ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির


বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ প্রধান বিচারপতি ঢাকা বিভাগে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে একটি অভিভাষণ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল ১০ টায় সুপ্রিম কোর্টে ঢাকা বিভাগে কর্মরত সকল জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি অভিভাষণ প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: আইজিপির পুলিশের উদ্দেশে গুজব ও অপেশাদারিত্বে না জড়ানোর বার্তা

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সকল জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ তাঁদের বক্তব্যে বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি, জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়সমূহ তুলে ধরেন।

প্রধান বিচারপতি তাঁর অভিভাষণে জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

আজকের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচারিক কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: তাজমিন হত্যাকাণ্ডে প্রেমিক রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জ জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


মুন্সীগঞ্জ জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে মির্জা ফখরুল

আজ মুন্সীগঞ্জ জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মুন্সীগঞ্জ জেলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, জেলার সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন এবং জনসেবার মানোন্নয়নে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ মন্ত্রী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং মতবিনিময় সভা প্রভৃতি কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মুন্সীগঞ্জের উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার মুন্সীগঞ্জের যে কোনও উন্নয়ন করেনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার মুন্সীগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করে যাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফিরে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ ঘোষণা করেছিলেন এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন। তিনি তাঁর পিতা-মাতার দেখানো পথে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।’

সফরের শুরুতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর বাজারে দোতলা গ্রামীণ মার্কেট নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে তিনি গজারিয়া উপজেলার আওতাধীন ব্র্যাক অফিস-ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদ সড়কের চেইনেজ ২০০০ মিটার পর্যন্ত পুনর্বাসন ও প্রশস্তকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

পরবর্তীতে মন্ত্রী মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ইসলামপুর এলাকার কাঠেরপুল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে সেতুটির বর্তমান অবস্থা, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সেখানে একটি সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন। পরে তিনি জুলাই আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদেশে নির্বাসিত অবস্থায় ছিলেন। জনগণের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। কাজেই গণতন্ত্রের বিষয়ে আমাদের প্রশ্ন করা সমীচীন হবে না। জামায়াতে ইসলাম কোনো গণতান্ত্রিক দলই না, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে, একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না বিএনপি। আমরা একমাত্র দল, যারা গত ৫০ বছর যাবৎ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে আসছি, সংগ্রাম করে আসছি।’

তিনি প্রধানমন্ত্রী মালেয়শিয়া সফর নিয়ে সাংবাদিকদের জবাবে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো শক্তিশালী ও জোরদার হবে। মালেশিয়ায় শ্রম বাজার বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। শ্রম বাজার খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হবে।’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকার ৩ মাসে অনেক কাজ করেছে, কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছে, ইমাম মুয়াজ্জিন, পুরোহিতদের ভাতা প্রদান করছে।’

মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ এবং দেশের বিভিন্ন আসন থেকে নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী আসনের কতিপয় সংসদ সদস্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিশ্ব শরণার্থী দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালি

মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারে ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আলোচনা সভা ও র‍্যালি আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং রোহিঙ্গা কমিউনিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সকালে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যা ক্যাম্পের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভায় কয়েক শতাধিক রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের অতিরিক্ত ইনচার্জ হাবিবুর রহমান, রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা মাজেদ আবদুল্লাহসহ বিভিন্ন কমিউনিটি প্রতিনিধি এবং এনজিওকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘের প্রতি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এর পাশাপাশি বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে উখিয়া এবং টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাস্তুচ্যুত জীবন কাটানোর পরও প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ায় উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। তাই মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে দ্রুত প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়।

এদিকে ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসে নতুন করে সামনে এসেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী সংকট, বাংলাদেশে আশ্রিত ১৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযানের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা প্রায় ৯ বছর ধরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছেন, তবুও এখনও কার্যকর প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় দিন কাটছে তাদের।

বর্তমানে শরণার্থী শিবিরগুলোতে সীমিত সুযোগ-সুবিধা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব এবং চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে রোহিঙ্গাদের জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গা নেতারা জানাচ্ছেন, মিয়ানমারে নাগরিকত্বের স্বীকৃতি, নিরাপত্তা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে তারা নিজ ভূমিতে ফিরে যেতে চান। বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় আশ্রয় পেলেও দীর্ঘমেয়াদী ক্যাম্পজীবন কোনো সমাধান নয় বলে তাদের মত।

এদিকে দীর্ঘস্থায়ী এই সংকট স্থানীয় জনগণের ওপরও বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতাদের মতে, কর্মসংস্থান, পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর রোহিঙ্গা সংকটের নেতিবাচক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলে জনসংখ্যার ভারসাম্য, শ্রমবাজার ও নিরাপত্তার পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মসংস্থান ও শিক্ষার সুযোগ সীমিত হওয়ায় বিপুলসংখ্যক তরুণ রোহিঙ্গাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। আরসা, আরএসওসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, টার্গেট কিলিং এবং মাদক চোরাচালান দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সরকারের কঠোর নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের ফলে গত কয়েক বছরে ক্যাম্পে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের মঞ্চে ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


বিশ্বকাপের মঞ্চে ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই!

ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে সাধারণত দেশপ্রেমের জয়গান শোনা যায়, কিন্তু এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল যেন কিছুটা ব্যতিক্রমী গল্পের জন্ম দিয়েছে।

একদিকে যখন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে লড়াইয়ের প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে তখন পরিবারের অন্দরে শুরু হয়েছে এক অদ্ভুত দোলাচল। এবারের বিশ্বকাপে এমন চারটি সেটের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে আপন ভাইয়েরা খেলছেন ভিন্ন ভিন্ন দেশের হয়ে। বাবা-মায়ের জন্য এটি যে চরম এক অগ্নিপরীক্ষা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এই ভ্রাতৃদ্বন্দ্বের তালিকায় প্রথমেই উঠে আসে ডুয়ে পরিবারের নাম। দুই ভাই দেজিরে ও গুয়েলা ডুয়ে। ফ্রান্সের অঁজে শহরে জন্ম নেওয়া এই দুই ভাই বর্তমানে ক্লাব ফুটবলে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন এবং স্ত্রাসবুর্গের হয়ে খেললেও, আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনায় বেছে নিয়েছেন আলাদা পথ। ২১ বছর বয়সী দেজিরে খেলছেন ফ্রান্সের হয়ে, আর ২৩ বছর বয়সী গুয়েলা প্রতিনিধিত্ব করছেন আইভরি কোস্টের। ভাগ্যের লিখন যদি সহায় হয়, তবে আগামী ৩০ জুন আর্লিংটনে নকআউট পর্বে মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই ভাই। যদিও এর আগে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ এসেছিল, তবে দেজিরে মাঠে না নামায় সেবার আর ভাইয়ের মুখোমুখি লড়াই দেখা হয়নি গুয়েলার।

এদিকে স্পেন ও ঘানার লড়াইয়ে ফুটবলপ্রেমীরা সাক্ষী হতে যাচ্ছেন উইলিয়ামস ভ্রাতৃদ্বয়ের লড়াইয়ের। ইনাকি ও নিকো উইলিয়ামস; দুই ভাই জন্মসূত্রে বাস্ক হলেও জাতীয় দলের জার্সি নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিয়েছেন ভিন্ন সিদ্ধান্ত। স্পেনের হয়ে খেলা নিকো ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রমাণ করেছেন, অন্যদিকে বড় ভাই ইনাকি খেলছেন ঘানার জার্সিতে। একই রকম চিত্র দেখা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও স্কটল্যান্ডের ক্ষেত্রে। হ্যারি সুটার খেলছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে, অথচ তার ভাই জন সুটার লড়ছেন স্কটল্যান্ডের জার্সি গায়ে। এমনকি নেদারল্যান্ডস ও ঘানার মধ্যকার দ্বন্দ্বেও উঠে এসেছে এমন এক বিরল দৃশ্য, যেখানে ডাচ বংশোদ্ভূত ডেরিক লাকাসেন খেলছেন ঘানার হয়ে, আর তার সৎ ভাই ব্রায়ান ব্রোবি প্রতিনিধিত্ব করছেন নেদারল্যান্ডসের।

বিশ্বকাপের মঞ্চে আপন ভাইদের প্রতিপক্ষের ভূমিকায় দেখার বিষয়টি অবশ্য একেবারেই নতুন নয়। এর আগে ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপে জেরোম বোয়েটাং ও কেভিন-প্রিন্স বোয়েটাংয়ের মুখোমুখি লড়াই ফুটবল বিশ্ব দেখেছে। তবে এবারের আসরে যেন এই প্রবণতা আরও বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে। ভিন্ন ভিন্ন দলের হয়ে মাঠে নামা এই খেলোয়াড়রা যখন নিজেদের দেশের হয়ে লড়বেন, তখন গ্যালারিতে থাকা তাদের বাবা-মায়ের হৃদস্পন্দন যে দ্বিধাবিভক্ত হবে, তা বলাই বাহুল্য। মাঠের লড়াইয়ে একে অপরের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হলেও, রক্ত আর পরিবারের টান যে সবকিছুর ঊর্ধ্বে, তা বারবার প্রমাণ করে চলেছেন এই তারকারা। মূলত জয়ের তাড়না আর জাতীয় দলের প্রতি দায়বদ্ধতা তাদের বাধ্য করছে আপন ভাইয়ের বিপক্ষেই রণকৌশল সাজাতে। এই অদ্ভূত সমীকরণই এবারের বিশ্বকাপকে নিয়ে গেছে এক ভিন্ন উচ্চতায়।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটবলের চেয়ে বিজ্ঞাপনই বেশি? ফিফার নতুন কৌশল ঘিরে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


ফুটবলের চেয়ে বিজ্ঞাপনই বেশি? ফিফার নতুন কৌশল ঘিরে বিতর্ক

বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার নতুন একটি সাম্প্রতিক বাণিজ্যিকতার রূপ দেখা যাচ্ছে। টিকিটের দাম, সম্প্রচার বিজ্ঞাপন এবং স্টেডিয়াম ব্র্যান্ডিংয়ের পর এবার নতুন করে রেফারিং ইউনিটেও যুক্ত হয়েছে স্পনসরশিপের ছোঁয়া। চতুর্থ অফিশিয়ালের পোশাকে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে একটি ব্র্যান্ডের লোগো, যা ফুটবল বিশ্বে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা ২০২৩ থেকে ২০২৬ অর্থচক্রে বিশাল আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য পূরণে বিশ্বকাপ থেকেই বড় অংশ আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রতিটি সম্ভাব্য জায়গাকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ডের একটি ম্যাচের সময় প্রথমবার বিষয়টি নজরে আসে। খেলোয়াড় পরিবর্তন ও অতিরিক্ত সময়ের বোর্ড হাতে থাকা চতুর্থ অফিশিয়ালের বগলে স্পষ্টভাবে দেখা যায় একটি ডিওডোরেন্ট ব্র্যান্ডের লোগো। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মতে, খেলাধুলার এমন জায়গায় বিজ্ঞাপন তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে।

এছাড়া শুধু পোশাক নয়, অতিরিক্ত সময়, খেলোয়াড় বদল এবং ম্যাচ পরিচালনার বিভিন্ন উপকরণেও বিজ্ঞাপনের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে প্রধান রেফারি ও সহকারী রেফারিদের ইউনিফর্মে এখনও এমন বিজ্ঞাপন যুক্ত করা হয়নি।

বিশ্বকাপ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো, দল সংখ্যা এবং ম্যাচ সংখ্যার কারণে ইতিমধ্যে আয় ও দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। একদিনেই কয়েক লাখ দর্শকের উপস্থিতি আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে বলেও জানা যায়।

ফিফার পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়ে থাকে, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয় সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়। তবে এবার রেফারিং ইউনিট পর্যন্ত স্পনসরশিপ বিস্তৃত হওয়ায় ফুটবলের বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%