ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে ১৫ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী


চট্টগ্রামে ১৫ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও ১৫ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা’। উদ্বোধনকালে তিনি সবাইকে গাছ লাগানোর পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা করার আহ্বান জানান।

আজ মঙ্গলবার বিকালে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানস্থ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশগত উন্নয়নকেও অগ্রাধিকার দিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে, দেশে পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, গাছ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা অত্যাবশ্যক। বিষয়টি সবাইকে মনে রাখতে হবে এবং গাছ লাগানোর পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা করতে হবে।

সরকারের লক্ষ্যে যদি নাগরিকরা নিজেদের প্রয়োজনের কথা ভেবে গাছ লাগান, তাহলে বাংলাদেশ হবে অন্যতম সবুজ দেশ।’

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ‘সরকার দেশকে সবুজায়নের জন্য আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি লাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তা পূরণে সংশ্লিষ্টদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা পরিচালিত সরকার। সুতরাং, এখানে কোনো প্রকারের ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই। কোথায় কত গাছ লাগানো হচ্ছে, তার হিসাব নেওয়া হবে।’

অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অতিথিবৃন্দ সমাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের হাতে লভ্যাংশের চেক তুলে দেন।

আরও পড়ুন: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদেশি সফর শেষে দেশে ফিরলেন

পরে, অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সেখান থেকে নিজেদের পছন্দের কিছু গাছের চারাও কিনে নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলের গোলান মালভূমির দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দিল কলম্বিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


ইসরাইলের গোলান মালভূমির দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দিল কলম্বিয়া

অধিকৃত সিরীয় গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বের দাবি কলম্বিয়া স্বীকৃতি দিয়েছে। দেশের কট্টর ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই এই ঘোষণা এসেছে।

গত সোমবার (১০ আগস্ট) কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানায়, গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্ব এবং ‘বহিরাগত হুমকি থেকে আত্মরক্ষার অধিকার’ কলম্বিয়া স্বীকার করছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে কলম্বিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বের দাবি স্বীকৃতি দিল, যুক্তরাষ্ট্রের পর। ১৯৮১ সালে ইসরাইল গোলান মালভূমি নিজেদের সঙ্গে একীভূত করার ঘোষণা দেয়, তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশ ওই পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছিল।

কলম্বিয়ার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। তিনি নতুন কলম্বীয় প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলাকে ‘ভালো বন্ধু’ উল্লেখ করে এই স্বীকৃতিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন।

গিদিওন সার জানান, দে লা এসপ্রিয়েলার শপথ গ্রহণের এক দিন আগে কলম্বিয়ার বারানকিয়ায় বৈঠকের সময় গোলান মালভূমি নিয়ে এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল।

১৯৬৭ সালের ছয় দিনের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে সিরিয়ার কাছ থেকে গোলান মালভূমির অধিকাংশ দখল করে নেয় ইসরাইল। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে অঞ্চলটি নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে তাদেরকে একটি চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত করার ঘোষণা দেয়া হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশ এই পদক্ষেপকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করে।

জাতিসংঘ এখনও গোলান মালভূমিকে সিরিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। গত মাসে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ইসরাইলের দখলদারিত্বকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন।

১৯৭৩ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময়ে সিরিয়া গোলান মালভূমি পুনর্দখলের চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৪ সালে ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।

২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের দাবি স্বীকৃতি দেয়, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

কলম্বিয়ার এই স্বীকৃতি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সিরিয়ায় ইসরাইলের সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ইসরাইল সিরিয়ার ভূখণ্ডে সামরিক তৎপরতা জোরদার করে।

ইসরাইল জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণে থাকা একটি বাফার জোনে সেনা মোতায়েন করেছে এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এলাকা দখলে নিয়েছে, যার মধ্যে দামেস্কের দিকে নজর রাখা সিরিয়ার জাবাল আল-শেখ বা মাউন্ট হারমনের অংশও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেড় দশকে দেশের সব ইনস্টিটিউট ধ্বংস করা হয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


দেড় দশকে দেশের সব ইনস্টিটিউট ধ্বংস করা হয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, গত দেড় দশকে দেশের প্রতিটি ইনস্টিটিউট ধ্বংস করা হয়েছে। উপদেষ্টা বলেন, ম্যানিপুলেট (কারসাজি) করে নানান রকম মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এই কারণে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আশা করা ঠিক হবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করা একেবারেই ভুল। শ্রীলঙ্কায় সরকারের ইকোনমিক মিসম্যানেজমেন্ট ছিল, যার কারণে সেখানে রিজার্ভ ক্রাইসিস তৈরি হয়েছিল। তবে দেশটিতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছিল এবং সেখানকার ইনস্টিটিউটগুলো ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়নি। তাই নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের জন্য অর্থনৈতিক সংস্কার করা অনেক সহজ ছিল।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে, রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের সামনে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ও প্রবৃদ্ধির একটি অতিরঞ্জিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আওয়ামী লীগের শেষ তিন-চার বছর বাংলাদেশে একটি স্থবিরতা এবং মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতির মধ্যে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি মন্তব্য করেন, আমি বলছি না, আমাদের ভবিষ্যৎ খুব খারাপ। কিন্তু আমাদের কোন ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছি, সেটা সম্ভবত মাথায় রাখা দরকার। গত ১৫ বছরে যে বিপর্যয়ের শাসন ছিল, তার মাশুল আমরা এখনো দিচ্ছি। আমরা বর্তমানে যে জায়গায় রয়েছি, সেখান থেকে কারিগরি দিক বিবেচনায় মনে হতে পারে, আমাদের অর্থনৈতিক সংস্কার বা প্রবৃদ্ধি অন্তত আরও দ্রুত হওয়া উচিত ছিল। আমি যতদূর অর্থনীতি বুঝি, আমার কাছে এটাও খুব সহজ কোনো কারণে মনে হয় না।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে পুলিশসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসা সহজ নয়। আমলাতন্ত্রের অনেকের মধ্যে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের সঙ্গে কীভাবে কাজ করতে হয়, সেই বোধও হারিয়ে গেছে। নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার দ্রুত ফলাফল চাইবে। কারণ সেই ফলাফল দেখিয়ে আবার ভোট চাইবে। গত ১৫ বছর ধরে এই প্রবণতাগুলো ছিল না। এ কারণেই আমি মনে করি, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের বিষয়গুলো একে অপরের সঙ্গে গাঁথা। এগুলো বাস্তবায়নে কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন।

অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা ড. এম মাশরুর রিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবু আহমেদ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার এবং অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশীয় বিনিয়োগকারীদের আরও উৎসাহিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


দেশীয় বিনিয়োগকারীদের আরও উৎসাহিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদেশি বিনিয়োগ অবশ্যই আসবে। কিন্তু দেশীয় বিনিয়োগকারী এবং উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করাও জরুরি। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের যে নীতি সহায়তা প্রয়োজন, তা প্রদান করা হবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল দুইটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে লিজ দেওয়ার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করতে পারলে একদিকে মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং তাদের জীবনের নিশ্চয়তা প্রদান করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে এভাবে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। যখন জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত হয়, তখন রাষ্ট্রও শক্তিশালী হয়। সাধারণ মানুষকে অভাবে রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশকে অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।

সরকারের মূল নীতি হলো সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করা। সকলের সহযোগিতায় একটি সুন্দর ও শক্তিশালী দেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী এবং হ্যামকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাকে কুর্দি কমালা পার্টির সদর দফতরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


ইরাকে কুর্দি কমালা পার্টির সদর দফতরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে কুর্দি রাজনৈতিক সংগঠন কমালা পার্টির সদর দফতরকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

মঙ্গলবার বিকালে এরবিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দুলি আলান এলাকায় সংগঠনটির সদর দফতরে উক্ত হামলা হয়েছে বলে কমালা পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কমালা পার্টির মুখপাত্র আমজাদ পানাহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জানান, ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র মঙ্গলবার বিকালে সংগঠনটির সদর দফতরে আঘাত হানে। তবে আগাম প্রস্তুতি ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া থাকায় দলের সদস্যরা নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।

হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

ইরানের কুর্দি বিরোধীদের লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। কমালা, যা ‘কুর্দিশ টোয়েলার্স পার্টি’ হিসেবেও পরিচিত, ইরানের কুর্দিদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় একটি কুর্দি রাজনৈতিক বিরোধী সংগঠন। এই সংগঠনটি দীর্ঘকাল ধরে ইরান সরকারের বিরোধিতা করে আসছে এবং অতীতে অনেকবার ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

ইরানের সীমান্তের বাইরে, ইরাকের কুর্দি অঞ্চলে কমালা ও অন্যান্য ইরানবিরোধী কুর্দি গোষ্ঠীর ঘাঁটি রয়েছে। তেহরান এই সংগঠনগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।

কমালা পার্টির মুখপাত্র পানাহির দাবি, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সংগঠনটির সদর দফতর ও বিভিন্ন ক্যাম্প লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী ১০২টির অধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে।

তবে ইরানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সর্বশেষ হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুই সপ্তাহ আগেও একটি হামলা ঘটে। কমালা পার্টির ওপর সর্বশেষ হামলার মাত্র দুই সপ্তাহ আগে সংগঠনটির আলানা উপত্যকার এক ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছিল।

ওই হামলায় কমালা পার্টির ছয় সদস্য আহত হন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।

এর পর আবারও সংগঠনটির সদর দফতর লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলো। ফলে ইরাকের কুর্দি অঞ্চলে অবস্থানরত ইরানবিরোধী কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর ওপর তেহরানের সামরিক চাপ আরও বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইরাকের কুর্দি অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানের সীমান্তবর্তী ইরাকের কুর্দি অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে তেহরানবিরোধী কুর্দি সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ইরানের অভিযোগ, এসব গোষ্ঠী ইরানের ভেতর হামলা এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

অন্যদিকে, কুর্দি সংগঠনগুলো দাবি করে যে, তারা মূলত ইরানে কুর্দিদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে।

ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার এবং কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের জন্য এই ধরনের হামলা একটি স্পর্শকাতর বিষয়। কারণ, ইরানের সামরিক অভিযান ইরাকের ভূখণ্ডে সংঘটিত হওয়ার কারণে এটি দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।

সর্বশেষ হামলার মাধ্যমে ইরান-ইরাক সীমান্তবর্তী কুর্দি এলাকায় চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%