ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামায়াতে ইসলামীই ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল: ডা. শফিকুর রহমান


জামায়াতে ইসলামীই ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল: ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, ভারতের একমাত্র অপছন্দের দল হলো জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত তাদের লাল কার্ড দেখায়। তবে জামায়াত তাদের লাল কার্ডের কোনো পরোয়া করে না, কারণ আমাদের ভূখণ্ডে যাওয়ার কোন ইচ্ছে নেই।

বৃহস্পতিবার জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

জামায়াতের আমির বলেন, সবাই ২০২৪ সালের অর্জনের কথা স্বীকার করলেও বেশ কিছু মানুষ এখনও অতীত নিয়ে পড়ে আছেন। যদি ২৪ না হয় তবে তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী এবং আমি বিরোধী দলীয় নেতা হতে পারতাম না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে জাতি কীভাবে সামনে এগোবে? তিনি আরো বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল রাষ্ট্রীয় সংস্কার। জনগণ গণভোটের প্রশ্ন বুঝতে সক্ষম নয়—এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি। তার মন্তব্য, চারটি প্রশ্ন বুঝতে না পারলে ৩১ দফা কীভাবে তারা বুঝবে?

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের সময় ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে অন্যায় না করার জন্য আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভোট কারচুপির বিষয় একদিন সামনে আসবে। গণভোটের রায়ের পক্ষে আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না। সংসদে কোনো সমাধান না হলে রাজপথে হতে পারে সমাধান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ইলেকট্রিশিয়ানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের সাহেবনগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শফিকুল ইসলাম উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের কেন্দুয়াই গ্রামের পশ্চিমপাড়ার মৃত মালেক মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান রেখে গেছেন। পরিবারের দাবি, চরম অভাব-অনটনের মধ্যেই চলছিল তাদের সংসার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাহেবনগর এলাকায় ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে বালু ফেলে জমি ভরাটের সময় বিদ্যুতের একটি সার্ভিস লাইন ছিঁড়ে যায়। পরে সেটি মেরামতের জন্য শফিকুল ইসলামকে ডেকে আনা হয়। ভেকুর সাহায্যে উপরে উঠে লাইন সংযোগ দেওয়ার সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত তাকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে থাকা দুই শ্রমিক পালিয়ে যান।
নিহতের ভাতিজা আবু সালেক অভিযোগ করেন, গাজীরবাজার এলাকার হেলাল ও রাজেন্দ্রপুর এলাকার জহির শফিকুল ইসলামকে মোটরসাইকেলে করে কাজের জন্য নিয়ে যান। তাদের ভেকুতে উঠে ছিঁড়ে যাওয়া সার্ভিস লাইন মেরামতের সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে ভেকু দিয়ে জমি ভরাটের কাজ করে আসছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন,
"বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজন ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল বিশ্বে অস্থিতিশীলতার উৎস: হুথি নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল বিশ্বে অস্থিতিশীলতার উৎস: হুথি নেতা

ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে বিশ্বের ‘অশুভ শক্তি ও অস্থিতিশীলতার উৎস’ বলে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি, তিনি অভিযোগ করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৌদি আরব সহযোগিতা করছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে আল-হুথি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলই বিশ্বের অশুভ শক্তি এবং অস্থিতিশীলতার মূল উৎস।’ তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং তাদের মিত্ররা যুদ্ধ উসকে দিয়ে এবং ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সম্পদ লুটের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। আল-হুথির মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সব যুদ্ধের মূল চালিকাশক্তি হলো তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরাইল’ প্রতিষ্ঠার জায়নবাদী প্রকল্প। তিনি তাৎপর্যপূর্ণভাবে বলেছেন যে, এই ধারণার মধ্যে ইসরাইলের ভূখণ্ড মিসরের নীল নদ থেকে ইরাকের ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল জোট আন্তর্জাতিক চুক্তি বা জাতিসংঘের প্রস্তাবের প্রতি কর্তৃত্ব দেখায় না এবং বরং বিভিন্ন জাতির বিরুদ্ধে গণহত্যা ও সভ্যতা ধ্বংসের চর্চা করে। আল-হুথি ভাষণে সৌদি আরবের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দুর্বল করতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সৌদি আরবের সহযোগিতা এখন ‘সম্পূর্ণ স্পষ্ট’। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের যে সামরিক অভিযান চলছে, সেটি বহু বছর ধরে অব্যাহত রয়েছে এবং এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রতি আনুগত্যের অংশ হিসেবে বলা হয়। চলতি সপ্তাহে হুথি এবং সৌদির মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গত সোমবার, হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রিয়াদ বোমা হামলা চালায়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হুথিরা সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে এবং এর ফলে সৌদি ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর মধ্যে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোয়িং ও এয়ারবাস দিয়ে বহর সম্প্রসারণ করবে বিমান: শামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


বোয়িং ও এয়ারবাস দিয়ে বহর সম্প্রসারণ করবে বিমান: শামা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য সরকার বোয়িং ও এয়ারবাস উভয় ধরনের বিমান কিনবে। এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে টেকসই মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) গড়ে তোলার লক্ষ্যে।

আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, 'আমাদের দেশের বোয়িংও প্রয়োজন, এয়ারবাসও প্রয়োজন। আমরা দুটিই কিনব।'

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনার পরিকল্পনা ফ্রান্স থেকে এয়ারবাস কেনার আগ্রহের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, কিংবা বোয়িং কেনা কোনো বাহ্যিক চাপের ফল কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ ধরনের ধারণা নাকচ করে দেন।

তিনি বলেন, সরকার দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিচক্ষণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায়ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শামা বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী আগের সরকারগুলোর কাছ থেকে একটি দুর্বল অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছেন। অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে একদিকে আমাদের সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণ করতে হবে, অন্যদিকে দেশের প্রয়োজনীয় জিনিসও কিনতে হবে। আমাদের বোয়িংও প্রয়োজন, এয়ারবাসও প্রয়োজন। আমরা দুটিই কিনব।'

বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেয় না। তিনি বলেন, 'একেবারেই না। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়।'

এর একদিন আগে সরকার জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য টেকসই মিশ্র বহর গড়ে তুলতে এয়ারবাস বিমান কেনার আগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে।

বুধবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন, জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা অংশ নেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিয়াগা, জার্মানির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আনিয়া টারস্টাইন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের উপপ্রধান বাইবা জেরিন।

মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বৈঠকে জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর সম্প্রসারণ কর্মসূচিতে এয়ারবাস উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত রেখে একটি টেকসই মিশ্র বহর গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

ইউরোপীয় কূটনীতিকরা এয়ারবাস কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহকে স্বাগত জানান এবং সম্ভাব্য এয়ারবাস ক্রয় ও বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে বৃহত্তর সহযোগিতার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বহুমাত্রিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিভিন্ন উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প নোয়াতে বাধ্য হলেন, যৌন নিপীড়নের দায়ে ৫৬ লাখ ডলার পরিশোধ করলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


ট্রাম্প নোয়াতে বাধ্য হলেন, যৌন নিপীড়নের দায়ে ৫৬ লাখ ডলার পরিশোধ করলেন

প্রায় ৩০ বছর আগে ঘটেছিল একটি ঘটনা। একটি পোশাকের দোকানের চেঞ্জিং রুমে ভয়ংকর এক ঘটনা ঘটে। আর এই ঘটনার চারপাশে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে শুরু হয় অন্যতম আলোচিত এক আইনি লড়াই। তিনি বহুবার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আপিল আদালতে গিয়েছেন, এমনকি পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টেও। তবে শেষ পর্যন্ত এড়াতে পারেননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশেষে যৌন নিপীড়ন ও মানহানির দায়ে কলাম লেখক ই. জিন ক্যারলকে ৫৬ লাখ ২০ হাজার ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করেছেন।

এই অর্থের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আদালতের নির্ধারিত ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ এবং গত তিন বছরে জমা হওয়া সুদ। ক্যারলের আইনজীবীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন যে এ অর্থ পাওয়ার বিষয়টি হয়েছে। ফোর্বস সাময়িকীর প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ঘটনার সূচনা ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে। ই. জিন ক্যারল অভিযোগ করেন, নিউইয়র্কের একটি বিলাসবহুল ডিপার্টমেন্ট স্টোরের পোশাক বদলানোর কক্ষে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। দীর্ঘদিন পরে ২০১৯ সালে তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। কিন্তু ট্রাম্প শুরু থেকেই এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

এরপর ২০২২ সালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ক্যারলকে নিয়ে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। ক্যারলের অভিযোগ, সেই পোস্ট তাঁর মানহানি করেছে। এরপর দুটি বিষয় সংক্রান্ত আইনি লড়াই শুরু হয়। ২০২৩ সালে নিউইয়র্কের একটি জুরি সর্বসম্মতিক্রমে রায় দেয় ক্যারলের পক্ষে। আদালত ট্রাম্পকে যৌন নিপীড়ন ও মানহানির ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয়। তবে ট্রাম্প সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে থাকেন। এমনকি মামলাটি পুনর্বিবেচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টেও আবেদন করেন তিনি।

কিন্তু গেল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আবেদন রিজেক্ট করেছে। এর ফলে কার্যত ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধের পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। পরে আদালতের নির্দেশে অবশেষে সেই অর্থ ক্যারলের হাতে পৌঁছেছে।

বর্তমানে ই. জিন ক্যারলের বয়স ৮২ বছর। ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ার পর তাঁর আইনজীবীরা বলেন, জুরির দেওয়া রায় অনুযায়ী তিনি তাঁর প্রাপ্য অর্থ পেয়েছেন। অন্যদিকে ট্রাম্পের আইনজীবীরা এখনো এই মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করছেন। তবে এখানেই শেষ নয়। ২০২৪ সালে আরেকটি মানহানির মামলায় ক্যারলকে প্রায় ৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল জুরি বোর্ড। সেই রায়ের বিরুদ্ধেও আপিল করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু ফেডারেল আদালত সেই আপিলও খারিজ করে দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%