ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তুরস্ক-সোমালিয়ার যৌথ অভিযানে জিম্মি থাকা কার্গো জাহাজ মুক্ত, ১৪ জলদস্যু নিহত


তুরস্ক-সোমালিয়ার যৌথ অভিযানে জিম্মি থাকা কার্গো জাহাজ মুক্ত, ১৪ জলদস্যু নিহত

তুরস্ক ও সোমালিয়ার যৌথ বাহিনী সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুদের কবল থেকে একটি কার্গো জাহাজ উদ্ধার করেছে। সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১০ দিন ধরে চলা অভিযানে ১৪ জলদস্যু নিহত হয়েছে।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ক্যামেরুনের পতাকাবাহী এমভি লাতুফ জাহাজটি মুক্ত করার জন্য পরিচালিত অভিযানে জলদস্যুদের চারটি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে।

জাহাজটি সোমালিয়ার আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পুন্টল্যান্ডের উপকূলে জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাহিনীর টানা চাপের কারণে জলদস্যুরা জাহাজটি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় এবং পরে বাহিনী জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন: ইরান পরমাণু চুক্তি বজায় রেখেছে: উপপ্রতিনিধি গোলামহোসেইন দারজি

এই অভিযানটি সোমালিয়া ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির আওতায় পরিচালিত হয়। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতার লক্ষ্য হল সোমালিয়ার উপকূলের নিরাপত্তা জোরদার করা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলদস্যুতা দমন করা।

তবে অভিযানে জাহাজটির কতজন ক্রু ছিলেন, তারা সবাই নিরাপদ আছেন কি না এবং অভিযানে বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।

পুন্টল্যান্ডের নুগাল অঞ্চলের গোদব জিরান জেলার জিফলে সম্প্রদায়ের স্থানীয় প্রবীণ আবদুল্লাহি ওয়ারসামে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, জাহাজটি এবং এর ক্রুদের মুক্ত করা হয়েছে।

এমভি লাতুফ জুলাইয়ের শেষ দিকে তুরস্কের তেকিরদাগ বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে ১৭ আগস্ট পুন্টল্যান্ডের নুগাল অঞ্চলের উপকূলীয় জলসীমায় এটি ছিনতাই হয়। মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি বর্তমানে তানজানিয়ার দার এস সালামের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন: ইরানের পরমাণু কর্মসূচি যাচাইয়ের জন্য প্রস্তুত আইএইএ, দাবি গ্রোসি

২০০০ এর দশকে সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল এবং ২০১১ সালে এর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক নৌবাহিনীর মোতায়েন এবং বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুদের হামলা আবার বেড়েছে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত সোমালিয়ার উপকূলে অন্তত ১৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ। এর মধ্যে অন্তত পাঁচটি কার্গো জাহাজকে জিম্মি করা হয়েছে।

সূত্র:

আল জাজিরা

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবরোধ, ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সমষ্টিগত শাস্তির আতঙ্ক

, এএফপি ও এপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঁওতাল কমিউনিটির বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে শিক্ষার্থীদের ‘লুমিনোভা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোহেল,বেরোবি প্রতিনিধি

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


সাঁওতাল কমিউনিটির বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে শিক্ষার্থীদের ‘লুমিনোভা’

সমাজের একটি বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে স্থানীয় সম্পদ ও নবায়নযোগ্য শক্তিকে কাজে লাগিয়ে টেকসই সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন বেরোবির কয়েকজন শিক্ষার্থী। রংপুরের সাঁওতাল কমিউনিটির বিদ্যুৎহীন পরিবারের জন্য বাঁশ ও সৌরশক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে সোলার ল্যাম্প।

শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘লুমিনোভা’।
‘আমরা নতুন নেটওয়ার্ক’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তরুণদের একটি দল সমাজ ও কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে তারা রংপুরের সাঁওতাল কমিউনিটিতে সার্ভে পরিচালনা করেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা ও প্রয়োজনগুলো জানার চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীরা।

সার্ভে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথোপকথনে উঠে আসে, কমিউনিটির অনেক পরিবারের এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে এসব পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে পারছে না। ফলে সন্ধ্যার পর শিশুদের পড়াশোনা, ঘরের কাজসহ বিভিন্ন দৈনন্দিন কার্যক্রমে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

এই সমস্যার সহজ, সাশ্রয়ী ও টেকসই সমাধান খুঁজতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় পরিবেশ ও সম্পদ পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানে প্রচুর বাঁশের উপস্থিতি এবং সৌরশক্তির সহজলভ্যতা তাঁদের নতুন ধারণার দিকে নিয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে পাওয়া বাঁশ ও সৌরশক্তিকে একত্র করে ল্যাম্প তৈরির পরিকল্পনা থেকেই শুরু হয় ‘লুমিনোভা’ প্রকল্প।

উদ্যোক্তাদের মতে, লুমিনোভার লক্ষ্য শুধু বিদ্যুৎবিহীন পরিবারে একটি ল্যাম্প পৌঁছে দেওয়া নয়। বরং কমিউনিটির মানুষকে সৌর প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং তাদের নিজেরাই ল্যাম্প তৈরির দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
প্রাথমিক পর্যায়ে ছোট সোলার প্যানেল ব্যবহার করে ল্যাম্প তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে বড় সোলার প্যানেল ও আরও কার্যকর সৌরব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আলোর পাশাপাশি কমিউনিটির মানুষের প্রযুক্তিগত দক্ষতা তৈরি হবে। ভবিষ্যতে এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা আয় ও স্বাবলম্বিতার সুযোগও তৈরি করতে পারবেন বলে মনে করছেন উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, “লুমিনোভা আমাদের কাছে শুধু একটি সোলার ল্যাম্প নয়। এটি একটি সমস্যা থেকে সমাধানে, অন্ধকার থেকে আলোর পথে এবং নির্ভরশীলতা থেকে স্বাবলম্বিতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি প্রচেষ্টা।”
তাঁদের ভাষ্য, স্থানীয় সম্পদ বাঁশ এবং পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে এমন একটি সমাধান তৈরি করাই তাঁদের লক্ষ্য, যা সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে।
তারা আরও জানান, একটি ল্যাম্প দিয়ে শুধু একটি ঘর আলোকিত করা নয়, বরং আলো, জ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি কমিউনিটির সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়াই ‘লুমিনোভা’র মূল উদ্দেশ্য।

‘লুমিনোভা’ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা হলেন— মাসুম রেজা ও বিশাখা সাহা (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা), সাইয়্যেদা তাসমিম (পরিসংখ্যান), আহানা রয় (সমাজবিজ্ঞান), সাদিয়া সুলতানা (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), মিতানুর মুক্তা (জিডিএস), আনসারী জিহাদ (অর্থনীতি) এবং মাহির ফয়সাল (প্রাণিবিদ্যা, কারমাইকেল কলেজ)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই নেই: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সতর্ক করে বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দল বিএনপি’তে কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধীর স্থান নেই।

২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের সংসদ সদস্যের জন্য বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ উপলক্ষ্যে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি শনিবার এসব মন্তব্য করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের চোখ-কান খোলা আছে। মাদকজাতীয় অপরাধের সাথে যে-ই জড়িত থাকবে, সে যদি আমার দলের বড় নেতাও হয়, তাকে আগে থাপ্পড় দিব, তারপরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করব-এটা ওয়াদা করতে পারি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি’তে কেউ মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে পারবে না।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, অপরাধী বা মাদক ব্যবসায়ীকে ধরার ক্ষেত্রে অনেক সময় রাজনৈতিক পরিচয়ের অজুহাত দিয়ে অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। তাই এই সমস্যা সমাধানে কেবল রাজনৈতিক সদিচ্ছাই যথেষ্ট নয়, বরং পাড়ায়-মহল্লায় মুরব্বি ও সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে একটি তীব্র সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অভিভাবক ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠলে প্রশাসনও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে।

কেরানীগঞ্জের ভৌগোলিক ও জনসংখ্যার পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, গত ২০-৩০ বছরে কেরানীগঞ্জের জনসংখ্যা ৪ লাখ থেকে প্রায় ২০ লাখে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় খেলার মাঠের মারাত্মক অভাব দেখা দিয়েছে। ঐতিহ্যবাহী চুনকুটিয়া মাঠসহ বিভিন্ন খেলার মাঠ দখল ও প্লট বাণিজ্যের কারণে সংকুচিত হয়ে গেছে। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সন্তানদের লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের আগ্রহ ও ঝোঁক কোন দিকে-তা খেয়াল রাখুন। খেলাধুলা, গান-বাজনা বা নাট্যচর্চা কোনোটাই খারাপ নয়। সন্তানদের যার যার প্রতিভা বিকাশে উৎসাহ দিন, যেন তারা দেশ ও বিশ্বের বুকে সুনাম অর্জন করতে পারে।’

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া বৈদেশিক ঋণের বোঝা ও দুর্নীতির কারণে বর্তমানে সরকারের অর্থ তহবিলে কিছুটা টান পড়েছে। যার ফলে উন্নয়ন কাজের গতি কিছুটা ধীর হতে পারে। তবে আমরা কোনো অনিয়ম ও ষড়যন্ত্রের কাছে হার মানব না।’ তিনি ২০১৮ সালের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই স্কুলেই বিগত দিনে দিনের ভোট রাতে দেয়া হয়েছিল। বিনা ভোটে ক্ষমতায় আসার যে অপসংস্কৃতি ছিল, তা চিরতরে কবর দিতে হবে। জনগণের ভোটের মাধ্যমেই আগামী দিনের রাজনীতি ও নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসন-১১ (জাতীয় সংসদ)-এর সংসদ সদস্য এবং কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র শীর্ষনেত্রী অ্যাড. নিপুন রায় চৌধুরী।

অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও ক্রীড়া সংগঠনের প্রতিনিধিদের মাঝে ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. নিপুন রায় চৌধুরীর হাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার : এলজিআরডি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার : এলজিআরডি মন্ত্রী

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকার আগ্রহী বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যে জনশক্তি রপ্তানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আজ সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা বিন ওসমানের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার সফরটি সফল হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ সময় বিশেষভাবে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি, অনিবন্ধিত শ্রমিকদের নিবন্ধন, বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে হাসপাতাল নির্মাণ, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ এবং খেলাধুলার সামগ্রী উৎপাদনে সহযোগিতার বিষয়গুলো উঠে আসে।

এতে ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি, নির্মাণ খাত এবং হালাল ফুডসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬৪ জেলায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেওয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


৬৪ জেলায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেওয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট

বিরোধী দলের ১১ জন সংসদ সদস্য হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন, যা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে। আজ রবিবার, আইনজীবী শিশির মনিরের মাধ্যমে এই রিট আবেদন করা হয়।

 

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হয়।

আবেদনকারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন নাজিবুর রহমান, মীর আহমেদ বিন কাসেম, গোলাম রাব্বানী, নুরুল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ, মো. আজিজুর রহমান, শেখ মনজুরুল হক, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সালাউদ্দিন ও মো. জহিরুল ইসলাম। হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এই রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, ২০০১ সালে একইভাবে জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছিল। উক্ত রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ সেই দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল।

শিশির মনির মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী, এই ধরনের সিদ্ধান্ত আইনগত কর্তৃত্বের বাইরে এবং বেআইনি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%