ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন


প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি-পদায়নের নীতিমালায় আবারও বড় ধরনের পরিবর্তন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরিবর্তনের আওতায়, কমিটিতে গণ্যমান্য ব্যক্তির পরিবর্তে শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নতুন ৭টি শর্তেও যুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বদলি কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুজন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। পাশাপাশি, জাতীয় কমিটির সভাপতি হচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)। পূর্বে এই পদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদ ও বিএনপি একাকার হয়ে গেছে: সাদিক কায়েম

নতুন শর্তের অংশ হিসেবে, চাকরির ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। যাদের বিদায়ের পর তিন বছর না হলে পুনরায় বদলির সুযোগ থাকবে না। অতিরিক্তভাবে, শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা হবে এবং শিক্ষকের আবেদন ছাড়া বদলি করা যাবে না। তবে, জনস্বার্থে জাতীয় কমিটির অনুমোদনে ব্যতিক্রম করা যেতে পারে।

এছাড়া, পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক থাকা অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১ দশমিক ৪০-এর বেশি এমন বিদ্যালয় থেকে বদলি করা যাবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক আবেদন হলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা হবে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের স্থায়ী বা স্বামীর ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান এমপি জিন্নাহ কবিরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান এমপি জিন্নাহ কবিরের

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির সকলকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহারে বৃক্ষরোপণের কথা বলেছিলেন।

আজ সেটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। গাছ মানুষকে ফল, ছায়া, অক্সিজেন, কাঠের চাহিদা পূরুণ করে। গাছ পরিবেশকে রক্ষা করে।

গাছ মানুষদের বিপদের বন্ধু।

শনিবার বিকেলে দৌলতপুরে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই কথা বলেন।

গাছের চারা বিতরণ শেষে তিনি স্থানীয় প্রমোদা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃক্ষরোপণ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মানিকগঞ্জ-১ আসনের তিনটি উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোশতাক হোসেন দিপু, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি, আক্তারুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েলসহ জেলা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসিকে আটকাতে ভিন্ন ছক স্পেনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


মেসিকে আটকাতে ভিন্ন ছক স্পেনের

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে বর্তমানে উত্তেজনার পারদ চরমে। ফুটবল বিশ্বের দৃষ্টি এখন নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের দিকে, যেখানে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা এবং স্পেন। তবে আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি নাম, লিওনেল মেসি। ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে আটকানোই বর্তমানে স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ফাইনালের সন্নিকটে সংবাদ সম্মেলনে লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজের পরিকল্পনা সন্নিবেশিত করেছেন। তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, মেসিকে থামানোর জন্য তার দলের কোনো ব্যক্তিগত মার্কিং কিংবা পুরনো যেকোনো কৌশল নেই।

লুইস দে লা ফুয়েন্তের মতে, মেসিকে কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড় দ্বারা থামানো অসম্ভব। তিনি পুরো দলের সমন্বিত প্রচেষ্টা নিয়ে ভরসা রাখতে চান। স্প্যানিশ কোচের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মাঠের সেই স্থানগুলোতে যেখানে মেসি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, সেখানে বল পাওয়ার আগে পাসিং লাইনগুলো বন্ধ করে দেয়া। অর্থাৎ, মেসিকে ঘিরে একটি রক্ষণভাগের দেয়াল তৈরি করে তাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা স্পেনের প্রধান উদ্দেশ্য।

অন্যদিকে, স্পেনের এই সতর্ক বার্তার প্রেক্ষিতে আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনিও নিশ্চয়ই বসে নেই। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মাঝমাঠের এই সম্ভাব্য লড়াই মোকাবিলায় স্কালোনি নতুন কোনো ট্যাকটিক্যাল চমক সামনে আনতে পারেন।

সূত্র: মার্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার: সাগরে বিলীন বহু প্রাণ, শাল্লা পুলিশের কার্যকর অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ফারুক সুনামগঞ্জ শাল্লা প্রতিনিধি

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার: সাগরে বিলীন বহু প্রাণ, শাল্লা পুলিশের কার্যকর অভিযান

সুনামগঞ্জের শাল্লা থানা পুলিশ আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য তাফাজ্জুল মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে।

লিবিয়ার মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১৮ জুলাই (শনিবার) শাল্লা থানার একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তাফাজ্জুল শাল্লা গ্রামের মৃত মো. মদন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের নির্দেশে এবং শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই মো. শাহজাহান ও এসআই ইমাম আরফিনসহ পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান পরিচালনা করে।

ভয়াবহ প্রতারণার শিকার ভিকটিম মাসুদ রানা রাকিবকে সুদূর ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এই মানবপাচারকারী চক্র প্রথমে ২২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর সে লিবিয়ার মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং সেখানে রাকিবের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে সেই নির্যাতনের ভিডিও তার পরিবারের কাছে পাঠিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়।

পরবর্তীতে রাকিব মানবেতর জীবনযাপন করার পর, প্রবাসীদের সহায়তায় এবং International Organization for Migration (IOM) ও বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ প্রচেষ্টায় ১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বিমানযোগে দেশে ফিরে আসেন।

এই চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। পলাতক আসামি মো. আকাশ মিয়া (২৭) এই আন্তর্জাতিক চক্রের মূল সমন্বয়ক, যে অপরাপর আসামিদের সহায়তায় অবৈধ পথে ইউরোপে নেওয়ার নামে অসংখ্য মানুষের জীবন সাগরে বিলীন করে দিয়েছে।

শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানিয়েছেন, "মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাল্লা থানায় একটি মামলা (মামলা নং-১১, জিআর নং-৭৭) দায়ের করা হয়েছে। এই চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার বাকি দুই পলাতক আসামি মো. আকাশ মিয়া (২৭) ও গুলজার মিয়াকে (৫২) গ্রেফতারের জন্য পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"

ভুক্তভোগী পরিবারটি এই চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিখোঁজ ও প্রতারিত হওয়া অন্য পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১৪০০ বৈদ্যুতিক বাস আনছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১৪০০ বৈদ্যুতিক বাস আনছে সরকার

দেশের গণপরিবহনব্যবস্থাকে আরো আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করার জন্য সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি বৈদ্যুতিক (ইভি) বাস চালুর। এই পরিকল্পনার সঙ্গে সারা দেশে একটি সর্বজনীন ইভি চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং মনোরেলসহ নতুন গণপরিবহনব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগও রয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া সাক্ষাৎকারে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানিয়েছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশের পরিবহনব্যবস্থাকে আরো পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও কার্যকর করে তুলতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক বাস বহর গঠন করতে সরকার একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এছাড়া ৫০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার একটি প্রস্তাব অর্থায়নের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ৩০০টি বৈদ্যুতিক বাসের প্রকল্পে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার একটি প্রকল্পও অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। বৈদ্যুতিক বাস ক্রয়ের প্রক্রিয়াকে দ্রুততা দেওয়া জন্য সরকার ৪০০ কোটি টাকা করে দুটি পৃথক ক্রয় প্যাকেজ যুক্ত করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় নারী যাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ বাস বহর থাকবে, যেখানে বাসের সংখ্যা প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ১০০টিরও বেশি রয়েছে।

সচিব জানিয়েছেন, 'সব মিলিয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের গণপরিবহনব্যবস্থায় প্রায় ১ হাজার ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস যুক্ত করা সম্ভব হবে।'

তিনি জানিয়েছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছরের শুরুতে নির্বাচিত কিছু রুটে এর দৃশ্যমান প্রভাব দেখা যাবে বলে সরকার আশা করছে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ২০০টি বৈদ্যুতিক বাস চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই রূপান্তরকে সফল করার জন্য সরকার একই সঙ্গে সারা দেশে কারিগরি মানদণ্ডের ভিত্তিতে একটি সর্বজনীন চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তুলছে। সচিব বলেছেন, চার্জিং স্টেশনগুলো কোনো বিশেষ প্রতিষ্ঠানের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না। ফলে এটি একটি সাধারণ চার্জিং ব্যবস্থার আওতায় বেসরকারি অপারেটররাও ব্যবহার করতে পারবেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) দেশের ৬৪টি জেলায় তাদের নিজস্ব জমিতে চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। অতিরিক্ত সক্ষমতা থাকলে এসব স্টেশন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বেসরকারি অপারেটরদের জন্যও খোলা হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কারিগরি কমিটি বৈদ্যুতিক বাসের জন্য অভিন্ন কারিগরি মানদণ্ড তৈরির কাজ করছে। এতে ব্যাটারিব্যবস্থা, চার্জিং প্রযুক্তি এবং যান্ত্রিক সহায়তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রাথমিকভাবে এসব মানদণ্ড বাসের জন্য প্রযোজ্য হলেও, পরবর্তীতে তা বৈদ্যুতিক মিনিবাস ও ট্রাকের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণ করা হবে। সরকারের বৃহত্তর পরিবহন বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে, বৈদ্যুতিক বাসের পাশাপাশি মেট্রো রেল সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প নয় এমন রুটে বিকল্প গণপরিবহন হিসেবে মনোরেল চালুর সম্ভাবনাও যাচাই করা হচ্ছে।

সচিব বলেছেন, সম্ভাব্য মনোরেল রুট এবং এর কারিগরি সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের দায়িত্ব বুয়েটকে দেওয়া হয়েছে। পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শেষে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ব্যবস্থার উপর একটি সমন্বিত উপস্থাপনা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ এখনো বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তি গ্রহণের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এ খাতে পর্যাপ্ত দেশীয় দক্ষতা গড়ে ওঠেনি। সরকার বেসরকারি বাস মালিকদের বৈদ্যুতিক বাসে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কর ছাড়সহ বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

তবে, অনেক বেসরকারি পরিবহন অপারেটর বিআরটিসির প্রাথমিক বৈদ্যুতিক বাস বহরের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করার আগে বিনিয়োগ করতে চাইছেন। বৈদ্যুতিক বাস প্রযুক্তির তুলনামূলক বেশি ব্যয় এবং যাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়া- এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে ভর্তুকি ব্যবস্থা ও ভাড়ার কাঠামো নিয়ে।

ড. জিয়াউল হক বলেছেন, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও যাত্রীবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ হিসেবে সরকার ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়নসহ পরিবহনের অন্যান্য বৃহত্তর সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%