ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাগমারায় দুর্নীতি প্রতিরোধে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা


বাগমারায় দুর্নীতি প্রতিরোধে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা

রাজশাহী জেলার বাগমারায় দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা উন্নয়ন করার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬, মতবিনিময় এবং আলোচনা সভা। এই আলোচনা সভাটি সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, বাগমারার সহযোগীতায় আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন রাজশাহীর কোর্ট পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম, বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান এবং একাডেমিক সুপারভাইজার ড. মুহাম্মদ আব্দুল মুমীত।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাগমারা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আব্দুস সামাদ। বক্তারা তাদের বক্তৃতায় সমাজে দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য সততা, নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা জানান, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।

এছাড়া, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আয়োজন করা হয় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা "দুর্নীতি দমনে আইন নয় সচেতনতাই মূখ্য"। উক্ত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা দুর্নীতির কুফল ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তাদের যুক্তি উপস্থাপন করে।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয় এবং দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বাগমারা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, সহ সভাপতি আব্দুল মতিন, সদস্য আসাদুজ্জামান, আমজাদ হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, নাজমা খাতুন এবং মামুনুর রশিদ দ্বারা অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

উল্লেখ্য, উপজেলার ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ভবানীগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ভবানীগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, হাট গাঙ্গোপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, মচমইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, রানী রিভারভিউ উচ্চ বিদ্যালয়, হামিরকুৎসা উচ্চ বিদ্যালয়, বীরকুৎসা অবিনাশ স্কুল এন্ড কলেজ এবং চানপাড়া আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও সাঁকোয়া উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে ভবানীগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে বীরকুৎসা অবিনাশ স্কুল এন্ড কলেজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে পে-অর্ডার জালিয়াতির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২০ এম


শেরপুরে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে পে-অর্ডার জালিয়াতির অভিযোগ

বগুড়ার শেরপুরে একটি জমির নিবন্ধন সম্পন্ন না হওয়ার সুযোগে ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকার পে-অর্ডার অবমুক্তে অনিয়ম এবং ২০ লাখ ১৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নাঈমা সিদ্দিকার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ক্রেতার পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার দাবি করা হলেও পুলিশ বলছে তারা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি। ভুক্তভোগী পরিবার, সংশ্লিষ্ট নথি ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৩২৮ শতক জমি নিবন্ধনের জন্য ক্রেতা মাহমুদুল হাসান ও বিক্রেতা সামসুজ্জোহা উপস্থিত হন।

সোনালী ব্যাংক শেরপুর শাখার মাধ্যমে আটটি পে-অর্ডারে মোট ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়। তবে আইনি জটিলতায় সেদিন জমির নিবন্ধন সম্পন্ন হয়নি এবং পে-অর্ডারগুলো সেখানেই জমা থাকে।

বিচারাধীন এই পরিস্থিতির মধ্যেই ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সাব-রেজিস্ট্রারের অনুমতিক্রমে ৬ লাখ ৭১ হাজার টাকার একটি পে-অর্ডার অবমুক্ত করে টাকা উত্তোলন করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ক্রেতার আমমোক্তার মো. নূর আলম শাকিল অবশিষ্ট পে-অর্ডারগুলো নগদায়ন বন্ধ রাখতে সাব-রেজিস্ট্রার ও সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে লিখিত অনুরোধ জানান।

কিন্তু সেই আবেদন উপেক্ষা করে গত ৭ মে আরও প্রায় ১৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকার দ্বিতীয় পে-অর্ডারটি অবমুক্ত করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, সাব-রেজিস্ট্রার, দলিল লেখক ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে মোট ২০ লাখ ১৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

ক্রেতা মাহমুদুল হাসান আরও অভিযোগ করেন, দলিলে তাঁর স্ত্রী সাদেকা খানমের নাম পরিবর্তন করে জালিয়াতির মাধ্যমে তানিয়া আক্তার নামে এক অপরিচিত নারীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে।

সোনালী ব্যাংক শেরপুর শাখার ব্যবস্থাপক মাহবুবুল আলম বলেন, “সাব-রেজিস্ট্রার পে-অর্ডার দুটি অবমুক্ত করায় নিয়ম অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। পরবর্তী দুটি পে-অর্ডার ভাঙানোর চেষ্টা করা হলেও আমরা তা স্থগিত রেখেছি।”

অভিযুক্ত দলিল লেখকের সহকারী সামছু হোসেন আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি উত্তোলিত টাকা তানিয়া আক্তার ও আমমোক্তার নূর আলম শাকিলকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

শেরপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নাঈমা সিদ্দিকা বলেন, “আমার বিরুদ্ধে করা কোনো অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নই। সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এ বিষয়ে আমি গণমাধ্যমে কথা বলতে পারব না।”

জমির ক্রেতার স্ত্রী মোছা. সাদেকা খানম জানান, গত ২২ জুলাই তদন্তের নামে তাদের দপ্তরে ডেকে হেনস্তা করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তিনি সাব-রেজিস্টার ও দলীল লেখকের সহকারি সামছু হোসেনসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে শেরপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, “এই বিষয়ে উভয় পক্ষই থানায় এসে মৌখিক অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প এই মুহূর্তে ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


ট্রাম্প এই মুহূর্তে ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বর্তমানে ইরানের সঙ্গে তাদের সঙ্গে অত্যন্ত গভীর আলোচনা চলছে। তবে, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি খুব দ্রুত কঠোর হামলা চালাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধেই তিনি গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) ইরানের ওপর নির্ধারিত হামলা স্থগিত করেছিলেন। মধ্যস্থতাকারীরা তাঁকে পরিষ্কার ভাষায় অনুরোধ করেছিলেন যেন তিনি এই মুহূর্তে কোনো হামলা না চালান।

কূটনৈতিক আলোচনার জন্য তিনি ঠিক কতদিন সময় দিতে প্রস্তুত—এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরিষ্কার ভাবে জানিয়েছেন যে এজন্য খুব বেশি সময় দেওয়া হবে না। খুব দ্রুত এর একটি সুরাহা হতে পারে, নতুবা কোনো আলোচনাই টিকবে না, বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধে আর বিলম্ব নয়জনস্বাস্থ্য

নিরাপদ খাদ্য ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক বন্ধের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ এম


নিরাপদ খাদ্য ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক বন্ধের দাবি

বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্যারাকুয়েটসহ অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক অবিলম্বে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে নিরাপদ খাদ্য, জনস্বাস্থ্য ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষক-কৃষানী, গবেষক, মৎস্যজীবী, যুব সংগঠক ও পরিবেশকর্মীরা।

তাদের মতে, পৃথিবীর প্রায় ৭০টি দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত প্যারাকুয়েট বাংলাদেশে এখনও অবাধে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি জনস্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাজশাহীর পবা উপজেলার কর্ণহার বিল এলাকায় উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক, বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম এবং গ্রীণ কোয়ালিশন-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে কৃষক-কৃষাণি, মৎস্যজীবী, কৃষিবিদ, যুব প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির নামে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার আজ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য এক নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। প্যারাকুয়েটসহ অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় মাছ, মৌমাছি, পরাগায়নকারী পতঙ্গ, মাটির অণুজীব এবং জলজ ও স্থলজ প্রাণবৈচিত্র্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। এই কারণে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কৃষকের স্বাস্থ্য এবং দেশের খাদ্যব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে।

বক্তারা উল্লেখ করেন, প্যান এশিয়া প্যাসিফিক-এর ২০২৫ সালের গবেষণায় বাংলাদেশসহ চারটি এশীয় দেশে ব্যবহৃত ৯৬টি কীটনাশকের মধ্যে ৫৩টিকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব খাদ্য সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এসব কীটনাশক পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার এবং নিরাপদ বিকল্প কৃষি ব্যবস্থা সম্প্রসারণের সুপারিশ করে আসছে। বাংলাদেশ রটারডাম কনভেনশন ও স্টকহোম কনভেনশন এর সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধ করা কৃষির বিরুদ্ধে অবস্থান নয়; বরং এটি কৃষক, ভোক্তা ও পরিবেশের পক্ষে একটি বৈজ্ঞানিক ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত। কৃষকদের নিরাপদ বিকল্প প্রযুক্তি, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা, জৈব বালাই ব্যবস্থাপনা এবং এগ্রোইকোলজি ভিত্তিক কৃষি চর্চায় সরকারি বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও বাজার সহায়তা বৃদ্ধি ছাড়া নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী মৎস্যজীবী, কৃষক ও গবেষকরা উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত কীটনাশকের কারণে দেশীয় মাছের বৈচিত্র্য, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাদ্যবৈচিত্র্য, পরাগায়নকারী প্রাণী এবং কৃষি-প্রতিবেশব্যবস্থা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সংকট কেবল পরিবেশগত নয়, এটি খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি এবং গ্রামীণ জীবিকারও সংকট হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে প্যারাকুয়েটসহ বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী সব অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক পর্যায়ক্রমে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া নিবন্ধিত সব কীটনাশকের বৈজ্ঞানিক পুনর্মূল্যায়ন, খাদ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষার জাতীয় কর্মসূচি জোরদার করা, কৃষকদের জন্য নিরাপদ বিকল্প প্রযুক্তিতে ভর্তুকি ও প্রশিক্ষণ দেয়া, মৌমাছি ও পরাগায়নকারী প্রাণী সংরক্ষণ, জাতীয় বিষক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু এবং জাতীয় এগ্রোইকোলজি রূপান্তর কর্মসূচি গ্রহনের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

বক্তারা আরো বলেন, "প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধের দাবি কোনো একক সংগঠনের দাবি নয়। এটি দেশের মানুষের জীবন, নিরাপদ খাদ্যের অধিকার, কৃষকের স্বাস্থ্য, পরিবেশ-প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জাতীয় দাবি।" তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, "প্যারাকুয়েটসহ অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক নিষিদ্ধে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, কৃষকদের জন্য নিরাপদ বিকল্প নিশ্চিত করা এবং এগ্রোইকোলজিকে জাতীয় কৃষি উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রীয় অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।" তাদের মতে, কীটনাশক ও রাসায়নিক নির্ভর কৃষি নয়, বরং এগ্রোইকোলজিভিত্তিক কৃষিই নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের ন্যায্য অধিকার, প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির ‘কুরুচিকর’ পোস্টার, শ্রীলেখাকে গ্রেফতারের দাবি আন্দোলনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ এম


মোদির ‘কুরুচিকর’ পোস্টার, শ্রীলেখাকে গ্রেফতারের দাবি আন্দোলনে

কলকাতার এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আইনি জটিলতায় পড়েছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

সমাজের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের প্রতিবাদে অংশ নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ‘কুরুচিকর’ ছবি সংবলিত পোস্টার প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কলকাতার আনন্দপুর থানাসহ রাজ্যের একাধিক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই অভিযোগটি বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ নিজে আনন্দপুর থানায় গিয়ে দায়ের করেছেন। শুধু তাই নয়, বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানা এবং রাজ্যের বিভিন্ন জেলার একাধিক থানাতেও শ্রীলেখার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ জমা পড়েছে।

গত ২৪ জুলাই সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস বিতর্ক এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কলকাতার রাজপথে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়েছিলেন। সেই প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হয়েছিলেন শ্রীলেখা। মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি হাতে একটি পোস্টার ধরে ছবি তোলেন, যেখানে অভিযোগ উঠেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর একটি অত্যন্ত কুরুচিকর ও অসম্মানজনক ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল।

পুলিশ ঘটনাটির বিষয়ে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে এবং প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে এফআইআর দায়েরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫২ (শান্তিভঙ্গের উসকানি), ৩৫৩ (উসকানিমূলক আচরণে প্রকাশ্যে সমর্থন) এবং ৩৫৬ (মানহানি) ধারায় অভিযোগগুলো জমা পড়েছে।

নিজের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে শ্রীলেখা মিত্র মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একটি বিশেষ পোস্টার ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছি, এমন একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। আমি হয়তো বিজেপিবিরোধী। কিন্তু আমাকে দেশদ্রোহী আখ্যা দিলে তা খুবই হাস্যকর।” তিনি আরও বলেন, “যদি কেউ মনে করেন যে ওই ছবি আমি ইচ্ছা করে হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে তুলেছি!”

শ্রীলেখা জানান, মাঠে নেমে বিপ্লবে শামিল হওয়ার জন্য শুক্রবার তিনি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে দৌড়াদৌড়িও করেছিলেন। তিনি বলেন, “চশমা ছিল না বলে পোস্টারটি ভালো করে দেখতে পাইনি। চশমা নিয়ে যেতে ভুলে গিয়েছিলাম। শুধুমাত্র রোদচশমা নিয়ে গিয়েছিলাম।”

অবশ্য পদ্মশিবিরের পক্ষ থেকে শ্রীলেখার এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হয়নি এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ বলেন, “দলীয় নেত্রী হিসেবে নয়, দেশের নাগরিক হিসেবেই প্রধানমন্ত্রীর এমন ছবি দেখে আমি ক্ষুব্ধ। আমার আবেদন, এমন কুরুচিকর ছবি ভাগ করার জন্য শ্রীলেখার বিরুদ্ধে আইনানুসারে যথাযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হোক। এমন কাজের জন্য কঠোর শাস্তির প্রয়োজন। অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার করতে হবে।” অন্যথায় বিচার পেতে তারা আদালতের দরজায় কড়া নাড়বেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন এই বিজেপি নেত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%