ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাচে-গানে ভাইরাল বিউটি রানী পাল সিলেটে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত


নাচে-গানে ভাইরাল বিউটি রানী পাল সিলেটে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত

বিউটি রানী পাল, সেই ভাইরাল শিক্ষিকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘শ্রাবণের মেঘ’ গানে নাচের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল। পাশাপাশি, তিনি ক্লাসে খুদে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের কৌশল প্রদর্শন করে নেতিজেনদের নজরও আকর্ষণ করেন। বলা যায়, নাচ-গানের ভিডিও নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছে, তার চেয়ে তাঁর পাঠদানের দক্ষতা হয়তো অনেকের মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। এই কারণেই তিনি সফলতার স্বীকৃতি পেয়েছেন। এবার তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৬ সালের জন্য সিলেট জেলা পর্যায়ে এই সম্মাননা তাঁকে প্রদান করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পালকে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালে জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত গুণী শিক্ষকদের তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। সম্প্রতি, ‘শ্রাবণের মেঘ’ গানে তাঁর নৃত্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।

আরও পড়ুন: রুয়েটে জঙ্গল থেকে সাইকেল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য

এই বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকসমাজ, লেখক এবং সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিদের একটি অংশ তাঁর পক্ষে অবস্থান নেন এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে তাঁকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁর শিক্ষাদান পদ্ধতি, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো মূল্যায়নে গুরুত্ব পেয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রেক্ষাপটে প্রতি বছর প্রাথমিক পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সেরা শিক্ষকদের বাছাই করা হয়।

আরও পড়ুন: বেতাগীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল দাবি লেবার পার্টির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল দাবি লেবার পার্টির

বাংলাদেশ লেবার পার্টি বিদেশে অবস্থানরত যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।

এই দাবি বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপির মাধ্যমে জানানো হয়। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে স্মারকলিপিটি প্রদান করে।

প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, এআরএম জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মুখপাত্র মো. নাজমুল ইসলাম তালুকদার, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব মো. হেলাল উদ্দিন চৌধুরী এবং দপ্তর সম্পাদক মো. মিরাজ খান।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক কর্মরত ও বসবাস করছেন। তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন এবং নিজ নিজ এলাকার পরিবার, সম্পত্তি, ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কিন্তু বিদেশে অবস্থানের কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ তারা কার্যকরভাবে পাচ্ছেন না।

ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান মন্তব্য করেন, বিদেশে অবস্থান করলেও কোনো নাগরিকের নাগরিকত্ব কিংবা নিজ এলাকার সঙ্গে সম্পর্ক বিলুপ্ত হয় না। তাই আইন অনুযায়ী যোগ্য ও নিবন্ধিত প্রবাসী ভোটারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা এবং নির্বাচন কমিশনের প্রযুক্তিনির্ভর ভোটিং উদ্যোগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও প্রবাসী ভোটারদের জন্য নিরাপদ ও স্বচ্ছ ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

লেবার পার্টির দাবির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচনে যোগ্য প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তথ্যের মাধ্যমে প্রবাসী ভোটারের নিজস্ব নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণ এবং অনলাইন নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা।

এছাড়া ব্যালট পাঠানো, ফেরত গ্রহণ ও গণনায় স্বচ্ছ ও নিরীক্ষাযোগ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, দ্বৈত ভোট প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা সংশোধন, বাংলাদেশি দূতাবাস ও কনস্যুলেটের মাধ্যমে ভোটিং বিষয়ে তথ্য সহায়তা এবং প্রবাসী ভোটাধিকার বাস্তবায়নে সময়সীমাভিত্তিক রোডম্যাপ প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

প্রয়োজনে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী পোস্টাল ভোটিং চালু করার এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বন্দিশিবিরে আসামের চেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বন্দিশিবিরে আসামের চেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি

অ্যাসারুল শেখ আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে কেরালা থেকে তার বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার একটি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। মুর্শিদাবাদের এই প্রবাসী শ্রমিককে বাংলাদেশি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয় এবং ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লালগোলা বন্দিশিবিরে (ডিটেনশন সেন্টার) নিয়ে যাওয়া হয়—এমনটাই জানিয়েছেন অ্যাসারুলের ভাইঝি রোজিনা খাতুন।

ভারতীয় গণমাধ্যম স্ক্রোল-এর পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, জুন মাস থেকে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ অন্তত ৯ জন মুসলিম পুরুষ এবং ২ জন শিশুকে আটক করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি হওয়ার অভিযোগ এনেছে।

পুলিশ কিসের ভিত্তিতে এসব লোকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে তার কোনো কারণ জানায়নি। এমনকি কোনো অফিসিয়াল অভিযোগ বা এফআইআরও দায়ের করেনি। কথিত এই অবৈধ বিদেশিদের পুলিশি অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা কিংবা নাগরিকত্ব প্রমাণের কোনো সুযোগও দেওয়া হয়নি।

"অ্যাসারুলকে আটক করার ২০ দিনেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে, কিন্তু পুলিশ আমাদের এমন কোনো নথি বা নোটিশ দেয়নি যেখানে তাকে বাংলাদেশি বলে সন্দেহ করার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে," স্ক্রোলকে বলেন রোজিনা।

অ্যাসারুলের ভাইঝি আরও জানান, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং তিনি সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভোটও দিয়েছেন। "কিন্তু তারা আমাদের নথিপত্র দেখতেই অস্বীকৃতি জানায়," বলেন তিনি। জুন মাস থেকে আটক হওয়া আরও চারজন ব্যক্তির নামও একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত হয়েছিল।

শনাক্ত, নাম বাতিল এবং বহিষ্কার

মে মাসে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরপরই, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কথিত অবৈধ অভিবাসীদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা বন্দিশিবির গড়ে তোলার ঘোষণা দেয়। এটি তাদের "শনাক্ত, নাম বাতিল এবং বহিষ্কার" নীতির একটি অংশ।

এই নীতি প্রতিবেশী রাজ্য আসামের নাগরিকত্ব নির্ধারণ ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দেয়, যা প্রায়শই স্বেচ্ছাচারী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে সমালোচিত হয়ে আসছে। আরও আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, গবেষক ও আইন বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যবহৃত ‘বিদেশি শনাক্তকরণ পদ্ধতি’ আসামের চেয়েও বেশি নির্মম ও কঠোর। কারণ এটি কোনো প্রকার বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার সুযোগ না রেখে পুলিশ ও প্রশাসনের হাতে একচ্ছত্র ক্ষমতা তুলে দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী সংঞ্জয় হেগড়ে বলেন, বাংলার (পশ্চিমবঙ্গ) এই প্রক্রিয়া পুলিশকে একাধারে নাগরিকত্বের বিচারক, জুরি এবং জল্লাদ হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। তিনি আরও যোগ করেন, "এই প্রক্রিয়ায় শনাক্তকরণ বা বহিষ্কারের বিষয়টি পর্যালোচনা করার জন্য কোনো বিচারবিভাগীয় বা আধা-বিচারবিভাগীয় কর্তৃপক্ষের অস্তিত্বই রাখা হয়নি।"

আসামে অন্তত অভিযুক্তদের ‘ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল’-এ হাজির করে ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট’-এর অধীনে তাদের নাগরিকত্ব বিচার করা হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পুলিশ যাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, তাদের সরাসরি সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে তুলে দিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, অথবা মাসের পর মাস বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল হলো আসামের একটি বিশেষ আধা-বিচারবিভাগীয় সংস্থা যা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত মামলাগুলোর নিষ্পত্তি করে। হেগড়ে বলেন, ‘কমপক্ষে আসামে তো লোকজনকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হতো, সেখানে আইনি প্রক্রিয়ার একটি ন্যূনতম নিয়ম মেনে চলার নামমাত্র উপস্থিতি ছিল।’

তবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তালহা আব্দুল রহমান একটি ভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, ‘এর অর্থ এই নয় যে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল পরিস্থিতিকে অনেক ভালো করে তোলে। কারণ আমার মতে, ট্রাইব্যুনালগুলো নিজেরাও এক ধরণের প্রহসনের আদালত (ক্যাঙ্গারু কোর্ট) এবং সেগুলো আইনি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে ব্যর্থ।’

সাংবিধানিক নিয়ম লঙ্ঘনের এই অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশকে (ডিজিপি) ইমেইল করেছিল স্ক্রোল। তার কোনো উত্তর পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হবে বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমটি।

মে ২০২৫-এর নির্দেশিকা

স্ক্রোল-এর পর্যালোচনা করা ৯টি বিষয়ের মধ্যে অন্তত একটি ক্ষেত্রে দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কোনো এক ব্যক্তিকে আটক করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২ মে, ২০২৫-এ জারি করা একটি আদেশকে হাতিয়ার করেছে। ওই আদেশে দেশের সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন তারা সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের 'হোল্ডিং সেন্টারে' আটকে রাখে। সেখানে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তির দাবি করা নিজ রাজ্য ও জেলার কর্তৃপক্ষকে ৩০ দিনের মধ্যে তার নাগরিকত্ব যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদি তারা এক মাসের মধ্যে যাচাই করতে ব্যর্থ হয়, তবে অভিযুক্তকে ফেরত বা বহিষ্কার করা যাবে।

কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটক নিহত হওয়ার পর গত বছর এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়।

বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে পুলিশ গত বছর এই আদেশ প্রয়োগ করে বাংলাভাষী মুসলিম পরিযায়ী শ্রমিকদের জোরপূর্বক বহিষ্কার করেছিল। স্ক্রোল-এর পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে যেমনটা জানা গিয়েছিল, বহু ক্ষেত্রে পুলিশ শ্রমিকদের নিজ জেলা থেকে যাচাইকরণ প্রতিবেদন আসার জন্য অপেক্ষাও করেনি, তার আগেই তাদের তাড়িয়ে দিয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আদেশ মেনে না চললেও, নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই লোকজনকে তুলে নিয়ে গিয়ে আটক করতে শুরু করে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রথম যেসব ব্যক্তিদের ওপর এই মে ২০২৫-এর আদেশ জারি করেছিল, তাদের একজন হলেন মুর্শিদাবাদ জেলার নাসির মোল্লা। ১৮ জুন বিকেলে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি থানা থেকে পুলিশ কর্মীরা তার গ্রাম দয়ারামপুরের বাড়িতে এসে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়।

সম্প্রতি সমাপ্ত এসআইআর-এ নাসির মোল্লার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল, তবে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার আপিল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। তার ভাই সুমন মোল্লা এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু হাইকোর্ট নাসিরকে লালগোলা বন্দিশিবির থেকে মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আদালত যুক্তি দেয় যে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫-এর অধীনে নাসির তার নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মোল্লার আইনজীবী মোকারম হোসেন স্ক্রোল-কে বলেন যে, তারা হাইকোর্টের এই আদেশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছেন। ‘পুলিশ কীভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাল যে তিনি একজন বিদেশি?’ প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘প্রমাণ কোথায়? এটি তো এমন কোনো বিষয় নয় যে তাকে সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার সময় ধরা হয়েছে। তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ পরিবারের দাবি, নাসির মোল্লা জন্মসূত্রে ভারতীয় এবং ১৯৫০-এর দশক থেকে তাদের পরিবারের জমির রেকর্ড রয়েছে।

আইনজীবী হোসেন ২০২৪ সালের ‘রহিম আলী’ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক মামলার কথা স্মরণ করিয়ে দেন, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল যে—কাউকে বিদেশি বলে অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সেই অভিযোগ আনা হয়েছে, প্রাকৃতিক বিচারের নিয়ম অনুযায়ী তা ওই ব্যক্তির সাথে ভাগ করে নিতে হবে। আইনজীবী হোসেন বলেন, ‘মোল্লা বা তার পরিবারকে এ জাতীয় কোনো নথিপত্র দেওয়া হয়নি।’

এমনই এক আটকের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একই ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ মুর্শিদাবাদ থেকে ৩৯ বছর বয়সী শাহিদুল শেখকে তার বাড়ি থেকে কেন তুলে নেওয়া হলো—তা ব্যাখ্যা করে পুলিশকে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

আদালত পুলিশ সুপারকে (এসপি) নির্দেশ দিয়েছে, শেখকে আটক করার পর থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্য কী পদক্ষেপ নিয়েছে সে বিষয়ে রিপোর্ট দাখিল করতে। বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে বহু হাজার মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করে এসেছে। আপনি কি সবার বিরুদ্ধে এভাবে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করবেন? এবং এভাবে? মানবাধিকার লঙ্ঘন করে?’

চ্যালেঞ্জের মুখে আদেশের বৈধতা

আইন বিশেষজ্ঞরা আরও নির্দেশ করেছেন যে, মে ২০২৫-এর এই নির্দেশিকাটি নিজেই সংবিধান প্রদত্ত বেশ কয়েকটি সুরক্ষাকবচ লঙ্ঘন করে। সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন এক বাংলাভাষী মুসলিম নারীর ছেলে, যাকে মুম্বাই পুলিশ আটক করে এই বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছিল।

এই আদেশে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার বিষয়ে কোনো কথা বলা হয়নি। এমনকি এটি আগের সেই পদ্ধতিকেও ছেঁটে ফেলেছে, যার মাধ্যমে পুলিশ সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের জাতীয়তা সম্পর্কিত তথ্য সংশ্লিষ্ট হাই কমিশনের সাথে যাচাই করতে বাধ্য থাকত।

গৌহাটি হাইকোর্টে বেশ কয়েকটি নাগরিকত্ব সংক্রান্ত মামলার পক্ষে লড়াই করা আইনজীবী দীপেশ আগরওয়ালা তুলে ধরেন যে—এমনকি কথিত বিদেশি নাগরিকরাও সংবিধানের ২১ ও ২২ অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য এবং হেফাজতে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতেই হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইন জীবী রহমান বলেন, এই বিজ্ঞপ্তিতে যে এসওপি দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী ও অবৈধ।

‘এই এসওপি আসলে বিচারহীনভাবে মানুষকে গায়েব বা গুম করার শামিল,’ স্ক্রোলকে বলেন রহমান। ‘পুলিশ কর্মকর্তার ইচ্ছা এবং তিনি কাকে বিদেশি বলে মনে করছেন—তার ওপর ভিত্তি করেই লোকজনকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। 'অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশি বা মিয়ানমারের নাগরিকদের' কীভাবে শনাক্ত করা হবে সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার জায়গায় ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ও পক্ষপাতকে জায়গা করে দিচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের আরও এক আইনজীবী প্রসন্ন এস. তুলে ধরেন এক মৌলিক বৈপরীত্যের কথা। তিনি জানান—‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫’ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মে মাসের আদেশের মধ্যে মারাত্মক অমিল রয়েছে, যা ব্যবহার করে পুলিশ এই সংক্ষিপ্ত আটক ও জোরপূর্বক বিতাড়ন চালাচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশিকাটি এমন একটি সংবিধিবদ্ধ কাঠামোর অধীনে জারি করা হয়েছিল যা চার মাস পর ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫’ এবং ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অর্ডার, ২০২৫’ দ্বারা প্রতিস্থাপিত বা বাতিল হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘একটি প্রশাসনিক এসওপি কখনো কোনো সংবিধিবদ্ধ আইনে থাকা আইনি সুরক্ষাকে লঙ্ঘন বা বাতিল করতে পারে না। ফলে এই আইনি কাঠামোর বিচারে আদেশের নীতিটি বিচারসাপেক্ষে বাতিলযোগ্য।’ প্রসন্ন এস. শাহিন ফকিরের পক্ষে মামলা লড়ছেন, যিনি গত জুন মাসে তার মাকে আটক করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার পর অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিতাড়ন সংক্রান্ত মে ২০২৫-এর এসওপির আইনি বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।

‘সংবিধানের পরিপন্থী’

অভিযুক্ত ব্যক্তি যে এলাকার বাসিন্দা, সেখানকার জেলা সংগ্রাহকের (ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর) কাছ থেকে রিপোর্ট চাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী রহমান। কোনো কারণে ৩০ দিনের মধ্যে যদি এই প্রতিবেদন না পাওয়া যায়, তবে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘ফরেনার্স রিজিনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস’কে (এফআরআরও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লোকটিকে তাড়িয়ে দিতে।

‘‘এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী। রাজ্যের ব্যর্থতার কারণে একজন ভারতীয় নাগরিককে অবৈধভাবে অন্য একটি দেশে ‘ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া’ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, যে দেশের সাথে তার কোনো সম্পর্কই নেই,’’ তিনি বলেন। গৌহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী আগরওয়ালা উল্লেখ করেন, পুলিশ যদি মে ২০২৫-এর নির্দেশিকা অনুসরণও করে, তবুও এই বিতাড়ন প্রক্রিয়া ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫’-এর অধীনে হতে হবে।

‘শুধুমাত্র অবৈধ অভিবাসী হওয়ার সন্দেহে কাউকেই তাড়িয়ে দেওয়া যায় না,’ তিনি বলেন। ‘আইন অনুযায়ী যেকোনো বিতাড়নের আগে জাতীয়তা যাচাই করা বাধ্যতামূলক। পুলিশ একই সাথে বিচারক ও জল্লাদ হতে পারে না। এটি আমাদের সাংবিধানিক কাঠামোর সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি: সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ শোনা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি: সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ শোনা হলো

সুনামগঞ্জ, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা প্রশাসকের গণশুনানি সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার বেলা ১১ টায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সাপ্তাহিক এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান উপস্থিত থেকে আগত সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের অভাব-অভিযোগ ও আবেদনের বিষয়গুলো শোনেন।

গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাপ্রার্থীরা তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যা এবং সহায়তার আবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খাঁন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীলসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান মনোযোগ সহকারে আগত সকলের বক্তব্য শোনেন। তিনি আবেদনকারীদের সমস্যাসমূহ দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, "সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়া এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন সব সময় আন্তরিক।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের গণশুনানি নাগরিকদের প্রশাসনিক বিভিন্ন সুবিধা লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনকে ১০ কোটি কানাডীয় ডলার সহায়তার ঘোষণা কানাডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


ফিলিস্তিনকে ১০ কোটি কানাডীয় ডলার সহায়তার ঘোষণা কানাডার

কানাডা ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরের জনগণের জন্য নতুনভাবে ১০ কোটি কানাডীয় ডলার সহায়তার ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই ঘোষণা দেন।

ঘোষিত অর্থের মধ্যে ৮ কোটি কানাডীয় ডলার মানবিক সহায়তার জন্য ব্যয় করা হবে। বাকি ২ কোটি ডলার উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্যক্রমে বরাদ্দ করা হবে। এর মধ্যে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কানাডার বহুবছরের কর্মসূচিতে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হবে। কার্নি নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূল হলে গাজাতেও একই ধরনের প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের প্রস্তুতির কথাও উল্লেখ করেন।

কার্নি বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিরা ‘ব্যাপক মানবিক দুর্ভোগের’ মধ্যে রয়েছে। তিনি ইসরায়েলিদের হামাস ও ইরান এবং তাদের মিত্রদের কাছ থেকে আসা নিরাপত্তা হুমকির কথাও তুলে ধরেন। কানাডার নতুন সহায়তার লক্ষ্য হিসেবে তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা ধরে রাখার কথা বলেন।

কানাডা জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি বেসামরিক জনগণের জন্য দেশটির মোট সহায়তার অঙ্গীকার ৬০ কোটি কানাডীয় ডলারের বেশি হয়েছে।

এর আগে জুন মাসে কানাডা ফিলিস্তিনের জন্য আরো ১০ কোটি কানাডীয় ডলার আন্তর্জাতিক সহায়তা ঘোষণা করেছিল। সেই অর্থের বড় অংশ জরুরি চিকিৎসা, খাদ্য, পানি, স্যানিটেশন, আশ্রয় ও সুরক্ষা কার্যক্রমে ব্যয়ের পরিকল্পনা ছিল।

সূত্র: কানাডিয়ান প্রেস, কানাডা সরকার, আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%