানান, এই পূজো উপলক্ষে মুড়ি ভেজে ওটা দিয়ে নাড়ু বানায়। নারকেলের নাড়ু বানায়। এ পূজোতে অনেক অনেক রকমের নাড়ু বানানো হয়।

গ্রামের নারীদের মধ্যে আল্পনা আঁকা নিয়ে চলে এক ধরনের নীরব প্রতিযোগিতা। কার বাড়ি কত সুন্দর হলো তা নিয়ে আলাদা আগ্রহ রয়েছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মাটির বাড়ির সংখ্যা দিন দিন কমলেও ঐতিহ্য রক্ষায় এ প্রয়াসে বিন্দুমাত্র কমতি নেই।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফিল্টিপাড়া থেকে শুরু করে রাজশাহীর বাবুডাইংয়ের বিভিন্ন গ্রামে মাটির বাড়ির দেয়ালে ফুটে উঠেছে বৈচিত্র্যময় আল্পনার নকশা। কিশোরী ও তরুণীদের নিপুণ হাতে নতুন রূপ পাচ্ছে বাড়িগুলো। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই আয়োজনেই শারদীয় পূজার আনন্দ খুঁজে পান তারা। দেয়ালের রঙিন রূপ আর ঘরে ঘরে পিঠে-পুলির ঘ্রাণ—এসব নিয়েই বরেন্দ্রভূমির কোল জনগোষ্ঠীর শতবর্ষের সাংস্কৃতিক পরিচয়। যুগের পর যুগ ধরে এই যৌথ উদ্‌যাপনের মাঝে তারা খুঁজে পান পূজার আসল সার্থকতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদোর সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণ জানালেন এরিক টেন হাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


রোনালদোর সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণ জানালেন এরিক টেন হাগ

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক কোচ এরিক টেন হাগ খোলামেলা আলোচনা করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্বের কারণ নিয়ে। ডাচ কোচের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন কৌশল তৈরি করার সময় রোনালদোকে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু মাঠে সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি পর্তুগিজ তারকা।

টেন হাগ জানান, ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি রোনালদোর সঙ্গে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে পর্তুগাল পর্যন্ত গিয়েছিলেন। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে রোনালদোর প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ছিল। তবে, দলের স্বার্থে কোচ হিসেবে তাঁকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, "রোনালদো দলকে এবং আমাকে হতাশ করেছিলেন, কারণ তাঁর উপর ভিত্তি করে অনেক পরিকল্পনা করা হয়েছিল।" তবে, আধুনিক ফুটবলের চাপ এবং দ্রুতগতির আক্রমণাত্মক কৌশলের জন্য রোনালদো তখন প্রয়োজনীয় শারীরিক প্রস্তুতিতে ছিলেন না বলেও উল্লেখ করেন টেন হাগ।

টেন হাগের মতে, রোনালদো বল নিয়ে কিংবা বল ছাড়া প্রয়োজনীয় দৌড় দিতে পারছিলেন না। অথচ দলের স্বার্থে প্রত্যেক খেলোয়াড়কেই তাঁদের ভূমিকা পালন করতে হয়। এই কারণে শেষ পর্যন্ত রোনালদোকে বেঞ্চে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

রোনালদো এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সম্পর্কের শেষটা ছিল আরও বড় বিতর্কের মধ্য দিয়ে। ২০২২ সালের শেষ দিকে সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানের সঙ্গে একটি বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে রোনালদো ক্লাবের ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করেন। এরপর পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে ইউনাইটেড ছাড়েন তিনি। পরবর্তীতে সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসরে যোগ দিয়ে গোলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%