০৯:১৯ এম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো আলোচনা চলমান নেই এবং অদূর ভবিষ্যতে বৈঠকের সময়ও নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিতে রাখা মাইনগুলোও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তবে ট্রাম্পের বক্তব্যের বিপরীতে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার দাবি, মার্কিন চেষ্টা সফল না হওয়ার পর এখন ওয়াশিংটনই ইরানের শর্ত মেনে আলোচনায় বসার জন্য ‘কাকুতি-মিনতি’ করছে। তবে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা একदम নাকচ করেননি তিনি। তার ভাষ্য হলো, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু সেই আলোচনা ইরানের নির্ধারিত শর্তের ভিত্তিতে হতে হবে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশ মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ইরান দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর একটি জাহাজের সঙ্গে আছড়ে পড়ে এবং অপরটি জলসীমার বাইরে সাগরে পতিত হয়।
আরও পড়ুন: গুলশান-বনানীতে উওরা ডিএনসির অভিযান: নেপথ্যে মাসোহারা আদায় ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ
কিন্তু আবুধাবির এই অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই অভিযোগটিকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এ ধরনের অভিযোগ দুই দেশের সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ক্ষতি করছে এবং আঞ্চলিক পারস্পরিক আস্থা দুর্বল করছে।
ট্রাম্প ও আরাঘচির বক্তব্যে দুই দেশের আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। তাছাড়া হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা এবং নৌ অবরোধের ঘটনাবলী পরিস্থিতিটিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা থাকলেও উভয় পক্ষের অবস্থান এখনো মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন