বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩৯ এম
চাঁদপুর, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত জমি এবং ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। আদালত একইসঙ্গে আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে অবৈধ স্থাপনা ও দখলদারদের পরিচয় উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
গতকাল বুধবার বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান সই করা আদেশে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।
রাতে বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট চাঁদপুর পৌরসভার বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল।
তবে চাঁদপুর-মতলব সড়কের বাবুরহাট বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশে সড়ক বিভাগের জমি ও ফুটপাত দখল করে পুনরায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা বাবুরহাট সড়ক সংকুচিত হয়ে নিয়মিত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
সরকারি জমি উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল এবং সড়ক-ফুটপাত দখল করে পথচারিদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সরকারি জমি দখলমুক্ত করে যানবাহন এবং পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আদালত।
আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এলাকার অবৈধ স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি দখলদারদের নাম-ঠিকানাসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন দেশের প্রায় ২৫০ জন মুসলিম আলেম, চিন্তাবিদ, গবেষক ও ধর্মীয় প্রচারক। ইসলামের অভিন্ন মূলনীতির ভিত্তিতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য জোরদার করা এবং সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।
বুধবার ‘মধ্যপন্থী উম্মাহর ঐক্য: অভিন্ন মূলনীতি থেকে ঐক্যের সনদ’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। এই সম্মেলনটি মুসলিম স্কলারদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলার্সের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে। সিরিয়ার একটি প্রতিনিধিদলও সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির আওকাফবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি।
উদ্বোধনী অধিবেশনে সংগঠনের মহাসচিব আলী আল-কারাদাগি সহ বিভিন্ন দেশের আলেম ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানাকে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী শুকরি মুসলিমদের অবস্থান ও প্রচেষ্টায় ঐক্য প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামী বক্তব্যের ঐক্যবিষয়ক সনদ প্রণয়নে সিরিয়ার অভিজ্ঞতা একটি বাস্তবসম্মত মডেল হতে পারে।
মন্ত্রী শুকরি জানান, দেশটির সুপ্রিম ফতোয়া কাউন্সিলের সহযোগিতায় ওই সনদ তৈরি করা হয়েছে এবং এতে সিরিয়ার ১ হাজার ৮০০-এর বেশি আলেম স্বাক্ষর করেছেন। তার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বিভিন্ন মতপথের মধ্যে দূরত্ব কমাতে এবং ইসলামী বক্তব্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে।
শুকরি বলেন, পবিত্র কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহর ভিত্তিতে অভিন্ন নীতিগুলোকে সামনে রেখে বিভিন্ন ইসলামী চিন্তাধারা ও ফিকহি ঐতিহ্যের আলেমদের একত্র করার উপায় নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হচ্ছে। সম্মেলনের লক্ষ্য মুসলিম উম্মাহর ঐক্য জোরদার করা এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত সক্ষমতা বাড়ানো।
জিল আল-কোরআন এনডাউমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ মুআজ আবু সালেহ বলেন, মুসলিম উম্মাহর সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও বিভক্তি মোকাবিলায় সংলাপ, পারস্পরিক দূরত্ব কমানো এবং অভিন্ন বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
তিনি সম্মেলনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য অনুসরণমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন। তার মতে, এসব উদ্যোগ মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারে।
এই তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রস্তাবিত ‘উম্মাহর ঐক্যের সনদ’ নিয়ে একাধিক একাডেমিক অধিবেশন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের কার্যক্রম শুক্রবারের জুমার নামাজের পর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সমাপনীতে একটি চূড়ান্ত বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।
সূত্র: সিরিয়িান আরব নিউজ এজেন্সি (সানা)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাগোয়া, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরের অংশ হিসেবে নাগোয়ায় অবস্থিত টয়োটার মোতোমাচি কারখানার পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১২টার দিকে এই কারখানাটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি গাড়ি সংযোজন (অ্যাসেম্বলি) প্রক্রিয়া ঘুরে দেখার সুযোগ পান।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন তথ্য প্রদান করেন।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন টয়োটা মোটর কর্পোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা, টয়োটা সুশো কর্পোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে এ সময় তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রচারণায় মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য ও প্রচারণার বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের প্রচারণা মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এমনকি টেলিভিশনে প্রচারিত বিদ্বেষমূলক রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন তার নিজের পরিবারের সদস্যদেরও প্রভাবিত করেছে।
মিশিগানে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রাশিদা তালিব। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনী প্রচারণায় মুসলিমদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও বিজ্ঞাপন প্রচার কেবল বৃহত্তর মুসলিম সম্প্রদায়কেই নয়, বরং তাঁর নিজ পরিবারকেও প্রভাবিত করেছে।
মার্কিন এই কংগ্রেস সদস্যের মতে, নির্বাচনী প্রচারণায় এ ধরনের বক্তব্যের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তিনি সতর্ক করেন যে, মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হলে তা ওই সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সে বিষয়েও চিন্তা করা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বাবার সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলা আশামনির আত্মনির্ভরশীলতার পথে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। তাঁর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা অর্জনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।
এই উদ্যোগ আশামনির স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সহায়ক হবে এবং তাঁর পরিবারের জীবনে নতুন আশার আলো ছড়াবে বলে প্রত্যাশা করা হয়। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ