০৯:৫৬ পি.এম
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, যেসব সারের দাম পার্শ্ববর্তী দেশে বেশি, সেসব সারের সংকট সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে বেশি দেখা যাচ্ছে। সরকার চাহিদার বিপরীতে বাড়তি সার সরবরাহ করবে, কিন্তু এই সার সীমান্ত পার করার উদ্দেশ্যে নয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে বিভাগের সার, সেচ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতে নন-ইউরিয়া এবং মিয়ানমারে ইউরিয়া সারের দাম বেশি। এই কারণে মিয়ানমার-সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় ইউরিয়া এবং ভারত-সংলগ্ন এলাকায় নন-ইউরিয়া সারের সংকট দেখা যাচ্ছে। তিনি প্রশাসনকে সার পাচার বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: মাদক নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
ডিলারদের বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ডিলারশিপ নিয়ে ভাড়া দিলে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বরাদ্দ করা সার সঠিক সময়ে না তুললে ডিলারকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। যদি তারা কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সকাল ৬টায় সারের ডিলারের দোকান খুলতে হবে এবং সন্ধ্যা ৬টার আগে বন্ধ না করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন বাড়াতে সরকার সব ধরনের সার সরবরাহ করবে। তবে নতুন শস্য উৎপাদনে সারের ব্যবহার নিয়ে মাঠ কর্মকর্তাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। নিয়ম ভঙ্গ করলে প্রশাসন বা ব্যবসায়ী যেই হোক, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও ঐক্যবদ্ধ কাজের আহ্বান রিজভীর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন