কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
০২:৫৯ পি.এম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম, জীবনদর্শন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭ উদযাপন উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে এ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের মিনি কনফারেন্স রুমে এ সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আশরাফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমান, উপজেলা নির্বাচ…
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের অবসান এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের আশা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হতে পারে, যা বাজারমূল্য থেকে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি প্রিমিয়াম কমানোর দিকে পরিচালিত করছে। এর ফলস্বরূপ, প্রধান বেঞ্চমার্কগুলোর তেলের দামে পতন দেখা যাচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেল ৯৫.৬০ ডলারে নেমে এসেছে, যা ০.৮৯ শতাংশের মতো কম। অন্যদিকে, ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৩.০০ ডলারে (১.৬৮% হ্রাস) এবং মুরবান ক্রুড ১০২.২০ ডলারে (২.৯৮% হ্রাস) লেনদেন হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার যে আশঙ্কা এতদিন বাজারে বিদ্যমান ছিল, কাতার ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের কূটনৈতিক তৎপরতা সেই ভীতি অনেকাংশে কাটিয়ে উঠেছে। তবে হরমুজ প্রণালীর আশপাশে এখনও বিক্ষিপ্ত হামলা ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা পুরোপুরি দূর হয়নি।
তেলের দাম কমার এই প্রবণতা মূলত ভবিষ্যৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার একটি মানসিক স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত বেশ অস্থির বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবুও, জ্বালানি তেলের এই দরপতন বিশ্বজুড়ে আমদানিকারক দেশ, পরিবহন খাত এবং সাধারণ ভোক্তাদের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: গালফ নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি ২০০ কোটি রুপির চাঁদাবাজি মামলায় নতুন আইনি জটিলতায় পড়েছেন। সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সম্পর্কিত এই মামলায় দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। তার আইনজীবীরা ব্যক্তিগত ও পেশাগত ব্যস্ততার কারণে হাজিরা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেছেন। তবে আদালত নোরার অনুপস্থিতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালত নতুন করে সমন জারি করে আগামী ৬ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেছে।
দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার (ইওডব্লিউ) দায়ের করা মামলায় গত ২ নভেম্বর নোরাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত দিনে সশরীরে উপস্থিত হননি। আইনজীবীদের দাবি, অল্প সময়ের নোটিশে সমন পাওয়ার পাশাপাশি আগে থেকে নির্ধারিত পেশাগত চুক্তির কারণে ওই দিন আদালতে আসা সম্ভব হয়নি। এ কারণে হাজিরা মওকুফের আবেদন জানানো হয়।
তবে বিচারক এই আবেদনে সন্তুষ্ট হননি। আদালতের কার্যক্রমকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানানো হয়েছে। পরে শুনানি পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয় এবং নোরার নামে নতুন করে সমন জারি করা হয়।
এদিকে আদালতের এই পদক্ষেপের পর নোরার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই মামলায় অভিনেত্রী কোনো অভিযুক্ত নন। বরং তাকে তদন্তে সহায়তার জন্য সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, "পরিষ্কার জানানো হচ্ছে যে, নোরা ফাতেহি এই মামলায় কোনো অভিযুক্ত নন এবং তিনি কোনো অপরাধও করেননি। আদালতকে তদন্তে সাহায্য করার জন্য কেবল একজন সাধারণ সাক্ষী হিসেবেই তাকে ডাকা হয়েছে।"
কিন্তু ২০০ কোটি রুপির সুকেশ চন্দ্রশেখর কাণ্ডে বারবার কেন নোরার নাম উঠে আসছে? তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অনুসন্ধানে সুকেশ ও তার স্ত্রী লীনা মারিয়া পলের সঙ্গে নোরার যোগাযোগের তথ্য সামনে এসেছে।
জিজ্ঞাসাবাদে নোরা জানিয়েছেন, একটি অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার বিনিময়ে তাকে নগদ অর্থের পরিবর্তে দামি উপহার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। উপহারের তালিকায় ছিল একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি, গুচির ব্যাগসহ বিভিন্ন বিলাসবহুল সামগ্রী। তবে সুকেশের সঙ্গে ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক ছিল না বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী। পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলেও জানান নোরা।
তদন্তের অংশ হিসেবে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নোরার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলার চার্জশিটে তাকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে নোরার বক্তব্যের বিপরীতে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। কারাগার থেকে লেখা এক চিঠিতে তিনি দাবি করেছেন, মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় বাড়ি কেনার জন্য নোরাকে কোটি কোটি রুপি দিয়েছিলেন। অভিনেত্রীকে নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন না করার কথাও বলেছেন সুকেশ।
এছাড়া, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও নোরা ঈর্ষান্বিত ছিলেন বলে দাবি করেছেন সুকেশ। তার অভিযোগ, নিয়মিত ফোন করে জ্যাকুলিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার জন্য চাপ দিতেন নোরা। তবে এগুলো সুকেশের ব্যক্তিগত অভিযোগ। এসব দাবির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়েছে, এমন কোনো তথ্য নেই।
উল্লেখ্য, দিল্লির রোহিণী কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় কোটিপতি ব্যবসায়ী শিবিন্দার সিং ও মলবিন্দার সিংয়ের স্ত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কোটি রুপি চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে সুকেশের বিরুদ্ধে। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর দাবি, প্রতারণার মাধ্যমে পাওয়া অর্থ দিয়ে বিলাসবহুল গাড়ি ও দামি উপহার কেনা হয়েছিল। এসব উপহার নোরা ফাতেহি ও জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজসহ বলিউডের কয়েকজন তারকার কাছে পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা মকোকা আইনে মামলা করে।
সব মিলিয়ে আলোচিত এই মামলায় নোরার ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও তার আইনি দলের দাবি, অভিনেত্রী অভিযুক্ত নন, বরং তদন্তে সহায়তার জন্য একজন সাক্ষী। আগামী ৬ নভেম্বর আদালতে তার উপস্থিতি ও পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রাধাবাড়ী এলাকায় একটি মুরগির খামারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা খামারের ৭০ বছর বয়সী নৈশপ্রহরী বাদল চন্দ্রকে হাত বেঁধে জিম্মি করে প্রায় ৬০০ মুরগি চুরি করে নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মনোরঞ্জন দাস রতনের মুরগির খামারে এই ঘটনা ঘটে।
নৈশপ্রহরী বাদল চন্দ্র জানিয়েছেন, রাতের বেলায় খামারে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ৭-৮ জনের একটি দল এসে তাঁর হাত বেঁধে ফেলে। চিৎকার করতে নিষেধ করে একজন চাকু হাতে তাঁকে পাহারায় রাখে এবং অন্যরা খামার থেকে মুরগি নিয়ে যায়। দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার পর সকালে দাঁত দিয়ে হাতের বাঁধন খুলে তিনি খামার মালিককে বিষয়টি জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তরা খামারের পশ্চিম পাশের নিরাপত্তাবেষ্টনীর তারকাঁটা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর শেডের তালা খুলতে না পেরে নেট কেটে মুরগি নিয়ে যায়। এ সময় একটি পিকআপ ভ্যানও খামারের দিকে যেতে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
খামারের মালিক মনোরঞ্জন দাস রতন জানিয়েছেন, খামার থেকে প্রায় ৬০০টি মুরগি লুট হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তিনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরিকল্পনা করছেন।
পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তামবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মৌখিকভাবে ঘটনাটি তিনি জেনেছেন। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় খাবার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ম্যাকডোনাল্ডসের কাছে এআইয়ের মাধ্যমে খাবারের দাম নির্ধারণের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছেন দেশটির পাঁচ আইনপ্রণেতা। তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের কাছ থেকে বেশি দাম আদায় এবং নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা কমিয়ে আনতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে কি না।
আইনপ্রণেতারা সোমবার (২ নভেম্বর) ম্যাকডোনাল্ডসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস কেম্পচিনস্কির কাছে একটি চিঠি পাঠান, যেখানে তারা এসব প্রশ্ন উত্থাপন করেন। ম্যাসাচুসেটসের ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন চিঠির নেতৃত্ব দেন, অন্য চারজন আইনপ্রণেতা হলেন প্রতিনিধি গ্রেগ কাসার, বেকা বালিন্ট, জেসুস গার্সিয়া ও মেরি গে স্ক্যানলন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ম্যাকডোনাল্ডস খাবারের দাম নির্ধারণে যন্ত্রশিক্ষাভিত্তিক বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি খাবারের জন্য সম্ভাব্য উপযুক্ত দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয় এবং কোন এলাকার ক্রেতারা কত দাম দিতে আগ্রহী, সেই হিসাবও এতে বিবেচনা করা হয়।
আইনপ্রণেতাদের আশঙ্কা, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছ থেকে বেশি অর্থ আদায় করা হতে পারে। একই সাথে, একই এলাকার বিভিন্ন শাখার মধ্যে দাম নির্ধারণে সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা বাজারে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করবে।
চিঠিতে আইনপ্রণেতারা জানতে চান, ম্যাকডোনাল্ডসের গ্রাহক আনুগত্য কর্মসূচির ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে কি খাবারের দাম নির্ধারণ করা হয়। তারা আরও জানতে চান, বিভিন্ন শাখাকে এই প্রযুক্তির সুপারিশ অনুসরণে কীভাবে উৎসাহিত করা হয় এবং এটি চালুর আগে প্রতিযোগিতা আইন পর্যালোচনা করা হয়েছিল কি না। আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে এসব প্রশ্নের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তবে, ম্যাকডোনাল্ডস পূর্বে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তাদের দাম নির্ধারণের সুপারিশে কোনো নির্দিষ্ট গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করা হয় না। শাখার মালিকেরা নিজেদের মতো খাবারের দাম নির্ধারণের স্বাধীনতা রাখেন। প্রযুক্তির মাধ্যমে দেওয়া দাম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক নয় বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানায়।
এদিকে, সম্প্রতি ম্যাকডোনাল্ডসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দুটি দলগত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলোতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন শাখার খাবারের দাম নির্ধারণে অবৈধ সমন্বয় করছে। তবে ম্যাকডোনাল্ডস দাবি করেছে, তাদের কোনো প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্গার বা অন্যান্য খাবারের দাম নির্ধারণ করে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন শাখার মালিকেরা।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ