শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৬ পি.এম
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আজ বিজিবি’র যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।
আজ শনিবার সকাল ১০টায় শার্শা উপজেলার কাশিপুর বিওপির সন্নিকটে অবস্থিত সমাধিস্থলে বিজিবি’র পক্ষ থেকে এ শ্রদ্ধা নিবেদন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এরপর, তার রুহের মাগফেরাত কামনায় ফাতেহা পাঠ করা হয় এবং বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। শেষে, উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।
এ সময় যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর উপ-অধিনায়ক মেজর নূর উদ্দিন আহমাদ, সহকারী পরিচালক মো. মাছেদুল ইসলাম খাঁন, বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বাসসকে জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পররাষ্ট্রনীতির আওতায় দেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও উন্নয়নের সুযোগ বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন।
আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলন ও বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি।
শামা ওবায়েদ বলেন, এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নতুন যাত্রা, নতুন সম্ভাবনা ও নতুন আকাক্সক্ষার প্রতীক।
তিনি জানান, নতুন গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রথমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল এবং সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করবেন, যা সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পররাষ্ট্রনীতির আলোকে হবে।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন শুরু হবে। এবারের অধিবেশনে দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি প্রতিরোধ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন অধিকার ঘোষণার ৪০তম বার্ষিকীর মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
শামা ওবায়েদ আরও জানান, এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য বাড়তি তাৎপর্য বহন করছে। কারণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাধারণ পরিষদের এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনের ফলে জাতীয় গৌরব বৃদ্ধি পেয়েছে। সাইপ্রাস প্রায় এক দশক ধরে এই পদের জন্য প্রচারণা চালালেও বাংলাদেশ এই সভাপতিত্ব লাভ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশে বাংলাদেশের ৮৩টি মিশনের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসার কারণে এই কূটনৈতিক সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মিশনগুলোতে নারীসহ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সাহস, সহনশীলতা ও আত্মত্যাগের কারণে জাতিসংঘে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশেষ সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে।
অর্থনৈতিক কূটনীতির বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, সরকার ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সেবা দিতে সরকার ‘বাংলাদেশ ইনভেস্ট’ ফ্রেমওয়ার্ক চালু করেছে এবং কোম্পানি নিবন্ধনসহ বিনিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারণ করছে। এছাড়া নাগরিকদের সব তথ্য একটি একক ডেটাবেজে নিয়ে আসতে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ উদ্যোগের কাজ চলছে।
তিনি জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা সহজতর করতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ২০২৭ সালের মধ্যে ২ লাখ ‘প্রবাসী কার্ড’ ইস্যু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের বিনিয়োগের সুযোগ, ঐতিহ্য, পর্যটন, সৃজনশীল শিল্প এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্যগুলোর প্রচারণায় প্রবাসীদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহারের আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের এক নারী হাজতি অ্যাম্বুলেন্সে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে যশোরের চুরামনকাটি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মা ও নবজাতক উভয়েই বর্তমানে সুস্থ আছেন।কারা সূত্রে জানা গেছে, মহিলা হাজতি নং-৩৮০/২৬ বৃষ্টি খাতুন (১৯) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে যশোরের চুরামনকাটি এলাকায় পৌঁছানোর পর তার প্রসববেদনা তীব্র হয়ে ওঠে। পরে তিনি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।নবজাতকের জন্মের খবর পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে মা ও শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং সহযোগিতার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নবজাতকের জন্য জামাকাপড়, মশারি, বিছানাপত্র, তোয়ালে, ন্যাপকিন, ডায়পার, অলিভ অয়েলসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। এ ছাড়া মা ও নবজাতককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।এ বিষয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ জানান, কারা মহাপরিদর্শক স্যারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মা ও নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশুটি সুস্থ আছেন।কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নবজাতকের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদ যখন কার্যকরভাবে সন্তোষজনকভাবে চলছে, তখন আন্দোলনের নামে রাজপথে লংমার্চের মতো কর্মসূচিকে সাধারণ মানুষের গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘সংসদীয় রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সংসদের বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করে।’
আজ রাজধানীর বাংলাদেশ আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউট (বিলিয়া) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের পর্যালোচনা: সুশাসন, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে ‘সিটিজেন ফোরাম বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ইনিশিয়েটিভস’ (বিসিএআই)।
এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ। ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থর সঞ্চালনায় সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীসহ বিশিষ্ট রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। কিন্তু সংসদীয় বিতর্ককে অহেতুক ও দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লংমার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে দেশের সচেতন মহলকে সজাগ থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো কতটা বুঝে এসব করছে তা জানি না, তবে এই ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি নানান অপশক্তি ওঁৎ পেতে বসে থাকে।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের ফ্যাসিবাদের চর্চা, ভঙ্গুর সমাজ ব্যবস্থা ও দেউলিয়া অর্থনীতির চরম অচল অবস্থা থেকে দেশকে টেনে তুলে সরকার নতুন একটি সঠিক গতিমুখ নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। সংকট এতই গভীর ছিল যে, রাতারাতি জাদুকরী কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি সুনিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যেই সুনির্দিষ্ট নীতি নির্ধারণী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দীর্ঘমেয়াদি আমদানিনির্ভর ও ভুল নীতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মতো অপরিহার্য খাতে দেশকে আজ হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরও বলেন, এতদিন ক্ষমতায় থেকেও প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনে স্থায়ী পদক্ষেপ না নেওয়া কেবল দুর্নীতিই ছিল না, এটি ছিল জাতির সঙ্গে এক দীর্ঘমেয়াদি প্রতারণা।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কেবল সংকটের কথা বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে না, বরং প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে বিকল্প উৎস সন্ধান এবং নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সুশাসন ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে চীন ও ভারতের পাশাপাশি পণ্য আমদানির নতুন উৎস তৈরি, আমদানি ব্যয় হ্রাস ও রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে।
সংসদে গঠনমূলক আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবলমাত্র সরকারি দলকে ফাঁদে ফেলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সংসদীয় রাজনীতি ধরে রাখা যায় না। কেবল কৃত্রিম ও ভাষাভাষা সমালোচনা না করে যে কোনো বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ নিয়ে আসলে, তা দেশ পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
গোলটেবিল বৈঠকের এই নাগরিক উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এই ধরনের গঠনমূলক আলোচনা ও গবেষণা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জবাবদিহিতার চর্চাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে পাঁচটি ইইউভুক্ত দেশ। এই ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর জন্য তাদের রাখা হবে।
ডেনমার্কের এক মন্ত্রী শুক্রবার জানিয়েছেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এ উদ্যোগ শুরু করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, ইউরোপের বাইরে প্রত্যাবাসনকেন্দ্র স্থাপনের জন্য কোপেনহেগেনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডেনমার্ক, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস এই উদ্যোগে একমত হয়েছে।
ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মর্টেন বোডস্কভ বলেন, “নতুন বছরের কাছাকাছি সময়ে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের একটি অংশীদার দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি অভিন্ন সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এসব দেশ ইইউর আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনছে।
উগান্ডা ও রুয়ান্ডাকে সম্ভাব্য অংশীদার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানস প্লেভরিস জানান, লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ চালু করা।
এ বিষয়ে আলোচনা বর্তমানে ‘অগ্রসর পর্যায়ে’ রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, শুক্রবার ডেনমার্ক জানিয়েছিল, এ ধরনের ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পাঠানোর জন্য তারা প্রস্তুত থাকবে। অর্থাৎ, এটি বছরের শুরুতে নয়, বরং ২০২৭ সালের শেষ দিকে শুরু হতে পারে।
গত জুনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কঠোর অভিবাসন নীতির অনুমোদন দেয়, যার ফলে কর্তৃপক্ষের আটক করার ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়।
তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে।
এর আগে, যুক্তরাজ্য অবৈধ অভিবাসীদেরকে রুয়ান্ডায় পাঠানোর একটি পরিকল্পনা বাতিল করে।
অন্যদিকে, ইতালির উদ্যোগে আলবেনিয়ায় অভিবাসীদের প্রক্রিয়াকরণের জন্য স্থাপিত কেন্দ্রগুলো আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সেখানে প্রত্যাশার তুলনায় খুব কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ