বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১১:১২ এম
জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রভাবে, বিশ্বের অনেক শহরের মতো ঢাকাও বর্তমানে বায়ুদূষণের চাপে রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবারের সূচকে রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে দেখা গেছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইকিউএয়ারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বৈশ্বিক দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৪তম। রাজধানীর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে ৮৮, যা ‘মাঝারি’ মানের বায়ু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তালিকায় উল্লেখযোগ্যভাবে সবচেয়ে দূষিত শহর হিসেবে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসার নাম বিদ্যমান। সেই শহরের বায়ুমান সূচক ১৮৬, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে অবস্থান করছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জাকার্তার স্কোর ১৫৬। একই স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে দুবাই। এই দুই শহরের বায়ুর মানও ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
এদিকে, সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে চিলির সান্তিয়াগো, উগান্ডার কাম্পালা, ভারতের কলকাতা, ইসরায়েলে জেরুজালেম, সৌদি আরবের রিয়াদ, ভারতের রাজধানী দিল্লি, কাতারের রাজধানী দোহা, ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব, নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম এবং পাকিস্তানের লাহোর।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ০ থেকে ৫০ হলে বায়ুর মান ‘ভালো’ ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কোর ‘মাঝারি’, ১০১ থেকে ১৫০ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ এবং ১৫১ থেকে ২০০ ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যদিকে, ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০ স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়। এই ধরনের পরিস্থিতিতে শিশু, প্রবীণ এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাইরে যাতায়াত সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। গুরুতর দূষণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্যও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় এক মিনিটের মধ্যে দুটি দফায় যে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, তার রেশ একপ্রকার শেষ হতে না হতেই, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাপানের উত্তর উপকূলের কাছে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে জাপানের আবহাওয়া সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এই ভূমিকম্পের জন্য কোনো সুনামির ঝুঁকি নেই।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) উল্লেখ করেছে, ভূমিকম্পটির শক্তি ছিল ৭.২। এটি ইওয়াতে প্রিফেকচারের পূর্ব উপকূলের কাছে আঘাত হানে। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.৯ নির্ধারণ করা হয়েছিল কিন্তু পরে তা সংশোধন করে ৭.২ করা হয়। এ বিষয়ে এপি বিশদ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে। অন্যদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬.৯ বলে উল্লেখ করেছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এ অঞ্চলটি একাধিক শক্তিশালী ভূমিকম্পের কবলে পড়েছে। গত ডিসেম্বরের ভূমিকম্পের পর এক সপ্তাহ ব্যাপী 'মেগা-ভূমিকম্প সতর্কতা' জারি করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার সকালের ব্যস্ত সময়ে জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের কম্পন রাজধানী টোকিওতেও অনুভূত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সরকারের শীর্ষ মুখপাত্র মিনোরু কিহারা।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি টোকিওতে সাংবাদিকদের সামনে বক্তৃতা প্রদানকালে বলেন, পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে ত্রাণ কার্যক্রমের প্রস্তুতি হিসেবে সরকারের জরুরি প্রতিক্রিয়া দল 'মানুষের জীবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব' দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের সম্ভাব্য আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
আওমোরি প্রিফেকচারের হাশিকামি শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোমোকো নাগানে জানান, ভূমিকম্প সতর্কবার্তা জারি হওয়ার সময় তিনি গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং মাঝারি মাত্রার দুলুনি অনুভব করেছিলেন। স্কুলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা নিরাপদ থাকলেও অনেক শিশু আতঙ্কে কেঁদে ফেলেছিল। পরে দিনের সব ক্লাস বাতিল করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বাড়ি পাঠানো হয়।
জাপানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনএইচকে-এর ফুটেজে সেনদাই ও মরিওকাসহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি শহরের সাংবাদিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে যে, কিছু মিনিট ধরে কম্পন অনুভব করার পরও কোনো ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য চোখে পড়েনি। ফুটেজে মানুষদের স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে দেখা গেছে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী কিছু বুলেট ট্রেন ও স্থানীয় রেলসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানি। কর্মকর্তারা রেলপথ ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র: এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মাদক সেবনের অভিযোগে পাঁচজনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৪ জুন), উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে কসবা থানা পুলিশ তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানার নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা এই অভিযানটি পরিচালনা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলার মীরশাহাপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে মো. বাবুল (৩০), মাদলা গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া (২২), কুটি দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে মো. শরিফ মিয়া (৩০), কুটি গ্রামের মৃত কালন সরদারের ছেলে দেলোয়ার (৩৫) এবং কুটি পশ্চিমপাড়া গ্রামের আক্তার মিয়ার ছেলে আকরাম (৩০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এই পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদক সেবনের অপরাধে প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
কসবা থানার সূত্রে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান হিসেবে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এ অভিযানের ধারাবাহিকতায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। সাজাপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানিয়েছেন যে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে পানির মোটর খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে রাশিদুল শেখ (১৮) নামের এক কিশোরের মৃত্যু ঘটে।
এটি ঘটে বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রাজধর পুর গ্রামে।
নিহত কিশোর রাশিদুল শেখ ওই গ্রামের রফিক শেখের পুত্র এবং তার পেশা ছিল একজন দিনমজুর।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাশিদুল একই গ্রামের মোস্তফার বাড়িতে দিনমজুরের কাজ করছিল। বুধবার দুপুরে, সেই বাড়ির পুকুরের পানি সেচার পর মোটর খুলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারের সঙ্গে তার স্পর্শ হয়ে যায়। এর ফলে, সে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং মারাত্মকভাবে আহত হয়। পরে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল রব তালুকদার জানান, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত আছি। এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়ামের নিলাম শেডে অগ্নিকাণ্ডের এক ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৯টা ৪৯ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন। এর আগে, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়ামের নিলাম শেডে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিস পেয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। তাদের প্রচেষ্টায় সকাল ৯টা ৪৯ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ