ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বে প্রশংসিত বাংলাদেশ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বে প্রশংসিত বাংলাদেশ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব সাইদুর রহমান খান বলেছেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের নাম বিশ্বব্যাপী আলোচিত হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলা করে এ দেশের মানুষ প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে।’

আজ রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভাগীয় কমিশনারদের সাথে আয়োজিত সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব জানিয়েছেন, ‘ভৌগোলিকভাবে আমাদের অবস্থান এমন একটি অঞ্চলে যেখান প্রতিনিয়ত দুর্যোগ হানা দেয়।’ তিনি বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় গ্রামীণ জনপদ ও মানুষের উন্নয়নেই নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এর মাধ্যমে একদিকে প্রান্তিক মানুষের কাজের সংস্থান হচ্ছে, অন্যদিকে এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি গতিশীল হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: দেশের অর্থনীতি তিন কাঠামোগত ফাঁদে আটকে, দারিদ্র্য ও বিনিয়োগে স্থবিরতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপহরণের আস্তানা টেকনাফের পাহাড়ে, র‌্যাবের বড় অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


অপহরণের আস্তানা টেকনাফের পাহাড়ে, র‌্যাবের বড় অভিযান

কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকাকে অপহরণকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে চিহ্নিত করেছে র‍্যাব। সংস্থাটির দাবি, সাম্প্রতিক অধিকাংশ অপহরণের পেছনে রয়েছে মাদক-সংশ্লিষ্ট স্বার্থ ও অনলাইনে বিভিন্ন ফাঁদ।

এদিকে, ফেনী থেকে চাকরির প্রলোভনে চার যুবককে টেকনাফে এনে অপহরণের ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়েছে র‍্যাব। অপহরণকারী চক্রের বিরুদ্ধে শিগগিরই বড় পরিসরের বিশেষ অভিযানেরও আভাস দিয়েছে বাহিনী।

রোববার দুপুরে র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নটির উপ-অধিনায়ক মেজর এইচ এম মারুফ জানান, ফেনী থেকে চাকরির প্রলোভনে ৪ যুবককে কক্সবাজারের টেকনাফ এনে অপহরণ ঘটনায় জড়িত দুই দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী জুম্মাপাড়া মৃত সুলতান আহমদের ছেলে মো. রাসেল (২৮) এবং একই এলাকার রশিদ আহমদের ছেলে মো. আরমান (২১)।

ভুক্তভোগীরা হলেন, ফেনী জেলার এমাম হোসেন (১৯), জিসান (২৩) ও তৌহিদুল ইসলাম (১৯) এবং হবিগঞ্জ জেলার সুমন মিয়া প্রকাশ হোসাইন (২২)।

সংবাদ সম্মেলনে মেজর এইচ এম মারুফ বলেন, ফেনীতে চাকরির সুবাদে ভুক্তভোগী ৪ যুবকের সঙ্গে মো. রাসেলের মধ্যে পরিচিতি ছিল। গত ২৬ জুন ওই যুবকদের চাকরির প্রলোভনে দেখিয়ে টেকনাফ নিয়ে আসে রাসেল। পরে তাদের অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে টেকনাফের গহিন পাহাড়ের আস্তানায় জিম্মি রেখে প্রত্যেকের পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে দুর্বৃত্তরা। মুক্তিপণ আদায় করায় জিন্মিদের উপর দুর্বৃত্তরা শারীরিক নির্যাতন চালায়। ঘটনাটি অবহিত হওয়ার পর অপহৃতদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে র‍্যাব ও পুলিশ।

এক পর্যায়ে গত ৩০ জুন র‍্যাব ও পুলিশের একটি বিশেষ দল টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী জুম্মাপাড়া সংলগ্ন গহিন পাহাড়ে অভিযান চালায়। এতে দুর্বৃত্তদের আস্তানাটি ঘিরে ফেললে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে জিম্মিদের ফেলে পালিয়ে যায়। পরে অপহৃত ৪ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় উদ্ধার ভুক্তভোগী জিসান বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাবের এই ব্যাটালিয়ন উপ-অধিনায়ক বলেন, মামলাটি নথিভুক্ত হওয়ার পর থেকে ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে র‍্যাব অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে শনিবার রাতে টেকনাফের রঙ্গিখালী সংলগ্ন গহীন পাহাড়ি আস্তানাটিতে মামলার আসামিরা অবস্থানের খবর পায় র‍্যাব। পরে র‍্যাবের একটি বিশেষ দল সেখানে অভিযানে গেলে ৪/৫ জন সন্দেহজনক লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে ২ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়।

গ্রেফতার আসামিদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান, মেজর এইচ এম মারুফ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের উপ-অধিনায়ক মেজর এইচ এম মারুফ বলেন, বর্তমানে সংঘটিত অধিকাংশ অপহরণের ঘটনা শুধু মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে হচ্ছে না। এসব ঘটনার সঙ্গে মাদক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া অনেকেই অনলাইনের বিভিন্ন ফাঁদে পড়ে অপহরণের শিকার হচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘র‍্যাবের পক্ষ থেকে যে পরিসংখ্যান আপনাদের দেওয়া হয়েছে, সেটি খুবই স্বল্প সময়ের। সারা বছরজুড়েই প্রতি মাসে এ ধরনের অপহরণের ঘটনা ঘটে। আমরা সব সময় প্রতিটি ঘটনার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করি না। তবে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো গণমাধ্যমের সঙ্গে শেয়ার করা হয়। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’

মেজর মারুফ জানান, টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় অপহরণের ঘটনা তুলনামূলক বেশি ঘটছে। এসব এলাকার বিষয়ে যদি আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে র‍্যাব অপরাধী চক্রকে গ্রেপ্তারে আরও বড় পরিসরে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করবে।

তিনি বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের সঙ্গেও আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এত বড় একটি অপরাধ নির্মূলে শুধু একটি বাহিনীর পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করছে। এ অপরাধ সমূলে নির্মূল করতে হলে সব বাহিনীর চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি র‍্যাব এলিট ফোর্স হিসেবে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যেসব টার্গেটেড অপারেশন পরিচালনা করে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে নিয়মিত নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তবে অপহরণ পুরোপুরি নির্মূল করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মেজর মারুফের ভাষ্য, যেসব এলাকায় এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে, সেখানকার মানুষের কাছ থেকে সময়মতো তথ্য পাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি। আশা করি, জনগণের সহযোগিতা পেলে এ অপরাধ দমনে আরও সফল হওয়া সম্ভব হবে।

মেজর মারুফ আরও বলেন, টেকনাফের পাহাড়ি এলাকাগুলো দুর্গম হওয়ায় সেখানে চলাচল ও অভিযান পরিচালনা তুলনামূলকভাবে কঠিন। অনেক স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি কম থাকায় অপরাধীরা এসব এলাকা ব্যবহার করার সুযোগ পায়। তবে সব ধরনের বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে র‍্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, টেকনাফ উপজেলায় র‍্যাবের দুটি ক্যাম্প রয়েছে। সেখান থেকে প্রতিনিয়ত অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য স্থান থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান চালানো হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে এসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা আমাদের জন্য কঠিন হবে না।

মেজর মারুফ জানান, অপহরণের অধিকাংশ ঘটনায় অপরাধীরা পাহাড়ি এলাকাকে আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে র‍্যাবের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। এ প্রবণতা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বিশেষ অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ মুহূর্তে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভাষা রোহিঙ্গারা তুলনামূলক দ্রুত রপ্ত করে ফেলতে পারে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে তারা স্থানীয় বাঙালিদের সঙ্গে মিশে অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করে। তবে সব অপহরণের ঘটনায় রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে-এমন ধারণা সঠিক নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে

 গত রাতে ফুটবল বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে, ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স। এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে দশটি গোল হয় এবং ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ইংলিশরা। ইংল্যান্ডের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বুকায়ো সাকা, যিনি হ্যাটট্রিক করেছেন।

ফ্রান্সের পরাজয় ঠেকাতে না পারলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে দুই গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোলের তালিকায় আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলেছেন। এমবাপ্পে এখন ২২ গোল নিয়ে সবার উপরে, মেসির ২১ গোলকে টপকে।

বর্তমান বিশ্বকাপে মোট দশ গোল করে এমবাপ্পে গোল্ডেন বুটের প্রতিযোগিতায় শীর্ষে রয়েছেন। মেসির গোল সংখ্যা এখন ৮, তিনি দ্বিতীয় স্থানে আছেন। এমবাপ্পে মেসির চেয়ে ৫৭ মিনিট বেশি সময় খেলেছেন। মেসির জন্য গোল্ডেন বুট জয়ের জন্য ফাইনালে অন্তত হ্যাটট্রিক অথবা দুটি গোল ও এক অ্যাসিস্ট করতে হবে।

একটু প্রতিযোগিতা হিসেবে, এমবাপ্পে বিশ্বকাপের এক আসরে ১০ গোল করেছেন, তিনিই চতুর্থ ফুটবলার এ Achievement। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে ১০ গোল করেছিলেন পশ্চিম জার্মানির গার্ড মুলার।

মোট ১৪ গোলের মধ্যে এমবাপ্পে ১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করেছেন এই আসরে। গত ৬০ বছরে যে কোনো আসরে সর্বাধিক গোলে অবদান রাখার রেকর্ড গড়েছেন এমবাপ্পে। ফ্রান্সের প্রতিটি ম্যাচে, সেমিফাইনাল বাদে, গোল করেছেন তিনি। ফাইনালের আগে এমবাপ্পে ক্যরিয়ারের তিন সেমিফাইনালে কোন গোল করতে পারেননি।

তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচে ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স-এর মধ্যে মোট ১০ গোল হয়েছিল। এটি বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থানের নির্ধারণী ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোলের নজির। ১৯৫৮ সালে ফ্রান্স এবং পশ্চিম জার্মানি মিলিয়ে ৯ গোল করেছিল (ফ্রান্স ৬-৩ পশ্চিম জার্মানি)।

এছাড়া, ১৯৮২ সালের পর বিশ্বকাপের এক ম্যাচে এটাই সবচেয়ে বেশি গোল ছিল। ঐ আসরে হাঙ্গেরি ১০-১ গোলে এল সালভাদরকে হারিয়েছিল।

এবার ইংল্যান্ড প্রথমবারের মত তৃতীয় স্থানে ফিরে বিশ্বকাপ শেষ করল, ১৯৬৬ সালে শিরোপা জয়ের পর এই ইংলিশদের জন্য এটি সেরা সাফল্য। ইংল্যান্ড দুবার তৃতীয় স্থানে থাকার সুযোগ পেলে তা ব্যবহার করতে পারেনি। ২০১৮ সালে বেলজিয়াম ও ১৯৯০ সালে ইতালির সঙ্গে হেরে তারা স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল।

জুড বেলিংহাম বিশ্বকাপের এক আসরে ইংল্যান্ডের ফুটবলার হিসেবে সর্বাধিক ৭ গোল করেছেন। ১৯৮৬ সালে গ্যারি লিনেকারের রেকর্ড ছিল ৬ গোল। উল্লেখ্য, দুইজনেই পেনাল্টি থেকে কোন গোল করেননি।

বুকায়ো সাকা চতুর্থ ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেছেন। তার আগে জিওফ হার্স্ট (১৯৬৬ সাল), গ্যারি লিনেকার (১৯৮৬ সাল), এবং হ্যারি কেন (২০১৮ সাল) হ্যাটট্রিক করেছেন।

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বাধিক অ্যাসিস্টে মাইকেল ওলিসে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে কে পেছনে ফেলেছেন। এবারের আসরে ৭ টি অ্যাসিস্ট রয়েছে তার। ১৯৭০ সালে পেলের ৬ টি অ্যাসিস্ট এর রেকর্ড ছিল।

ওলিসের অ্যাসিস্টে এমবাপ্পে ৫ গোল করেছেন। ৬০ বছরের পরিসংখ্যানের মধ্যে একজন খেলোয়াড়ের সর্বাধিক অ্যাসিস্টের নতুন রেকর্ড এটি।

২০১০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ফ্রান্স টানা দুই ম্যাচে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছিল। ১৬ বছর পর বিশ্ব মঞ্চে ফ্রান্স আবার টানা দুই ম্যাচ হারল। সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচে হারল ফ্রান্স।

কোচ দিদিয়ের দেশ্যমের অধীনে ১৪ বছরে ফ্রান্স ২৬ বিশ্বকাপ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছে। এটি কোচ হিসেবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে দায়িত্ব পালনের নতুন রেকর্ড।

বর্তমান আসরে ১০৩ ম্যাচে ৩০৭ গোল হয়েছে, যা প্রতি матчের গড় ২.৯৮ টি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপের পর এবারই সবচেয়ে বেশি ম্যাচে গড় গোল।

৫৮ বছর পর প্রথমবার ফ্রান্স প্রথমার্ধে চার ম্যাচে গোল হজম করল। সর্বশেষ ১৯৬৮ সালে ইউরো বাছাইপর্বে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে তারা প্রথমার্ধে চার গোল খেয়েছিল। ইংল্যান্ডের ডেক্লান রাইস বিশ্বকাপে যে কোন ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট সহ প্রথম ফুটবলার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড ১ লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা আয় ফিফার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড ১ লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা আয় ফিফার

আগেই ধারণা করা হয়েছিল যে, এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফিফা রেকর্ড পরিমাণ আয় করতে যাচ্ছে। এখন তা সত্যি হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ১৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে, যা টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকে অনেকটাই ছাড়িয়ে গেছে।

গত শনিবার (১৮ জুলাই) ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সদস্য দেশগুলোর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে এই বাড়তি আয়ের বিষয়ে অবহিত করেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় রূপান্তরিত করলে এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

শুরুতে ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ১১ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ও টিকিট বিক্রি, বিশেষ করে উচ্চমূল্যের সেকেন্ডারি টিকিট মার্কেট এই আয়ের বৃদ্ধির বড় কারণ। সেকেন্ডারি মার্কেটে প্রতিটি লেনদেনে ফিফা ক্রেতার কাছ থেকে ১৫ শতাংশ এবং বিক্রেতার কাছ থেকেও ১৫ শতাংশ কমিশন পায়।

ধারণা করা হচ্ছে যে, ফিফার এই অতিরিক্ত আয়ের সুবিধা সদস্য দেশগুলোর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কাছেও পৌঁছাবে, যদিও এ বিষয়টি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই আর্থিক সাফল্য ইনফান্তিনোর জন্যও ইতিবাচক খবর, কারণ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ জুড়ে নানা বিতর্ক সত্বেও এটি তার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন লাল কার্ড দেখার পর সেটি স্থগিত করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করেন যে, ফিফা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছে। যদিও ফিফা দাবি করেছে, সিদ্ধান্তটি তাদের স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটিই নিয়েছে। তারপরও বিশেষ করে ইউরোপের বিভিন্ন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে অসন্তোষ রয়ে গেছে। তবে এর মধ্যেই আগামী মার্চে পুনর্নির্বাচনের জন্য ইনফান্তিনো ফিফার ২০০টিরও বেশি সদস্য দেশের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। বিশ্বকাপ থেকে আসা এই বিপুল অতিরিক্ত আয় অনেক অ্যাসোসিয়েশনকে প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানানো থেকে বিরত রাখতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

এই বিপুল আর্থিক সাফল্য ভবিষ্যতে আবারও যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে। বর্তমানে বিডের জন্য উন্মুক্ত পরবর্তী আসর হলো ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপ। শুক্রবার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেছেন, 'আপনারা আবারও যুক্তরাষ্ট্রকেই বেছে নিন। তবে এবার কানাডা ও মেক্সিকোকে বাদ রাখবেন।'

এছাড়া ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়েও ফিফার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে।

শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিতব্য স্পেন বনাম আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালের ভিআইপি ও হসপিটালিটি প্যাকেজ ফিফার টিকিটিং পোর্টালে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত ছিল। এর মধ্যে ‘ট্রফি লাউঞ্জ’ প্যাকেজের মূল্য ছিল প্রতি ব্যক্তির জন্য ৩৪,৫০০ মার্কিন ডলার (৪২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা প্রায়)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘অনিরাপদ পথ’ দিয়ে হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা করায় দুটি জাহাজ দুর্ঘটনার কবলে: আইআরজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


‘অনিরাপদ পথ’ দিয়ে হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা করায় দুটি জাহাজ দুর্ঘটনার কবলে: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) রোববার জানিয়েছে যে, দুটি জাহাজ একটি ‘অনিরাপদ পথ’ দিয়ে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার চেষ্টা করার পর ‘দুর্ঘটনার’ শিকার হয়েছে। এর ফলে আরও দুটি জাহাজকে তাদের যাত্রা বিরতিতে রাখা হয়েছে।

আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নৌবাহিনী বলেছে, জাহাজগুলো ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে একটি অনিরাপদ পথ দিয়ে হরমুজ প্রণালী ব্যাহত করে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাহাজগুলো কী ধরণের দুর্ঘটনায় পড়েছে বা তাদের ক্ষয়ক্ষতি কী সেটি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে, আইআরজিসি জোর দিয়ে বলেছে যে, হরমুজ প্রণালী তাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত নির্ধারিত নৌপথটিই ‘একমাত্র নিরাপদ পথ’ বলে বিবেচিত।

আইআরজিসি আরও বলেছে, চারটি জাহাজই ইরানের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে কাজ করেছে।

এক বিবৃতিতে তারা সতর্ক করে বলেছে, ‘যেসব জাহাজ আমেরিকানদের কথায় প্রভাবিত হয়ে অনিরাপদ পথে প্রবেশ করবে, তারা নিশ্চিতভাবে দুর্ঘটনার শিকার হবে।’

এই ঘটনার সময়টি এমন এক সময়ের সাথে মিলছে, যখন এই অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা করেছে। তেহরানও এর জবাবে আঞ্চলিক কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত স্থাপনা ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

ওদিকে, তাদের যুদ্ধ শেষ করে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়া সত্ত্বেও, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে।

সূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%