০৭:১১ পি.এম
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আইন প্রয়োগ ও শাস্তির বিধান কার্যকর রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছেন এবং তিনি প্রতিশোধপরায়ণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। বরং, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। যদি কেউ অপরাধ করে, তবে অপরাধের ধরন ও গুরুত্ব অনুযায়ী যাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। শাস্তির বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
আজ সোমবার, জাতীয় সংসদ ভবনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সহযোগিতায় এক পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: সদরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা সভা
চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, অতীতে বহু মানুষ স্বজন হারিয়েও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। বাবা, ভাই কিংবা বোনের হত্যার বিচার পেতে অনেককে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আইন সংস্কার প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা ও গঠনমূলক মতামতকে সরকার স্বাগত জানায়। আইন ও নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নই সরকারের লক্ষ্য। এই ক্ষেত্রে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্ব ও অবদানেরও তিনি প্রশংসা করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মুলার, ইউএনএইচসিএইচআরের মানবাধিকার কর্মকর্তা ইফতিখার সৈয়দ আলী এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের হেড অব অফিস লইস বারবার। এছাড়া, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্ন এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিংসহ কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ‘যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে’- আনোয়ার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন