শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৫ পি.এম
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের এক নারী হাজতি অ্যাম্বুলেন্সে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে যশোরের চুরামনকাটি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মা ও নবজাতক উভয়েই বর্তমানে সুস্থ আছেন।কারা সূত্রে জানা গেছে, মহিলা হাজতি নং-৩৮০/২৬ বৃষ্টি খাতুন (১৯) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে যশোরের চুরামনকাটি এলাকায় পৌঁছানোর পর তার প্রসববেদনা তীব্র হয়ে ওঠে। পরে তিনি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।নবজাতকের জন্মের খবর পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে মা ও শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং সহযোগিতার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। নবজাতকের জন্য জামাকাপড়, মশারি, বিছানাপত্র, তোয়ালে, ন্যাপকিন, ডায়পার, অলিভ অয়েলসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। এ ছাড়া মা ও নবজাতককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।এ বিষয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ জানান, কারা মহাপরিদর্শক স্যারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মা ও নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশুটি সুস্থ আছেন।কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নবজাতকের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদ যখন কার্যকরভাবে সন্তোষজনকভাবে চলছে, তখন আন্দোলনের নামে রাজপথে লংমার্চের মতো কর্মসূচিকে সাধারণ মানুষের গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘সংসদীয় রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সংসদের বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করে।’
আজ রাজধানীর বাংলাদেশ আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউট (বিলিয়া) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের পর্যালোচনা: সুশাসন, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে ‘সিটিজেন ফোরাম বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ইনিশিয়েটিভস’ (বিসিএআই)।
এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ। ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থর সঞ্চালনায় সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীসহ বিশিষ্ট রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। কিন্তু সংসদীয় বিতর্ককে অহেতুক ও দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লংমার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে দেশের সচেতন মহলকে সজাগ থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো কতটা বুঝে এসব করছে তা জানি না, তবে এই ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি নানান অপশক্তি ওঁৎ পেতে বসে থাকে।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত দুই দশকের ফ্যাসিবাদের চর্চা, ভঙ্গুর সমাজ ব্যবস্থা ও দেউলিয়া অর্থনীতির চরম অচল অবস্থা থেকে দেশকে টেনে তুলে সরকার নতুন একটি সঠিক গতিমুখ নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। সংকট এতই গভীর ছিল যে, রাতারাতি জাদুকরী কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি সুনিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যেই সুনির্দিষ্ট নীতি নির্ধারণী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দীর্ঘমেয়াদি আমদানিনির্ভর ও ভুল নীতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মতো অপরিহার্য খাতে দেশকে আজ হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরও বলেন, এতদিন ক্ষমতায় থেকেও প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনে স্থায়ী পদক্ষেপ না নেওয়া কেবল দুর্নীতিই ছিল না, এটি ছিল জাতির সঙ্গে এক দীর্ঘমেয়াদি প্রতারণা।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কেবল সংকটের কথা বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে না, বরং প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে বিকল্প উৎস সন্ধান এবং নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সুশাসন ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে চীন ও ভারতের পাশাপাশি পণ্য আমদানির নতুন উৎস তৈরি, আমদানি ব্যয় হ্রাস ও রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে।
সংসদে গঠনমূলক আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবলমাত্র সরকারি দলকে ফাঁদে ফেলার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সংসদীয় রাজনীতি ধরে রাখা যায় না। কেবল কৃত্রিম ও ভাষাভাষা সমালোচনা না করে যে কোনো বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ নিয়ে আসলে, তা দেশ পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
গোলটেবিল বৈঠকের এই নাগরিক উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এই ধরনের গঠনমূলক আলোচনা ও গবেষণা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জবাবদিহিতার চর্চাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে পাঁচটি ইইউভুক্ত দেশ। এই ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর জন্য তাদের রাখা হবে।
ডেনমার্কের এক মন্ত্রী শুক্রবার জানিয়েছেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এ উদ্যোগ শুরু করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, ইউরোপের বাইরে প্রত্যাবাসনকেন্দ্র স্থাপনের জন্য কোপেনহেগেনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডেনমার্ক, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস এই উদ্যোগে একমত হয়েছে।
ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মর্টেন বোডস্কভ বলেন, “নতুন বছরের কাছাকাছি সময়ে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের একটি অংশীদার দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি অভিন্ন সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এসব দেশ ইইউর আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনছে।
উগান্ডা ও রুয়ান্ডাকে সম্ভাব্য অংশীদার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানস প্লেভরিস জানান, লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ চালু করা।
এ বিষয়ে আলোচনা বর্তমানে ‘অগ্রসর পর্যায়ে’ রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, শুক্রবার ডেনমার্ক জানিয়েছিল, এ ধরনের ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পাঠানোর জন্য তারা প্রস্তুত থাকবে। অর্থাৎ, এটি বছরের শুরুতে নয়, বরং ২০২৭ সালের শেষ দিকে শুরু হতে পারে।
গত জুনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কঠোর অভিবাসন নীতির অনুমোদন দেয়, যার ফলে কর্তৃপক্ষের আটক করার ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়।
তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে।
এর আগে, যুক্তরাজ্য অবৈধ অভিবাসীদেরকে রুয়ান্ডায় পাঠানোর একটি পরিকল্পনা বাতিল করে।
অন্যদিকে, ইতালির উদ্যোগে আলবেনিয়ায় অভিবাসীদের প্রক্রিয়াকরণের জন্য স্থাপিত কেন্দ্রগুলো আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সেখানে প্রত্যাশার তুলনায় খুব কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিউবায় অন্ত্রের রোগ ও ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) হাভানায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ভ্রমণকারী ও বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ আটকে রেখেছে।
সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, কিউবায় ডায়রিয়াজনিত রোগের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে, যা পানি ও জ্বালানি অবকাঠামোর ক্রমাগত অবনতির সাথে সম্পর্কিত। এই অবনতি পানি সরবরাহ এবং খাদ্য সংরক্ষণ ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এই কমিউনিস্ট শাসিত দ্বীপটিতে জ্বালানি অবরোধ আরোপ করার নয় মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সতর্কতা এল। এই অবরোধের ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে খাবার সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার বিষয়টি জটিল হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘ-নিযুক্ত মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের এই জ্বালানি অবরোধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। আগস্ট মাসে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল সতর্ক করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার ফলে দ্বীপটিতে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবিক পরিণতি ইতোমধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ সংকটের রূপ নিচ্ছে, যা স্বাস্থ্য, জীবন, খাদ্য ও উন্নয়নের অধিকারকে হুমকির মুখে ফেলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, দ্বীপটির সরকার পরিবর্তনে বাধ্য করার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জরুরি। ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রোর বিপ্লবের পর থেকেই এটি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। ট্রাম্প কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
কিউবার বাসিন্দারা বেশ কয়েক মাস ধরে ব্যাপক অসুস্থতার অভিযোগ করে আসছেন; এসব অসুস্থতার ফলে কয়েক দিন ধরে ডায়রিয়া, জ্বর ও শরীর ব্যথা দেখা দিচ্ছে এবং অনেকে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ছেন। ক্যারিবীয় অঞ্চলের ভ্যাপসা গরমের সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা ফ্যান ছাড়া ঘুমানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে রেফ্রিজারেশন বা হিমায়ন ব্যবস্থা ছাড়া খাবার সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধের কারণে দিনের পর দিন বিদ্যুৎহীন থাকা এখন সেখানে একটি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার জারি করা মার্কিন স্বাস্থ্য সতর্কবার্তায় কিউবার ভ্রমণকারী ও বাসিন্দাদের সংরক্ষিত পচনশীল খাবারের পাশাপাশি এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপমাত্রায় রাখা খাবার পরিহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষের মাঝে মানবিক সংকটের সমাধানের জন্য ব্রিটেনকে ‘আরও বড় ও চূড়ান্ত পদক্ষেপ’ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড।
তিনি একটি ভিডিও বার্তায়, যা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছে, উল্লেখ করেন, ‘গাজায় সরাসরি অবস্থান করছেন এবং সম্প্রতি সেখান থেকে ঘুরে এসেছেন-এমন ব্যক্তিদের সাথে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে এইমাত্র বের হলাম। সত্যি বলতে, সেখানে যা ঘটছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ।’
এছাড়া, তিনি জানান, বিশেষজ্ঞরা তাঁকে সতর্ক করে বলেছেন যে ‘ওষুধ পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে’ এবং ‘জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার অপেক্ষায় থেকে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে।’
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যুক্তরাজ্য সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের অবশ্যই কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে এবং এখন পর্যন্ত যা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার চেয়েও আরও জোরালো ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।’
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ