ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতের সঙ্গে ট্রাম্পের প্রকাশ্যে মতবিরোধ, সম্পর্কের টানাপোড়েন স্পষ্ট


ভারতের সঙ্গে ট্রাম্পের প্রকাশ্যে মতবিরোধ, সম্পর্কের টানাপোড়েন স্পষ্ট

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে ভারত এবার প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে। নয়াদিল্লি বাণিজ্যনীতি, রাশিয়ার তেল কেনা, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এবং সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতির বিরুদ্ধে আপত্তি জানাচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক বক্তব্যে দুই দেশের মধ্যে জমে থাকা মতপার্থক্যগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নীতিকে ‘আত্মকেন্দ্রিক’ বলে উল্লেখ করেন এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ, বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতবিরোধের বিষয়গুলো সাধারণত কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত নয়াদিল্লি। কিন্তু কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর ভারত এখন প্রকাশ্যে নিজেদের অসন্তোষ জানাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস

বাণিজ্য নিয়ে টানাপোড়েন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অন্যতম বড় বিরোধের জায়গা হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪৯ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। এতে ভারতের পণ্য বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৫৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত ছিল।

জয়শঙ্কর বলেন, "কোনো দেশ নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অন্য দেশের অর্থনীতি ও মানুষের ওপর তার প্রভাব পুরোপুরি উপেক্ষা করতে পারে না।" ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও এখনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

বিশেষ করে কৃষি খাত নিয়ে দুই দেশের অবস্থানে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের কৃষকদের সুরক্ষায় কৃষিপণ্যের বাজারে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। জয়শঙ্কর মন্তব্য করেন, "যুক্তরাষ্ট্রের বাজার উন্মুক্ত করার প্রত্যাশা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।"

এদিকে, রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য উচ্চ শুল্ক নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ভারত মনে করছে, এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও জটিল করতে পারে।

আরও পড়ুন: লাস ভেগাসে যাওয়ার অভিযোগে চার সন্তানকে একা রেখে ফের গ্রেপ্তার মা

পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদ ইস্যু

দুই দেশের সম্পর্কে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিরোধের জায়গা পাকিস্তান। গত বছর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কয়েক দিনের সামরিক সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয় বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। তবে কাশ্মীরসহ ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের বিষয়গুলোতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে নয়াদিল্লি। এছাড়া পাকিস্তানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও ভারতের অস্বস্তি রয়েছে।

জয়শঙ্কর বলেন, "সন্ত্রাসবাদ ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।" দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দেশের মাটি থেকে সন্ত্রাসবাদের মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে ভারতের। তিনি মন্তব্য করেন, "এই নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পর্যাপ্ত বোঝাপড়া ও সহানুভূতি না পাওয়া দিল্লির জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক অজয় বিসারিয়ার জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেদের মতপার্থক্য এবার প্রকাশ্যে তুলে ধরার সিদ্ধান্তের পেছনে ভারতের অভিজ্ঞতা কাজ করছে। যুদ্ধবিরতি ইস্যুর পর দুই দেশের সম্পর্কের পরিবেশ আরও জটিল হয়েছে।

আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু

অভ্যন্তরীণ চাপও বাড়ছে

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভারতের কঠোর অবস্থানের পেছনে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও ভূমিকা রাখছে। আগামী বছর ভারতের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে ভারত সরকার নতি স্বীকার করছে- এমন অভিযোগ বিরোধীদের পক্ষ থেকে উঠছে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা নীতিতে পরিবর্তন নিয়েও ভারতে উদ্বেগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় দক্ষ কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মসূচির বড় সুবিধাভোগী। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে ভিসা প্রক্রিয়া ও খরচে পরিবর্তন এসেছে।

জয়শঙ্কর বলেন, "একসময় কর্মীদের আন্তর্জাতিক চলাচলকে অর্থনৈতিক সুবিধা হিসেবে দেখা হতো। এখন অভিবাসননীতি ও অর্থনৈতিক স্বার্থের মধ্যে বিরোধ তৈরি হচ্ছে।"

আরও পড়ুন: লুলার বিজয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা, ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ

সম্পর্ক পুরোপুরি ভাঙতে চায় না দুই দেশ।

তবে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়লেও বিশ্লেষকরা মনে করেন, দুই দেশই সম্পর্ক পুনর্গঠনের সম্ভাবনা ধরে রেখেছে।

চ্যাথাম হাউসের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষক চিয়েটিগ বাজপেয়ি বলেন, "দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়লেও সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।" দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়া ভবিষ্যৎ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হতে পারে।

অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের হার্শ পান্তের জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নয়াদিল্লি এখন প্রকাশ্যে নিজেদের স্বার্থের কথা বলছে।

আরও পড়ুন: পুতিনের ‘গোপন তহবিল’ থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলছেন ট্রাম্প, রুশ-মার্কিন সম্পর্কে নতুন মোড়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্সেলোনার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াচ্ছে রিয়াল, উয়েফার হাতে বিশাল নথি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


বার্সেলোনার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াচ্ছে রিয়াল, উয়েফার হাতে বিশাল নথি

দীর্ঘকাল ধরে চলমান নেগ্রেইরা কাণ্ড ইউরোপে নতুন একটি মোড় নিয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃক জমা দেওয়া কাগজপত্র বর্তমানে যাচাই করছে উয়েফা। স্প্যানিশ ক্লাবটি বার্সেলোনাকে আরও কড়া নজরে আনতে চাপ সৃষ্টি করছে।

বৃহস্পতিবার উয়েফা জানায়, তারা রিয়ালের কাছ থেকে ‘প্রচুর নথি’ পেয়েছে। এই নথিগুলো বার্সেলোনা ও হোসে মারিয়া এনরিকেস নেগ্রেইরাকে নিয়ে চলমান তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট। নেগ্রেইরা ছিলেন স্পেনের রেফারি কারিগরি কমিটির সাবেক উপপ্রধান। গোল ডটকমের মাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

উয়েফার নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা পরিদর্শকেরা এই কাগজপত্র গ্রহণ করেছেন। চলমান পর্যালোচনার অংশ হিসেবে তারা এগুলো পর্যালোচনা করবেন। তবে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলা প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে উয়েফা কোনো ঘোষণা দেয়নি।

স্পেনে মামলার গতি নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ হতাশ। এজন্য তারা বিষয়টি ইউরোপীয় পর্যায়ে জিইয়ে রাখতে চায়। স্প্যানিশ সংবাদপত্র মার্কার খবর অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে ক্লাবটি উয়েফা ও ইউরোপের অন্যান্য ফুটবল প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে। তারা তদন্তের প্রভাব নিয়ে এসব সংস্থাকে অবহিত করছে।

সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে জুন মাসে রিয়াল একটি চিঠি উয়েফাকে প্রদান করে। ওই চিঠিতে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করার দাবি জানানো হয়। ইউরোপীয় সংস্থা আগেই এই প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। রিয়াল দাবি করেছে, তারা এমন প্রমাণ উপস্থাপন করেছে যা নেগ্রেইরাকে দেওয়া বার্সেলোনার অর্থ নিয়ে উদ্বেগকে আরও জোরালো করে। ক্লাবটির মতে, এটি প্রতিযোগিতার সততার জন্য একটি গুরুতর হুমকি।

২০২৩ সালের মার্চে উয়েফা প্রথম তদন্ত শুরু করে। বার্সেলোনা নেগ্রেইরা কাণ্ডে নিজেদের নিয়ম ভেঙেছে কি না, তা দেখতে নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা পরিদর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়।

মামলার মূল বিষয় কী

মামলার কেন্দ্রে রয়েছে নেগ্রেইরা ও তার সাথে যুক্ত কোম্পানিগুলোকে বার্সেলোনার দেওয়া অর্থ। বছরের পর বছর ধরে এই অর্থ প্রদান করা হয়েছে। তদন্তের নথি অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মোট অঙ্ক ৭৫ লাখ ইউরোর বেশি। বার্সেলোনা জানায়, রেফারিং সংক্রান্ত কারিগরি প্রতিবেদন ও পরামর্শ সেবার জন্য এই অর্থ প্রদান করা হয়েছে। পুরো তদন্তে ক্লাবটি কোনো অন্যায়ের কথা অস্বীকার করে আসছে।

মামলাটি নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে কারণ নেগ্রেইরার পদ। তিনি স্পেনের রেফারিং ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেই ক্লাব থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন। তবে তদন্তকারীরা প্রমাণ করতে পারেননি যে তিনি ম্যাচের ফল প্রভাবিত করতে রেফারিদের অর্থ দিয়েছেন।

রিয়াল বলছে, বিষয়টি স্পেনের বাইরেও খতিয়ে দেখা উচিত। একই সাথে ক্লাবটি উয়েফার সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে। নেগ্রেইরা বিষয়ক তাদের অবস্থান অবশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।

বর্তমানে উয়েফার সর্বশেষ বিবৃতিতে একটি বিষয় নিশ্চিত হয়েছে। রিয়ালের প্রমাণ এখন সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট বিভাগের হাতে রয়েছে। এটি বার্সেলোনার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নয়। নতুন শৃঙ্খলা ব্যবস্থা আসবে, তার নিশ্চয়তাও এতে নেই। তবে উয়েফা নথিগুলো যাচাই করছে। ফলে ইউরোপের মঞ্চে নতুন অগ্রগতির সুযোগ খোলা থাকছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনের সময় বাড়লো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনের সময় বাড়লো

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুন করে গেজেটভুক্তির জন্য আবেদন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। আগামী ৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য আবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের গেজেট শাখা থেকে জারি করা এক স্মারকে গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশের জন্য তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) শাখাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। স্মারকটিতে উপসচিব হরিদাস ঠাকুর স্বাক্ষর করেন।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর নতুন করে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

মন্ত্রণালয় জানায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য পূর্বে বিভিন্ন সময়ে আবেদন গ্রহণ এবং যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আবেদনকারীদের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় গেজেটভুক্তির বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।

এ ক্ষেত্রে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের বিধান রয়েছে।

নতুন করে গেজেটভুক্তির সুযোগ ও আবেদনের সময়সীমা নিয়ে আগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রণালয় আবেদন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে।

মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন দাখিল এবং সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণের জন্য আগ্রহীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইল সদরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে ১৪ বছরের বাল্যবিবাহ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


টাঙ্গাইল সদরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে ১৪ বছরের বাল্যবিবাহ বন্ধ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়া ঋষিপাড়া কালী মন্দির এলাকায় ১৪ বছর বয়সী একটি কিশোরীর বাল্যবিবাহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়ার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বন্ধ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের লগ্ন সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নির্ধারিত ছিল। এই পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পেরে স্থানীয় একজন সচেতন নাগরিক ইউএনও শাহীন মিয়াকে অবহিত করেন।

খবর পাওয়ার পর ইউএনও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি উপজেলা তথ্যসেবা কর্মকর্তা শামীমা আক্তার শাম্মীকে দায়িত্ব দিয়ে রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পাঠান। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের ফলে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ সময় কিশোরীর বাবা লিখিত মুচলেকা প্রদান করে অঙ্গীকার করেন যে, তিনি মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিয়ে দেবেন না।

বাল্যবিবাহ বন্ধের সময় টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মাহবুব এবং স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সুজন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে বাল্যবিবাহ বন্ধ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দলকে দায়িত্বশীল হতে হবে: হুইপ নিজান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দলকে দায়িত্বশীল হতে হবে: হুইপ নিজান

॥ মোশতাক আহমদ ॥

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান মন্তব্য করেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রকে কার্যকর, টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও দায়িত্বশীল, সংযত ও গণতান্ত্রিক আচরণ প্রদর্শন করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থানে এসেছে। এই সাফল্য কোনো একক রাজনৈতিক দলের নয়; এটি সরকারের, বিরোধী দলের এবং জনগণের সম্মিলিত অর্জন। সুতরাং গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে হলে সকলেরই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস’কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেছেন।

হুইপ বলেন, সরকারকে তার ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে এবং বিরোধী দলকেও চেষ্টা করতে হবে।

"আমরা এমন কোনো কাজ করব না, যাতে সরকার ও বিরোধী দল মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়।"

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার রয়েছে। তবে যদি কোনো কর্মসূচি দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক বিশৃঙ্খলা বা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে, তখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ওপর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চাপ তৈরি হয়। যদি সরকারের পদক্ষেপ মাত্রাতিরিক্ত দমনমূলক হয়ে ওঠে, তাহলেও গণতন্ত্রের জন্য নতুন সংকট সৃষ্টি হতে পারে। তাই উভয় পক্ষকেই দায়িত্বশীল হতে হবে, যেন সরকার ও বিরোধী দল মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেছেন, গণতন্ত্রের বর্তমান যাত্রাকে একটি নবজাতক শিশুর সঙ্গে তুলনা করা যায়। এই শিশুকে সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই এমনভাবে ধারণ করতে হবে, যাতে কোনো পক্ষের আচরণে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার প্রসঙ্গে হুইপ বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের যে সমস্যাগুলো বিদ্যমান, সেগুলো একদিনে কিংবা একটি সংসদের মেয়াদে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়।

তবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাস্তবায়ন করা গেলে সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব এবং জুলাই চার্টারের বিষয়গুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে যেখানে ঐকমত্য তৈরি করা সম্ভব, সেখানে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। অক্ষরে অক্ষরে সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হলেও বড় বড় জায়গাগুলোতে ঐকমত্য তৈরি করে এগিয়ে যেতে হবে।

হুইপ বলেন, জুলাই চার্টারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেসব মতামত দিয়েছে বা যেসব বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়েছে, সেগুলোকে সম্মান করেই সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হলেও তা যেন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল করার কারণ না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদ শুধুমাত্র স্লোগান বা বক্তৃতার বিষয় নয়; একজন রাজনৈতিক কর্মীর চিন্তা, আচরণ ও সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে এর প্রতিফলন ঘটতে হয়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক চরিত্রের মধ্যে মিল সম্পর্কে তিনি জাতীয়তাবাদ, দেশের স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকার এবং রাজনৈতিক সততার বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন, তা হলো দেশের স্বার্থ ও জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে দৃঢ়তা। একই ধরনের দৃঢ়তা তিনি তারেক রহমানের মধ্যেও দেখতে পান বলে জানান।

হুইপ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অন্ধ আনুগত্য পছন্দ করতেন না। একজন রাজনৈতিক কর্মীর নিজের নেতার ভুল ধরিয়ে দেওয়ার অধিকার থাকা উচিত।

তিনি বলেন, ‘আমার কর্মী, আমার কলিগ আমাকে বলবে- আপনার এই বিষয়টি মনে হয় ঠিক হচ্ছে না। যদি ঠিক না হয়, আমি সংশোধন করে নেব। একজন নেতা তার কর্মীদের এ ধরনের মতামত গ্রহণের পরিবেশ তৈরি করবেন-এটাই নেতৃত্বের শক্তি।’

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে হুইপ বলেন, অল্প সময়ের পর্যবেক্ষণেই তিনি তাঁর মধ্যে সংসদের প্রতি আগ্রহ, ধৈর্য ও দায়িত্ববোধ লক্ষ্য করেছেন।

তিনি বলেন, সংসদে একজন নেতার সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও অন্যরা নানা সমস্যা নিয়ে দেখা করতে আসেন। ব্যস্ততার মধ্যেও সংসদ নেতা বিরক্তি প্রকাশ করেন না, এটি একটি অসাধারণ গুণ।

হুইপ নিজান বলেন, সংসদ সদস্যদেরও সময় ও পরিস্থিতি বুঝে নেতার সঙ্গে দেখা করা উচিত। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, স্পিকার বা বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে আলোচনা কিংবা গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আলোচনা চলাকালে ব্যক্তিগত বা স্থানীয় সমস্যা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দেখা করতে না যাওয়াই সংসদীয় শিষ্টাচারের অংশ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সংসদে উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে শুধু নিয়ম রক্ষা করাই যথেষ্ট নয়; সংসদের প্রতি আন্তরিক আগ্রহ ও ভালোবাসা প্রয়োজন। সংসদ নেতা তারেক রহমান পার্লামেন্টকে ভালোবেসে ফেলেছেন। এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি শুভ যাত্রা।

রাজনৈতিক নৈতিকতা প্রসঙ্গে হুইপ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের সময় অনেক রাজনৈতিক কর্মী ত্যাগ শিকার করেন। কিন্তু আন্দোলন সফল হওয়ার পর ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলে সেখানেই একজন রাজনৈতিক কর্মীর প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয়।

তিনি বলেন, কেউ যদি ক্ষমতা বা প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে রাজনৈতিক আদর্শ ও বাস্তব আচরণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। দখল, কালোবাজারি, মাদক বা মানব পাচারের মতো কর্মকাণ্ড কোনো রাজনৈতিক দলের ঘোষিত আদর্শের অংশ হতে পারে না। দলের নেতাকর্মীদের এসব কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে হবে।

হুইপ নিজান বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে শুধু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেই হবে না; পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে। নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় স্বাভাবিক।

কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা চিরকাল ক্ষমতায় থাকবে—এমন ধারণা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে, নির্বাচন হবে, সরকার ও বিরোধী দল থাকবে-এটাই গণতন্ত্র। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা ব্যক্তিদের নিজেদের আচরণের মাধ্যমে সততা ও ন্যায়বোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একজন রাজনৈতিক নেতা অন্যদের সৎ থাকার নির্দেশ দিয়ে নিজে অনৈতিক সুবিধা নিলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় বা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার না করে জনগণের স্বার্থে পরিচালনা করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক কর্মী ও নাগরিক সমাজ—সবাইকে নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা যেহেতু স্টিয়ারিং সিটে আছি, আমরা যেহেতু সরকারে আছি, কমান্ডে আছি, পাইলট হিসেবে আছি, আমাদের কোরবানি এখানে সবচেয়ে বেশি থাকতে হবে।

হুইপ বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার দায়িত্ব শুধু সরকার বা সংসদের নয়। বিরোধী দল, রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষেরও ভূমিকা রয়েছে। সরকারকে বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বিরোধী দলকেও এমন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকতে হবে, যা জনজীবন বিপর্যস্ত করে বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে সংসদকে কেন্দ্র করে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। সেখানে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা, সংসদীয় শিষ্টাচার, রাজনৈতিক সংযম এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বর্তমান সংসদের সামনে বড় দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে হুইপ নিজান বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংকট, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে কার্যকর করার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে সরকার ও বিরোধী উভয় পক্ষকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, সবকিছু একবারে হবে না। কিন্তু এবার যদি আমরা বড় বড় জায়গায় অগ্রগতি করতে পারি, যদি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে পারি, তাহলে সেটিই হবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ভিত্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%