ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যৌবন ধরে রাখতে রেড লাইট থেরাপি নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা


যৌবন ধরে রাখতে রেড লাইট থেরাপি নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

অবসর গ্রহণের পরেও ভারতের সাবেক টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা নিয়মিতভাবে নিজের ফিটনেস এবং সৌন্দর্য বজায় রাখতে ত্বকের যত্ন নিচ্ছেন। তার রূপচর্চার রুটিনে নতুন সংযোজন হিসেবে রয়েছে রেড লাইট থেরাপি।

২০২৩ সালে টেনিস থেকে অবসর নেওয়ার পর সানিয়া সাত বছর বয়সী এক সন্তানের মা। তবে তিনি নিজের ত্বকের যত্নে কোনো ছাড় দিতে ইচ্ছুক নন।

প্রতিদিন সকালে প্রায় ১০টি ধাপে ত্বকের পরিচর্যা করেন সানিয়া। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তিনি একাধিক ধাপের রূপচর্চা অনুসরণ করেন। এই ক্ষেত্রে কোরীয় সৌন্দর্যচর্চার বিভিন্ন পদ্ধতির ওপরও তিনি নির্ভর করেন।

আরও পড়ুন: জাফর পানাহির ৫ বছরের কারাদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিদেশযাত্রা নিষিদ্ধ

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সানিয়া জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে ত্বক ও চুল— দুই ক্ষেত্রেই তিনি উপকার পেয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, গত এক বছরে তার রূপচর্চার রুটিনে রেড লাইট থেরাপি যুক্ত হয়েছে। তিনি প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে এই থেরাপি গ্রহণ করেন।

সানিয়ার ভাষ্যমতে, থেরাপির পর ত্বকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন তিনি নিজেই লক্ষ্য করেছেন। চুলের ক্ষেত্রেও উপকার পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এই টেনিস তারকা।

রেড লাইট থেরাপি একটি আলোকভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি, যা লো-লেভেল লাইট থেরাপি নামেও পরিচিত। এতে লাল আলো এবং নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে ত্বকের কোষের কার্যকলাপকে উদ্দীপিত করার চেষ্টা করা হয়।

আরও পড়ুন: কৃতি শ্যানন: ইনস্টাগ্রামে এআই দ্বারা তৈরি ছবি সরানোর সুযোগ নেই

সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে এই থেরাপি ত্বকের বলিরেখা ও কিছু দাগছোপ কমাতে, প্রদাহ প্রশমিত করতে এবং ত্বকের গঠন উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনার কারণে পদ্ধতিটি নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। তবে সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের ফল পাওয়া যায় না।

চুলের যত্নেও রেড লাইট থেরাপি ব্যবহার করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে চুল পড়ার কারণ, থেরাপির ধরন এবং ব্যবহারের নিয়মের ওপর এর কার্যকারিতা নির্ভর করে।

রেড লাইট থেরাপিতে ত্বকের কিছু সমস্যার উন্নতি হতে পারে। তবে এটি বয়সের ছাপ পুরোপুরি মুছে ফেলার বা চিরযৌবন ধরে রাখার পদ্ধতি হিসেবে দেখা উচিত নয়। নিয়মিত ব্যবহার করলেও ফল পেতে সময় লাগতে পারে। পাশাপাশি যন্ত্রের মান, আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, ব্যবহারের মাত্রা এবং ব্যক্তির ত্বকের ধরন ফলাফলে প্রভাব ফেলে।

সানিয়া মির্জা তার অভিজ্ঞতায় ত্বক ও চুলে উপকার পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সবার ক্ষেত্রে একই ফল হবে— এমন নিশ্চয়তা নেই।

আরও পড়ুন: শাহরুখের ৬১তম জন্মদিনে ‘মান্নাত’-এ দেখা মিলবে না

রেড লাইট থেরাপি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ও মাত্রা মেনে ব্যবহার করা হয়। আলো কতটা তীব্র, যন্ত্রটি কী ধরনের এবং কতক্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে— এসব বিষয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে ১০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থেরাপি দেওয়া হয়। তবে সব যন্ত্রের জন্য একই সময়সীমা প্রযোজ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সহিংস অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগের জাতীয় অপরাধভুক্তভোগী জরিপের তথ্য উল্লেখ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সহিংস অপরাধ ২০২৪ সালের তুলনায় কমেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী, জরিপের ইতিহাসে এক বছরে সহিংস অপরাধের এই হ্রাস সবচেয়ে বড় ঘটনা। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নীতি, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার এবং মাদক পাচারবিরোধী পদক্ষেপের কারণে এই অপরাধের হার কমেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রাণহানিহীন সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে। গুরুতর হামলার হার ৩১ শতাংশ, ছিনতাই ২৭ শতাংশ, বাড়িতে চুরি ও অনধিকার প্রবেশ ২৫ শতাংশ এবং মোটরযান চুরি ৩০ শতাংশ কমেছে। এছাড়া সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধের হার ১৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি, এই পরিসংখ্যানগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের অপরাধ দমনের নীতির প্রভাবকে তুলে ধরে। একই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের জামিননীতি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিবাসনসংক্রান্ত নীতির সমালোচনা করা হয়েছে।

তবে, এই তথ্য হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা দাবি। অপরাধ কমার পেছনে বিভিন্ন নীতি ও অন্যান্য কারণের পৃথক প্রভাব সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রদান করা হয়নি।

সূত্র: হোয়াইট হাউস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

গোপালগঞ্জে ১২ বছরের শিশু মো. তালহা ওরফে মুহিন হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু নির্যাতন ও সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোরশেদ আলম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মো. আমিন উদ্দিন এবং মো. শিহাব মোল্লা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অপরদিকে, শাওন মোল্লাকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। একই সাথে, প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় লিয়াকত আলী মোল্লা নামের অপর আসামিকে আদালত খালাস দিয়েছে। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শিশু তালহা তার মা আলেয়া বেগমের সাথে দোকানে বিস্কুট ও কেক কিনতে যায়। এরপর খালের পাড়ে মাছ ধরা দেখতে গিয়ে সে আর বাড়ি ফেরেনি। শিশুটির সন্ধান না পেয়ে মা আলেয়া বেগম গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়িতে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে বাড়ির ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আমিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার ঘরের ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশু তালহার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মানজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় প্রদান করে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবির শাটলে সিট ধরা নিয়ে অপসংস্কৃতি, আগে উঠেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


চবির শাটলে সিট ধরা নিয়ে অপসংস্কৃতি, আগে উঠেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের জন্য শহর থেকে ক্যাম্পাসে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো শাটল ট্রেন। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী এই ট্রেনে চলাচল করেন। তবে শাটলে আসন দখল করে রাখার প্রবণতা অনেকের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক শিক্ষার্থী ট্রেনে উঠার পর নিজের পাশাপাশি অন্যদের জন্য একাধিক আসন ধরে রাখেন। ফলে, আগে ট্রেনে উঠেও অনেক শিক্ষার্থীকে বসার জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা এই প্রবণতাকে ভুক্তভোগীরা অপসংস্কৃতি হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

গত ২৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার ক্যাম্পাসগামী শাটলে সরেজমিনে দেখা যায়, নগরের বটতলী স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠা কিছু শিক্ষার্থী নিজেদের জন্য একাধিক আসন ধরে রেখেছেন। কিছু আসনে ব্যাগ রাখা হয়েছে, কোথাও ছাতা, আবার কোথাও অন্য জিনিসপত্র। অথচ, এসব আসনে যাঁদের জন্য জায়গা রাখা হয়েছে, তাঁদের অনেকেই পরবর্তী স্টেশন ষোলশহর থেকে উঠছেন। বটতলী থেকে ষোলশহর পর্যন্ত পথটুকুতে আসনগুলো খালি থাকলেও অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে বসতে পারছেন না।

এ নিয়ে প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। আসন ধরে রাখার পক্ষে কেউ কেউ একে প্রচলিত নিয়ম বলে দাবি করেন। তাঁদের যুক্তি হলো, আগে ট্রেনে উঠলে নিজের ইচ্ছামতো অন্যের জন্য আসন রাখা যায়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানাচ্ছে, শাটলে এ ধরনের আসন ধরে রাখার কোনো নিয়ম নেই। ফলে অলিখিত নিয়মের দোহাই দিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

শাটলে নিয়মিত যাতায়াতকারী শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান বলেন, “শাটলে অনেক সময় খালি সিট থাকলেও বসতে পারি না। বলা হয়, সিটটা অন্য একজনের জন্য ধরে রেখেছেন। এটা কেমন সংস্কৃতি? আবার বলা হয়, এটা নাকি নিয়ম। এই সংস্কৃতি দূর হওয়া উচিত।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, “শাটলে সিট ধরার কোনো নিয়ম নেই। যে আগে উঠবে, সে আগে বসবে। কোনো শিক্ষার্থী বাড়াবাড়ি করলে আমাকে অবহিত করলে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।”

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বাহনে আসন নিয়ে অনিয়ম ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে সচেতনতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শাটলে আগে ওঠা শিক্ষার্থীর আসন পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা গেলে এ নিয়ে বিরোধ ও ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবরাং ইউনিয়নে শোডাউন দিয়ে প্রচারণায় বিএনপির প্রার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


সাবরাং ইউনিয়নে শোডাউন দিয়ে প্রচারণায় বিএনপির প্রার্থীরা

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন।

দেশের পূর্ব প্রান্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে এই প্রার্থীদের প্রচারণার দৃশ্য দেখা গেছে। মাদক পাচারের কারণে আলোচনায় থাকা এই ইউনিয়নটি নাফনদ ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ইতোমধ্যে, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শোডাউনের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে, জেলার অন্যান্য ইউনিয়নে প্রচারণার তেমন খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কেবল ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাই প্রচারণায় নেমেছেন। টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে বিএনপির পাঁচজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণার কথা স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, কিন্তু দলীয় কোনো নেতা এখনো প্রচারণায় অংশ নেননি।

এদিকে, টেকনাফ পৌরসভায় আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় নেমেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ইসমাঈল।

মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, অস্ত্র, সোনা এবং মাদকের চালান পাচারের কারণে এই ইউনিয়নটি আলোচনায় রয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে নিত্যপণ্য পাচারের সীমান্ত পথের কারণে সাবরাং ইউনিয়নের দিকে সবার নজরও রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যেও পাচারকারীর নাম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার তালিকায় রয়েছে।

সপ্তাহখানেক ধরে, টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা পাড়ায় পাড়ায় ভোটারদের সঙ্গে কোলাকুলি এবং সালাম জানিয়ে দোয়া চাচ্ছেন। ইতোমধ্যে, বিএনপির স্থানীয় নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য এম এ হাশেম সিআইপি, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান আহমদ, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান ও নুরুল আলম এবং সাবেক চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন।

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এম এ হাশেম সম্প্রতি শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেছেন। অপরদিকে, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান আহমদও সমর্থকদের নিয়ে সড়ক প্রদক্ষিণের মাধ্যমে শোডাউন করেছেন। অন্য প্রার্থীরাও ইউনিয়নের হাট-বাজার, চা দোকান এবং বিভিন্ন পাড়ায় গিয়ে সমর্থন প্রার্থনা করছেন।

গত ১২ অক্টোবর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করে কমিশন। ওই সময়সূচি অনুযায়ী আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপ শুরু হবে ২১ জানুয়ারি এবং শেষ ধাপ ২৭ মে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%