ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যুক্তরাষ্ট্রের কারাগার থেকে ছবি প্রকাশ, মাদুরোর বার্তা ‘দৃঢ় আছি’


যুক্তরাষ্ট্রের কারাগার থেকে ছবি প্রকাশ, মাদুরোর বার্তা ‘দৃঢ় আছি’

যুক্তরাষ্ট্রের কারাগার থেকে নিজের দুটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত নেতা নিকোলাস মাদুরো। ছবির ক্যাপশনে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘দৃঢ় আছি’।

 

রবিবার (৩০ আগস্ট) প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, মাদুরো কারাগারের পোশাক পরিহিত। গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে আটক হওয়ার পর থেকে তিনি নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের একটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

আরও পড়ুন: বিএনপির দুই সদস্য সিউলে আইসিএপিপি সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ত্যাগ

মাদুরোর সঙ্গে তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও ওই অভিযানে আটক করা হয়। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ও আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে মামলা চলছে।

 

তবে মাদুরো এবং তার স্ত্রী উভয়েই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। টেলিগ্রাম বার্তায় মাদুরো লেখেন, ‘আমার সব নাতি-নাতনি, ছেলেমেয়ে এবং আমাদের ভালোবাসেন এমন সব ভালো মানুষের জন্য ছোট্ট উপহার হিসেবে পাঠাচ্ছি এই ছবিগুলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই আপনারা জানুন, আমরা দৃঢ় আছি, আমাদের হৃদয় আপনাদের ভালোবাসায় পরিপূর্ণ।’ প্রকাশিত ছবিতে ধূসর রঙের পোশাক পরা মাদুরোকে দুই হাতে শান্তির প্রতীক প্রদর্শন করতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: টেস্ট ড্রাইভের নামে মোটরসাইকেল নিয়ে উধাও, সন্দেহে গণপিটুনির শিকার সিয়াম

 

মাদুরোকে আটকের পর থেকে তার ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে মনে হয়েছে ছবিতে। রবিবার ছবিগুলো প্রকাশ করা হলেও ছবির ধারণার তথ্য অনুযায়ী, এগুলো গত ২৫ জুন তোলা। ওই দিন ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চলে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।

মাদুরো তার বার্তায় আরও বলেন, ‘আমরা শক্ত, শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী থাকব। ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে আছেন, তিনিই পথ দেখাবেন।

 

আরও পড়ুন: সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবুর এপিএস ওয়ালী উল্লাহ গ্রেফতার

আবার ঘুরে দাঁড়াবে ভেনেজুয়েলা।’ মাদুরোর উত্তরসূরি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেস ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রকে তেলক্ষেত্র পরিচালনার সুযোগ দিয়ে একটি ‘ঐতিহাসিক’ তেল চুক্তির ঘোষণা দেওয়ার দুই দিন পর এই বার্তা দেন মাদুরো।

ওয়াশিংটনের তীব্র চাপের মধ্যে দেশ পরিচালনা করছেন রদ্রিগেস। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেছেন, তিনি চান ভেনেজুয়েলা একটি ‘জ্বালানি শক্তিতে পরিণত হোক’।

সাবেক এই নেতার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, কারাগারে মাদুরোর সংবাদপত্র বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই। তবে পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে মাসে প্রায় ৩০০ মিনিট টেলিফোনে কথা বলার অনুমতি রয়েছে তার। প্রতিটি ফোনালাপ সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট স্থায়ী হতে পারে।

মাদুরোর ছেলে নিকোলাস মাদুরো গুয়েরা জানিয়েছেন, তার বাবা ভালো আছেন এবং কারাগারে সময় কাটাচ্ছেন বাইবেল পড়ে। মাদুরো ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান মামলার বিচার আগামী ১ জুন থেকে শুরু হবে। নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত গত জুলাইয়ের শেষ দিকে এই তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: ঘুষের এক লাখ টাকাসহ দুদকের হাতে গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার কারাগারে প্রেরণ

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা আমাদের সব কেড়ে নিলো: ধ্বংসস্তুূপে ফেরা নেপালি বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ এম


বন্যা আমাদের সব কেড়ে নিলো: ধ্বংসস্তুূপে ফেরা নেপালি বাসিন্দারা

নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। একদিকে নদীর তীরে ভেসে আসছে মরদেহ, অন্যদিকে বেঁচে যাওয়া মানুষ ফিরছেন নিজেদের বিধ্বস্ত বাড়িতে উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন যা কিছু অবশিষ্ট আছে।

রোববার পর্যন্ত নেপাল ও তিব্বতে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৯৭ জনে। নেপালের বিভিন্ন মর্গে মরদেহ রাখার জায়গা সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক মরদেহ এতটাই বিকৃত হয়ে গেছে যে পরিচয় শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে কিছু মরদেহ ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সাময়িকভাবে গণকবর দেওয়া হচ্ছে।

নেপালের চিতওয়ান এলাকায় নদীর তীর থেকে ২৫০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র নয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৩ হাজারের বেশি মানুষ। দুর্গম ও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর অনেক জায়গায় এখনো সড়ক যোগাযোগ চালু হয়নি। সেখানে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

ত্রিশূলী নদীর তীরে অবস্থিত দেবীঘাট শহরও বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অনেক বাড়ির নিচতলা ও দোতলা কাদায় ঢেকে গেছে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

বন্যায় বেঁচে যাওয়া মানুষ ধীরে ধীরে নিজেদের বাড়িতে ফিরছেন। তবে অনেকের বাড়ি আর বাড়ি হিসেবে দাঁড়িয়ে নেই। কোথাও কেবল কংক্রিটের কিছু অংশ, কোথাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধাতব কাঠামো ও কাদার স্তূপ।

৪৯ বছর বয়সী উষা নেপালি তার ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, এই বাড়ি তৈরিতে তিনি তার সবকিছু বিনিয়োগ করেছিলেন। এখন তার কাছে পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। নদী সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। 

বন্যার পরও ত্রিশূলী নদীর পানি আবার বিপজ্জনকভাবে বাড়তে থাকায় দেবীঘাটের বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ ও উঁচু এলাকায় সরে যেতে বলা হয়েছে। অনেকে বাড়ি থেকে উদ্ধার করা সামান্য জিনিসপত্র গুছিয়ে এলাকা ছাড়ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জামুনা মাগার জানান, তাদের পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দেবীঘাটে বসবাস করছে। কিন্তু এবারের বন্যার ভয়াবহতার পর সেখানে ফিরে বসবাস করার কথা ভাবতেও ভয় পাচ্ছেন তারা।

তিনি বলেন, আগে বন্যা হলেও এমন ভয়াবহ বন্যা তারা কখনো দেখেননি। কয়েক মিনিটের সতর্কতায় তিনি শুধু কিছু স্বর্ণালংকার নিতে পেরেছিলেন। বাড়ির নিচতলায় থাকা প্রায় সবকিছুই পানিতে ভেসে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, বিধ্বস্ত দেবীঘাটকে আবার বসবাসযোগ্য করে তুলতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যকে ‘শান্তিপূর্ণ’ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে দিতে চায় ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪২ এম


মধ্যপ্রাচ্যকে ‘শান্তিপূর্ণ’ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে দিতে চায় ইরান

মধ্যপ্রাচ্যকে সবার জন্য একটি নিরাপদ ও শান্ত অঞ্চলে পরিণত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে এই অঞ্চল থেকে পুরোপুরি বিতাড়িত করতে চায় ইরান। 

তেহরানের ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেসের অধ্যাপক মোস্তফা খশচেশম আল জাজিরাকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার যে ডাক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দিয়েছেন, তা মূলত তেহরানের দীর্ঘদিনের পুরোনো নীতিরই প্রতিফলন। তিনি অভিযোগ করেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূখণ্ড এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। তাই তেহরান চায় উপসাগরীয় দেশগুলো যেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সব ধরনের সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

অধ্যাপক খশচেশম সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি এখন হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে দেয়, তবে মার্কিনিরা তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ও সামরিক ঘাঁটিগুলো মেরামত করে আবারও তেহরানের ওপর হামলা চালাবে। তাই অঞ্চলটিকে শান্তিপূর্ণ করতে আমেরিকানদের এখান থেকে বের করে দেওয়াই ইরানের মূল লক্ষ্য।

এদিকে সামরিক ও ভূরাজনৈতিক এই উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। তবে এই চাপের মুখেও দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের কৃষিমন্ত্রী গোলামরেজা নুরি। তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে তিনি জানান, নৌ অবরোধের কারণে পরিবহনগত বড় চ্যালেঞ্জ থাকলেও দেশের খাদ্য সরবরাহ একদম স্থিতিশীল।

ইরানের কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৌশলগত খাদ্যের মজুত ক্রমশ বাড়ছে এবং এখন পর্যন্ত জরুরি কোনো মজুত ব্যবহারের প্রয়োজন পড়েনি। মূলত দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির কারণেই আমদানিনির্ভরতা কমেছে। কৃষিমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, কোনো বিদেশি নিষেধাজ্ঞা জনগণের খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারবে না। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে সৃষ্ট মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

বিডিপ্রতিদিন/কেকে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে মারধর করে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ এম


বাবাকে মারধর করে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বাবাকে মারধর এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষার্থীর বাবা মো. আব্দুল মান্নান (৫০)। তিনি উপজেলার সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল মান্নানের মোছা. এনি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার খয়েরতলা গ্রামের মো. হৃদয় (২৬) বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে তাকে উত্ত্যক্ত ও হয়রানি করে আসছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধিকবার বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত হৃদয় আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এবং কিশোরীকে অপহরণের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পরে রোববার বেলা আনুমানিক ৩টার দিকে এনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বাড়ি থেকে পাকা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হৃদয় অজ্ঞাতনামা আরও তিন সহযোগীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে এসে তারা ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তোলার চেষ্টা করেন এবং তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ সময় মেয়েটির বাবা ঘটনাটি দেখে এগিয়ে এসে বাধা দেন। তখন অভিযুক্ত হৃদয়ের সহযোগীরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারেন। একপর্যায়ে হৃদয়ও মারধরে অংশ নেন। এ সময় তার ব্যবহৃত একটি বাটন ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, পরে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক কিশোরীকে মোটরসাইকেলে তুলে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। বাবার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলেও ততক্ষণে তারা পালিয়ে যান। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ওই শিক্ষার্থীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীর বাবা মো. আব্দুল মান্নান বলেন, আমার মেয়ের বয়স মাত্র ১৩ বছর। তাকে জোর করে তুলে নিয়ে গেছে। ঘটনার পর থেকে সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও মেয়ের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। আমি আমার মেয়েকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের সহযোগিতা চাই।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, আমরা অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কিশোরীকে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লংমার্চের আগেই গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ এম


লংমার্চের আগেই গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার দাবি

গণভোটের রায় মানার ঘোষণা দিন লংমার্চের আগেই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পূর্বে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রদান করা উচিত। তিনি বলেছেন, "জনগণের রায় অমান্য করে, পাশ কাটিয়ে বা উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কখনোই শুভ ফল বয়ে আনে না।" ইতিহাসে এর বহু দৃষ্টান্ত বিদ্যমান। সুতরাং, সংবিধান সংস্কার না করে সংবিধান সংশোধনের পথে অগ্রসর হওয়ার অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা উচিত।

রোববার রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলের লংমার্চ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ঢাকার সদস্যদের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ আরও বলেন, "জনগণের ভোট ও গণরায়কে সম্মান করা ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দায়িত্ব।" তাই কোনো গণরায়কে অস্বীকার করে কিংবা বাস্তবায়নে গড়িমসি করে পরিস্থিতিকে জটিল করা উচিত নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চের আগেই সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলে তা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসন এবং জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, "জনগণের রায় মেনে না নেওয়ার পরিণতি কখনোই ভালো হয়নি—ইতিহাস তার সাক্ষী।" সরকারের উচিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া। জনগণের রায়কে সম্মান করে দ্রুত তা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে হবে। অন্যথায়, জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা আরও বাড়বে, যা কারও জন্যই কল্যাণকর হবে না।

তিনি ৫ সেপ্টেম্বরের ১১ দলের লংমার্চ সফল করার জন্য বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

বৈঠকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%